কাদিয়ানী রদ! (১)
(৫ম ভাগ)
(কুতুবুল ইরশাদ, মুবাহিছে আয’ম, বাহরুল উলূম, ফখরুল ফুক্বাহা, রঈসুল মুহাদ্দিছীন, তাজুল মুফাস্সিরীন, হাফিযুল হাদীছ, মুফতিউল আ’যম, পীরে কামিল, মুর্শিদে মুকাম্মিল হযরতুল আল্লামা মাওলানা শাহ্ ছূফী শায়খ মুহম্মদ রুহুল আমিন রহমতুল্লাহি আলাইহি কর্তৃক প্রণীত “কাদিয়ানী রদ” কিতাবখানা (৬ষ্ঠ খ-ে সমাপ্ত) আমরা মাসিক আল বাইয়্যিনাত পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করছি। যাতে কাদিয়ানীদের সম্পর্কে সঠিক ধারণাসহ সমস্ত বাতিল ফিরক্বা থেকে আহ্লে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের অনুসারীদের ঈমান-আক্বীদার হিফাযত হয়। আল্লাহ্ পাক আমাদের প্রচেষ্টায় কামিয়াবী দান করুন (আমীন)। এক্ষেত্রে তাঁর কিতাব থেকে হুবহু উদ্ধৃত করা হলো, তবে তখনকার ভাষার সাথে বর্তমানে প্রচলিত ভাষার কিছুটা পার্থক্য লক্ষণীয়)।
(ধারাবাহিক)
والارض اولا بصورة اجمالية لا تفريق فيها ولا ترتيب ثم فرقتها ورتبتها بوضع هو مراد الحق وكنت اجد نفسى على خلقها كا فلادرين ثم خلقت السماء الدنيا وقلت انا زينا اسماء الدنيا بمصابيح ثم قلت الان نخلق الانسان من سلالة من طين.
“আমি এই অবস্থায় ছিলাম, আমি বতে লাগিলাম, আমি নূতন বন্দোবস্ত, নূতন আছমান ও নূতন জমি সৃষ্টি করিতে চাহি, তৎপরে আমি প্রথমে এজমাল ভাবে আছমানগুলি ও জমি সৃষ্টি করিলাম-তৎসমস্তের মধ্যে পাথক্য ও তরতিব ছিল না, তৎপরে আমি আল্লাহতায়ালার ইচ্ছা অনুরূপ তৎসমস্তকে পৃথক পৃথক করিলাম এবং নিয়মিত করিলাম। আর আমি নিজেকে তৎসমুদয় সৃষ্টি করিতে সৃষ্টিকতাদের ন্যায় পাইলাম। তৎপরে নিস্ব আছমান সৃষ্টি করিলাম এবং বলিলাম, নিশ্চয় আমি প্রদীপ সমূহ দ্বারা নিম্ন আছমানকে সৌন্দয্য বিশিষ্ট করিয়াছি এবং বলিলাম, এখন আমি কদ্দমের সার হইতে মনুস্যকে সৃষ্টি করিব।”
পাঠক, মিজ্জা ছাহেব এস্থলে আছমান, যমীন ও মনুষ্যের সৃষ্টিকর্ত্তা হওয়ার দাবি করিয়াছেন।
বারাহিনে-আহমদীয়া, ৫।৯৫ পৃষ্ঠা;-
انما امرك اذا اردت شيأ ان تقول له كن فيكون.
“তোমরা কায্য এই যে, যখন তুমি কোন বিষয় ইচ্ছা করিবে, তুমি বল, হইয়া যাও, ইহাতে উহা হইয়া যাইবে।”
এইরূপ আল-বোশরা কেতাবের ২।৪৭।৫০ পৃষ্ঠায় এই এলহামের কথা লিখিত হইয়াছে। ইহাতে মিজ্জা ছাহেবের খোদাই শক্তি লাভের দাবি করা হইয়াছে।
১৯। মাওয়াহেবোরে রহমান, ৫ পৃষ্ঠা;-
اعلم ان الاسباب اصل عظيم للشرك الذى لا يغفر وانها اقرب ابوب الشرك واو سعها للذى لا يحذر وكم من قوم اهلكهم هذا الشرك وارديا فصاروا كا لطبيعيين والدهريين.
“তুমি জানিযা রাখ যে, প্রাথমিক ছবরগুলি শেরকের বড় মূল যাহা মাফ হইবে না এবং ইহা শেরকের দ্বারগুলির মধ্যে সমধিক নিকট ও প্রশস্থ দ্বার ঐ ব্যক্তির সম্বন্ধে যে শেরক হইতে পরহেয করে না। অনেক দল এরূপ আছে-যাহাদিগকে এই শেরক ধ্বংস করিয়াছে, ইহাতে তাহারা নেচারি ও দহরিয়া হইয়া গিয়াছে।” (অসমাপ্ত)