সাইয়্যিদ মুহম্মদ মুনিস মুর্শেদ
لقد خلقنا الانسان فى احسن تقويم.
অর্থঃ- “নিশ্চয়ই আমি ইন্সানকে সুন্দরতম আকৃতিতে সৃষ্টি করেছি।” (সূরা ত্বীন/৪)
বাহ্যিক অবয়বের সৌন্দর্যকে বলা হয় হুসনে খলক্ব। আর আল্লাহ্ পাক-এর রসূল হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সর্বশ্রেষ্ঠ করে সৃষ্টি করা হয়েছে।
হযরত হাস্সান বিন সাবিত রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন,“আপনার চাইতে অধিক সুন্দর আমার এ চোখ কখনোই দেখেনি। আপনার চাইতে সর্বশ্রেষ্ঠ মহাসুন্দর মানব কোন মহিলা জন্ম দান করেনি।”
আর হযরত আলী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন,
لم ار قبله ولا بعده مثله.
অর্থঃ- “আমি হযরত রসূলুল্লাহ্ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর পূর্বে বা পরে তাঁর মত সৌন্দর্যময় আর কাউকে দেখিনি।”
উম্মুল মু’মিনীন হযরত আয়েশা ছিদ্দীকা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা বলেন,
لو اخى زليخا لو رأين حبيبه لأثرن بالقطع القلوب على اليد.
“যুলায়খার সাথীগণ হযরত ইউসুফ আলাইহিস্ সালাম-এর সৌন্দর্য দেখে হাত কেটে ফেলেছিলো। যদি তারা হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর দর্শন লাভ করত তবে তাঁর সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে হৃদয় কেটে ফেলতো।” যদিও তাঁর সৌন্দর্য যমীনে সম্পূর্ণ প্রকাশিত হয়নি।
এ প্রসঙ্গে আল্লামা কুরতুবী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন,
“হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সৌন্দর্য (উভয় প্রকার) যমীনে প্রকাশ করা হয়নি। আর না কোন চোখ তা দেখার ক্ষমতা রাখে। যতটুকু প্রকাশ করা হয়েছে তাতেই কুল মাখলুকাত মাতোয়ারা। মূলতঃ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকেই সবাইকে সৌন্দর্য দান করা হয়েছে।
আশেকে রসূল, খাজা হাফিয রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন,
يا صاحب الجمال ياسيد البشر من وجهك المنير لقد نور القمر.
অর্থঃ- “হে সৌন্দর্যের অধিপতি! হে মানবজাতির নেতা! আপনার চেহারা মুবারকের নূর থেকেই চাঁদ আলোকিত হয়েছে।”