ফের জান্নাত হতে আসিল শান্তি, সজীবের বাহু পেতে,
রেযাখানী দ্বীন ভেঙ্গে খান খান, রাজারবাগীর হাতে।
আর ধীরে ধীরে নয় দ্রুতগতি,
ফের চুরমার হয় দুর্মতি।
নিপীড়িত হয়ে খরতার স্রোতে ভেসে ভাগে বহু দূর,
রেজভী রাঘবি ডুবু ডুবু তারা ছল্ গারে সুরাসুর।
ঘুণে ধরা ঐ রেযাখানী ফরমান,
খ্রীষ্ট হস্তে করিছে গো শীর দান।
করিছে যো তারা স্বার্থের তরে ইহুদী নমরে প্রণাম,
তবু ভাঙ্গা ঠেঙ্গে লাফায় তাহারা গ্রহিছে কালিমা দাম।
ইনিয়ে বিনিয়ে ভনিতা বনিছে,
জপন চাহনী ব্যাঙ্গ বহিছে,
শুনরে শুন ঐ মরক ভুগী খেকশিয়ালের পাল,
দূরে বসে তুই খুক খুক কর ভয়ে কেন উত্তাল?
কেবল কলমি অস্ত্রের শানখানা আমি করিলাম দেওয়া শুরু,
সেই শানের আওয়াজে ফযলু গংএর দিল কাঁপে দুরু দুরু।
ঐ ক্ষুরধার ত্যাজ কলমি তীর,
কেটে যায় কাটে খবিছি শীর।
রে মগা ফজলু, বগা ঠোঁটে তুই মাপিস্ সাগর পানি?
রেজভী আক্বীদায় উল্টাতে চাহো সুন্নাহ্র গুনাগুনি।
শয়তানী কায়ায় করছিস উল্লাস,
হায়না গিরীর প্রকাশিলী উচ্ছ্বাস।
হায়! সাহস কি তোরে জানায় করিছে আমূল সর্বনাশ?
উই পোকা হয়ে সূর্যের বুকে শাবল হানিতে চাস্?
তাই আদার ব্যাপারী জাহাজি খবরে, ফজলু গাধায় কহে,
কেবল রাজারবাগীদের কাফন পরাবে মনটায় তার চাহে।
আকাশ কুসূম না চাঁদের হাড়ী,
কল্পি মর্দে ভাঙ্গতে পারি?
রে বেয়াদব, তোর চোখের সামনে খুলিয়া পরিছে ম্যাকি,
পড়াতে যেয়ে পড়লি কাফন রহিল না আর বাকি।
দেখিস্ কি তোর নাকের ডগায় হিজাব খুলিয়া ঝুলে?
রে বেলাজ তুই দর্পন মাঝে দেখরে চক্ষু মেলে।
দেখ তোর বাতিলি কুদন পুরে,
ঐ মলাগারে পঁচে মরে।
চামচিকা হয়ে বাজ পাখি গলে চিৎকার জোরে শোরে,
ঐ চিৎকারে তোর কক্ত ছিড়িয়া রক্ত ঝরিয়া পড়ে।
ফের শার্দুল গিরী পর্দায় গেল, সর্দারী খোয়া যায়,
নকল ফানুসে বেহুশ ফজলু জগ্লু ভূমিকা নেয়।
ফজলু গং এর ফটকা বাজী,
নাচিতেছ ফের সুযোগ খুঁজী?
আর নয় ওরে, ছাড় নয়, শুনে রাখ রেযা ছাগ্,
আল্লাহ্ জালালী মুজাদ্দিদ ওলী আসেন রাজারবাগ।
রাজারবাগীরা খঞ্জর হানে রেযাখানী শীর মূলে,
ফজলু গং-এর পোদ্দারি গেল গাদ্দারি লেজ তুলে।
ঐ চিৎকার তোর, ফুৎকারে নিভে সত্যের বায়ু ধরে,
উল্কার বেগে ভেল্কির মেলা ছল্কিরে গাঁথে চিড়ে।
তাই তাওহীদ ঐ ঘোষিল হায়,
সত্য আসিল, মিথ্যা বিদায়।
উত্থান হয় সুন্নি জামায়াত, কায়িম রাখিছেন আল্লাহ্ পাক,
রাজারবাগীরা সেই জামায়াত পুত করিছেরে জমিনি খাক্।
বাইয়্যিনাতের বয়ানে তোদের কপালে পরিছে বেত্রাঘাত,
দেখ ফজলু গংরে কুঠার মারিয়া সত্য প্রকাশে মাকতুবাত।
হচ্ছে জাহির রেজভী কীর্তি,
চূড়ি পরিয়া করিছে ষ্ফূর্তি।
তারা হুক্কা হুয়ায় বাহাছ ঘোষে পালাবার পথ রেখে,
হায় রসূলের শের হেরিয়া অমনি, লুকায় কালিমা মেখে।
রেজভীদের হায় এইতো সাহস খ্রীষ্টানী ভর করে,
হিন্দুরে তারা চান্দা ভেজিয়া আশ্রয় খুঁজে ফিরে।
শাহ সাইয়্যিদী নূর নিশান,
তাঁর উত্তরসূরী আমরাই আগুয়ান।
সারাবিশ্বের মুসলিম মাঝে প্রকাশ হলরে রেজভী রূপ,
খ্রীষ্ট দালাল, নমর আলাল, ভয়াল রেজারা হচ্ছে চুপ।
ঐ ঘৃণ্য রেজভী জঘণ্য তারা, ইসলামী দুশ্মন,
তারা মুসলিম মাঝে বিষাক্ত কীট থাকিব সতর্কন।
-বিশ্বকবি, মুহম্মদ মুফাজ্জল হুসাইন, কারপাশা, মুন্সীগঞ্জ।
হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মকবুলে মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ রহেন উজ্জ্বলে-১৮৬
খোলা চিঠির খোলা জবাব- (১) : আল বাইয়্যিনাত-এর দলীলের বলে – রেযাখানী গোষ্ঠী গেল সকলের পদতলে
খোলা চিঠির খোলা জবাব- (২) আল বাইয়্যিনাত-এর দলীলের বলে, রেযাখানী গোষ্ঠী গেল সকলের পদতলে
খোলা চিঠির খোলা জবাব- (১) আল বাইয়্যিনাত-এর দলীলের বলে, রেযাখানী গোষ্ঠী গেল সকলের পদতলে
খোলা চিঠির খোলা জবাব- (১) আল বাইয়্যিনাত-এর দলীলের বলে, রেযাখানী গোষ্ঠী গেল সকলের পদতলে