আনজুমানে আল বাইয়্যিনাত সংবাদ

সংখ্যা: ৯৪তম সংখ্যা | বিভাগ:

আল বাইয়্যিনাত প্রতিবেদন : আনজুমানে আল বাইয়্যিনাত-এর মজলিস রহমত, বরকত, ছাকিনার মজলিস। মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, “হে হাবীব, আপনি ঐ সমস্ত লোকদের ছোহবত এখতিয়ার করুন, যারা সকাল-সন্ধ্যা যিকির আযকার করে থাকে।” এ মজলিস প্রকৃত পক্ষে উক্ত আয়াত শরীফ উনারই মেছদাক।”

বলা হয়েছে যে আনজুমান করবে এবং করাবে, যে এ মজলিসের মাধ্যমে আল বাইয়্যিনাত পড়বে এবং পড়াবে তার মাধ্যমে যত লোক এ কাজ করবে তাদের সকলের সমপরিমাণ ছওয়াব প্রথম পথ দেখানে ওয়ালা পাবে।

ইমামুল আইম্মা, মুহইস সুন্নাহ, মুজাদ্দিদুয যামান; গাউসুল আযম, সুলতানুল নাছির, আফজালুল আউলিয়া, সাইয়্যিদুল আউলিয়া, হাবীবুল্লাহ, আওলাদুর রসূল, ঢাকা রাজারবাগ শরীফ উনার হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি কেন্দ্রীয় আনজুমানে আল বাইয়্যিনাত-এর মজলিসে আলোচনা কালে একথা বলেন।

তিনি বলেন, বান্দার দায়িত্ব ও কর্তব্য হলো- দোয়া করা যে, “হে মহান আল্লাহ পাক! আমাদেরকে সরল পথ প্রদর্শন করুন।” সরল পথ সেটা হচ্ছে নবী এবং আউলিয়ায়ে কিরামগণ উনাদের পথ। সে পথ পেতে হলে কি করতে হবে এবং কোনটা হক্ব পথ। কোনটা না হক্ব পথ, কোন পথে মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার রসূল সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সন্তুষ্টি-রেযামন্দি হাছিল করা যাবে সেটাই মাসিক আল বাইয়্যিনাতে আলোচনা করা হয়ে থাকে।

তিনি বলেন, অনেক জায়গায় আমরা সফরে গিয়েছি। সেখানে আমরা দেখেছি, অনেক আলিম-উলামা, সূফী-দরবেশ তারা প্রত্যেকেই বলেছেন যে, “আমরা মাসিক আল বাইয়্যিনাতকে শুধু মাত্র পত্রিকা হিসেবেই গ্রহণ করিনা। এটাকে আমরা একটা নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত কিতাব হিসেবে গ্রহণ করে থাকি এবং এটাকে আমরা যত্মের সাথে সংরক্ষণ করে থাকি। কেননা এরমধ্যে যে সমস্ত বিষয় রয়েছে তাতে আমাদের ঈমান হিফাযত হয়ে থাকে। বেশরা-বিদয়াত যারা রয়েছে, ওহাবী-খারিজী, মুতাযিলা-রাফিজী যারা রয়েছে, এদের সাথে দলীল-আদিল্লা দিয়ে অতীতে কখনো আমরা পারিনি, কিন্তু মাসিক আল বাইয়্যিনাত প্রকাশিত হওয়ার পর এর দলীলের মাধ্যমে আমরা তাদের উপর সব জায়গায়ই কামিয়াবী হাছিল করতেছি।”

তিনি বলেন, আমরা আরেকটা বিষয় দেখেছি এবং জেনেছি, সারা বাংলাদেশে শত-সহ¯্র লোক তারা বলেছে, “আমরা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মাসিক আল বাইয়্যিনাত মুখস্থ রাখি, কোন পৃষ্ঠায়, কোন লাইনে, কোন প্যারাতে কি রয়েছে সেটা আমাদের মুখস্ত। পত্রিকা পেলে আমরা একাধারা পড়তে থাকি মুখস্ত না হওয়া পর্যন্ত। যখন মুখস্ত হয়ে যায় তখন আমরা পরবর্তী সংখ্যা পত্রিকার অপেক্ষায় থাকি।”

কাজেই এটাকে গুরুত্ব দিয়ে, এটার গুরুত্ব অনুধাবণ করে প্রত্যেককেই মাসিক আল বাইয়্যিনাত পাঠ করতে হবে, পাঠ করার ব্যবস্থা করতে হবে। আনজুমান করে সেখানে আলোচনা করে মানুষকে বুঝাতে হবে নিজেকেও বুঝতে হবে।

আনজুমানে আল বাইয়্যিনাত সংবাদ

আনজুমানে আল বাইয়্যিনাত ও মাহফিল সংবাদ

আনজুমানে আল বাইয়্যিনাত ও মাহফিল সংবাদ

আনজুমানে আল বাইয়্যিনাত ও মাহফিল সংবাদ

আনজুমানে আল বাইয়্যিনাত ও মাহফিল সংবাদ