“এমন সময় দেখি আবার হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনি এসেছেন। উনার বয়স নয়-দশ বছর হবে। উনি একটু দূরে। একটা কল আছে। সেখানে হাত-পা মুবারক ধুইতেছেন। এই অবস্থাতে ঘুম ভেঙ্গে গেল। ফক্বীহুল উম্মত হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনি হালকা-পাতলাই ছিলেন, হালকা-পাতলা, সাত-আট বছর বয়স। বললাম, আপনি শিখেছেন ওখান থেকে। উনি বললেন, “হ্যাঁ, শিখেছিতো।” আমাদেরকে বলেন কিছু। আমি বললাম, “আমরা তো মহাসমস্যায় আছি। কোন্ সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ কখন নাযিল হয়েছেন, কি নাযিল হয়েছেন, কোনো কিতাবে পাওয়া যায় না। তাফসীরটা কি বলেন। উনি বললেন, “হ্যাঁ বলবো।” পরে আর বলার সময় হয়নি। তখন ঘুম ভেঙ্গে গেলো।”
“ উনি নিজেই বলেছেন যে, “উনি ইমামুল আউওয়াল আলাইহিস সালাম উনার কাছে পুরো তাফসীর পড়েছেন। বলেছিলাম, “আপনার হাত মুবারকটা দেন, আমি বুছা দেই। যেহেতু এই হাত মুবারক দিয়ে আপনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে স্পর্শ মুবারক করেছেন।” বুছা আর দেয়া হয়নি পরে। এখন নিসবত-কুরবত ছাড়াতো হয় না।”
“হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম এবং হযরত ফক্বীহুল উম্মত রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনি, অর্থাৎ উনারা দুইজন। আর ঐ দিকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ হযরত ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনি। উনারা এই তিনজন সরাসরি বলেছেন, “মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ কোথায়, কখন, কি নাযিল হয়েছেন, সব আমরা জানি। উনাদের তিনজনের থেকে এই বক্তব্য মুবারক আছে। অন্যান্যদেরও আছে। উনারা তিনজন সরাসরি বলেছেন।”
(আরজী: দাদী হুযূর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম উনার দুনিয়াবী দৃষ্টিতে বয়স মুবারক তো অনেক ছিলেন। কেমন দেখেছেন?)
(জবাব মুবারক: স্বাভাবিকই দেখেছি। স্বাভাবিক মানে পঞ্চাশ-ষাট বছর এই রকম)
(আরজী: দাদী হুযূর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম উনি পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন?)
(জবাব মুবারক:) হ্যাঁ, পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন। আমি গেলাম, দেখলাম। বললাম, ‘কে’? উনি বললেন যে, উনি ফকীহুল উম্মত হযরত আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু। এইভাবে বলেছেন। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম) আমি দেখলাম, খুশি হলাম। উনিও খুশি হলেন। খুব ভালো। উনার বয়স ৭-৮ বছর হবে।
(চলবে)