ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ্ শরীফের আলোকে- পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের কর্তব্য

সংখ্যা: ৯৫তম সংখ্যা | বিভাগ:

(ধারাবাহিক)

          আর এরপর যে ঘটনা রয়েছে সে সম্পর্কে আল্লাহ্ পাক আয়াত শরীফও নাযিল করেছেন। বণী তামীম গোত্রের যিনি সর্দার ছিলেন, হযরত দাহিয়াতুল ক্বালবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু। তিনি বর্ণনা করেছেন যে করুণ কাহিনী, তা বলার অপেক্ষা রাখেনা। আল্লাহ্ পাক সে প্রসঙ্গে আয়াত শরীফ নাযিল করেছেন। হযরত দাহিয়াতুল ক্বালবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু, যিনি ৭ম হিজরীতে ইসলাম গ্রহণ করেছেন। কেউ বলেছেন, উনি মদীনা শরীফে হিজরত করার পর পরই ইসলাম গ্রহণ করেছেন। একাধিক মত রয়েছে।

          সেই হযরত দাহিয়াতুল ক্বালবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু এসে একদিন বললেন, “ইয়া রসূলাল্লাহ্, ইয়া হাবীবাল্লাহ্ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি এসেছি আপনার কাছে ইসলাম গ্রহণ করার জন্য। ইসলাম গ্রহণ করার জন্য এসেছি।” বলার ফলে আল্লাহ্ পাক-এর রসূল সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্নাবিয়্যীন, হাবীবুল্লাহ্ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাত বাড়িয়ে দিলেন। তওবা করার জন্য তিনিও হাত বাড়িয়ে দিলেন। আল্লাহ্ পাক-এর রসূল সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্নাবিয়্যীন, হাবীবুল্লাহ্ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাত বাড়ানোর সাথে সাথে তিনি হাত পিছিয়ে নিলেন, হাত গুটিয়ে নিলেন, হাত বন্ধ করে নিলেন। আল্লাহ্ পাক-এর হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্নাবিয়্যীন, হাবীবুল্লাহ্ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “হে দাহিয়াতুল ক্বালবী! তোমার কি হলো? তুমি হাত দিয়ে হাত পিছিয়ে নিলে, গুটিয়ে ফেললে!” তিনি বললেন, “ইয়া রসূলাল্লাহ্, ইয়া হাবীবাল্লাহ্ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমার অনেক গুণাহ্ রয়েছে, অনেক গুণাহ্খতা রয়েছে। আরবের যমীনে আমার মত গুণাহ্ করেছে এমন লোক খুঁজে পাওয়া দুস্কর হবে। এখন আমি তো ইসলাম গ্রহণ করবো, তওবা করবো, ঈমান আনবো; কিন্তু আমার পিছনের গুনাহ্খতাগুলি ক্ষমা করা হবে কি?”

যেহেতু আল্লাহ্ পাক বলেন,

وما ينطق عن الهوى ان هو الا وحى يوحى.

“আল্লাহ্ পাক-এর রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ওহী ছাড়া নিজ থেকে কোন কথা বলেননা।” (সূরা নজম/৩-৪)

          তাই তিনি চুপ করে রইলেন ওহীর জন্য এবং জিজ্ঞাসা করলেন যে, “তোমার কি গুণাহ্খতা রয়েছে? তুমি কি এত গুণাহ্ করেছ? আরবের যমীনে তোমার থেকে কেউ বেশী গুণাহ্ করেনি, সেটা কি?” তিনি বললেন, “ইয়া রসূলাল্লাহ্, ইয়া হাবীবাল্লাহ্ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনার তো জানা রয়েছে, আমাদের আরবের মুলূকে মেয়েদেরকে হত্যা করা হয়।” বললেন, “হ্যাঁ জানা রয়েছে।” “আমি সেই মেয়ে হত্যাকারীদের সর্দার ছিলাম। আরব দেশে যারা মেয়ে হত্যা করতো তাদের সর্দার আমি। আমার নির্দেশে অনেক মেয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমি নিজেই ৭০টা মেয়েকে হত্যা করেছি। (নাউযুবিল্লাহ্)

          এবং সর্বশেষ যে হত্যা আমি করেছি সে দৃশ্যটা আমার চোখে এখনো ভাসছে, আওয়াজটা এখনও আমার কানে আসছে। যখন সে দৃশ্যটা আমার চোখে ভেসে উঠে, আমার অন্তরে সে আওয়াজটা আঘাত করে, আমার পক্ষে সেটা বরদাশ্ত করা খুব কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।” তখন আল্লাহ্ পাক-এর রসূল হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জিজ্ঞাসা করলেন, “তোমার সে ঘটনা কি?” তিনি বললেন যে, “৭০টা মেয়েকে আমি হত্যা করেছি। ৬৯টা অপরের মেয়ে হত্যা করেছি। শেষ যেটা ছিল সেটা আমার নিজের মেয়ে। আমি বিদেশে ছিলাম। আমার সন্তান হলো, সংবাদ নিলাম। বলা হলো, একটা ছেলে হয়েছে। আমাকে সত্য কথা বলা হয়নি। ছেলে হয়েছে বলা হয়েছে আমি সেটা শুনে খুশি হলাম। বেশ কিছুদিন পরে বাড়ীতে আসলাম। প্রথম মেয়েটাকে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল আমার থেকে। মেয়েটা যখন একটু বড় হলো, চলাচল করলো, পিতা-মাতা বলে, আব্বা-আম্মা বলে ডাকতে পারে, মুহব্বত প্রকাশ করতে পারে এমন অবস্থায় যখন পৌঁছলো তখন সেই মেয়েটাকে আমার সামনে আনা হলো। আমি দেখলাম মেয়েটাকে। দেখে সত্যিই আমার মুহব্বত হলো। মেয়েটা আমার কাঁধে চড়তো, আমার আশে-পাশে চলাচল করতো। কিন্তু মেয়ের প্রতি আমার মুহব্বত কিছু ছিল। কিন্তু তারপরেও আমার অজান্তে আমার মনের মধ্যে একটা ব্যাথা ছিল। সেটা হলো, আমি মেয়ে হত্যাকারীদের সর্দার। আমার একটা নীতি রয়েছে। আমি মানুষের মেয়েকে হত্যা করিয়ে থাকি। আর আমার মেয়ে আমার ঘরে থাকবে এটা কি করে হতে পারে? কাজেই এটা সম্ভব নয়। যা বার বার আমার মনে আঘাত লাগতেছিল। একথাটা আমার মনে ছিল যে, কি করে এটার ফায়সালা করা যায়। কিন্তু মেয়ের মুহব্বতে আমি সেটা পারতেছিলামনা। কিন্তু আমার মন বার বার বলছিল করতেই হবে। মেয়ে আস্তে আস্তে বড় হলো, কথা-বার্তা বলে, চলাচল করে, দৌঁড়াদৌঁড়ি করে এবং টুকটাক আমার কিছু খিদমতও সে করে।

          এবং বলা হয়েছে যে, হযরত দাহিয়াতুল ক্বালবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু খুব ছূরত ছিলেন। খুব সুন্দর ছিল তাঁর আকার-আকৃতি এবং তাঁর চেহারা মুবারক।

          এজন্য বলা হয় যে, হযরত জিব্রাঈল আলাইহিস্ সালাম সাধারণতঃ হযরত দাহিয়াতুল ক্বালবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু-এর ছূরত মুবারকে আসতেন। তিনি বললেন যে, “আমি যেমন খুব  ছূরত, আমার মেয়ে তার চাইতেও বেশী খুব ছূরত হয়েছিল। যে একবার দেখবে তার অবশ্যই মুহব্বত হবে, পছন্দ হবে।

           ছোট মেয়ে চলাচল করে, দু-চার পাঁচ বছর বয়স হয়েছে। তার মা চিন্তাই করতে পারেনি যে, আমি মেয়েকে কোন দিন হত্যা করবো। একদিন আমি তার মাকে বললাম যে, “এক কাজ কর, আমি দাওয়াতে যাবো। তাকে গোছল করিয়ে দাও”। তখন যেহেতু মেয়ের মা সেটা কল্পনাই করতে পারেনি। এখন বড় হয়েছে। অনেকদিন হয়েছে নিশ্চয়ই তার মুহব্বত হয়েছে। গোছল করিয়ে নতুন কাপড় পরিয়ে সাজ-গোজ করে দিয়ে দিল পিতার সাথে। তিনি বললেন যে, “আমি চাদর পরে নিলাম, তার নিচে মাটি খোড়ার মত কিছু যন্ত্রপাতি নিয়ে নিলাম সকলেরই অজান্তে। কেউ সেটা টের পেলোনা। মেয়েটা খুশী, পিতার সাথে দাওয়াত খেতে যাবে, নতুন পোষাক-পরিচ্ছদ পরেছে, গোছল করেছে, সাজ-গোজ করেছে। বাচ্চা মেয়ে অবশ্যই তার একটা আলাদা আরজু রয়েছে। সেই মেয়েটাকে নিয়ে আমি বের হয়ে গেলাম। অনেক দুর গেলাম। জঙ্গলে গিয়ে পৌঁছলাম। জঙ্গল দিয়ে হাঁটতে লাগলাম। হাঁটতে হাঁটতে যখন একস্থানে গিয়ে পৌঁছলাম মেয়েটার পিপাসা লাগলো গরমে। সে বললো, আমাকে আরজু করে অনেক আদর-সোহাগ করে যে, “আব্বা আমি পানি পান করবো!” তখন আমি বললাম, আমার সুযোগ হয়েছে। এখন আমি যন্ত্রপাতিগুলো বের করে মাটি খুঁড়তে লাগলাম এবং তাকে বুঝালাম যে, তোমাকে পানি পান করানোর জন্যই আমি এখানে গর্ত খুঁড়তেছি, মেয়ে সেটা বুঝে নিল। গর্ত খুঁড়ার সময় স্বাভাবিকভাবেই কিছু ধুলা-বালি শরীরে লেগে থাকে। আমার কাপড়ে, শরীরেও ধুলা-বালি পড়তেছিল। মেয়েটা এসে আমার সেগুলো পরিস্কার করে দিচ্ছিল। আমার শরীরে যে ধুলা-বালি, ময়লাগুলো পড়তেছিল সে সেটা পরিস্কার করে দিচ্ছিল পর্যায়ক্রমে। এতটুকু তার মুহব্বত ছিল। কিন্তু এরপরেও তার জন্য আমার মনটা এতটুকুও কাঁদেনি বা আমার মনে ব্যাথা আমি অনুভব করিনি। এত পাষাণ, শক্ত হৃদয় আমার ছিল। শেষ পর্যন্ত যখন গর্ত হয়ে গেল, বেশ বড় গর্ত হয়ে গেল, মেয়েটা বার বার বলতেছিল পানির জন্য। শেষ পর্যন্ত যখন সে আরজু করতে লাগলো। গর্ত বড় হয়ে গেলে আমি মেয়েটাকে বললাম, দেখতো পানি দেখা যায় কিনা? মেয়েটা যখন উপূড় হয়েছে পানি দেখার জন্য আমি পিছন থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিলাম। মেয়েটা যখন গর্তে পড়ে গেল, পরে গিয়ে সে আব্বা! আব্বা! বলে চিৎকার করতে লাগলো।” হযরত দাহিয়াতুল ক্বালবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বর্ণনা করেন যে, “আমি এত পাষাণ ছিলাম, তার সে চিৎকারটাকে আমি পরওয়া করলামনা। আমার হাতের কাছে ইট, পাটকেল যা ছিল সেগুলো আমি নিক্ষেপ করে তার মাথাটা ফাটিয়ে চৌচির করে দিলাম এবং সাথে সাথে আশে পাশে যা মাটি ছিল সেটা নিয়ে তাকে ঢেকে দিলাম। সেটা করে আমি চলে আসলাম বাড়ীতে।

          চলে আসার পর আমার ফিকির হলো, আমার চিন্তা হলো যে, আমি কি কাজটা করলাম। একটা বাচ্চা মেয়ে, অবুঝ শিশু সে কোন অপরাধ করেনি, কোন ত্রুটি করেনি তার কোন দোষ ছিলনা। আমি বিনা অপরাধে একটা মেয়েকে হত্যা করে ফেললাম। আর এভাবে সে বার বার চিৎকার করতেছিল, আরজু করতেছিল বাঁচার জন্য। যেটা বলার অপেক্ষা রাখেনা, ইয়া রসূলাল্লাহ্, ইয়া হাবীবাল্লাহ্ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। সেই আওয়াজটা এখনও আমার কানে ভাসছে, আমার চোখের দৃষ্টিতে আমি দেখছি আমার এটা স্মরণ হলে আমার পক্ষে সেটা বরদাশ্ত করা সম্ভব হয়না। এত বড় গুণাহ্ আমি করেছি এরপরেও কি আল্লাহ্ পাক আমাকে ক্ষমা করবেন?”

আল্লাহ্ পাক তখন আয়াত শরীফ নাযিল করে দিলেন,

قل يعبادى الذين اسرفوا على انفسهم لاتقنطوا من رحمة الله.

“হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন, আল্লাহ্ পাক-এর হে বান্দারা! যারা নফসের প্রতি জুলুম করছে তোমরা আল্লাহ্ পাক-এর রহমত হতে নিরাশ হইওনা।

ان الله يعفر الذنوب جميعا انه هو الغفور الرحيم.

নিশ্চয়ই আল্লাহ্ পাক সমস্ত গুণাহ্খতা ক্ষমাকারী। নিশ্চয়ই তিনি দয়ালু, করুণাময়।”(সূরা যুমার/৫৩)

          তিনি তওবা করলেন, ইস্তিগ্ফার করলেন, মুসলমান হলেন। তিনি যে ঘটনা তুলে ধরলেন, মেয়েদের হক্ব কতটুকু নষ্ট করা হতো সেই আইয়্যামে জাহেলিয়াতের সময় সেটাই বলা হয়েছে। ঠিক সেই রকম হক্ব অর্থাৎ জান নষ্ট করে দিয়ে সেই রকম হক্ব নষ্ট বর্তমানে কম-বেশী হলেও অনেকেই মালের হক্ব নষ্ট করে থাকে।

          কাজেই  প্রত্যেককেই তার সন্তান ,ছেলে এবং মেয়ে তার যথাযথ হক্ব যা রয়েছে সেটা আদায় করে দিতে হবে। যার যা প্রাপ্য রয়েছে সেটা আদায় করতে হবে। যেমন, তার সুন্দর নাম রাখা, দ্বীনি ইল্ম দেয়া এরপর তার যা বৈষয়িক বিষয়ে লেনদেন রয়েছে সেটাও যথাযথ আদায় করে দিতে হবে। প্রত্যেকেরই হক্ব যথাযথ আদায় করতে হবে। ছেলের যেমন হক্ব রয়েছে মেয়েরও তদ্রুপ হক্ব রয়েছে। ছেলে যেখান থেকে এসেছে মেয়েও সেখান থেকে এসেছে। কাজেই প্রত্যেকেরই হক্ব আলাদা আলাদাভাবে পরিপূর্ণ আদায় করতে হবে। এটা পিতা মাতার দায়িত্ব এবং কর্তব্য। যদি তার মধ্যে কোন ত্রুটি করা হয় তবে অবশ্যই প্রতি র্জারার জন্য প্রত্যেকেই জবাবদিহী করতে হবে। যে হক্বের যতটুকু ত্রুটি করবে ঠিক সেই হক্ব সম্পর্কে তাকে ততটুকু জবাবদিহী করতে হবে। খুব কঠিন, খুব কঠিন বিষয়, এটা মনে রাখবেন। হক্কুল্লাহ্ এবং হক্কুল ইবাদ, আল্লাহ্ পাক-এর হক্ব আল্লাহ্ পাক সহজেই ক্ষমা করে দিতে পারেন, আল্লাহ্ পাক-এর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করলে। কিন্তু হক্কুল ইবাদটা খুব কঠিন। বান্দা হক্ব ক্ষমা না করা পর্যন্ত আল্লাহ্ পাক ক্ষমা করবেননা।

          কাজেই এ বিষয়ে প্রত্যেককে সতর্ক থাকতে হবে। আমাদের যেমন পিতা-মাতার হক্ব আদায় করতে হবে ঠিক তেমনি সন্তানের হক্বও আদায় করতে  হবে। আল্লাহ্ পাক যেন আমাদেরকে সেই তাওফিক দান করেন। আমরা সেটাই আল্লাহ্ পাক-এর কাছে চাব, দোয়া করবো, আরজু করবো। আল্লাহ্ পাক যেন, আমাদেরকে প্রত্যেকের হক্ব আদায় করার তাওফিক দান করেন। আল্লাহ্ পাক যেন আমাদেরকে হক্কুল্লাহ্ এবং হক্কুল ইবাদ বিশেষ করে হক্কুল ওয়ালিদাইন ওয়াল আওলাদ অর্থাৎ পিতা-মাতার এবং সন্তানের হক্ব যেন যথাযথ আদায় করার তাওফিক দান করেন। (ওয়া আখিরু দা’ওয়ানা আনিল হামদুলিল্লাহি রব্বিল আলামীন) (সমাপ্ত)

(বিঃ দ্রঃ মহান আল্লাহ্ পাক-এর দরবারে অশেষ শুকরিয়া যে, আমরা মাসিক আল বাইয়্যিনাত-এর ৫৬তম সংখ্যা হতে ৯৫তম সংখ্যায় অর্থাৎ সর্বমোট ৪১টি সংখ্যায় “পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের কর্তব্য” সম্পর্কিত ওয়াজ শরীফখানা শেষ করতে পেরেছি।)

খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ছাহিবে নেয়ামত, আল মালিক, আল মাখদূম, কুতুবুল আলম, গাউছুল আ’যম, মুজাদ্দিদে আ’যম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াত, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, ইমামুল আইম্মাহ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ওয়াজ শরীফ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আলোকে- মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হজ্জ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উমরা উনাদের ফাযায়িল-ফযীলত, হুকুম-আহকাম সম্পর্কে (৩৩)

ওয়াজ শরীফ: কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ্ শরীফের আলোকে- পর্দার গুরুত্ব-তাৎপর্য, ফাযায়েল-ফযীলত ও হুকুম-আহ্কাম

ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ্ শরীফের আলোকে- পর্দার গুরুত্ব-তাৎপর্য, ফাযায়েল-ফযীলত ও হুকুম-আহ্কাম

ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ্ শরীফের আলোকে- পর্দার গুরুত্ব-তাৎপর্য, ফাযায়েল-ফযীলত ও হুকুম-আহ্কাম

ওয়াজ শরীফ কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ্ শরীফের আলোকে- পর্দার গুরুত্ব-তাৎপর্য, ফাযায়েল-ফযীলত ও হুকুম-আহ্কাম