-পীরে কামিল, হাফিজ, ক্বারী, মুফ্তী, আলহাজ্ব হযরত মাওলানা মুহম্মদ শামসুদ্দোহা
وما ارسلنك الا رحمة للعلمين.
তরজমা ঃ “আর আমি তো আপনাকে (হে মুহম্মদ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সারা জাহানের প্রতি কেবল রহমতরূপেই প্রেরণ করেছি।” (সূরা আম্বিয়া/১০৭)
তাশরীহ্ ঃ সূরা ফাতিহা শরীফে আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা নিজেকে ‘রব্বুল আলামীন’ বা ‘আকাশ মন্ডলে, ভূ-মন্ডলে ও পাতালে, মানব, দানব, ফেরেশ্তা, পশু-পাখি, কীট-পতঙ্গ প্রভৃতি যত প্রকার জীব এবং আলম বা জগত আছে তাদের নিঃস্বার্থ প্রতিপালকরূপে’ ঘোষণা করেছেন। আর তাঁর হাবীব, পেয়ারা রসূল, নূরে মুজাস্সাম, খাজিনাতুর রহমত, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্ নাবিয়্যীন, হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর পরিচয় দিতে গিয়ে তিনি ঘোষণা করেছেন,
وما ارسلنك الا رحمة للعلمين.
“হে আমার হাবীব! আমি আপনাকে রহমতুল্লিল আলামীন বা সকল সৃষ্টির জন্য রহমতরূপে প্রেরণ করেছি।”
এ আয়াতে কারীমা দ্বারা বুঝা যাচ্ছে যে, বিশ্ব জাহানে যত প্রকার মাখলুক আছে তাদের সকলের জন্যই নবীউর রহমত, হাবীবুল্লাহ, ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহ্ পাক-এর রহমত।
আল্লাহ্ পাক-এর রহমত আবার কেমন সে প্রসঙ্গে ইরশাদ হয়েছে, ورحمتى وسعت كل شىء.
অর্থঃ- “আমার রহমত সমস্ত বস্তুকে আবৃত বা বেষ্টন করে রয়েছে।” (সূরা আ’রাফ/১৫৬)
আর রসূলুল্লাহ্ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
ان الله تعالى بعثنى رحمة للعلمين وهدى للعلمين وامرنى ربى عز و جل بمحق المعازف والمزامير والاوثان والصلب وامر الجاهلية.
অর্থঃ- “নিশ্চয়ই আল্লাহ্ পাক আমাকে তামাম আলমের জন্য রহমত ও হিদায়েত তথা পথ-প্রদর্শক হিসেবে পাঠিয়েছেন এবং আমার সেই মহা পরাক্রমশালী প্রতিপালক সর্ব প্রকার ঢোল ও যাবতীয় বাদ্যযন্ত্র, দেব-মূর্তিসমূহ, (খৃষ্টানদের) শূলী ও ক্রুশের এবং জাহেলী যুগের বদ্ রছম ও কুসংস্কার নির্মূল ও ধ্বংস করার জন্য আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন।” (আহমদ, মিশকাত)
হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, “প্রিয় নবী হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন,
انا رحمة مهداة (رواه حاكم)
অর্থঃ- “আমি রহমত স্বরূপই প্রেরিত হয়েছি।” অর্থাৎ মানুষকে সৌভাগ্যবান করার লক্ষ্যেই আমি প্রেরিত হয়েছি।
উপরোক্ত আয়াতে কারিমা ও হাদীস শরীফের মর্মে বুঝা যায় যে, রহমত স্বরূপ মুহম্মদ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সমগ্র সৃষ্টির মধ্যে এরূপ অন্তর্নিহিত হয়ে আছেন, যেরূপ পানি বৃক্ষের প্রতিটি অংশেই অন্তর্নিহিত আছে। পানি ছাড়া যেরূপ কোন বৃক্ষের অস্তিত্ব টিকে থাকতে পারে না তদ্রুপ রহমতুল্লিল আলামীন হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর মাধ্যমে প্রাপ্ত রহমত ব্যতীত কোন সৃষ্ট বস্তু টিকে থাকতে পারেনা। তিনি যথার্থই সমস্ত-সৃজনব্যাপী এক মহান রহমত।
বস্তুতঃ মধ্যস্থতার ভিতর দিয়ে অর্থাৎ কোন নবী, মানুষ বা বস্তুর মাধ্যমে কোন কিছু দান করাই আল্লাহ্ পাক-এর নিয়ম। পিতা-মাতার মধ্যস্থতায় সন্তানাদি দান করা, মানুষের মধ্যস্থতায় রিযিক দান করা, শিক্ষকের মধ্যস্থতায় জ্ঞান দান করা, নবী-রসূল ও মুর্শিদ ক্বিবলার মধ্যস্থতায় হিদায়েত তথা ইরফানে খোদাওয়ান্দী দান করা যেরূপ তাঁর নিয়ম সেরূপ কোন এক মধ্যস্থতার ভিতর দিয়ে রহমত দান করাও ঐ একই নিয়মের অন্তর্ভূক্ত।
সাইয়্যিদুনা হযরত শায়খ মুহম্মদ বাক্রী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেছেন, “আল্লাহ্ পাক তাঁর গোটা সৃজনের মধ্যে পূর্বে, বর্তমানে এবং ভবিষ্যতে তাঁর যে সব রহমত নাযিল করেছেন এবং করবেন তা সমস্তই রসূলুল্লাহ্ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর মধ্যস্থতায় হয়েছে এবং হবে। জ্ঞান বিশিষ্ট লোকের নিকট এটা সুপরিচিত।” (মুতালিউল মুসারবাত/২৫২) অর্থাৎ আল্লাহ্ পাক-এর রহমত দান রসূলুল্লাহ্ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর মধ্যস্থতায় কি ঈমানদার কি কাফির সারা সৃজনের উপর সিঞ্চিত হচ্ছে।
প্রশ্ন হতে পারে, তিনি কাফিরদের জন্য কি করে রহমত হলেন? হযরত আব্দুল্লাহ্ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু-এর জবাবে বলেছিলেন, “পেয়ারা নবী হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কাফিরদের জন্যও রহমত। কেননা, আল্লাহ্ পাক এই উম্মতের কাফিরদেরকে আখিরী নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর কারণেই সমূলে ধ্বংস করবেন না। আল্লাহ্ পাক প্রিয় নবী হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এই প্রতিশ্রুতি দান করেছেন। এমনিভাবে আল্লাহ্ পাক তাদের চেহারা পরিবর্তন করবেননা যেমন পূর্বকালের কাফিরদের চেহারা পরিবর্তিত হয়েছে।
মোটকথা, রসূলুল্লাহ্ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর তরফ হতে সমস্ত মহান গাউছ, কুতুব, আবদাল প্রমূখগণের মাধ্যমে পরবর্তীতে আল্লাহ্ পাক-এর রহমত তাঁর সৃজনের উপর সিঞ্চিত হচ্ছে। এসব মহান আউলিয়া-ই-কিরামগণকে বুযুর্গানে দ্বীনদের পরিভাষায় “আহলুদ দিওয়ান” বলা হয়। তাঁদের মাধ্যমে আল্লাহ্ পাক যে কেমনভাবে সারা বিশ্বের কার্য নির্বাহ করেছেন তার পূর্ণ বিবরণ জানতে হলে “ইবরিজ” কিতাবের ১৯৩ থেকে ২০৭ পৃষ্ঠা পর্যন্ত এবং “তাফহীমাতে ইলাহীয়ার” কিতাবের ১ম খন্ডের ১৮৯ থেকে ১৯০ পৃষ্ঠা পাঠ করুন। এসব আহলুদ দিওয়ান আবার হযরত ঈসা আলাইহিস্ সালাম, হযরত ইদ্রীস আলাইহিস্ সালাম, হযরত খিযির আলাইহিস্ সালাম ও হযরত ইলিয়াস আলাইহিস্ সালাম-এর মাধ্যমে রসূলুল্লাহ্ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নিকট হতে প্রেরণা লাভ করে থাকেন। হযরত ঈসা আলাইহিস্ সালাম ও হযরত ইদ্রীস আলাইহিস্ সালাম অবস্থান করেন আসমানে এবং হযরত ইলিয়াস আলাইহিস্ সালাম ও হযরত খিযির আলাইহিস্ সালামদ্বয়ের অবস্থান এই পৃথিবীতে। তাঁরা সবাই জীবিত। তাঁদের সংলগ্ন ও অধীনস্থ রয়েছেন ফেরেশ্তাগণ। তাঁদের সকলের উপরের উপরে রয়েছেন রসূলুল্লাহ্ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। তিনি হচ্ছেন কীলক। যার উপর আদ্যপান্ত ঘুরছে সারা অস্তিত্বের চক্র। তাই শায়খ, সাইয়্যিদ মুহিউদ্দীন আব্দুল ক্বাদির জ্বিলানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তদ্বীয় “ইনসানে কামিল” কিতাবে বলেছেন,
فهو الانسان الكامل والباقيون من الانبياء والاولياء والكمل صلوات الله عليهم ملحقون به لحوق الكامل بالاكمل ومنتسبون اليه انتساب الفاضل الى الافضل – اعلم حفظك ان الانسان الكامل هو القلب الذى تدور عليه افلاك الوجود من اوله الى اخره.
অর্থঃ- “তিনিই হচ্ছেন ইনসানে কামিল। তাঁর সাথে বাকি আম্বিয়া আলাইহিমুস্ সালাম, আউলিয়া-ই-কিরাম এবং বুযুর্গানে দ্বীন রহমতুল্লাহি আলাইহিম-এর সম্বন্ধ ঠিক এরূপ সম্বন্ধের ন্যায় যেরূপ সম্বন্ধ কামিল পুরুষের সাথে এবং উত্তমের কোন উত্তমতরের সাথে থাকে। জেনে রাখুন, ইনসানে কামিলই হচ্ছেন প্রধান কীলক- যার উপর আদ্যপান্ত ঘুরছে সারা অস্তিত্বের চক্র। বুযুর্গদের পরিভাষায় রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকেই ইনসানে কামিল বলা হয়।
শায়খে আকবর রহমতুল্লাহি আলাইহি তদ্বীয় “ফুতুহাতের” ৩৪৬ বাবে বলেছেন, জেনে রাখুন, সারা বিশ্বের সাথে ইনসানে কামিলের রূহ মুবারকের সম্পর্ক বিদ্যমান। ইনসানে কামিলের চেয়ে অধিকতর কামিল আর কেউ নেই। তিনি হচ্ছেন হযরত মুহম্মদ মুস্তফা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। এই সর্বশ্রেষ্ঠ কামিল হতে নিম্নস্তরের কামিলগণ যারা আছেন তাঁদের সম্পর্ক এই বিশ্বের সাথে ঠিক এরূপ, যেরূপ মানুষের সাথে তার রূহানী শক্তিসমূহের সম্পর্ক। তাঁরা হচ্ছেন সমস্ত আম্বিয়া আলাইহিমুস্ সালাম। যাঁরা তাঁদের চেয়েও নিম্নস্তরের তাঁদের সম্পর্ক এই বিশ্বের সাথে এরূপ যেরূপ মানুষের সাথে তার বাহ্যিক ইন্দ্রিয়সমূহের সম্পর্ক। তাঁরা হচ্ছেন, আম্বিয়া আলাইহিমুস্ সালামগণের ওয়ারিশগণ। তাদের শানে আল্লাহ্ পাক বলেন,
ان رحمت الله قريب من المحسنين.
অর্থঃ- “নিশ্চয়ই আল্লাহ্ পাক-এর রহমত ওয়ারিশে নবীগণ তথা নেককারগণের নিকটবর্তী।” (সূরা আ’রাফ/ ৫৬)
এরপর যারা মানবাকৃতি বিশিষ্ট আছেন তারা জীবগণের অন্তর্ভূক্ত। এক কথায় রসূলুল্লাহ্ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হচ্ছেন স্রষ্টা এবং সমগ্র সৃজনের মধ্যে প্রধানতম মাধ্যম। যার মধ্যস্থতা দিয়ে আল্লাহ্ পাক-এর বিরাট-বিশাল সৃষ্টির কার্য পরিচালিত হচ্ছে। অতএব, আমাদের আবেদন-নিবেদন পেশ করতে হলে তাঁরই মহান মাধ্যমে পেশ করতে হবে। এই বিষয়কে পরিস্কারভাবে বুঝবার জন্য আল্লাহ্ পাক ইরশাদ করেন, وما ارسلنك الا رحمة للعلمين.
অর্থঃ- “হে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! সারা বিশ্বের উপর রহমত সিঞ্চনের মাধ্যমস্বরূপ আপনাকে প্রেরণ করেছি।” অর্থাৎ সারা বিশ্বকে রহমত লাভ করতে হলে আপনাকেই মাধ্যম স্বরূপ অবলম্বন করতে হবে।
“আরায়েস” কিতাবে হযরত শায়খ বাক্বলী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেছেন,
قال فى عرائس البقلى ايها الفهيم! ان الله اخبرنا ان نور محمد صلى الله عليه وسلم اول ما خلقه ثم خلق جميع الخلائق من العرش الى الثرى من بعض نوره فارسله الى الوجود والشهود رحمة لكل موجود اذ الجميع صدر منه فكونه كون الخلق وكونه سبب وجود الخلق وسبب رحمة الله على جميع الخلائق فهو رحمة كافية-
অর্থঃ- “হে প্রণিধানকারী! আল্লাহ্ পাক আমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন যে, নূরে মুহম্মদী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সমস্ত সৃজনের আদি। তৎপরে আরশ হতে তাহ্তাছছারা পর্যন্ত যাবতীয় সৃজনকে তাঁরই কিয়দ পরিমাণ নূর হতে বিকাশ করেছেন। অতএব, যাবতীয় সৃজন নির্ধারিত এবং সৃজিতের প্রতি তাঁকে প্রেরণ, সমস্ত অস্তিত্বের প্রতি রহমতস্বরূপ। যেহেতু সমস্তই তাঁরই নূর হতে প্রকাশিত। তাঁর বিকাশ সমগ্র সৃজনের বিকাশের অস্তিত্বের হেতু এবং সমস্ত সৃজনের উপর আল্লাহ্ পাক-এর রহমতের কারণ। অতএব, তিনিই পরিপূর্ণ রহমত।”
আল্লাহ্ পাক যিনি রব্বুল আলামীন তথা সারা জাহানের প্রতি পালক হওয়া সত্ত্বেও স্বীয় রবুবিয়্যাতকে প্রকাশ করার জন্য সর্বাগ্রে “রহমতুল্লিল আলামীন” ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে পয়দা করেন। যদি রহমতুল্লিল আলামীন ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পয়দা না হতেন তাহলে আল্লাহ্ পাক-এর “রবুবিয়্যাত”-এর প্রকাশ ঘটতো না। আর আল্লাহ্ পাক-এর রবুবিয়্যাত প্রকাশিত না হলে কোন সৃষ্টিই অস্তিত্ব লাভ করতো না। এবং তাঁর রবুবিয়্যাত প্রকাশ হওয়ার পূর্বেই তিনি রহমতুল্লিল আলামীন হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সৃষ্টি করে বলেন,
لولاك لما اظهرت الربوبيات.
অর্থঃ- “হে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি না হলে আমি আমার রবুবিয়্যাতকে প্রকাশ করতাম না।”
আরো বুঝা গেল, রসূলে পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সৃষ্টি না হলে কোন কিছুই সৃষ্টি হতোনা। কবি বলেন,
উর্দূ কম্পোজ করতে হবে
অর্থঃ- “তিনি যখন ছিলেননা তখন কিছুই ছিলনা। তিনি যখন হননি তখন কিছুই হয়নি। তিনি সবকিছুর প্রাণ। প্রাণ আছে তো সবই আছে।”
সর্বোপরি, বর্ণিত আয়াত শরীফে আখিরী রসূল, ইমামুল মুরসালীন, রহ্মতুল্লিল আলামীন হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর অন্যতম শান ও তাঁর হাক্বীক্বতের রহস্য তুলে ধরা হয়েছে। অতএব, এ আয়াত শরীফের তাফসীর তথা কাশ্ফ বা তাৎপর্য উপলব্ধির জন্য ‘‘ইল্মে হাক্বায়েক্ব’’ এবং আল্লাহ্ পাক-এর তাজাল্লিয়াতের জ্ঞানের খুবই আবশ্যক। আরেফিনের ছোহবত, মুহব্বত এই মহাজ্ঞান লাভের জন্য অতি প্রয়োজনীয়। {দলীলঃ তাফসীর মাযহারী, তাফসীরে রুহুল বয়ান ও হাক্বীক্বতে মোহাম্মদী ও মীলাদে আহমদী}
তাফসীরুল কুরআন: মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালনই সর্বশ্রেষ্ঠ আমল
তাফসীরুল কুরআন: জাহান্নামীদের বক্তব্য ও তার প্রত্যুত্তর
তাফসীরুল কুরআন: জাহান্নামীদের বক্তব্য ও তার প্রত্যুত্তর
তাফসীরুল কুরআন: চক্রান্তকারীরা মূলতঃ নিজেদের বিরুদ্ধেই চক্রান্ত করে