অবিশ্বাস্য হারে বাড়ছে মা কর্তৃক পরকীয়ার কারণে মেয়েকে হত্যা। নির্বোধ রাষ্ট্রযন্ত্রের কোন উপলব্ধি নেই। পৈশাচিক এ হত্যাকা- এবং তাবৎ পরকীয়া বন্ধে পর্দা পালনের কোন বিকল্প নেই।

সংখ্যা: ২১৭তম সংখ্যা | বিভাগ:

রাষ্ট্র জনগণের অভিভাবক। কিন্তু রাষ্ট্রকে বলা হয়েছে একটা বিমূর্ত ধারণা। এ ধারণার সাথে ধর্ম এবং আদর্শের কোনো সংযোগ নেই। উৎপাদন এবং সুষম বণ্টন রাষ্ট্রের প্রধান লক্ষ্য। রাষ্ট্র আইনের শাসন লালন করে থাকে। কিন্তু সে আইন তৈরিকারী জনগণ। বিবেচনাকারী জনগণ। সঞ্চালন করে জনগণ। জনগণ সবাই সমান। কাজেই জনগণের একটা অংশ সহজে অপর একটা অংশকে প্ররোচিত করতে পারে। প্রলুব্ধ করতে পারে। দুর্নীতিগ্রস্ত করতে পারে।

এ কারণে পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট, ডাক্তার বিচারক থেকে খোদ দুর্নীতি কমিশনের চেয়ারম্যান পর্যন্ত দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ে। দেশের অপামর জনসাধারণ দুর্নীতি মানসিকতা লালন করে।

রাষ্টযন্ত্র বস্তুবাদী মানসিকততা সঞ্চার করে। পুঁজিবাদী অর্থনীতি আর ভোগবিলাসী মানসিকতা রাষ্ট্রযন্ত্র নাগরিকের মাঝে জ্যামিতিকহারে বাড়িয়ে দিচ্ছে।

বিশ্বায়ন এবং কথিত বিশ্ব সংস্কৃতির আগ্রাসন এবং লালন ও পৃষ্ঠপোষকতা এদেশের আবহ, ঐতিহ্য, ধর্মীয় মূল্যবোধের উপর চরম আঘাত করেছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বপ্রিয় এবং সর্বোচ্চ ব্যবহৃত শব্দ হলো ‘মা’। আর বাঙালী মায়ের মাতৃত্ব চিরকালীন মমতার ঐতিহ্যে ভাস্বর।

কিন্তু আজকে বিশ্বায়ন সংস্কৃতি বাঙালী মাকে বিকৃত করেছে। বাঙালী মায়ের মমত্বকে শূন্য করেছে।

বাঙালী মাকে বস্তুতান্ত্রিক মানসিকতায় প্ররোচিত করেছে।

পুঁজিবাদী মানসিকতায় প্রলুব্ধ করেছে।

আত্মকেন্দ্রিক ব্যক্তি স্বার্থ হাছিলে পর্যবসিত করেছে।

খাও, দাও, ফুর্তি করো। প্রবণতায় উদ্বেল করেছে।

পাশ্চাত্যের বল্গাহীন মানসিকতা এখানে বিস্তার লাভ করেছে। আবহমানকালে বাঙালীর পারিবারিক ঐতিহ্য এখানে বর্তমানে খান খান করে ভেঙ্গে পড়ছে। আপন মা নিজ সন্তানের চেয়ে তার জৈবিক চাহিদা পূরণে উন্মাদ হয়ে উঠেছে।

এমনকি এই উন্মত্ততা এতটা উন্মাতাল ও পশুব্য হয়েছে যে, অনৈতিক জৈবিক চাহিদা পূরণে সে আপন মেয়ে বা সন্তানকে নিজ হাতে হত্যা করতে পর্যন্ত দ্বিধাগ্রস্ত হচ্ছে না। গতকালের পত্রিকায়ও এ খবর এসেছে। এছাড়া এ ধরনের খবর এখন প্রায়ই পত্রিকার পাতা দখল করছে। নিম্নে কিছুটা উল্লেখ করা গেল।

(১)

“সরিষাবাড়ীতে মায়ের পরকীয়ায় প্রাণ দিলো মেয়ে”

খবরে বলা হয়, “সরিষাবাড়ীতে মায়ের হাতে মেয়ে খুন হয়েছে। উপজেলা হাসপাতালের সামনে বীর ধানাটা এলাকার আবু সাইদের একমাত্র কন্যা ৯ম শ্রেণীর মেধাবী ছাত্রী শারমিন সুলতানা সম্পা (১৪)কে গলাটিপে হত্যা করে তার মা নাহার বেগম।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ জুলাই ২০১২ রোববার সরিষাবাড়ী পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী সম্পা সকালে ইংরেজি ১ম পত্র পরীক্ষা দিয়ে বাসায় ফিরে আসে। ঘরে চাচা ফরহাদের সঙ্গে মা নাহার বেগমকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলে। বিষয়টি সম্পা প্রতিবাদ করায় উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে মা নাহার পরকীয়ার ঘটনা ফাঁস হওয়ার ভয়ে মেয়ের গলা চেপে ধরে। মুমূর্ষু অবস্থায় সম্পাকে সরিষাবাড়ী হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরিবারের সদস্যরা তড়িঘড়ি করে সম্পার লাশ গ্রামের বাড়ি ধনবাড়ী থানার বীরতারা গ্রামে নিয়ে দাফনের চেষ্টা করে।  তারা এলাকাবাসী ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপে লাশ দাফন করতে পারেনি। ময়না তদন্ত ছাড়াই লাশ দাফনের অনুমতি চেয়ে অতিরিক্ত জামালপুর জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করা হলে তিনি বিষয়টি তদন্তের জন্য সরিষাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামরুল আহসানকে নির্দেশ দেন। গতকাল সম্পার লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা, সহপাঠী এবং এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। ঘটনার পর থেকে ঘাতক মা পলাতক রয়েছে। উল্লেখ্য, সম্পার মায়ের সঙ্গে চাচা ফরহাদের পূর্ব থেকে অনৈতিক সম্পর্ক চলে আসছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।”

(২)

“নরসিংদীতে মায়ের পরকীয়ার মেয়ে খুন”

খবরে বলা হয়, “মায়ের পরকীয়ায় বাধা দেয়াকে কেন্দ্র করে মা মেয়ের মধ্যে বিতর্কে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করছে স্কুল ছাত্রী স্মৃতি (১৩)। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার বিকেলে শিবপুর উপজেলা সদর খাদ্য গুদামের নিকট শুম্ভু ঘোষের বিলাস বহুল বাড়াটিয়া বাসায়। জানা গেছে, শংকর চন্দ্র শীল দীর্ঘ প্রায় ছয় বছর ধরে প্রবাসে রয়েছে। তার সংসারে চারটি কন্যা সন্তান রয়েছে। দীর্ঘ দিন প্রবাসে থাকার সুবাদে বাড়ীর মালিক শম্বু ঘোষের সাথে প্রবাসীর স্ত্রী কল্পনা রানী সাহার জমে উঠে প্রেম, প্রেম খেলা ও অনৈতিক সম্পর্ক। স্কুল ছাত্রী স্মৃতি তার মাকে এ ব্যাপারে সাবধান করে। উক্ত বিষয় নিয়ে মা মেয়ের মধ্যে প্রায়ই তর্কবিতর্ক হতো। তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে বুধবার বিকেলে স্মৃতি তার পড়ার ঘরে দরজা বন্ধ করে সিলিং ফ্যানের সাথে রশি দিয়ে আত্মহত্যা করে। স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যার খবর শুনে তার সহপাটি ও অসংখ্য নারী পুরুষ বাসায় ভীড় জমায়। ছুটে যায় শিবপুর থানা পুলিশ। অপরদিকে স্থানীয় একটি স্বার্থান্বেষী মহল ঘটনাকে ধামা-চাপা দিতে ষড়যন্ত্রের ঝাল বুনে। তারা প্রশাসনসহ স্থানীয় পর্যায়ে নেতৃবৃন্দকে ম্যানেজ করার চেষ্টা চালায়। অভিযোগে প্রকাশ, শম্বু ঘোষ নব্য কোটিপতি। সামান্য মিষ্টি বিক্রেতা থেকে সে কোন অদৃশ্য শক্তিতে প্রচুর সম্পদের মালিক হয়েছে তাও প্রশ্ন উঠেছে। আরো জানা যায়, শম্বু ঘোষ নিহত স্কুল ছাত্রীর ময়না তদন্ত ছাড়াই প্রশাসনকে ম্যানেজ করে লাশ দাহ করে ঘটনা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে। উক্ত ঘটনায় এলাকায় দারুণ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। উল্লেখ্য, আত্মহননকারী স্কুল ছাত্রী স্মৃতি স্থানীয় বালিকা বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর মেধাবী ছাত্রী। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছে।” (মার্চ ১৪, ২০১২)

(৩)

“মায়ের পরকীয়ায় বাধা দেয়ায় মেয়ে খুন”

খবরে বলা হয়, “নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা ইউনিয়নের বনগ্রাম গ্রামে মায়ের পরকীয়ার জের ধরে প্রাণ হারিয়েছে মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী জান্নাতি আক্তার সিমি। প্রেমিক আপন চাচা তাকে পিটিয়ে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শোকের মাতম নামে সিমির বাড়িতে। হত্যার শিকার সিমির মা দিলীপা আক্তার ডলি এবং চাচা দিনার হোসেন দিলীপ পলাতক রয়েছে। সোমবার জেলার মর্গে লাশের ময়না তদন্ত করা হয়।। জলঢাকা থানার সাব ইন্সপেক্টর জহিরুল ইসলাম জানান, হাসপাতালে লাশের কোন ওয়ারিশ না থাকায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ থানায় একটি ইউডি মামলা করেছে (মামলা নং ৯, তারিখ ৪.৪.১০)। তিনি বলেন, লাশের সুরতহাল রিপোর্টে সিমির বাম গালে ও ডান বাহুতে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় জলঢাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।”

(৪)

“প্রেমিককে পেতে কন্যা হত্যা”

খবরে বলা হয়, “স্বামী সন্তানের আড়ালে মিলিত হতো প্রেমিক সুলতানের সঙ্গে রোজিনা। একদিন দু’দিন নয় এভাবে বছর যায়। কাজের সময় স্বামী জয়নাল আবেদীন বাইরে থাকেন। দু’সন্তানের একজন বড় হয়েছে। অন্যজন ছোট। বিয়ে করে ঘর ছাড়বে রোজিনা। বড় সন্তানকে রেখে যেতে পারলেও ছোটটিকে কোথায় রাখবে। প্রেমিক সুলতান জানিয়ে দিয়েছে, সন্তান নিয়ে বিয়ে করবে না রোজিনাকে। কি করা যায়। শেষ পর্যন্ত প্রেমিককে পেতে কন্যাকে হত্যা করে রোজিনা। এ জন্য তিনবছরের শিশু রিয়াকে পাষ- মা আর তার প্রেমিক মিলে পরিকল্পনা আঁটে। প্রেমিক সুলতান মাহমুদ (২৬)কে নিয়ে রোজিনা তার মেয়েকে হত্যার পরিকল্পনা নিতে থাকে বেশ কিছু দিন আগে থেকেই। ২রা জানুয়ারি তারা হত্যাকা- ঘটানোর সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করে আসে। পরদিন ৩রা জানুয়ারি পূর্ব নির্ধারিত স্থানে গিয়ে খুন করে রিয়াকে।

গত ৩রা জানুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে রিয়া নিখোঁজ হয়। ওইদিন বেলা পৌনে ২টায় হাসপাতালের নিউক্লিয়ার আল্ট্রাসাউন্ড সেন্টারের ৩য় তলার সিঁড়ি থেকে উদ্ধার করা হয় শিশু রিয়ার নিথর মৃতদেহ। এ ঘটনায় ৫ই জানুয়ারি শাহবাগ থানায় একটি মামলা করা হয়। মামলা নম্বর-১১। শাহবাগ থানার পাশাপাশি গোয়েন্দা পুলিশ ঘটনার রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা চালাতে থাকে। গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী কমিশনার শহিদুল্লাহর নেতৃত্বে একটি টিম রিয়ার মা রোজিনাকে ৭ই জানুয়ারি সন্ধ্যায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে রোজিনা অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য দেয়। এ তথ্যের ভিত্তিতে ওই দিন রাতে রিয়ার মায়ের কথিত প্রেমিক সুলতান মাহমুদ (২৬)কে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার পাগলা দেলপাড়া কলেজ রোডস্থ তার ভাইয়ের ভাড়াটিয়া বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী হত্যাকা-ের সময় মুখ চেপে ধরার কাজে ব্যবহৃত রুমালটি উদ্ধার করা হয়।

(৫)

“মায়ের পরকীয়ার বলি হলো শিশু তানহা”

খবরে বলা হয়, “এবার মায়ের পরকীয়ার বলি হলো রাজধানীর খিলগাঁওয়ে তানহা ইয়াসমিন নামে সাড়ে তিন বছরের আরেক শিশু। গতকাল খিলগাঁও থানা পুলিশ ওই শিশুর গলিত লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে পুলিশ নিহত শিশুর মা হালিমা ইয়াসমিন তমাকে (২৩) গ্রেপ্তার করেছে।

জানা গেছে, তানহার বাবার নাম ফারুক গাজী। তাদের গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালীর গলাচিপার কন্যার কলস গ্রামে। তিন মাস আগে তানহার মা তমা ও তার প্রেমিক রেজাউল করিম রাজীব পালিয়ে এসে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে খিলগাঁও সিপাহীবাগ চারতলা গলির ২৬৯ নম্বর বাড়িতে চারতলার একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে থাকত। তমা স্বামীর ঘর ছেড়ে চলে আসার সময় তার কন্যাসন্তান তানহাকে সঙ্গে নিয়ে আসে। পুলিশের ধারণা, মায়ের পরকীয়ায় একমাত্র বাধা ছিল শিশুকন্যা তানহা। তাই সেই পথের কাঁটাও দূর করেছেন গর্ভধারিণী মা ও তার কথিত স্বামী রেজাউল করিম রাজীব। খিলগাঁও থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শাহীন ভূঁইয়া জানান, রাজীবের সঙ্গে তমার দীর্ঘদিনের পরকীয়া সম্পর্ক ছিল। রাজীব একই এলাকার আলী আহমেদের ছেলে। তিনি বলেন, শিশুটিকে তিন-চার দিন আগে হত্যা করা হয়। গতকাল তমা-রাজীবের ফ্ল্যাট থেকে দুর্গন্ধ ছড়ালে বাড়ির অন্যান্য ভাড়াটিয়ার মনে সন্দেহ সৃষ্টি হয়। তারা ঘরে প্রবেশ করতে গেলে শিশুর মা তাদের বাধা দেয়। ভাড়াটিয়ারা পুলিশে খবর দিলে পুলিশ এসে তমার ফ্ল্যাটের সানসেট থেকে তানহার গলিত লাশ উদ্ধার করে। ওই সময় শিশুটির মায়ের নানা বক্তব্যে অসামঞ্জস্য পাওয়ায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তমার কথিত স্বামী রাজীব পলাতক।”

(৬)

প্রসঙ্গত: উল্লেখ্য এতসব নির্মম, নিষ্ঠুর পশুবৎ হত্যা রাষ্ট্রযন্ত্রে বেড়েই চলছে। ওদিকে রাষ্ট্রযন্ত্রের পেটোয়া বাহিনীগুলোকে নিত্য নতুন প্রশিক্ষণ ও সর্বাধুনিক অস্ত্রও দেয়া হচ্ছেনা তারপরেও থেমে থাকছে না অনাচার। রাষ্ট্রযন্ত্রের সাফ কথা আইন করে অনৈতিকতা, মাদক নির্মূল করা সম্ভব নয়। কিন্তু রাষ্ট্রযন্ত্র একবারও ভেবে দেখেছে কী? কী করলে তাহলে এ অনৈতিকতা দূর করা সম্ভব? অথবা এ অনৈতিকতার উৎস কী?

বলাবাহুল্য, রাষ্ট্রযন্ত্রকে বলা হয় নির্বোধ। নির্বোধ বলেই সে বুঝতে পারে না। বিশ্বায়ন তথা বেপর্দা সংস্কৃতিই আজকে সমাজে এতসব অনাচারের মূল। কাজেই রাষ্ট্রযন্ত্র যদি সমাজে মা কর্তৃক মেয়ে হত্যা বন্ধ করতে চায়, পারিবারিক বন্ধন রক্ষা করতে চায়, বাঙালীর ঐতিহ্য রক্ষা করতে চায় তবে চিরন্তন পর্দা প্রথার প্রচলন ব্যতীত তার সমানে বিকল্প কোনো পথ খোলা নেই।

মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার নিকট খোলা চিঠি দেশটা কী মুসলমানের, না ঐ নিকৃষ্ট সংস্কৃতিবাদীদের? দেশে কী ১৫ কোটি মুসলমান প্রাধান্য পাবে, না মাত্র লাখেরও কম সংস্কৃতিকর্মী প্রতিষ্ঠা পাবে? সংস্কৃতিকর্মীর প্রচারণা দ্বারা কি রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের এদেশে ‘ইসলাম’ ও ‘মুসলমান’ তুলে দেয়া হবে?  মিটিয়ে ফেলা হবে? মুছে ফেলা হবে? বিধর্মীদের সাথে একাকার করে দেয়া হবে? তাহলে ‘মরলে শহীদ বাঁচলে গাজী’ চিরন্তন সে ঐতিহ্য কোথায় যাবে?

যুগের আবূ জাহিল, মুনাফিক ও দাজ্জালে কায্যাবদের বিরোধিতাই প্রমাণ করে যে, রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী হক্ব। খারিজীপন্থী ওহাবীদের মিথ্যা অপপ্রচারের দাঁতভাঙ্গা জবাব-৫৭

চাঁদ দেখা ও নতুন চন্দ্রতারিখ নিয়ে প্রাসঙ্গিক আলোচনা-২৫

ভ্রান্ত ওহাবী মতবাদ প্রচারের নেপথ্যে-৭

বাতিল ফিরক্বা ওহাবীদের অখ্যাত মুখপত্র আল কাওসারের মিথ্যাচারিতার জবাব-১৮ হাদীছ জালিয়াতী, ইবারত কারচুপি ও কিতাব নকল করা ওহাবীদেরই জন্মগত বদ অভ্যাস ওহাবী ফিরক্বাসহ সবগুলো বাতিল ফিরক্বাহ ইহুদী-নাছারাদের আবিষ্কার! তাদের এক নম্বর দালাল