‘আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত’-এর তরফ থেকে জঙ্গি সংগঠন ‘হিযবুত তাহরীর’ নিষিদ্ধ ঘোষণা করায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে মুবারকবাদ ও অভিনন্দন জ্ঞাপন

সংখ্যা: ১৯১তম সংখ্যা | বিভাগ:

অবশেষে ‘দৈনিক আল ইহসান’ ও ‘মাসিক আল বাইয়্যিনাত’ -এর কথাই সত্য প্রমাণিত হলো।

গত ২রা আগস্ট-২০০৯ ঈসায়ীও ‘দৈনিক আল ইহসান’-এ মন্তব্য কলামের হেডিং ছিলো-

“জঙ্গিবাদী সংগঠন হিযবুত তাহরীর জামাতে মওদুদীরই সহযাত্রী। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জঙ্গি বানানোই ওদের আসল উদ্দেশ্য। ঢাবি-জাবি-রাবি-চবিসহ সব বিশ্ববিদ্যালয়েই ওদের নিষিদ্ধ করা এবং উচ্ছেদ করা সরকারের আশু কর্তব্য।”

এতে বলা হয়েছিলো,

“জেএমবি’র সিরিজ বোমা হামলার তদন্তকালে প্রকাশিত হয়েছিলো, ধৃত জঙ্গিদের ষাট ভাগই জামাত শিবিরের প্রডাক্ট।

এ কথা আজ বহুল প্রচারিত যে, জামাতীরা বিভিন্ন নামে-উপনামে তাদের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। তবে ১৯৭১-এর খুন, ধর্ষণ তথা রাজাকারগিরির মত জঙ্গিতৎপরতা তারা এখনও ছাড়েনি।

বরং তারা বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের নামে এখনও জঙ্গি কার্যক্রম চালাচ্ছে।

প্রসঙ্গতঃ ঢাবিতে এখন ছাত্র শিবির প্রকাশ্যে তৎপরতা চালাতে না পারলেও হিযবুত তাহরীর ও ছাত্রমুক্তি নামে প্রকাশ্যে তৎপরতা ঠিকই চালিয়ে যাচ্ছে।

২৩শে অক্টোবর/০৯ তারিখ ‘দৈনিক আল ইহসান’-এর প্রথম পৃষ্ঠায় বক্স আইটেমে নিউজ হয়: “জঙ্গি সংগঠন হিযবুত তাহরীরের প্রচারপত্র বিলির সময় বুধবার দিবাগত রাতে সিলেটের রিকাবীবাজার এলাকা থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে এদের কারাগারে পাঠানো হয় বলে জানিয়েছে সিলেট মহানগর পুলিশ সহকারী কমিশনার (এসি) মাহবুব হাসান।”

উল্লেখ্য, হিযবুত তাহরীরের জঙ্গি সম্পর্কে ‘দৈনিক আল ইহসান’-এ প্রায়ই তথ্য ভিত্তিক রিপোর্ট হচ্ছে। এর আগে গত ১৮ সেপ্টেম্বর-২০০৮ ঈসায়ী তারিখে জঙ্গি সন্দেহে ঢাবি শিক্ষকসহ হিযবুত তাহরীরের ১১ সদস্য গ্রেফতারের খবর “দৈনিক আল ইহসান, সংবাদ, ভোরের কাগজ, আমার দেশ, ইন্ডিপেন্ডেন্ট” ইত্যাদি পত্রিকা প্রধান লিড নিউজ করে। এছাড়াও অন্যান্য সব পত্রিকাই এ খবর লিড নিউজ করে।

কিন্তু রাজাকার জামাতে মওদুদীর মুখপত্র “দৈনিক সংগ্রাম” শেষ পৃষ্ঠায় সিঙ্গেল কলামে এ খবর খুবই সংক্ষিপ্ত করে ছাপে।

একইভাবে জামাতে মওদুদীর আরেক মুখপত্র “দৈনিক নয়া দিগন্ত”ও এ খবর শেষ পৃষ্ঠায় সিঙ্গেল কলামে খুবই ছোট করে

ছাপে।

যার দ্বারা খুবই স্পষ্ট ও শক্তভাবে প্রমাণিত হয় যে, আসলে হিযবুত তাহরীর আর জামাতে মওদুদী দৃশ্যত একই মুদ্রার এপিঠ আর ওপিঠ। আর অদৃশ্যত উভয়েই এক ও অভিন্ন। (নাঊযুবিল্লাহ)

এদিকে বহুদিন ধরেই হিযবুত তাহরীরের সঙ্গে আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন আল-কায়েদার যোগাযোগের অভিযোগ ব্যাপক আলোচিত হয়ে আসছে । জঙ্গিবাদ পর্যবেক্ষণ বিষয়ক ওয়েব সাইট ‘মিলিট্যান্ট ইসলাম মনিটর ডট ওআরজি’- এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আল-কায়েদা, তালেবান ও বৈশ্বিক জিহাদের জন্য কর্মী সংগ্রহ করে হিযবুত তাহরীর।

২০০৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর উজবেকিস্তানে মার্কিন ও ইসরায়েলি দূতাবাসে আত্মঘাতী হামলার ঘটনায় সে দেশের সরকার হিযবুত তাহরীরকে দায়ী করে। ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের টুইন টাওয়ারে হামলায় ব্যবহৃত বিমান ছিনতাইকারীদের মধ্যে জায়াদ জারাহ, মারোয়ান আল শেহি ও মোহাম্মদ আতা জার্মানিতে হিযবুত তাহরীর করতেন। ২৬ বছর বয়সী জারাহ জার্মানির হামবুর্গের ইউনিভার্সিটি অব অ্যাপ্লাইড সায়েন্স বিমান প্রকৌশল বিষয়ে পড়াশোনা করতেন। আতা (৩৩) পড়তেন হামবুর্গেরই কারিগরি বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং আল শেহি পড়তেন বন বিশ্ববিদ্যালয়ে। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই)-এর তদন্তে এসব তথ্য বেরিয়ে আসে। লন্ডনের দ্য গার্ডিয়ান পত্রিকায় এ তথ্য ছাপা হয়। (সূত্র: মিলিট্যান্ট ইসলাম মনিটর ডট ওআরজি, ১ আগস্ট-২০০৪)

জঙ্গি সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করে উজবেকিস্তান, তাজিকিস্তান, কিরগিজিস্তান, রাশিয়া, জার্মানি, পাকিস্তান, এমনকি মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় প্রতিটি দেশেই হিযবুত তাহরীর নিষিদ্ধ।

বিভিন্ন দেশে সংগঠনটি নিষিদ্ধ হওয়া প্রসঙ্গে সংগঠনের বাংলাদেশের প্রধান সমন্বয়কারী অধ্যাপক মহিউদ্দিন আহমেদ মিডিয়াকে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে এমনিতে স্বাভাবিক রাজনীতিই নিষিদ্ধ, তাই তাদের সংগঠনও নিষিদ্ধ। উজবেকিস্তানে তাদের সংগঠন শক্তিশালী বিরোধী দল বলে তাদের নিষিদ্ধ করা হয়। আর জার্মানিতে ইহুদীদের বিরুদ্ধে কিছু বলা যায় না। তিনি দাবি করেন, হিযবুত তাহরীর ইসরায়েলের দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে কথা বলে, তাই একে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিষয়ক মার্কিন সংস্থা নিক্সন সেন্টারের পরিচালক জিনো বারান বলেন, ‘হিযবুত তাহরীর মানুষকে

নিজের জন্য সুবিধাজনক শিক্ষায় শিক্ষিত করছে। পরে এরা আল-কায়েদার মতো দলের সদস্য হচ্ছে। এমনকি এরা বিভিন্ন সন্ত্রাসী সংগঠনের কর্মী যোগানদাতা হিসেবেও কাজ করে।’

যুক্তরাজ্যের দৈনিক ‘দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট’-এ ২০০৫ সালের ৭ আগস্ট তার এ বক্তব্য প্রকাশিত হয়। ২০০৭ সালের জুনে যুক্তরাজ্যের গ্লাসগো বিমানবন্দরে বোমা হামলার ঘটনায় জড়িতদের মধ্যে কয়েকজন ছিলো হিযবুত তাহরীরের সদস্য।

সংগঠনটির ওয়েব সাইটে দেয়া তথ্যানুযায়ী, তারিকুদ্দিন আল নাবানি নামে জেরুজালেমের এক বিচারক ১৯৫৩ সালে হিযবুত তাহরীর প্রতিষ্ঠা করেন। বিশ্বের সব সরকার উৎখাত করে বৈশ্বিক খিলাফত প্রতিষ্ঠা করাই এর লক্ষ্য। বর্তমানে যুক্তরাজ্য এই সংগঠনটির মূল কেন্দ্র বলে জানা যায়।

বিগত বিএনপি-জামাত জোট সরকার আমলে সংগঠনটির বাংলাদেশ শাখার আত্মপ্রকাশ ঘটে। মিডিয়ার পক্ষ থেকে জানতে চাওয়া হলে সংগঠনটির প্রধান সমন্বয়কারী অধ্যাপক মহিউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, গ্রেফতার হওয়া ড. গোলাম মওলা যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষার জন্য গেলে সেখানে এই সংগঠন সম্পর্কে ধারণা লাভ করেন। তিনি দেশে ফিরে এসে ১৯৯৮-৯৯ সালে এই নিয়ে কাজ শুরু করেন।

২০০৩ সালে এদেশে রাজনৈতিক কর্মকা- শুরু করে। তার আগ পর্যন্ত মূলতঃ বুদ্ধিবৃত্তিক কাজ হয়েছে। সংগঠনটি মূলতঃ কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র ও সচ্ছল পরিবারের ছেলে-মেয়েদের দলে ভেড়ানোর চেষ্টা করে আসছে। এ ক্ষেত্রে তারা ফিলিস্তিন, ইরাক, আফগানিস্তানসহ বিভিন্ন বিষয়ে সুবিধাজনক বক্তব্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের আবেগকে ব্যবহারের চেষ্টা করে। সেই সাথে নগদ টাকা-পয়সাও ঢালে।

উল্লেখ্য, আসলে আল-কায়েদার মতই এ সংগঠনকে মূলতঃ চালাচ্ছে সিআইএ। যাদের দ্বারা আরেকটা মুসলিম নামধারী সন্ত্রাসী গ্রুপ বাংলাদেশে লালন করে ওদের দ্বারা ইচ্ছেমত সন্ত্রাসী অপতৎপরতা চালিয়ে বাংলাদেশকে জঙ্গিদের অভয়ারণ্য প্রমাণের পাঁয়তারা ওদের নীল নকশার গভীর অংশ।

“ধোঁয়া দেখলেই আগুন বোঝা যায়।” “রাঁধুনীর জন্য একটা ভাত টিপলেই যথেষ্ট হয়।” হিযবুত তাহরীরের নেতাকর্মী কারো চেহারা-সুরতে-পোশাকে-আমলে ইসলামের লেশমাত্র নেই।

আর দশটা সাধারণ ছাত্র বা মানুষের মত তারাও হাফহাতা গেঞ্জি, টাইট জিন্স প্যান্ট, ক্লিনসেভ হয়ে, নাটক-সিনেমা দেখে, ব্যান্ড শো, গানবাজনা শুনে, ডিস্কো চলা চলে।

এদিকে আবার পাশাপাশি মুখে মুখে ইসলামের নামেও দু-একটা আপ্ত কথা বলে।

অর্থাৎ হিযবুত তাহরীরের সদস্যরা তাদের সাড়ে তিন হাত দেহেই ইসলামের কোনো ছোঁয়া লাগাতে পারেনি- তাহলে তাদের দ্বারা গোটা ৫৫ হাজার ৫৯৮ বর্গমাইলের বাংলাদেশে কী করে ইসলাম কায়েম করা সম্ভব?

হিযবুত তাহরীরের সদস্যরা নির্বাচন হারাম ফতওয়া দিয়েছে। কিন্তু যে অর্থে নির্বাচন হারাম; সে অর্থে ছবি তোলা, বেপর্দা হওয়াও কাট্টা হারাম। আর হিযবুত তাহরীরের সদস্যরা এসব হারাম কাজগুলো দিব্যি করে যাচ্ছে।

অথচ আল্লাহ পাক কুরআন শরীফ-এ ইরশাদ করেন, “তবে কী তোমরা কিতাবের কিছু অংশ মানবে আর কিছু অংশ অস্বীকার করবে?”

আল্লাহ পাক আরো ইরশাদ করেন, “তোমরা হক্বকে বাতিলের সাথে মিশ্রিত করো না।”

আল্লাহ পাক আরো ইরশাদ করেন, “হে ঈমানদারগণ! তোমরা পরিপূর্ণভাবে ইসলামে প্রবেশ করো।”

অথচ হিযবুত তাহরীরের সদস্যরা ইসলামে পরিপূর্ণভাবে প্রবেশ তো দূরের কথা তারা আংশিকভাবেও প্রবেশ করেনি।

তাহলে কুরআন শরীফ-এর অনেক আয়াত শরীফ দ্বারা একথাই তো অকাট্যভাবে প্রমাণিত হয় যে, আসলে হিযবুত তাহরীরের সদস্যরা ঈমানদারই নয়।

সুতরাং তাদের দ্বারা ইসলাম প্রতিষ্ঠা আসলে ভাঁওতা ছাড়া কিছুই নয়।

তারা বরং বহুরূপী জামাতে মওদুদীরই একটা রূপ মাত্র। ইসলামের নামে ব্যবসার জন্য জামাতে মওদুদীর সংস্করণেরই আরেকটা আধুনিক রূপ। কওমী মাদ্রাসার ছাত্র নয় আধুনিক শিক্ষার ধর্মপ্রাণ ছাত্রদেরকে জঙ্গি বানানোই যাদের টার্গেট।

কাজেই কী র‌্যাব,

কী ডিজিএফআই,

কী এনএসআই

কি এসবি

সবারই উচিত এদের সম্পর্কে যথাদ্রুত অ্যাকশন নেয়া।

মানুষের কণ্ঠ চেপে ধরলে যেমন তার আসল ভাষা বেরিয়ে আসে তেমনি গত ২১শে সেপ্টেম্বর-২০০৮ তারিখের পত্রিকায় হিযবুত তাহরীরের আসল রূপ বেরিয়ে আসে।

ঐ দিন ‘দৈনিক জনতা’ পত্রিকায় প্রধান লিড করা হয়:

‘সরকারের প্রতি হিযবুত তাহরীরের আল্টিমেটাম ॥ ৪৮ ঘণ্টার

মধ্যে মুক্তি না দিলে পুতুল সরকারকে উৎখাত করা হবে।’

খবরে বলা হয়: “ঢাকা ও দুটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষকসহ হিযবুত তাহরীরের আটক এগারো সদস্যকে মুক্তির দাবিতে সরকারকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে হিযবুত তাহরীর। অন্যথায় দেশের রাজপথ কাঁপিয়ে দেয়া হবে। কাউকে শান্তিতে ঘুমাতে দেয়া হবে না। দেশে যে পুতুল ও দালাল সরকার আছে তাদের উৎখাত করা হবে। গতকাল শুক্রবার প্রতিবাদ কর্মসূচি পালনকালে দলের প্রধান সমন্বয়ক মহিউদ্দিন আহমেদ এ হুঙ্কার ছাড়েন। এছাড়াও দলের প্রধান সরকার উৎখাতের কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে হুঁশিয়ার করে দিয়েছে।”

রাষ্ট্রবিরোধী প্রচারণা ও জঙ্গিবাদী তৎপরতা চালানোর অভিযোগে রাজশাহী পুলিশ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং বেসরকারি সাউথ-ইস্ট ও নর্দান বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষকসহ হিযবুত তাহরীর-এর ১১ সদস্যকে গ্রেফতার করে গত ১৮ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার।

যার প্রতিবাদে পরের দিন ১৯ সেপ্টেম্বর শুক্রবার ঢাকায় একটি সমাবেশের আয়োজন করে। সমাবেশে বক্তারা বর্তমান সরকারের কড়া সমালোচনা করেন।

তিনি বলেন, যদি আমাদের নেতাকর্মীদের রাজশাহী থেকে মুক্তি না দেয়া হয় তাহলে হিযবুত তাহরীর বাংলাদেশের রাজপথ কাঁপিয়ে দেবে। এই বাংলার মাটিতে তাদের শান্তিতে ঘুমাতে দেয়া হবে না। তিনি আটকদের মুক্তি দেয়ার জন্য সরকারকে ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দেন।

উল্লেখ্য, হিযবুত তাহরীরের উপরোক্ত বক্তব্য দ্বারা এখন দিবালোকের ন্যায় স্পষ্ট প্রমাণ হয়ে গেল যে, আসলে ভিতরে ভিতরে হিযবুত তাহরীর কত শক্তিশালী ভয়ঙ্কর জঙ্গি সংগঠন। তবে তারা জামাতীদেরই জাত ভাই। এ কারণে কোনো জামাতী মুখপত্র তাদের বিরুদ্ধে খবর হাইলাইট করেনি। অর্থাৎ চোরে চোরে মাসতুতো ভাই। কাজেই এই মাসতুতো জঙ্গিদের নির্মূলে সরকারকে কঠোর অবস্থান নিতে হবে। অবিলম্বে তাদের নিষেধ করতে হবে।”

বলাবাহুল্য, দেরিতে হলেও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জঙ্গি সংগঠন হিযবুত তাহরীরকে নিষিদ্ধ করে প্রশংসার দাবিদার হয়েছেন।

এজন্য জঙ্গিবাদ, মৌলবাদ, ধর্মব্যবসায়ী বিরোধী কট্টর মজলিস ‘আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত’-এর  কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক, দৈনিক আল ইহসান ও মাসিক আল বাইয়্যিনাত-এর সম্পাদক এবং রাজারবাগ শরীফ-এর মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর

মুখপাত্র আল্লামা মুহম্মদ মাহবুব আলম সাহেব মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও সরকারকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন।

সম্পাদক আল্লামা মাহবুব আলম সাহেব আরো বলেন, সোহেল তাজ বিবৃত ১২টি জঙ্গি সংগঠন মন্তব্যটি আসলে ঠিক নয়। কারণ, প্রকৃত জঙ্গি সংগঠন সংখ্যা আরো অনেক বেশি। পাশাপাশি যে ১২টি সংগঠনের কথা বলা হয়েছে তš§ধ্যে ‘উলামা আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত’-এর কথা যেমন ঠিক নয় তেমনি ‘উলামা আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত’ বলতে ‘আল বাইয়্যিনাত’ বা ‘আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত’ বোঝানোও ঠিক নয়। যেমন, ‘হকার্স লীগ’ মানে ‘আওয়ামী লীগ’ নয়।

পাশাপাশি ‘উলামা আঞ্জুমান’-এর নামেও জামাত-জোট গোয়েন্দা বর্ণিত কাল্পনিক অভিযোগও আদৌ সত্য নয়। যে সম্পর্কে আল ইহসানে বহু দলীলভিত্তিক জবাব দেয়া হয়েছে। সত্য উপলব্ধির জন্য  তা-ই যথেষ্ট। (সূত্র: আল ইহসান- ২৪ অক্টোবর/২০০৯)

 -মুহম্মদ ওয়ালীউল্লাহ

মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার নিকট খোলা চিঠি দেশটা কী মুসলমানের, না ঐ নিকৃষ্ট সংস্কৃতিবাদীদের? দেশে কী ১৫ কোটি মুসলমান প্রাধান্য পাবে, না মাত্র লাখেরও কম সংস্কৃতিকর্মী প্রতিষ্ঠা পাবে? সংস্কৃতিকর্মীর প্রচারণা দ্বারা কি রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের এদেশে ‘ইসলাম’ ও ‘মুসলমান’ তুলে দেয়া হবে?  মিটিয়ে ফেলা হবে? মুছে ফেলা হবে? বিধর্মীদের সাথে একাকার করে দেয়া হবে? তাহলে ‘মরলে শহীদ বাঁচলে গাজী’ চিরন্তন সে ঐতিহ্য কোথায় যাবে?

যুগের আবূ জাহিল, মুনাফিক ও দাজ্জালে কায্যাবদের বিরোধিতাই প্রমাণ করে যে, রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী হক্ব। খারিজীপন্থী ওহাবীদের মিথ্যা অপপ্রচারের দাঁতভাঙ্গা জবাব-৫৭

চাঁদ দেখা ও নতুন চন্দ্রতারিখ নিয়ে প্রাসঙ্গিক আলোচনা-২৫

ভ্রান্ত ওহাবী মতবাদ প্রচারের নেপথ্যে-৭

বাতিল ফিরক্বা ওহাবীদের অখ্যাত মুখপত্র আল কাওসারের মিথ্যাচারিতার জবাব-১৮ হাদীছ জালিয়াতী, ইবারত কারচুপি ও কিতাব নকল করা ওহাবীদেরই জন্মগত বদ অভ্যাস ওহাবী ফিরক্বাসহ সবগুলো বাতিল ফিরক্বাহ ইহুদী-নাছারাদের আবিষ্কার! তাদের এক নম্বর দালাল