আমীরুল মু’মিনীন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী আলাইহিস সালাম তিনি নিঃসন্দেহে আল্লাহ পাক উনার খাছ ওলী উনার প্রতি অপবাদকারী যালিম গং নিঃসন্দেহে গুমরাহ, বাতিল, লা’নতপ্রাপ্ত, জাহান্নামী ও সুন্নী নামের কলঙ্ক রেজাখানীরা আয়নায় নিজেদের কুৎসিত চেহারা দেখে নিক; ইসলামী শরীয়ার আলোকে একটি দলীলভিত্তিক পর্যালোচনা-৯

সংখ্যা: ২১৫তম সংখ্যা | বিভাগ:

পাঠক! গত সংখ্যায় লিখেছিলাম, হক্ব মত পথের বিরোধিতাকারী, আমীরুল মু’মিনীন, শহীদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত শহীদ আহমদ বেরলভী আলাইহিস সালাম উনার সুমহান শানে অপবাদ লেপনকারী ভ- বাতিল রেজাখানী ফিরক্বার লোকগুলোর উপর এমন লা’নত পতিত হয়েছে যে, এদের গুরু রেজা খাঁ’র শিক্ষক ছিল ভ- নবী গোলাম আহম্মক কাদিয়ানীর আপন ভ্রাতা মির্জা গোলাম কাদের কাদিয়ানী। আর বর্তমান যুগের তামাম রেজাখানীরা তাদের কুফরী শিরকী শিক্ষা-দীক্ষার জন্য মরদুদ মালাউন ইবলিস শয়তানের বাক্স বলে পরিচিত হারাম টেলিভিশন চ্যানেলকে গ্রহণ করেছে। আর এদের বিশেষ করে আমাদের দেশের চট্টলার গুটি কয়েক রেজাখানীদের দীক্ষাগুরু এমন এক ভ- বাতিল পীর যে কিনা হালাল হারামের কোন তমীজ করে না। তার চারপাশে ঘিরে থাকে ঘুষখোর, সুদখোর, শরাবখোরসহ ফাসিক ফুজ্জার গং।

এই শ্রেণীর লোকজন তার কাছে যে হিদায়েত হয়ে ভাল হবার জন্য ভিড় করে তা কিন্তু নয়। কারণ তাদের পাকি পীর নিজেই তো হিদায়েতের উপর নেই অন্যকে কিভাবে হিদায়েত দিবে? বরং হারাম নাজায়িয কাজের মুখোশ আড়াল রাখার জন্য এবং সুদ, ঘুষ, শরাবে দেদারছে ডুবে থাকার জন্য ওই রেজাখানী পাকি পীরকে নিয়ে এরা বার আউলিয়ার পুণ্যভূমি চট্টগ্রামসহ অন্যান্য স্থানে ধর্ম ব্যবসা করে মাত্র। বিগত সময়ে জুলুছ করার জন্য পাকি পীরকে হেলিকপ্টারে নিয়ে আসে তারই এক ভক্ত বলে কথিত ভ- সূফী সাব। হেলিকপ্টারে ছড়িয়ে এটাকে নিয়ে কম বিজ্ঞাপন করা হয়নি, কম ছবি তোলা হয়নি। যে সূফী সাব নামধারী এই কাজটি করেছে, যার কাঁধে সওয়ার হয়ে পাকি পীর এসেছে সেই সূফী সাব হরদম হাতে তসবিহ রাখে, কাদিয়ানীদের ন্যায় কালো টুপি পরে, বিদয়াতি পাঞ্জাবী-পায়জামা পরে।

বাকপটু ওই সূফী সাব নিজেকে জাহির করার জন্য হারাম টিভি চ্যানেলে প্রোগ্রাম করে, ২০১১ সালে ঞৎর ঘধঃরড়হ ইরম ঝযড়-িএর নামে ৫ কোটি টাকার স্পন্সর করে হিন্দু বিবস্ত্র নায়িকা এনে ঢাকা স্টেডিয়ামে গান-বাদ্য-নৃত্যের মজমা আয়োজন করে, ২০০৯ সালে তার ভার্সিটির অনুষ্ঠানের নামে ভারতের কাদিয়ানীদের এক নেতাকে বাংলাদেশে নিয়ে আসে, চট্টগ্রামে এইচএসবিসি’র একটি গান-বাদ্যের মজমাতে পাকি পীরের নজরপ্রাপ্ত সূফী সাব প্রকাশ্যে ভারতীয় এক হিন্দু মুশরিক গায়িকাকে মা বলে জড়িয়ে ধরে। এমনকি ওই গায়িকার রাতে কলকাতা ফেরার টিকিট সে বাতিল করে নর্তকী-গায়িকাদের তার বাসায় নিয়ে যায়। রাতভর গানের আসর করে। বাসভবনকে আধুনিক আলোকসজ্জায় সজ্জিত করে ওই নর্তকী বাদীকাদের সম্মানে। নাউযুবিল্লাহ!

ঠিক একই কায়দায় সম্মান করে এই সূফি সাব সময় সুযোগমতো ভ- বাতিল রেজাখানী ফিরক্বা ও তাদের পাকি পীরকেও পৃষ্ঠপোষকতা করে থাকে। এমন লোকদের নিয়ে যে পীর ও তার ফাসেক ফুজ্জারী কওমের চলাফেরা-উঠাবসা তাদের পক্ষে কি করে সম্ভব, খালিক্ব-মালিক আল্লাহ পাক উনার মকবুল ওলী এবং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জাহিরী বাতিনী নিসবতপ্রাপ্ত নায়িব খলীফা, আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত শহীদ আহমদ বেরলভী আলাইহিস সালাম উনার সুমহান শান মুবারক বুঝা, অনুধাবন করা এবং সেই আদব অনুযায়ী উনাকে মূল্যায়ন করা! যার কারণে তারা গুমরাহ হয়েছে এবং গুমরাহীতেই তারা আজ পর্যন্ত নিমজ্জিত রয়েছে।

-মুহম্মদ সালামাতুল্লাহ ইসলামাবাদী

 

প্রকাশ্যে বাহাসের আহবান

আমিরুল মুমিনীন, আওলাদে রসূল, শহীদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত শহীদ আহমদ বেরলভী আলাইহিস সালাম উনাকে ওহাবী বলে অপপ্রচারকারীদেরকে মুহম্মাদীয় জামিয়া শরীফ গবেষনা কেন্দ্র, রাজারবাগ শরীফ হতে শর্ত সাপেক্ষে প্রকাশ্যে বাহাসের আহবান জানানো যাচ্ছে। অপপ্রচারকারীদেরকে প্রকাশ্যে জাতীয় পত্র-পত্রিকায় ঘোষনা দিয়ে বাহাসের আহবান গ্রহনের জন্য বলা হচ্ছে।

যুগের আবূ জাহিল, মুনাফিক ও দাজ্জালে কায্যাবদের বিরোধিতাই প্রমাণ করে যে, রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি হক্ব। খারিজীপন্থী ওহাবীদের মিথ্যা অপপ্রচারের দাঁতভাঙ্গা জবাব-৮১

ভ্রান্ত ওহাবী মতবাদ প্রচারের নেপথ্যে-৩০

চাঁদ দেখা ও নতুন চন্দ্রতারিখ নিয়ে প্রাসঙ্গিক আলোচনা-৪৯

আমীরুল মু’মিনীন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী আলাইহিস সালাম তিনি নিঃসন্দেহে আল্লাহ পাক উনার খাছ ওলী উনার প্রতি অপবাদকারী জালিম গং নিঃসন্দেহে বাতিল, গুমরাহ, লানতপ্রাপ্ত, জাহান্নামী ও সুন্নী নামের কলঙ্ক  রেজাখানীরা আয়নায় নিজেদের কুৎসিত চেহারা দেখে নিক ॥ ইসলামী শরীয়ার আলোকে একটি দলীলভিত্তিক পর্যালোচনা-২

গোটা দেশবাসীকে সম্পূর্ণ অবহিত করে ট্রানজিট চুক্তি না করলে এবং দেশবাসীর সম্মতিতে না করলে কথিত ট্রানজিট চুক্তি হবে দেশবাসীর সাথে সম্পূর্ণ বিশ্বাসঘাতকতা করে দেশ বিক্রির শামিল যা সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক এবং অগ্রহণযোগ্য