আমীরুল মু’মিনীন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী আলাইহিস সালাম তিনি নিঃসন্দেহে খালিক্ব¡ মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার খাছ ওলী উনার প্রতি অপবাদকারী যালিম গং নিঃসন্দেহে গুমরাহ, বাতিল, লা’নতপ্রাপ্ত, জাহান্নামী ও সুন্নী নামের কলঙ্ক রেজাখানীরা আয়নায় নিজেদের কুৎসিত চেহারা দেখে নিক ॥ ইসলামী শরীয়া উনার আলোকে একটি দলীলভিত্তিক পর্যালোচনা-১৮

সংখ্যা: ২২৪তম সংখ্যা | বিভাগ:

প্রিয় পাঠক! একথা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা যেহেতু ওস্তাদুল উলামা ওয়াল মাশায়িখ, ছাহেবু কাশফ ওয়া কারামত, শায়খুল মুহাদ্দেসীন হযরত শায়েখ আব্দুল আযীয মুহাদ্দিস দেহলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি নিজেই স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ করেছেন, অনুধাবন করেছেন এবং মুবারক ইযাজত তথা স্বীকৃতি দিয়েছেন যে, পবিত্র ইলমে জাহির এবং পবিত্র ইলমে বাতিনসহ পবিত্র ইলম উনাদের প্রতিটি শাখায় স্বীয় মাহবুব, আমীরুল মু’মিনীন, আওলাদে রসূল হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী আলাইহিস সালাম তিনি নিঃসন্দেহে মুবারক ইলমে লাদুন্নীপ্রাপ্ত মাদারজাত ওলী আল্লাহ। সুবহানাল্লাহ!

তাই তিনি স্বাভাবিকভাবেই উনাকে জাহিরী কিতাবপত্র চর্চা হতে বিরত থাকতে মুবারক নির্দেশ দিলেন। শুধু এতটুকুই নয়, এসময় অর্থাৎ যখন হযরত শহীদে আ’যম আলাইহিস সালাম আকবরাবাদী মসজিদে অবস্থান করছিলেন তখন শাহ ছাহেব হযরত শায়েখ আব্দুল আযীয মুহাদ্দিস দেহলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি নিজেই নিয়ত করেছিলেন এরপর থেকে যে কেউ উনার নিকট খাছভাবে বাইয়াত গ্রহণ করতে আসলে তাঁকে হযরত শহীদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার খিদমতেই তিনি পাঠিয়ে দিবেন। সুবহানাল্লাহ! এমতাবস্থায় একদা উনার পবিত্র দরবার শরীফ-এ তৎকালীন এক বিখ্যাত আলিমে দ্বীন যিনি পবিত্র বুখারী শরীফ উনার উস্তাদ হিসেবে ‘মোল্লা বুখারী’ নামে প্রসিদ্ধ ছিলেন তিনি আগমন করলেন। পরিকল্পনা মুতাবিক হযরত শাহ ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনাকে হযরত শহীদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার মুবারক খিদমতে অর্পণ করলেন। হযরত মোল্লা বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি হযরত শহীদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনাকে মুজাহিদ বেশে দেখতে পেয়ে মনে মনে চিন্তা করলেন, ইনি তো একজন মুজাহিদ সৈনিক ব্যক্তি! আমাকে তিনি কি তা’লীম-তালকীন শিক্ষা দান করবেন? এটা চিন্তা করতে করতে একপর্যায়ে মোল্লা বুখারী ছাহেব হযরত শহীদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার নিকট জিজ্ঞেস করলেন, ‘হযরত! আপনি কি কি কিতাব মুবারক পড়েছেন আর কোন কোন বিষয়ে পবিত্র ইলম অর্জন করেছেন?’ আমীরুল মু’মিনীন, আওলাদে রসূল হযরত শহীদে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি বেমেছোল বিনয়হেতু কোন উত্তর না দিয়ে নীরবতা অবলম্বন করলেন। এ সময় হযরত শাহ ছাহেব রহমতুল্লাহি তিনি নিজেই বলে উঠলেন, ‘হে মোল্লা ছাহেব! এ সকল অনর্থক কথা বলে কি লাভ হবে? বরং আপনি আমার নিকট থেকে এতটুকু শুনে রাখুন, জেনে রাখুন যে, আপনি আমার কাছ থেকে বার বৎসরে যা হাসিল করতে পারবেন তা আপনি মাদারজাত ওলী, আওলাদে রসূল, হযরত শহীদে আ’যম বেরলভী আলাইহিস সালাম উনার কদম মুবারক-এ খিদমত করে বার দিনেই হাসিল করতে পারবেন।’ সুবহানাল্লাহ! অতঃপর হযরত মোল্লা ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি আওলাদে রসূল, হযরত শহীদে আ’যম বেরলভী আলাইহিস সালাম উনার খিদমত মুবারক-এ অল্পকাল অবস্থান করেই তাকমীলে পৌঁছেন। এমন উপযুক্ত সাগরিদের প্রশংসায় স্বয়ং স্বীয় মুর্শিদে কামিল, আওলাদে রসূল, হযরত শহীদে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি বলতেন- এমন খোদাপ্রেমিক সালিক আমি আর কাউকে পাইনি।

অপরদিকে হযরত মোল্লা ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি শুকরিয়া আদায় করে স্বীয় মুর্শিদে কামিল, আওলাদে রসূল, হযরত শহীদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার সুমহান শানে বলতেন- ‘আমি বহু শহরে পবিত্র ইলম উনার সন্ধানে ঘুরেছি কিন্তু এমনই দয়ালু শিক্ষক এবং মুর্শিদে কামিল আর কোথাও দেখিনি।’ সুবহানাল্লাহ! অল্প কিছুদিনের মধ্যেই যুগের ইমাম, আওলাদে রসূল, আমীরুল মু’মিনীন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী আলাইহিস সালাম উনার বুযূর্গী ও প্রসিদ্ধি সারা ভারতবর্ষে ছড়িয়ে পড়লো। এ সময় হিন্দুস্থানের প্রখ্যাত দুই আলিমে দ্বীন যথাক্রমে শায়খুল ইসলাম হযরত আব্দুল হাই দেহলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি এবং হুজ্জাতুল ইসলাম হযরত শাহ ইসমাঈল দেহলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনারাও আমীরুল মু’মিনীন হযরত শহীদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার মুবারক ক্বদমে বাইয়াত হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। বলাবাহুল্য যে, উনারা দুজনেই ছিলেন ইমামুল মুহাদ্দেসীন, মুজাদ্দিদে মিল্লাত হযরত শাহ ওয়ালীউল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ঐতিহ্যবাহী বংশের উজ্জ্বল কৃতী সন্তান যাঁদের দরস-তাদরীস, অগাধ পা-িত্য, ব্যক্তিত্ব সারা হিন্দুস্থানে পূর্ব থেকেই বিরাজমান ছিলো। সুবহানাল্লাহ!

-মুহম্মদ সালামাতুল্লাহ ইসলামাবাদী

যুগের আবূ জাহিল, মুনাফিক ও দাজ্জালে কায্যাবদের বিরোধিতাই প্রমাণ করে যে, রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি হক্ব। খারিজীপন্থী ওহাবীদের মিথ্যা অপপ্রচারের দাঁতভাঙ্গা জবাব-৮১

ভ্রান্ত ওহাবী মতবাদ প্রচারের নেপথ্যে-৩০

চাঁদ দেখা ও নতুন চন্দ্রতারিখ নিয়ে প্রাসঙ্গিক আলোচনা-৪৯

আমীরুল মু’মিনীন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী আলাইহিস সালাম তিনি নিঃসন্দেহে আল্লাহ পাক উনার খাছ ওলী উনার প্রতি অপবাদকারী জালিম গং নিঃসন্দেহে বাতিল, গুমরাহ, লানতপ্রাপ্ত, জাহান্নামী ও সুন্নী নামের কলঙ্ক  রেজাখানীরা আয়নায় নিজেদের কুৎসিত চেহারা দেখে নিক ॥ ইসলামী শরীয়ার আলোকে একটি দলীলভিত্তিক পর্যালোচনা-২

গোটা দেশবাসীকে সম্পূর্ণ অবহিত করে ট্রানজিট চুক্তি না করলে এবং দেশবাসীর সম্মতিতে না করলে কথিত ট্রানজিট চুক্তি হবে দেশবাসীর সাথে সম্পূর্ণ বিশ্বাসঘাতকতা করে দেশ বিক্রির শামিল যা সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক এবং অগ্রহণযোগ্য