আল হাদ্বির ওয়ান নাযির, মুত্ত্বলা’ আলাল গইব, হায়াতুন্ নবী, উস্ওয়াতুন হাসানাহ্, রঊফুর রহীম, রহমাতুল্লিল আলামীন, ছাহিবু ক্বাবা ক্বাওসাইনী আও আদনা, ক্বয়িদুল মুরসালীন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি নন; এছাড়া সব

সংখ্যা: ২৮৮তম সংখ্যা | বিভাগ:

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,

وَرَفَـعْنَا لَكَ ذِكْرَكَ

অর্থ: “আর (আমার মহাপবিত্র ও মহাসম্মানিত হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আমি আপনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র যিকির মুবারক অর্থাৎ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আলোচনা মুবারক, শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক বুলন্দ থেকে বুলন্দতর করেছি।” সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা আলাম নাশ্রহ্ শরীফ : সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ৪)

মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার মহাপবিত্র ও মহাসম্মানিত হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র ও মহাসম্মানিত যিকির মুবারক, মহাপবিত্র ও মহাসম্মানিত আলোচনা মুবারক, শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক কতটুকু বুলন্দ করেছেন, এটা তিনি এবং উনার মহাপবিত্র ও মহাসম্মানিত হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অর্থাৎ উনারাই সবচেয়ে ভালো জানেন। সুবহানাল্লাহ! তবে বাহ্যিকভাবে বুঝার জন্য মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কালিমা শরীফই যথেষ্ট। সুবহানাল্লাহ! স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই মহব্বতে উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় ইসিম বা নাম মুবারক উনার সাথে উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় ইসিম বা নাম মুবারক সংযুক্ত করে দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ! একমাত্র মহান আল্লাহ পাক তিনি ব্যতীত সমস্ত হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারাসহ সমস্ত জিন-ইনসান, সমস্থ ফেরেস্তা আলাইহিমুস সালামসহ সমস্ত কায়িনাতবাসী সকলের মহাপবিত্র ও মহাসম্মানিত কালিমা শরীফ হচ্ছেন-لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا اللهُ مُحَمَّدٌ رَّسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ। এ বিষয়ে সমস্ত উম্মতের ইজমা’ প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন অর্থাৎ মহাপবিত্র ও মহাসম্মানিত শরীয়ত উনার সর্বাধিক বিশুদ্ধ ফতওয়া হচ্ছেন, ক্বিয়ামত পর্যন্ত কেউ যদি শুধু لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا اللهُ বলে, তাহলেও সে ঈমানদার হতে পারবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত مُحَمَّدٌ رَّسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ না বলবে। সুবহানাল্লাহ!

হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, “যদি কোনো ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার ইবাদত-বন্দেগী করে এবং উনার যাবতীয় বিষয় বিশ্বাস করে, তারপরেও সে এক যাররা পরিমাণ ফায়দা লাভ করতে পারবে না এবং নিঃসন্দেহে সে কাফির; যদি সে সাক্ষ্য না দেয়, اَنَّ مُحَمَّدًا رَّسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ‘নিশ্চয়ই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।” সুবহানাল্লাহ! (তাফসীরে বাগভী শরীফ ৮/৪৬৩)

(১) সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি, (২) হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি, (৩) হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি, (৪) হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি, (৫) হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি, (৬) হযরত আবূ দারদা রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি, (৭) হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি অর্থাৎ উনারাসহ আরো অনেক বিশিষ্ট হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনারা বর্ণনা করেছেন,

اَنَّ النَّبِـىَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَخْبَـرَ اَنَّهٗ مَكْـتُـوْبٌ عَلَى الْعَرْشِ وَعَلـٰى كُلِّ سَـمَاءٍ وَّعَلـٰى بَابِ الْـجَنَّةِ وَعَلـٰى اَوْرَاقِ شَجَرِ الْـجَنَّةِ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا اللهُ مُحَمَّدٌ رَّسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

অর্থ: “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যা সম্মানিত আরশে আযীম মুবারক-এ, সমস্ত আসমানসমূহে, সম্মানিত জান্নাত মুবারক উনার দরজায় এবং সম্মানিত জান্নাত মুবারক উনার প্রত্যেক গাছের পাতায় পাতায় লিপিবদ্ধ রয়েছেন-لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا اللهُ مُحَمَّدٌ رَّسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহম্মদুর রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’।” সুবহানাল্লাহ! (হাওই শরীফ ২/১৩৬)

আল্লামা মোল্লা আলী ক্বারী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ‘শরহুশ শিফা শরীফ’ উনার ১ম খণ্ডের ৩৮১ নং পৃষ্ঠায় উল্লেখ করেন,

(قَالَ رَاَيْتُ فِـىْ كُلِّ مَوْضِعٍ مِّنَ الْـجَنَّةِ) اَىْ مِنْ شَرَفِ قُصُوْرِهَا وَصُدُوْرِ حُوْرِهَا وَاَطْرَافِ اَنْـهَارِهَا وَاِتْـحَافِ اَشْجَارِهَا (مَكْتُـوْبًا لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا اللهُ مُحَمَّدٌ رَّسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ)

অর্থ: “আবুল বাশার সাইয়্যিদুনা হযরত ছফীউল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, আমি সম্মানিত জান্নাত মুবারক উনার প্রতিটি জায়গায় অর্থাৎ সম্মানিত জান্নাত মুবারক উনার সমস্ত বালাখানা উনাদের বিশেষ বিশেষ স্থানে, সমস্ত সম্মানিতা হূর উনাদের বক্ষে বক্ষে, পার্শ্বদেশে, সমস্ত সম্মানিত জান্নাত মুবারক উনার নহরসমূহ উনাদের কিনারে কিনারে এবং সমস্ত গাছের ফলে ফলে দেখি লিখিত রয়েছেন- لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا اللهُ مُحَمَّدٌ رَّسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহম্মদুর রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’।” সুবহানাল্লাহ! (শরহুশ শিফা লিল ক্বারী ১/৩৮১)

কাজেই, স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই মহব্বতে উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় ইসিম বা নাম মুবারক উনার সাথে উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় ইসিম বা নাম মুবারক সংযুক্ত করে দিয়েছেন এবং স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি সম্মানিত জান্নাত মুবারক উনার সব জায়গায়, সম্মানিত আরশে আযীম মুবারক-এ, সাত আসমানের সব জায়গায় এই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কালিমা শরীফ লিপিবদ্ধ করে দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ! তাহলে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বুলন্দি শান মুবারক কতো বেমেছাল, তা এখান থেকেই স্পষ্ট হয়ে যায়। সুবহানাল্লাহ! এক কথায় তিনি শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি নন; এছাড়া সমস্ত শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত বুযূর্গী-সম্মান মুবারক উনার মালিক হচ্ছেন তিনি। সুবহানাল্লাহ!

মহান আল্লাহ পাক তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে উনার মাহবূব, মুরাদ ও সমগ্র কায়িনাতের মালিক হিসেবে সমস্ত কিছু হাদিয়া দিয়েই উনাকে সৃষ্টি মুবারক করেছেন এবং উনাকে উনার সাথে সংযুক্ত করেছেন এবং মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুদরত মুবারক অর্থাৎ নিয়ন্ত্রনে রেখেছেন অথার্ৎ উনার যিয়ারত, ছোহবত, দীদার মুবারকে উনাকে রেখেছেন অথার্ৎ উনি আছেন এবং অনন্তকাল থাকবেন। সুবহানাল্লাহ! উনার সম্মানার্থেই মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার মহাসম্মানিত রুবূবিয়াত মুবারক যাহির করেছেন। সুবহানাল্লাহ! উনার সম্মানার্থে, উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র খেদমত মুবারক উনার আনজাম মুবারক দেয়ার জন্য, উনারই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূর মুবারক থেকে নেয়া এক কাতরা সম্মানিত নূর মুবারক দিয়ে মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাসম্মানিত হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারাসহ সম্মানিত আরশে আযীম মুবারক, সম্মানিত কুরসী মুবারক, সম্মানিত জান্নাত মুবারক, জাহান্নাম, আসমান-যমীন, চন্দ্র-সূর্য, আলো-বাতাস, মাটি-পানি, গাছপালা-তরুলতা, জামাদাত, শাজারাত, হাজারাত, জিন-ইনসান, হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা অর্থাৎ সাত যমীনের নীচ থেকে শুরু করে সাত আসমানের উপর পর্যন্ত এবং আমরা আমাদের চারপাশে যা কিছু দেখি সমুদ্রের তলদেশ থেকে শুরু করে গহীন অরণ্যে যা কিছু রয়েছে, এক কথায় সমস্ত মাখলূকাতই সৃষ্টি করেছেন। সুবহানাল্লাহ!

এ প্রসঙ্গে স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,

اَوَّلُ مَا خَلَقَ اللهُ نُـوْرِىْ وَخَلَقَ كُلَّ شَيْئٍ مِّنْ نُّـوْرِىْ

অর্থ: “মহান আল্লাহ পাক তিনি সর্বপ্রথম আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূর মুবারক সৃষ্টি মুবারক করেন এবং আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূর মুবারক থেকে সমস্ত কিছু সৃষ্টি করেন।” সুবহানাল্লাহ! (মাকতূবাত শরীফ, নূরে মুহম্মদী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আল ইনসানুল কামিল, হাক্বীক্বতে মুহম্মদী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইত্যাদি)

শুধু তাই নয়; মহান আল্লাহ পাক তিনি সৃষ্টির শুরু থেকে অদ্যবধি দায়িমীভাবে উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানার্থে ‘ফালইয়াফরহূ শরীফ’ সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করে যাচ্ছেন এবং অনন্তকাল যাবৎ পালন করতেই থাকবেন। সুবহানাল্লাহ!

এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-

اِنَّ اللهَ وَمَلٰٓئِكَتَهٗ يُصَلُّوْنَ عَلَى النَّبِـىِّ یٰۤـاَيُّـهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُـوْا صَلُّوْا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوْا تَسْلِـيْمًا

অর্থ: “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার সকল সম্মানিত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি দায়িমীভাবে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ছলাত মুবারক পাঠ করে যাচ্ছেন অথার্ৎ মহান আল্লাহ পাক তিনি দায়িমীভাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র খিদমত মুবারক উনার ব্যবস্থা করে যাচ্ছেন, উনার তা’যীম-তাকরীম ও সম্মান করে যাচ্ছেন এবং সমস্ত সৃষ্টিকে করার জন্য বলে যাচ্ছেন এবং তিনি উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ছানা-ছিফত মুবারক করে যাচ্ছেন এবং সমস্ত সৃষ্টিকে করার জন্য বলে যাচ্ছেন অথার্ৎ উনার সম্মানার্থে দায়িমীভাবে ‘ফালইয়াফরহূ শরীফ’ সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করে যাচ্ছেন এবং অনন্তকাল যাবৎ পালন করতেই থাকবেন। সুবহানাল্লাহ! আর হযরত ফেরেস্তা আলাইহিমুস সালাম উনারাও দায়িমীভাবে উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র গোলামী মুবারক উনার আনজাম মুবারক দিয়ে যাচ্ছেন, উনাকে তা’যীম-তাকরীম করে যাচ্ছেন, সম্মান করে যাচ্ছেন এবং ছানা-ছিফত মুবারক করে যাচ্ছেন অর্থাৎ উনার সম্মানার্থে দায়িমীভাবে ‘ফালইয়াফরূহূ শরীফ’ সাইয়্যিদুল আইয়্যাদ শরীফ পালন করে যাচ্ছেন এবং করে যেতেই থাকবেন। হে ঈমানদাররা! তোমরাও নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ছলাত মুবারক পাঠ করো অথার্ৎ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র গোলামী মুবারক উনার আনজাম মুবারক দাও, উনাকে তা’যীম-তাকরীম মুবারক করো, সম্মান মুবারক করো, উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ছানা-ছিফত মুবারক করো অর্থাৎ উনার সম্মানার্থে বিনা চু-চেরা, ক্বীলও ক্বাল-এ অন্তরের অন্তস্থল থেকে উনাকে মেনে নিয়ে উনার সম্মানার্থে দায়িমীভাবে অনন্তকাল যাবৎ ‘ফালইয়াফরহু শরীফ’ সাইয়্যিদুল আ’ইয়্যাদ শরীফ পালন করো। সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ : সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ৫৬)

তাই সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসী সকলের জন্য ফরযে আইন হচ্ছেন মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আদেশক্রমে ও উনার অনুসরণে উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানার্থে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘ফালইয়াফরহূ শরীফ’ সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করা । সুবহানাল্লাহ!

তাহলে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক কতো বেমেছাল, সেটা সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসী সকলের চিন্তা ও কল্পনার উর্ধ্বে। সুবহানাল্লাহ!

খ্বালিক্ব¡ মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-

وَاِذْ اَخَذَ اللهُ مِيْـثَاقَ النَّبِــيّٖـنَ لَمَاۤ اٰتَــيْـتُكُمْ مِّنْ كِـتٰبٍ وَّحِكْمَةٍ ثُـمَّ جَآءَكُمْ رَسُوْلٌ مُّصَدِّقٌ  لِّـمَا مَعَكُمْ لَـتُـؤْمِنُنَّ بِهٖ وَلَـتَـنْصُرُنَّهٗ قَالَ ءَاَقْـرَرْتُـمْ وَاَخَذْتُـمْ عَلـٰى ذٰلِكُمْ اِصْرِىْ قَالُوْاۤ اَقْـرَرْنَا قَالَ فَاشْهَدُوْا وَاَنَا مَعَكُمْ مِّنَ الشّٰهِدِيْنَ. فَمَنْ تَـوَلّٰـى بَـعْدَ ذٰلِكَ فَاُولٰٓـئِكَ هُمُ الْفٰسِقُوْنَ

অর্থ: “আর যখন মহান আল্লাহ পাক তিনি সমস্ত হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের থেকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ওয়াদা মুবারক গ্রহণ করলেন যে, আপনাদেরকে সম্মানিত কিতাব মুবারক এবং হিকমত মুবারক দেয়া হবে অর্থাৎ আপনাদেরকে সম্মানিত নুবুওওয়াত ও রিসালত মুবারক দেয়া হবে। অতঃপর আপনাদের নিকট আমার পক্ষ থেকে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তাশরীফ মুবারক গ্রহণ করবেন। তিনি আপনাদেরকে এবং আপনাদের কাছে যা কিছু রয়েছেন সমস্ত কিছুর তাছদীক্ব বা সত্যায়ন করবেন। আপনারা অবশ্যই অবশ্যই উনার প্রতি সম্মানিত ঈমান মুবারক আনবেন এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র খিদমত মুবারক উনার আনজাম মুবারক দিবেন। সুবহানাল্লাহ! মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন, আপনারা কি তা স্বীকার করে নিলেন এবং এই বিষয়ে আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ওয়াদা মুবারক গ্রহণ করলেন অথার্ৎ আমার শর্ত মুবারক মেনে নিলেন? উনারা বললেন, আমরা স্বীকার করে নিলাম, মেনে নিলাম, গ্রহণ করলাম। মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন, তাহলে আপনারা সকলে সাক্ষী থাকুন এবং আমিও আপনাদের সাথে সাক্ষী রইলাম। সুবহানাল্লাহ! এরপর যারা এই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ওয়াদা মুবারক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিবে অর্থাৎ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ওয়াদা মুবারক উনার খিলাফ করবে, তারাই হচ্ছে ফাসিক্ব অর্থাৎ চরম নাফরমান, কাট্টা কাফির।” না‘ঊযুবিল্লাহ! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা আল ইমরান শরীফ : সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ৮১-৮২)

এই সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বেমেছাল মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক উনার বিষয়টি স্পষ্ট করে দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ!

উল্লেখ্য, সমস্ত সৃষ্টির মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ হচ্ছেন হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা। সুবহানাল্লাহ! স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজে হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে সৃষ্টি মুবারক করার পরই উনাদের থেকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ওয়াদা মুবারক নিয়েছেন যে, আপনাদেরকে সম্মানিত নুবুওয়াত-রিসালাত মুবারক দেয়া হবে, তবে শর্ত হচ্ছে-

جَآءَكُمْ رَسُوْلٌ مُّصَدِّقٌ  لِّـمَا مَعَكُمْ

(ক) আপনাদের নিকট আমার পক্ষ থেকে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তাশরীফ মুবারক গ্রহণ করবেন। তিনি আপনাদেরকে এবং আপনাদের কাছে যা কিছু রয়েছে সমস্ত কিছুর তাছদীক্ব বা সত্যায়ন মুবারক করবেন। অর্থাৎ সম্মানিত নুবুওওয়াত ও রিসালত মুবারক দিচ্ছেন মহান আল্লাহ পাক তিনি। আর তাছদীক্ব বা সত্যায়ন মুবারক করবেন উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি। সুবহানাল্লাহ!

স্বাভাবিকভাবে যিনি বড় তিনি তাছদীক্ব বা সত্যায়ন করেন। কিন্তু মহান আল্লাহ পাক উনার উপরে তো কেউ নেই। অথচ এরপরেও মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই বলতেছেন যে, মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে সম্মানিত নুবুওওয়াত ও রিসালত মুবারক দিবেন; আর সম্মানিত তাছদীক্ব বা সত্যায়ন মুবারক করবেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যদি হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্মানিত নুবুওওয়াত ও রিসালত মুবারক তাছদীক্ব বা সত্যায়ন মুবারক করেন, তাহলে উনাদের সম্মানিত নুবুওওয়াত ও রিসালত মুবারক ঠিক থাকবে। আর তিনি যদি তাছদীক্ব বা সত্যায়ন মুবারক না করেন, তাহলে উনাদের সম্মানিত নুবুওওয়াত ও রিসালত মুবারক থাকবে না। সুবহানাল্লাহ!

তারপর মহান আল্লাহ পাক তিনি অত্যন্ত তাকীদ ও গুরুত্বের সাথে ইরশাদ মুবারক করেন, لَتُؤْمِنُنَّ بِهٖ

(খ) আপনারা অবশ্যই অবশ্যই উনার প্রতি সম্মানিত ঈমান মুবারক আনবেন। এখানে মহান আল্লাহ পাক তিনি প্রথমে ‘লামে তাকীদ’ তারপর ‘নূনে তাকীদ ছাক্বীলাহ্’ ব্যবহার করেছেন। সুবহানাল্লাহ!

তারপর মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে উদ্দেশ্য করে বলতেছেন যে, শুধু সম্মানিত ঈমান মুবারক আনলেই হবে না। ঈমান তো আনবেনই, وَلَتَـنْصُرُنَّهٗ

(গ) এবং আপনারা অবশ্যই অবশ্যই উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র খিদমত মুবারক উনার আনজাম মুবারক দিবেন, উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ছানা-ছিফত মুবারক করবেন। সুবহানাল্লাহ!

কাজেই, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র খিদমত মুবারক, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র গোলামী মুবাকর উনার আনজাম মুবারক দেয়া, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ছানা-ছিফত মুবারক করা সমস্ত সৃষ্টি সকলের জন্যই ফরযে আইন। সুবহানাল্লাহ!

মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে শুধু শর্ত মুবারক দিয়েই শেষ করে দেননি, তারপর তিনি উনাদেরকে উদ্দেশ্য করে ইরশাদ মুবারক করেন যে,

ءَاَقْـرَرْتُـمْ وَاَخَذْتُـمْ عَلـٰى ذٰلِكُمْ اِصْرِىْ

(১) (আমি আপনাদেরকে যা বললাম,) আপনারা কি তা স্বীকার করে নিলেন?

(২) এবং এই বিষয়ে আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ওয়াদা মুবারক গ্রহণ করলেন অথার্ৎ আমার শর্ত মুবারক মেনে নিলেন? তখন সমস্ত হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা স্বীকৃতিজ্ঞাপন করে সমস্বরে বললেন,

(৩) اَقْـرَرْنَا আমরা স্বীকার করে নিলাম, মেনে নিলাম, গ্রহণ করলাম।

তারপর মহান আল্লাহ পাক তিনি আবার বললেন,

فَاشْهَدُوْا وَاَنَا مَعَكُمْ مِّنَ الشّٰهِدِيْنَ

(৪) তাহলে আপনারা সকলে সাক্ষী থাকুন

(৫) এবং আমিও আপনাদের সাথে সাক্ষী রইলাম। সুবহানাল্লাহ!

এখানে মহান আল্লাহ পাক তিনি কতগুলো তাকীদ মুবারক দিলেন এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিষয়গুলো কতটুকু গুরুত্ব মুবারক দিলেন। সুবহানাল্লাহ!

সর্বশেষ মহান আল্লাহ পাক তিনি অত্যন্ত কঠিনভাবে সতর্ক করে জানিয়ে দিলেন যে,

فَمَنْ تَـوَلّٰـى بَـعْدَ ذٰلِكَ فَاُولٰٓـئِكَ هُمُ الْفٰسِقُوْنَ

“অতঃপর যে বা যারা এই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ওয়াদা মুবারক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিবে অর্থাৎ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ওয়াদা মুবারক উনার খিলাফ করবে, তারাই হচ্ছে ফাসিক্ব অর্থাৎ চরম নাফরমান, কাট্টা কাফির।” নাউজুবিল্লাহ!

অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি সম্মানিত ঈমান মুবারক না আনলে, উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র খিদমত মুবারক উনার আনজাম মুবারক না দিলে, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ছানা-ছিফত মুবারক না করলে এবং উম্মতদেরকে এই বিষয়ে আদেশ না করলে, হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম থাকা সম্ভব হবে না। নাউজুবিল্লাহ!

তাহলে এখান থেকে স্পষ্ট হয়ে যায় যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক কতো বেমেছাল, যেটা সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসী সকলের চিন্তা ও কল্পনার উর্ধ্বে। সুবহানাল্লাহ! এক কথায় তিনি শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি নন; এছাড়া সমস্ত শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত বুযূর্গী-সম্মান মুবারক উনাদের মালিক হচ্ছেন তিনি। সুবহানাল্লাহ!

মহান আল্লাহ পাক তিনি মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আছ ছমাদ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার সম্মানার্থে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বেমেছাল মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বুলন্দী শান মুবারক উপলব্ধি করার তাওফীক্ব দান করুন। আমীন!

-মুহাদ্দিছ মুহম্মদ ইবনে ছিদ্দীক্ব।

কারবালার মর্মান্তিক ঘটনার জন্য চির মালউন ইয়াযীদ লা’নতুল্লাহি আলাইহি অবশ্যই দায়ী এবং সে কাফির

অসুস্থ অবস্থায় ইঞ্জেকশন নিয়ে রোযা রাখলে যেমন রোযা হয় না, তেমনি অসুস্থ অবস্থায় চেয়ারে বসে নামায পড়লে নামায হয় না

পবিত্র সূরা আনআম শরীফ উনার ৭৪ নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখিত اَبٌ‘আবুন’ শব্দ মুবারক চাচা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, পিতা অর্থে নয়

হক্কানী রব্বানী আউলিয়া কিরাম উনাদের শানে সবসময় সার্বিকভাবে হুসনে যন রাখতে হবে; উনাদের কাছে বাইয়াত হয়ে ফিরে গেলে মুরতাদ হবে। নাউযূবিল্লাহ!

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক পালনে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদের অনুপম দৃষ্টান্ত মুবারক