ইফকের ঘটনা এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ্ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত বেমেছাল পবিত্রতা মুবারক এবং মর্যাদা মুবারক উনাদের বহিঃপ্রকাশ মুবারক

সংখ্যা: ২৮৪তম সংখ্যা | বিভাগ:

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মদীনা শরীফ থেকে ৯ মাইল দূরে বনূ মুছ্ত্বলিক্বের অধীনে ‘আল মুরাইসী’ নামে একটি কূপ ছিলো। বনূ মুছ্ত্বলিক্বের জিহাদে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদেরকে নিয়ে এই কূপের নিকট মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র অবস্থান মুবারক করেন বিধায় এই জিহাদকে ‘মুরাইসী’র জিহাদও’ বলা হয়। ৫ম হিজরী শরীফ উনার যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার শেষের দিকে এই সম্মানিত জিহাদ মুবারক সংঘটিত হন। সম্মানিত জিহাদ মুবারক থেকে প্রত্যাবর্তনের সময় ৬ষ্ঠ হিজরী শরীফ উনার মুহররমুল হারাম মাসের শুরুর দিকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র শান মুবারক উনার খিলাফ মিথ্যা অপবাদ রটনা করে মুনাফিক্ব সর্দার উবাই ইবনে সুলূল লা’নাতুল্লাহি আলাইহি এবং তার সাঙ্গপাঙ্গরা। না‘ঊযুবিল্লাহ! যা ইফকের ঘটনা হিসেবে সকলের মাঝে মশহূর।

সাধারণভাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যে কোনো সফরে যখন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তাশরীফ মুবারক নিতেন, প্রত্যাবর্তন করার সময় পিছনে একজন ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনাকে রেখে আসতেন। সকলে চলে আসার পরে তিনি সে এলাকায় সবকিছু খুঁজে দেখতেন- কেউ কোন কিছু ফেলে গেছেন কি না। কিছু পেলে তিনি সেটা সংগ্রহ করে যথাস্থানে পৌঁছে দিতেন। বনূ মুছ্ত্বলিক্বের জিহাদ মুবারক থেকে প্রত্যাবর্তনের সময় এই দায়িত্ব মুবারক দেয়া হয়েছিলো বিশিষ্ট ছাহাবী হযরত সাফওয়ান ইবনে মু‘আত্ত্বাল আস সুলামী রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনাকে। সম্মানিত জিহাদ মুবারক থেকে ফেরার পথে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এক মানযিলে তাঁবু মুবারক গেড়ে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র অবস্থান মুবারক করেন। রাত্রির শেষ সময় সবাইকে বলা হলো, প্রত্যেকে যেন উনাদের ওযূ-ইস্তেন্জা যা কিছু প্রয়োজন সেটা সেরে আবার রওনার জন্য প্রস্তুত হন। মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম তিনিও প্রয়োজনে বের হয়েছিলেন। তিনি উনার প্রয়োজন-জরুরত সেরে ফিরতেছিলেন। হঠাৎ তিনি দেখতে পেলেন যে, উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুন নাযাহাহ্ মুবারক-এ (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র গলা মুবারক-এ) যে হার মুবারকখানা ছিলেন, সেটা নেই। হার মুবারকখানা কোথাও পড়ে গেছেন। তিনি তালাশ করতে থাকেন। মূলত, এই সম্মানিত হার মুবারকখানা ছিলেন উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বোন হযরত আসমা রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহা উনার। সেটা তালাশ করতে উনার কিছু সময় মুবারক ব্যয় হয়ে যায়। তিনি হার মুবারকখানা খুঁজে পান। তারপর তিনি যখন আসলেন, এসে দেখতে পেলেন সেখানে কেউ নেই। দুনিয়াবী দৃষ্টিতে উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বয়স মুবারক তখন খুব অল্প। ১৪ বছর শেষ হয়ে ১৫ বছরে তিনি পড়েছেন। তিনি স্বাভাবিক ছিলেন। অতি স্বাস্থ্যবতিও ছিলেন না, আবার অতি হালকা-পাতলাও ছিলেন না। তিনি স্বাভাবিক থাকার কারণে উনার হাওদা মুবারক যাঁরা উঠিয়েছিলেন, উনারা বুঝতে পারেননি যে, তিনি ভিতরে আছেন অথবা নেই। যার কারণে উনাদের অজান্তেই উনারা হাওদা মুবারক উটের পিঠে বসিয়ে রওয়ানা হয়ে চলে গেছেন।

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের আক্বল-সমঝ, ইলিম-কালাম মুবারক সবই তো কুদরতময়। কাজেই, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম তিনি যখন এসে দেখতে পেলেন সেখানে কেউ নেই, তখন তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র চাদর মুবারক দিয়ে উনার সমস্ত শরীর মুবারক ঢেকে সেখানেই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র অবস্থান মুবারক করতে থাকলেন এবং তিনি ইতমিনান থাকলেন যে, নিশ্চয়ই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি লোক পাঠিয়ে উনাকে এখান থেকে নিয়ে যাবেন। সুবহানাল্লাহ!

এখন সফরের কারণে ক্লান্ত-স্রান্ত হওয়াটাই স্বাভাবিক। ফলে উনার তন্দ্রা এসে গেলো। তিনি বসা অবস্থায় একটু ঘুমিয়ে গেলেন। এদিকে কেউ কোনো কিছু ফেলে গেছেন কি না, সেটা তালাশ করার জন্য হযরত সাফওয়ান ইবনে মু‘আত্ত্বাল রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি পিছন থেকে সে এলাকায় আসলেন। তিনি দূর থেকে দেখলেন- মনে হচ্ছে কেউ একজন পুরোপুরি শোয়া অবস্থায় নয়, বসার মধ্যে কাত হয়ে ঘুমিয়ে গেছেন। তিনি দূর থেকে দেখে ‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রজি‘ঊন!’ খুব জোরে আওয়াজ করে পাঠ করলেন। তখন পর্দার আয়াত শরীফ নাযিল হয়ে গেছেন। এটা ৬ষ্ঠ হিজরীর শুরুতে। ৫ম হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৮ই যিলক্বদ শরীফে পর্দার সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল হয়েছেন। পূর্ববর্তী সময় অনেক হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনারা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাহিন্নাস সালাম উনাদের অনেককে দেখেছিলেন। হযরত সাফওয়ান ইবনে মু‘আত্ত্বাল রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনিও মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ্ আলাইহাস সালাম উনাকে দেখেছিলেন। তাই তিনি বুঝতে পারলেন, নিশ্চয়ই তিনিই হবেন।

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, “উনার কণ্ঠস্বর কানে আসতেই আমার তন্দ্রা কেটে গেলো। আমি তাড়াতাড়ি উঠে বসলাম এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র চাদর মুবারক দ্বারা সমস্ত শরীর মুবারক আরো ভালভাবে ঢেকে ফেললাম।

وَاللهِ مَا يُكَلِّمُنِـىْ بِكَلِمَةٍ وَلَا اُكَلِّمُهٗ

‘মহান আল্লাহ পাক উনার ক্বসম! তিনি আমার সঙ্গে কোনো কথাই বললেননি। আমিও উনার সাথে কোনো কথা মুবারক বলিনি।’

‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন’ ছাড়া উনার মুখ থেকে অন্য কোনো কথা শুনিনি। তিনি নিজের উটটি এনে আমার সামনে বসিয়ে দিয়ে দূরে সরে দাঁড়ালেন। আমি উটের পিঠে উঠে বসলাম। আর তিনি লাগাম ধরে হেঁটে চললেন।”

হযরত সাফওয়ান ইবনে মু‘আত্ত্বাল রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ্ সাইয়িদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনাকে যোহরের ওয়াক্তে সম্মানিত কাফেলা উনার কাছে পৌঁছে দিলেন। সুবহানাল্লাহ!

বিষয়টা এতটুকু ছিলো। কিন্তু মুনাফিক সর্দার উবাই বিন সুলূল যেহেতু সবসময় ফেতনা সৃষ্টি করার জন্য চক্রান্ত করে যেতো। কিভাবে ফেতনা সৃষ্টি করা যায়, সে সব সময় এই ফিক্বিরেই থাকতো। না‘ঊযুবিল্লাহ! সে এ বিষয়টি ছড়িয়ে দিলো অপবাদ হিসেবে। না‘ঊযুবিল্লাহ!

বিষয়টা যখন ব্যাপক ছড়াছড়ি হলো, তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বিষয়টা ফায়ছালা করতে পারতেন। কিন্তু তিনি ফায়ছালা করলে, মুনাফিক, কাফির-মুশরিক, ইহূদী-নাছারারা একটা অপবাদ দিতো যে, প্রত্যেকেই প্রত্যেকের আহলিায়াহ্ সম্পর্কে ভালো কথা বলে থাকে, তিনিও সেটা বলেছেন। না‘ঊযুবিল্লাহ! যার কারণে তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ওহী মুবারক উনার অপেক্ষায় থাকলেন।

বিষয়টাকে স্পষ্ট করার জন্য নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনাকে, সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনাকে, ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামুল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম উনাকে অর্থাৎ উনাদেরকে ডেকে জিজ্ঞসা করলেন- আপনারা এই বিষয় সম্পর্কে কী বলেন?

প্রথমে সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি অত্যন্ত সুস্পষ্টভাবে বললেন, “ইয়া রসূলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এটা কখনো হতে পারে না। এটা একটা কাট্টা মিথ্যা অপবাদ, এতে কোন সন্দেহ নেই। যিনি খ্বলিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক যিনি আপনাকে এতো পবিত্র থেকে পবিত্রতম করেছেন যে, আপনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল মুজাসসাম মুবারক-এ (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র জিসিম মুবারক তথা শরীর মুবারক-এ) মশা-মাছি পযর্ন্ত বসে না। সুবহানাল্লাহ! তাহলে এটা কি করে বিশ্বাস করা যেতে পারে? এটা একটা কাট্টা মিথ্যা কথা। এটা মুনাফিকদের রচিত একটা ফিতনা।”

তারপর সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনাকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন- ইয়া রসূলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এটা একটা কাট্টা মিথ্যা কথা, মুনাফিকদের বানানো একটা ফিতনা, চক্রান্ত, ষড়যন্ত্র। যিনি খ্বলিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আপনাকে এতো পবিত্র থেকে পবিত্রতম করেছেন যে, আপনার কোনো ছায়া মুবারক নেই। যাতে কাফির মুশরিকরা কোনো রকম ইহানতের কোশেশ করতে না পারে। তাহলে এটা কি করে বিশ্বাস করা যেতে পারে? কাট্টা মিথ্যা কথা, এটা একটা তোহমত। এটা কখনো বিশ্বাস যোগ্য নয়।”

সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম তিনি বলেন- ইয়া রসূলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এটা কাট্টা মিথ্যা কথা, এটা তোহমত। কাফির-মুশরিক ও মুনাফিকদের এটা একটা চক্রান্ত। তাদের উদ্দেশ্য একটা ফিতনা সৃষ্টি করা। আপনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র শান-মান মুবারক উনার বিরোধীতা করার কারণে তারা এ কথাগুলো বলে থাকে। যিনি খ্বলিক যিনি মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আপনাকে এতো পবিত্র থেকে পবিত্রতম করেছেন যে, আপনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল ফখ্র মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র না’লাইন শরীফ) উনার মধ্যে সামান্য নাপাকীর একটা ছোয়া থাকার কারণে যিনি খ্বলিক যিনি মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বরদাশত করলেন না; বরং সাথে সাথে মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ওহী মুবারক নাযিল করে বলে দিলেন- মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল ফখ্র মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র না’লাইন শরীফ) খুলে ফেলে দিন। তাহলে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মাঝে কি করে কোনো অপছন্দনীয় বিষয় থাকতে পারে? এটা একটা কাট্টা মিথ্যা কথা, একটা কঠিন তোহমত। না‘ঊযুবিল্লাহ! কাজেই, এটা কখনো হতে পারে না।”

প্রায় এক মাসের বেশি সময় অতিবাহিত হয়। তারপর স্বয়ং যিনি খালিক্ব¡ মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজে মুনাফিক্বদের মিথ্যা অপবাদকে খণ্ডন করে দিয়ে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত পবিত্রতা মুবারক বর্ণনা করে ‘সম্মানিত ও পবিত্র সূরা নূর শরীফ’ উনার ১১ থেকে ২০ পর্যন্ত মোট ১০খানা সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল করেন। সুবহানাল্লাহ! মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,

اِنَّ الَّذِيْنَ جَآءُوْ بِالْاِفْكِ عُصْـبَةٌ مِّـنْكُمْ لَا تَـحْسَبُـوْهُ شَرًّا لَّكُمْ بَلْ هُوَ خَـيْـرٌ لَّكُمْ لِكُلِّ امْرِئٍ مِّـنْـهُمْ مَّا اكْتَسَبَ مِنَ الْاِثْـمِ وَالَّذِىْ تَـوَلّٰـى كِـبْـرَهٗ مِنْـهُمْ لَهٗ عَذَابٌ عَظِيْمٌ. لَوْلَاۤ اِذْ سَـمِعْـتُمُوْهُ ظَنَّ الْمُؤْمِنُـوْنَ وَالْمُؤْمِنٰتُ بِاَنْـفُسِهِمْ خَيْـرًا وَّقَالُوْا هٰذَاۤ اِفْكٌ مُّبِيْـنٌ. لَوْلَا جَآءُوْ عَلَيْهِ بِاَرْبَـعَةِ شُهَدَآءَ فَاِذْ لَـمْ يَاْتُـوْا بِالشُّهَدَآءِ فَاُولٰٓئِكَ عِنْدَ اللهِ هُمُ الْكٰذِبُـوْنَ. وَلَوْلَا فَضْلُ اللهِ عَلَـيْكُمْ وَرَحْـمَتُهٗ فِـى الدُّنْـيَا وَالْاٰخِرَةِ لَمَسَّكُمْ فِـىْ مَاۤ اَفَضْتُمْ فِـيْهِ عَذَابٌ عَظِيْمٌ. اِذْ تَـلَقَّوْنَهٗ بِاَلْسِنَتِكُمْ وَتَـقُوْلُوْنَ بِاَفْـوَاهِكُمْ مَّا لَـيْسَ لَكُمْ بِهٖ عِلْمٌ وَّتَـحْسَـبُـوْنَهٗ هَـيِّـنًا وَّهُوَ عِنْدَ اللهِ عَظِـيْمٌ. وَلَوْلَاۤ اِذْ سَـمِعْــتُمُوْهُ قُـلْـتُمْ مَّا يَكُوْنُ لَـنَاۤ اَنْ نَّــتَكَلَّمَ بِـهٰذَا سُبْحٰنَكَ هٰذَا بُـهْتَانٌ عَظِيْمٌ. يَـعِظُكُمُ اللهُ اَنْ تَـعُوْدُوْا لِمِثْلِهٖۤ اَبَدًا اِنْ كُنْـتُمْ مُّؤْمِنِـيْـنَ. وَيُــبَــيِّـنُ اللهُ لَكُمُ الْاٰيٰتِ وَاللهُ عَلِـيْمٌ حَكِـيْمٌ. اِنَّ الَّذِيْنَ يُـحِبُّـوْنَ اَنْ تَشِيْعَ الْـفَاحِشَةُ فِـى الَّذِيْنَ اٰمَنُـوْا لَـهُمْ عَذَابٌ اَلِـيْمٌ فِـى الدُّنْـيَا وَالْاٰخِرَةِ وَاللهُ يَـعْلَمُ وَاَنْــتُمْ لَا تَـعْلَمُوْنَ. وَلَوْلَا فَضْلُ اللهِ عَلَـيْكُمْ وَرَحْـمَتُهٗ وَاَنَّ اللهَ رَءُوْفٌ رَّحِيْمٌ

অর্থ: “নিশ্চয়ই যারা (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র শান মুবারক উনার খিলাফ) এই অপবাদ দিয়েছে, মিথ্যা অপপ্রচার করেছে, এরা কিন্তু মুসলমানদের মধ্য থেকে একটি দল অর্থাৎ মুনাফিক্ব (উবাই বিন সুলূল এবং তার সাঙ্গপাঙ্গ)। আপনারা চিন্তা করবেন না যে, এটাতে আপনাদের জন্য খারাবী রয়েছে; বরং এটাতে আপনাদের জন্য খায়ের-বরকত রয়েছে। যারা এটা রটিয়েছে, যারা জড়িত ছিলো, তারা প্রত্যেকেই তাদের অবস্থা অনুযায়ী গুনাহ কামিয়েছে। আর তাদের মধ্যে যে বড় দুষ্টটা (কাট্টা মুনাফিক্ব সর্দার উবাই বিন সুলূল, সে মানুষদের মাঝে অপপ্রচার করে বেরিয়েছে, মানুষকে বিভ্রান্ত করার কোশেশ করেছে এবং কিছু লোককে বিভ্রান্ত করেছে) তার জন্য কঠিন শাস্তি রয়েছে। না‘ঊযুবিল্লাহ! হে মুসলমান পুরুষ মহিলা (জ্বীন-ইনসান) তোমরা যখন এ কথাগুলো শুনলে, তখন তোমরা কেন নিজেদের প্রতি অর্থাৎ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের প্রতি সুধারণা পোষণ করলে না? নাউযুবিল্লাহ! তখন কেন বললে না, এটা একটা কঠিন প্রকাশ্য অপবাদ? না‘ঊযুবিল্লাহ! তারা (মুনাফিক্বরা) কেন এ ব্যাপারে চার জন সাক্ষী উপস্থিত করেনি? অতঃপর যখন তারা সাক্ষী উপস্থিত করতে পারেনি, তারাই (মুনাফিক্ব ও কাফিরগুলোই) মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে কঠিন মিথ্যাবাদী (হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে)। যদি ইহকাল ও পরকালে আপনাদের প্রতি মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত ফযল ও রহমত মুবারক না থাকতো, তবে আপনারা যা চর্চা করছিলেন, সেজন্য আপনাদেরকে কঠিন আযাব স্পর্শ করতো। (অর্থাৎ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র শান মুবারক উনার খিলাফ অপবাদ দেয়ার কারণে মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে কঠিন আযাব-গযব নেমে আসতো।) যখন তোমরা এটাকে মুখে মুখে ছড়াচ্ছিলে এবং মুখে এমন বিষয় উচ্চারণ করছিলে, যার কোনো জ্ঞান তোমাদের ছিলো না। তোমরা এই বিষয়টিকে হালকা মনে করছিলে, অথচ মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে এটা একটি অত্যন্ত কঠিন অপরাধ। তোমরা যখন এ কথা শুনলে তখন কেন বললে না যে, এ বিষয়ে কোনো কথা বলা আমাদের উচিত নয়। মহান আল্লাহ পাক তিনি তো অত্যন্ত পবিত্রময়। এটা তো একটা কঠিন গুরুতর অপবাদ। মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদেরকে নছীহত করছেন, তোমারা যদি ঈমানদার হও, তবে কখনো পুনরায় এ সমস্ত কাজের পুনরাবৃত্তি করো না। মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদের জন্য সমস্ত হুকুম-আহকাম স্পষ্টভাবে বর্ণনা করে দিয়েছেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি হচ্ছেন ‘আলীম ও হাকীম তথা সব কিছু জানেন এবং তিনি অত্যন্ত হিকমতওয়ালা। সুবহানাল্লাহ! নিশ্চয়ই যারা পছন্দ করে, ঈমানদারদের সম্পর্কে খাছভাবে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সম্পর্কে মিথ্যা ও নোংরামী বিষয়গুলি প্রচার করতে, এই সমস্ত মুনাফিক ও কাফির-মুশরিকদের জন্য ইহকাল-পরকালে কঠিন শাস্তি রয়েছে। না‘ঊযুবিল্লাহ! (তাদের জন্য কত কঠিন শাস্তি রয়েছে, সেটা) যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি (এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অর্থাৎ উনারাই) ভালো জানেন, তোমরা জানো না। সুবহানাল্লাহ! যদি আপনাদের প্রতি যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনার ফযল, করম মুবারক না থাকতো, উনার রহমত-দয়া মুবারক না থাকতো, তাহলো বাঁচার কোনো উপায় ছিলো না। নিশ্চয়ই যিনি খ্বলিক যিনি মালিক মহান আল্লাহ পাক তিনি (তো একমাত্র উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানার্থে) অশেষ মেহেরবান ও পরম দয়ালু।” সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা নূর শরীফ : সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ১১-২০)

মহান আল্লাহ পাক তিনি প্রথমত এই ১০খানা সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ এবং পরবর্তীতে আরো ৬ খানাসহ আরো অনেক সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল করে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত বেমেছাল পবিত্রতা মুবারক, শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক উনাদের বিষয়টি সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসী সকলের নিকট স্পষ্ট করে দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ! যার কোনো মেছাল বা তুলনা নেই। সুবহানাল্লাহ!

মূলত, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত পবিত্রতা মুবারক উনার যেই হুকুম মুবারক মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম তিনিসহ সমস্ত মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদেরও একই হুকুম মুবারক। সুবহানাল্লাহ! সেজন্য আমরা দেখতে পাই, মহান আল্লাহ পাক উনার জলীলুল ক্বদর নবী ও রসূল হযরত ইঊসুফ আলাইহিস সালাম উনার শানে যখন অপবাদ দেয়া হয়েছিলো, তখন উনার সম্মানিত পবিত্রতা মুবারক বর্ণনা করেছেন একজন বাচ্চা শিশু (ছেলে)। আর সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রূহিল্লাহ আলাইহাস সালাম (সাইয়্যিদাতুনা হযরত মারইয়াম আলাইহাস সালাম) উনার শানে যখন অপবাদ দেয়া হয়েছিলো, তখন উনার সম্মানিত পবিত্রতা মুবারক বর্ণনা করেছেন উনার সম্মানিত আওলাদ জলীলুল ক্বদর নবী ও রসূল হযরত ঈসা রূহুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি। সুবহানাল্লাহ! অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক তিনি সৃষ্টির মাধ্যম দিয়ে উনাদের পবিত্রতা মুবারক ঘোষণা করিয়েছেন। কিন্তু মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র শান মুবারক উনার খিলাফ যখন অপবাদ দেয়া হয়েছিলো, তখন উনার মহাসম্মানিত পবিত্রতা মুবারক স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই বর্ণনা মুবারক করেছেন। সুবহানাল্লাহ!

তাহলে এখান থেকে স্পষ্ট হয়ে যায় যে, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক এবং পবিত্রতা মুবারক কতো বেমেছাল। সুবহানাল্লাহ! তা কস্মিনকালেও ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব না। সুবহানাল্লাহ! তবে এক কথায় তিনি শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি নন এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নন; এছাড়া সমস্ত শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক উনাদের অধিকারিণী হচ্ছেন তিনি। সুবহানাল্লাহ!

এরপরেও যারা উনার শান-মান নিয়ে চূ-চেরা, ক্বীল-ক্বাল করবে, উনার মানহানী করবে, তাদের জন্য অত্যন্ত কঠিন ও লাঞ্ছিত শাস্তি অপেক্ষমান। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই ইরশাদ মুবারক করেন,

مَلْعُوْنِـيْـنَ اَيْــنَمَا ثُـقِفُوْاۤ اُخِذُوْا وَقُــتِّـلُوْا تَـقْتِـيْلًا

অর্থ: “তারা চরম মাল‘ঊন। তাদেরকে যেখানেই পাওয়া যাবে সেখানেই পাকড়াও করে কুচিকুচি করে অর্থাৎ টুকরো টুকরো করে ক্বতল করে মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে।” সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ : সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ৬১)

কাজেই, এই সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ মুতাবেক যারা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার অথবা অন্য যে কোন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র শান-মান নিয়ে চূ-চেরা, ক্বীল-ক্বাল করবে, উনাদের মানহানী করবে, তারা ইবলীসের চেয়ে চরম মাল‘ঊন হবে। তাদেরকে যেখানে পাওয়া যাবে, সেখানেই পাকড়াও করতে হবে এবং কুচিকুচি করে অর্থাৎ টুকরো টুকরো করে ক্বতল করে মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে। সুবহানাল্লাহ! এটাই হচ্ছে তাদের একমাত্র শাস্তি।

মহান আল্লাহ পাক তিনি মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানার্থে আমাদের সবাইকে হাক্বীক্বী ছহীহ সমঝ এবং সর্বোচ্চ বিশুদ্ধ হুসনে যন মুবারক নছীব করুন। আমীন!

-মুহাদ্দিছ মারইয়াম বিনতে মানছূর।

পবত্রি দ্বীন ইসলাম উনার দৃষ্টিতে ছোঁয়াচে বা সংক্রামক বলে কোন রোগ নাই “ছোঁয়াচে বা সংক্রামক বশ্বিাস করা শরিক”

সম্মানিত শরীয়ত উনার ফাতাওয়া অনুযায়ী “সুস্থ মানুষকে সুস্থ মানুষ থেকে দুরে থাকার ব্যাপারে” ইফার ফাতাওয়া ও সরকারী নির্দেশনা সম্পূর্নরূপে ভুল, মনগড়া, কুফরী ও শিরকীপূর্ণ

কতপিয় সম্মানতি সুন্নতী আমল, যা জানা থাকলে সহজইে আমল করা যায়

সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মুত্বহ্হার, মুত্বহহির, আছ ছমাদ, মুজাদ্দিদে আ”যম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বেমেছাল মহাসম্মানিত তা“য়াল্লুক্ব-নিসবত মুবারক

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক উনার ইত্তিবা” তথা অনুসরণ-অনুকরণ করার গুরুত্ব-তাৎপর্য এবং বেমছাল ফযীলত মুবারক