‘উলামা আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত’ সম্পর্কিত ‘দৈনিক যুগান্তর’ পত্রিকার মন্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিস্ময় প্রকাশ গোয়েন্দা শীর্ষ কর্মকর্তারাও অবহিত নয় খোদ যুগান্তর সম্পাদকের দুঃখ প্রকাশ

সংখ্যা: ১৯১তম সংখ্যা | বিভাগ:

গত ২৪শে অক্টোবর/০৯ তারিখে ‘দৈনিক যুগান্তর’ পত্রিকার প্রথম লিড নিউজের আরো ৭টি জঙ্গি সংগঠন নিষিদ্ধ হচ্ছে উল্লেখ করে তার মধ্যে ‘উলামা আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত’-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ‘উলামা আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত’- ‘আল বাইয়্যিনাত’ বা ‘আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত’-এর অঙ্গ সংগঠন নয়। বরং ‘আল বাইয়্যিনাত’ একটি সরকারি রেজিস্টার্ড পত্রিকা। আর আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত সে পত্রিকার মূল পাঠক ফোরাম ও মজলিস। পাশাপাশি ‘উলামা আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত’- মূল ‘আল বাইয়্যিনাত’ বা ‘আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত’ নয়। বরং একটি অংশগত সহযোগী মজলিস মাত্র।

কোন এলাকার হকার্স লীগ কোন ঘটনা ঘটালে তা যেমন গোটা হকার্স লীগ অথবা আওয়ামী লীগের উপর দায়-দায়িত্ব বর্তায় না, তেমনি ‘উলামা আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত’-এর কোন অংশ গোটা ‘উলামা আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত’কে প্রতিনিধিত্ব করে না। এবং ‘উলামা আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত’ গোটা আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত-এর প্রতিনিধিত্ব করে না বা প্রকাশ করে না।

অপরদিকে আরো ৭টি নিষিদ্ধ সংগঠনের তালিকায় ‘উলামা আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত’-এর নাম দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় প্রকাশের প্রেক্ষিতে ‘মাসিক আল বাইয়্যিনাত’ ও ‘দৈনিক আল ইহসান’-এর সম্পাদক এবং ‘আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত’-এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মুহম্মদ মাহবুব আলম সাহেব একই দিনে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয়ের সাথে ডিজিটাল সময় রাত ৯.৩০ মিনিটে আলাপ করলে তিনি জানান, “এ ধরনের কোন কথা তার জানা নেই।” অপরদিকে জঙ্গিবাদ, মৌলবাদ ও ধর্মব্যবসায়ী বিরোধী আল বাইয়্যিনাত-এর বিশেষ অবদানের কথা তিনি ভালোভাবে জানেন।

এছাড়াও ‘দৈনিক আল ইহসান’ ও ‘মাসিক আল বাইয়্যিনাত’-এর মাননীয় সম্পাদক মুহম্মদ মাহবুব আলম সাহেব গোয়েন্দা সংস্থা এসবি-এর এসএস (পলিটিক্যাল) ও ডিজি-এনএসআই-এর সাথেও যোগাযোগ করে জানাতে পারেন যে, “উলামা আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত-এর নাম নিষিদ্ধের তালিকায় আদৌ নেই।”

উল্লেখ্য, জামাত-জোটের গোয়েন্দা রিপোর্ট দ্বারা প্রভাবিত ও প্রলুব্ধ হয়ে স্বার্থবাদী দু-একজন সাংবাদিক প্রায়ই ‘প্রথম আলো’ ও ‘যুগান্তরে’ ‘উলামা আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত’-এর নাম দুরভিসন্ধিমূলক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ছাপে।

এ ব্যাপারে ‘দৈনিক যুগান্তরের’ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সালমা ইসলামের সাথে ফোনে কথা বললে তিনি

তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন যে, তিনি নিজেও আল বাইয়্যিনাত

মহিলা মাদ্রাসায় গিয়েছেন। সেখানে আল বাইয়্যিনাত-এর জঙ্গিবাদ,  মৌলবাদ বিরোধী ও খাছ সূফীভিত্তিক কার্যক্রম দেখে তার খুবই ভাল লেগেছে। তিনি সংশ্লিষ্ট রিপোর্টারের দায়িত্বহীন মন্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন এবং এর জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নিবেন বলেও জানান।

উল্লেখ্য, ‘উলামা আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত’-এর নামে যে মিথ্যা অপবাদ দেয়া হয়েছে তার বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পিটিশন দেয়া হয়েছে। যা এখন তদন্তাধীন। এবং দু-একটি গোয়েন্দা সংস্থা তাদের তদন্ত রিপোর্টে ইতোমধ্যে পজিটিভ রিপোর্টও দিয়েছে। এবং অন্যান্য সংস্থাগুলোর পজিটিভ রিপোর্ট দেয়া শেষ হলেই মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয় আনুষ্ঠানিকভাবে আল বাইয়্যিনাত-এর পক্ষে ঘোষণা দিবেন বলে গতকাল জানিয়েছেন। (সূত্র: দৈনিক আল ইহসান- ২৫ অক্টোবর/২০০৯)

মুহম্মদ তা’রিফুর রহমান

“নব্য মুশাব্বিহা ফিরক্বার স্বরূপ উন্মোচন” সুন্নীবার্তা না কুফরীবার্তা?

মৌলবাদী নাম ধারণই কেবল নয়, ধর্মের নামে চরম অধর্ম আর মসজিদে বর্বরোচিত হামলা করিয়া উহারা যথাযথই নিজেদের মৌলবাদীরূপে প্রতীয়মান করিয়াছে

মাহিউদ্দীনের দেয়া মদনপাল আর প্রিন্সিপালের উপমা কাফিরদেরই উপমার মত ওরা আল্লাহ্ পাক-এর রাসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর উম্মত নয়, আশরাফ আলী থানভীর উম্মত হতে চায়

এ বৎসরের শুরুতে ভারতের কাশ্মীরে মসজিদগুলোতে ব্যক্তিগত ও গোপন তথ্য চেয়ে ফর্ম বিলি পাশাপাশি মুসলিম শিক্ষার্থী বেশি হওয়ায় কাশ্মীরে মেডিকেল কলেজ বন্ধ। ভারতে কাশ্মীরি শিক্ষার্থীদের নির্যাতনের অভিযোগ নতুন নয়। ভারতে কাশ্মিরী শিক্ষার্থীদের উপর নির্যাতনের খবর বিচ্ছিন্ন নয়। অব্যাহত এবং ভয়াবহ কাশ্মীরে স্কুলে বাধ্যতামূলক ‘বন্দে মাতারাম’- চাপানো হচ্ছে হিন্দুত্ববাদ কাশ্মীরি ছাত্রদের বিরুদ্ধে মামলার ঘটনায় জঙ্গিদের হুমকি ভারতে কাশ্মীরি ছাত্রকে মেয়েদের পোশাক পরিয়ে অমানবিক নির্যাতন

মতামত ইরান ফিলিস্তিনে ইসরাইলী হামলার জন্য বিশেষভাবে দায়ী সালাফী-লা মাযহাবী ওহাবী মালানারা কারণ তারাই সৌদি ইহুদী শাসকদের প্রশংসা করে, পৃষ্ঠপোষকতা করে তাদের দোষ-ত্রুটি এবং মুসলমান বিদ্বেষী ও ইসলাম বিরোধী কাজ চুপিয়ে রাখে বাংলাদেশসহ অন্যান্য মুসলিম দেশে তাদের কুফরী আক্বীদা প্রচার করে অথচ সৌদি তথা আরব শাসকরাই ট্রাম্পকে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে। আর তা দিয়েই ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলারের ঋণী দেশ- আমেরিকা নিজে বাঁচে কুখ্যাত ট্রাম্প মুসলমানদের শহীদ করার অস্ত্র নিজে বানায় আর ইসরাইলকেও দেয় বিশ্ব মুসলমানের তাই শুধু কুখ্যাত ট্রাম্প আর নিয়াহুর বিদ্বেষী হলেই হবে না পাশাপাশি সৌদি তথা আরবের ইহুদী শাসক সহ সালাফী লা মাযহাবী, ওহাবী মালানাদেরও মূলোৎপাটন করতে হবে ইনশাআল্লাহ!