গণধোলাই খেয়ে ও গণধিক্কার পেয়েও লাজ হয়নি বেহায়া সিএইচটি’র। বিজিবি’র বিপক্ষে এবং অবৈধ বসতি স্থাপনকারী উপজাতি সন্ত্রাসীদের পক্ষ অবলম্বন করে বিচ্ছিন্নতাবাদ উস্কে দিচ্ছে তারা। বিদেশী অর্থায়নে ও ষড়যন্ত্রে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিরোধী এজেন্ডা চালিয়ে যাচ্ছে সিএইচটি। বিচ্ছিন্নতাবাদী উপজাতি সন্ত্রাসীদের পক্ষে জোর তৎপরতা; কিন্তু নিপীড়িত বাঙালিদের ক্ষেত্রে নিরেট নীরবতা- এটাই কী তাদের মানবাধিকার প্রবণতা? উপজাতিরা অনুপ্রবেশকারী। এরা এ অঞ্চলের অধিবাসী নয়। এরা এ অঞ্চলে অবৈধ বসতি স্থাপনকারী। এরা উগ্র ও সন্ত্রাসী প্রকৃতির। এরা হিংস্র ও জংলী।

সংখ্যা: ২৩৬তম সংখ্যা | বিভাগ:

উপজাতি পাহাড়িরা নিরীহ বাঙালিদের উপর অত্যাচার, চাঁদাবাজি, হত্যাসহ বিভিন্ন ধরনের সহিংসতা স্বাধীনতার পর থেকেই চালিয়ে আসছে। কিন্তু তথাকথিত মানবাধিকার সংস্থাগুলো শুধু উপজাতিদের পক্ষই নেয়। এমনকি উপজাতিদের মিথ্যাচারকেও প্রশয় দেয়। মিথ্যার পক্ষে প্রচারণা চালায়। এরকম একটা কুখ্যাত সংগঠন হচ্ছে ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক আন্তর্জাতিক কমিশন’ (সিএইচটি কমিশন)। সম্প্রতি মিয়ানমার কর্তৃক বিজিবি জোয়ান নিহত হলে এবং মিয়ানমারের যুদ্ধংদেহী অবস্থানের প্রেক্ষিতে সরকার খাগড়াছড়িতে বিজিবি’র ৫১ ব্যাটালিয়নের সদর দপ্তর স্থাপন করতে চাইলে উপজাতিরা ষড়যন্ত্রে মেতে উঠে। তারা তাদের পৃষ্ঠপোষক সিএইচটি’কে আসার জন্য বলে। এদিকে বিতর্কিত সিএইচটি’র আগমনে সমস্ত দেশপ্রেমিক বাঙালিরা বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। তারা হরতাল ও অবরোধের মতো কর্মসূচি দেয়। এমনকি পুলিশও ১৪৪ ধারা জারি করে।

কিন্তু ১৪৪ ধারা জারি করলেও পুলিশ নিজেই পাহারা দিয়ে বিতর্কিত সিএইচটি’র সদস্যদেরকে দিঘীনালা নিয়ে যায়। দিঘীনালায় বিতর্কিত সিএইচটি কমিশন প্রথমেই স্থানীয় স্কুলে যায়। সেখানে অবস্থানরত উপজাতি পরিবারের সাথে কথা বলে। বিদ্যালয়ে অবস্থান নেয়া পরিবারের পক্ষে গোপা চাকমা, মৃনাল কান্তি চাকমা ও রিপন চাকমা বিদেশী এজেন্ডা বাস্তবায়নে চক্রান্তকারী সিএইচটি কমিশনকে মিথ্যাচার করে জানায়, তাদের বসতভিটায় বিজিবি’র সদর দপ্তর স্থাপন করায় তারা আশ্রয়হীন হয়ে বিদ্যালয়ে আশ্রয় নিয়েছে। তাই তারা বিজিবি’র ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তর চায় না। তারা বসতভিটায় ফিরে যেতে চায়। প্রথাগত অধিকার মূলে বসতভিটা ফেরত দেয়ার দাবি জানায় তারা। এসময় বিতর্কিত সংস্থা সিএইচটি কমিশনের কো-চেয়ারপার্সন এডভোকেট সুলতানা কামাল তাদের মিথ্যাচার শুনে এবং বসতভিটা ফিরে পাওয়ার লক্ষ্যে সুদৃঢ় অবস্থান নেয়ার পরামর্শ দেয়। এ সময় কমিশনের এক সদস্য উপজাতিদের বলে যে, ‘ভয় পাবেন না। আমরা আপনাদের পাশে আছি। শক্ত হয়ে থাকতে হবে। স্থান ত্যাগ করবেন না।’

এরপর বিতর্কিত সংস্থা সিএইচটি কমিশন বাবুছড়া জোন সদর দফতর পরিদর্শন করে। এসময় জোন উপ-অধিনায়ক মেজর কামাল তাদের সকল পরিস্থিতি বুঝিয়ে বলেন, সকল ঘটনার আদ্যপান্ত জানান। বাবুছড়ায় বিজিবি ব্যাটালিয়ন স্থাপনে কোনো পরিবার উচ্ছেদ হয়নি উল্লেখ করে উপ-অধিনায়ক বলেন, ‘যারা উচ্ছেদ হয়েছে বলে দাবি করছে, বাস্তবিক অর্থে তারা বিজিবি ব্যাটালিয়ন স্থাপন প্রকল্প শুরু হওয়ায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার আশায় ৩/৪ মাস আগে অবৈধভাবে বসতি স্থাপন করেছিলো।’ মতবিনিময়কালে বিজিবি’র ৫১ ব্যাটালিয়নের উপ-অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ কামাল উদ্দীন ও বাবুছড়া সাবজোন কমান্ডর মেজর মঈন উভয়ে সিএইচটি কমিশনকে জানান, “বিজিবি সদর দপ্তর স্থাপনের জন্য ২৯.৮১ একর ভূমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক সর্বপ্রকার সরকারি নিয়মনীতি অনুসরণ করে বিজিবি’কে অধিগ্রহণকৃত ভূমি হস্তান্তর করেন। হস্তান্তরিত ভূমিতে বিজিবি’র স্বাভাবিক কার্যক্রম চলমান থাকা অবস্থায় গত ১০ জুন (২০১৪ ঈসায়ী) সকাল ১০টায় ভূমি নিয়ে গ্রামবাসীদের সাথে যে বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে তা নিষ্পত্তি করার জন্য আমরা স্থানীয় জনপ্রতিনিদের সাথে মতবিনিময় সভা করি। মতবিনিময়ে আলোচনার মাধ্যমে এসমস্যা সমাধানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এই সিদ্ধান্তকে বানচাল করার জন্য একটি বিশেষ মহলের প্ররোচনায় বিকালে একদল মহিলা আমাদের হেলিপ্যাডে কলাগাছ লাগাতে থাকে। তাদেরকে বাধা দিলে পার্শ্ববর্তী কয়েকটি গ্রামের মহিলা ও যুবকরা দল বেঁধে এসে বিজিবি সদর দপ্তরে হামলা চালায় এবং বেশ কিছু স্থাপনা ভাংচুর করে। হামলায় এক পুলিশ সদস্যসহ ৬ বিজিবি সদস্য আহত হন।” মেজর মঈন আরো জানান, “এই বিজিবি সদর দপ্তরের আওতাধীন ৪৭ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকা অরক্ষিত রয়েছে। অরক্ষিত এলাকায় আঞ্চলিক সন্ত্রাসী দলের সশস্ত্র সদস্যরা অভয়ারণ্য গড়ে তুলেছে। ওই এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বেশ কিছু প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে। তাই অরক্ষিত ওইসব এলাকা নিয়ন্ত্রণে আনার লক্ষ্যে সরকার বাবুছড়ায় বিজিবি’র ৫১ ব্যাটালিয়নের সদর দপ্তর স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।” কাউকে উচ্ছেদ কিংবা কারো ভূমি বেদখল করে নয়, সরকারি নিয়মনীতি অনুসরণ করেই বিজিবি সদর দপ্তর স্থাপনের কার্যক্রম চলছে বলেও জানান তিনি।

কিন্তু কুখ্যাত সিএইচটি কমিশন সদস্যরা (টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান, ড. স্বপন আদনান, কথিত মানবাধিকার কর্মী খুশি কবির, কমিশনের বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েটের সমন্বয়কারী হানা শামস আহমেদ, ব্যারিস্টার সারা হোসেন ও কলামিস্ট ইলোরা দেওয়ান) বিজিবি’র বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করে এবং তাদেরকে অবজ্ঞামূলক কথা বলে। এতে বাঙালি সংগঠনগুলো ক্ষিপ্ত হয়ে তাদেরকে খাগড়াছড়ি ছাড়ার জন্য আধাঘণ্টা সময়ের আল্টিমেটাম দেয় এবং তাদের গাড়িতে জুতা বৃষ্টি নিক্ষেপ করে।

কুচক্রী উপজাতিদের মিথ্যা অভিযোগের প্রেক্ষিতে ‘বিতর্কিত’ ও ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ আখ্যায়িত হয়ে বাঙালি সংগঠনগুলোর ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে পার্বত্য খাগড়াছড়ি থেকে বিতাড়িত হয়ে চট্টগ্রাম গিয়ে রাতের অন্ধকারে রাঙ্গামাটি শহরে যায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক আন্তর্জাতিক কমিশন (সিএইচটি কমিশন)-এর কুচক্রী সদস্যরা। প্রশাসনকে না জানিয়ে গোপনীয়ভাবেই গত ৪ জুলাই (২০১৪) জুমুয়াবার দিবাগত রাতে রাঙ্গামাটি শহরে প্রবেশ করে তারা।

ওই রাতে চাকমা সার্কেলের স্বঘোষিত চীপ ও কথিত রাজা ব্যারিস্টার দেবাশীষ রায়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দেয় তারা। পরে তারা রাঙ্গামাটি পর্যটন মোটেলে রাত যাপন করে।

এরপর তারা রাঙ্গামাটি ত্যাগ না করে ৫ জুলাই (২০১৪) শনিবার ষড়যন্ত্রমূলক কর্মসূচি অব্যাহত রাখার চেষ্টা করলে দেশপ্রেমিক বাঙালি সংগঠনগুলো তাৎক্ষণিক বিক্ষুদ্ধ হয়ে সড়ক অবরোধ করে এবং দেশপ্রেমিক বাঙালি নেতা-কর্মীরা পর্যটন মোটেলে গিয়ে সকাল থেকে তাদেরকে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে পুলিশ গিয়ে বিতর্কিত সিএইচটি কমিশনের কুচক্রী সদস্যদেরকে নিরাপত্তার আশ্বাস দিয়ে মোটেল থেকে বের করে আনে এবং নিরাপদে রাঙ্গামাটি ত্যাগের ব্যবস্থা করে। কড়া পুলিশ প্রহরায় রাঙামাটি শহর ছেড়ে যাওয়ার সময় ওমদামিয়া হিল এলাকায় তারা গণহামলার ও গণধিক্কারের শিকার হয়। কিন্তু তারপরেও লাজ হয়নি কুখ্যাত সিএইচটি’র।

“হামলা করে পার্বত্য চট্টগ্রাম আর্ন্তজাতিক (সিএইচটি) কমিশনকে প্রতিহত করা যাবে না”- বলে ঔদ্ধত্যমূলক মন্তব্য করেছে সংগঠনটির কো-চেয়ারম্যান সুলতানা কামাল। রাঙামাটিতে গণধিক্কারের শিকার হয়ে চট্টগ্রাম ফেরার পর ৫ জুলাই (২০১৪) শনিবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সে এ ঔদ্ধত্যমূলক মন্তব্য করে।

সঙ্গতকারণেই প্রশ্ন দেখা দিয়েছে- এদের এরূপ দেশদ্রোহী কর্মকা- ও ঔদ্ধত্য মন্তব্যের শক্তির শেকড় কোথায়?

উল্লেখ্য, বিদেশী এজন্ডা বাস্তবায়নে ষড়যন্ত্রকারী সিএইচটি কমিশনের সদস্যরা গুটিকতক উপজাতির মিথ্যা অভিযোগকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য এত তোড়জোড় দেখাচ্ছে। কিন্তু যে উপজাতি সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা প্রায় পঞ্চাশ হাজার বাঙালিকে শহীদ করেছে এবং এখনো সহিংসতা চালাচ্ছে- এর বিরুদ্ধে তাদের কোনো তৎপরতা বা বিবৃতি নেই কেন? তাদের মানবাধিকারের বুলি কপচানো কি নেহায়েত দুরভিসন্ধিমূলক নয়? নিম্নে উপজাতি সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের হত্যা ও সহিংসতার একটা সংক্ষিপ্ত ফিরিস্তি তুলে ধরা হলো-

১৯ ডিসেম্বর ১৯৭৯: লংদু থানার কয়েকটি গ্রামে উপজাতি সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে ২০ জন বাঙালিকে হত্যা, ৪০ জনকে আহত এবং ১০৪টি বাড়ি পুড়িয়ে দেয়।

২৫ মার্চ ১৯৮০: উপজাতি সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা কাউখালীতে বাঙালি পাড়ায় আক্রমণ করে বাড়িঘর জ্বালিয়ে দিলে সংঘর্ষ বাঁধে। নিহত ২৯, আহত ১১ জন।

১৫ সেপ্টেম্বর ১৯৮০: উপজাতি সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা কাউখালী, বেতছড়ি ও কচুখালীতে আকস্মিক আক্রমণ চালিয়ে ৬ বাঙালিকে হত্যা এবং ২৫ জনকে আহত করে।

২৭ জানুয়ারি ১৯৮১ সাল: উপজাতি সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা বনবিভাগের কর্মকর্তা আবুল হোসেন, বজল আহমদ ও মাহবুবুল আলমকে অপহরণ করে হত্যা করে।

২৯ এপ্রিল ১৯৮৪: খাগড়াছড়ি মাটিরাঙ্গায় বাঙালি বসতিতে গণহত্যা চালায় উপজাতি সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা। হতাহতের প্রকৃত চিত্র পাওয়া যায়নি।

৩০ মে ১৯৮৪ সাল: রাঙ্গামাটি জেলার ভূষণছড়ায় বাঙালি গণহত্যা চালায় উপজাতি সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা।

৩১ মে ১৯৮৪ সাল: উপজাতি সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা ভূষণছড়া ও বরকলে অতর্কিত আক্রমণ চালিয়ে ৮৮ জনকে বাঙালিকে গুলী করে হত্যা ও ৩৩ জনকে আহত এবং ১৮ জনকে অপহরণ করে। জ্বালিয়ে দেয় ২৬৪টি বাড়ি।

২২ জুলাই ১৯৮৬: উপজাতি সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা দীঘিনালায় ২৪ জনকে হত্যা ও ৩২ জনকে অপহরণ করে।

১৮ এপ্রিল ১৯৮৯: উপজাতি সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের এক হামলায় মারা যায় ১৫ জন বাঙালি।

৪ মে ১৯৮৯ সাল: লংগদুতে উপজাতি সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা আকস্মিকভাবে আক্রমণ চালিয়ে ১৫ বাঙালিকে হত্যা করে।

১০ জানুয়ারি ১৯৯২ সাল: খিরাম বন কার্যালয়ে আক্রমণ চালিয়ে ৬ কর্মচারীকে হত্যা করে উপজাতি সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা।

১৬ এপ্রিল ১৯৯০ সাল: নাইক্ষ্যংছড়ি ও বলিপাড়ায় ১৯ বাঙালিকে গুলি করে হত্যা করে উপজাতি সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা।

০২ ফেব্রুয়ারি ১৯৯২ সাল: লংগদুতে চলন্ত লঞ্চে বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ১৭ বাঙালিকে হত্যা করে উপজাতি সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা।

১৪ জুন ১৯৯৫: বিচ্ছিন্নতাবাদী শান্তিবাহিনীর ২০ সন্ত্রাসীর একটি গ্রুপের হাতে ব্যাংক লুট হয়। গার্ডকে হত্যা করে এবং দুই ব্যাংক কর্মচারীকে অপহরণ করে।

১১ সেপ্টেম্বর ১৯৯৬ সাল: রাঙ্গামাটিতে আক্রমণ চালিয়ে ৩০ জন বাঙালিকে হত্যা করে উপজাতি সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা।

০৬ মে ১৯৭৭ সাল: উপজাতি সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা সাঙ্গু নদীতে হত্যা করে আবদুল কাদিরসহ ৫ জন সেনাসদস্যকে।

২৫ অক্টোবর ১৯৭৭ সাল: উপজাতি সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা বান্দরবানে খুন করে নায়েক আবদুল গনি মিয়া, নায়েক আবদস সাত্তার, নায়েক আরিফ, সিপাই লুৎফর রহমান, সিপাই আলী হোসেন ও সিপাই আবদুল খালেক মুন্সিকে।

০২ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৯ সাল: উপজাতি সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা সাঙ্গু নদীতে অ্যামবুশ করে এক সেনাসদস্যকে হত্যা করে এবং প্রচুর গোলাবারুদ লুট করে।

০৫ জুলাই ১৯৭৯ সাল: কাপ্তাই নতুন বাজার থেকে ২ জন আনসার সদস্যকে অপহরণের পর হত্যা করে উপজাতি সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা।

১৮ সেপ্টেম্বর ১৯৭৯ সাল: দীঘিনালায় নায়েক এসএম রুহুল আমিনকে হত্যা করে উপজাতি সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা।

১৪ অক্টোবর ১৯৭৯ সাল: খাগড়াছড়িতে ৫ জন সেনাসদস্যকে হত্যা করে উপজাতি সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা।

২৩ জানুয়ারি ১৯৮০ সাল: উপজাতি সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা হামলা চালালে খাগড়াছড়িতে ৩ জন সেনাসদস্য নিহত ও ৫ জন আহত হন।

০১ মার্চ ১৯৮০ সাল: উপজাতি সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা ঘন্টিছড়া নামক স্থানে অ্যামবুশ করে হত্যা করে মেজর মহসিন আলমসহ ২২ জন সেনা জওয়ানকে।

২১ এপ্রিল ১৯৮০ সাল: উপজাতি সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা ফালাউংপাড়া নামক স্থানে অ্যামবুশ করে হত্যা করে ১১ রাইফেল ব্যাটালিয়নের ২০ জন জওয়ানকে। লুট করে নেয় প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র।

১৯ জুলাই ১৯৮৬ সাল: উপজাতি সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা হামলা চালালে খাগড়াছড়িতে এক সেনাসদস্য নিহত ও ৭ জন আহত হন।

০৭ আগস্ট ১৯৮৬ সাল: উপজাতি সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা ২ জন আনসার সদস্যকে অপহরণ করে হত্যা করে।

২১ জুন ১৯৮৭ সাল: উপজাতি সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা নাড়াইছড়ির অদূরে অ্যামবুশ করে হত্যা করে সেনাসদস্য আবদুর রাজ্জাক ও ইসমাঈল হোসেনকে।

২৪ নভেম্বর ১৯৮৯ সাল: উপজাতি সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা শিলছড়িতে গুলী করে হত্যা করে ২ সেনা জওয়ানকে।

১৯৮৯ সালে থানচিতে ১১ জন সেনা জওয়ানকে অপহরণ করে হত্যা করে উপজাতি সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা।

২৯ জুন ১৯৯২ সাল: উপজাতি সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা মহালছড়ি-রাঙ্গামাটি সড়কে পাহারা চৌকির উপর হামলা চালায়, এতে দু’জন সেনা সদস্য নিহত হয়।

ক. ১৯৮০-৮৩ সালের মধ্যে বিচ্ছিন্নতাবাদী শান্তিবাহিনীর আক্রমণে ৯৫২ জন বাঙালি নিহত হয়।

খ. ১৯৮৪ সালে উপজাতি সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের আক্রমণে ২৫০০ বাঙালি নিহত হয়।

গ. ১৯৮৯ সালে উপজাতি সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের আক্রমণে ১২০০ বাঙালি নিহত হয়।

ঘ. ১৯৭২-২০১০ পর্যন্ত মোট ৩৭,০০০ বাঙালিকে হত্যা করেছে উপজাতি সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা।

পার্বত্য বাঙালি ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আবদুল মজিদ অভিযোগ করেন, গত ২৪ বছর ধরে সিএইচটি কমিশন নামের বিতর্কিত সংগঠনটি বিদেশী অর্থায়নের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতিদের দেশবিরোধী কর্মকাণ্ডে ইন্ধন যোগাচ্ছে। অথচ পাহাড়ের গুচ্ছগ্রামবাসী বাঙালিদের জীবন বিপন্নতা নিয়ে তাদের কোনো মাথাব্যথা নেই।

-আল্লামা মুহম্মদ তা’রীফুর রহমান।

যুগের আবূ জাহিল, মুনাফিক ও দাজ্জালে কায্যাবদের বিরোধিতাই প্রমাণ করে যে, রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী হক্ব। খারিজীপন্থী ওহাবীদের মিথ্যা অপপ্রচারের দাঁতভাঙ্গা জবাব-৬৭

ভ্রান্ত ওহাবী মতবাদ প্রচারের নেপথ্যে-১৬

চাঁদ দেখা ও নতুন চন্দ্রতারিখ নিয়ে প্রাসঙ্গিক আলোচনা-৩৫

বাতিল ফিরক্বা ওহাবীদের অখ্যাত মুখপত্র আল কাওসারের মিথ্যাচারিতার জবাব-২৫ হাদীছ জালিয়াতী, ইবারত কারচুপি ও কিতাব নকল করা ওহাবীদেরই জন্মগত বদ অভ্যাস ওহাবী ফিরক্বাসহ সবগুলো বাতিল ফিরক্বা ইহুদী-নাছারাদের আবিষ্কার! তাদের এক নম্বর দালাল

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ‘সংবিধানের প্রস্তাবনা’, ‘মৌলিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা’ ‘জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা’ এবং ‘জাতীয় সংস্কৃতি’ শীর্ষক অনুচ্ছেদের সাথে- থার্টি ফার্স্ট নাইট তথা ভ্যালেন্টাইন ডে পালন সরাসরি সাংঘর্ষিক ও সংঘাতপূর্ণ’। পাশাপাশি মোঘল সংস্কৃতির দান পহেলা বৈশাখ পালনও প্রশ্নবিদ্ধ।সংবিধানের বহু গুরুত্বপূর্ণ ও বিশেষ স্পর্শকাতর অনুচ্ছেদের প্রেক্ষিতে ৯৫ ভাগ মুসলমানের এদেশে কোনভাবেই থার্টি ফার্স্ট নাইট ও ভ্যালেন্টাইন ডে পালিত হতে পারে না।পারেনা গরিবের রক্ত চোষক ব্র্যাকের ফজলে আবেদও ‘নাইট’ খেতাব গ্রহণ করতে। পারেনা তার  নামের সাথে ‘স্যার’ যুক্ত হতে। পাশাপাশি মোঘল সংস্কৃতির দান পহেলা বৈশাখ পালনও প্রশ্নবিদ্ধ।