গোটা দেশবাসীকে সম্পূর্ণ অবহিত করে ট্রানজিট চুক্তি না করলে এবং দেশবাসীর সম্মতিতে না করলে কথিত ট্রানজিট চুক্তি হবে দেশবাসীর সাথে সম্পূর্ণ বিশ্বাসঘাতকতা করে দেশ বিক্রির শামিল যা সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক এবং অগ্রহণযোগ্য

সংখ্যা: ২০৮তম সংখ্যা | বিভাগ:

সব প্রশংসা মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ ও সালাম।

বাংলাদেশ সংবিধানের ৭ (১) ধারায় বলা হয়েছে-

‘প্রজাতন্ত্রের সব ক্ষমতার মালিক জনগণ।’

আর বাংলাদেশ সংবিধানের ১৪৩ নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে-

(১) আইনসঙ্গতভাবে প্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত যে কোন ভূমি বা সম্পত্তি ব্যতীত নি¤œলিখিত সম্পত্তিসমূহ প্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত হইবে।

(ক) বাংলাদেশের যে কোন ভূমির অন্তঃস্থ সকল খনিজ ও অন্যান্য মূল্যসম্পন্ন সামগ্রী;

(খ) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জলসীমার অন্তর্বর্তী মহাসাগরের অন্তঃস্থ কিংবা বাংলাদেশের মহীসোপানের উপরিস্থ মহাসাগরের অন্তঃস্থ সকল ভূমি, খনিজ ও অন্যান্য মূল্যসম্পন্ন সামগ্রী; এবং

(গ) বাংলাদেশে অবস্থিত প্রকৃত মালিকবিহীন যে কোন সম্পত্তি।

উপরোক্ত অনুচ্ছেদে যেমন বাংলাদেশের উপর বাংলাদেশী প্রজাসাধারণের মালিকানা প্রতিভাত হয়েছে তেমনি এ মালিকানা সাপেক্ষে বিদেশের সাথে চুক্তির ক্ষেত্রেও জনগণের অবগতির কথা সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে।

বাংলাদেশ সংবিধানের ১৪৫ নং ‘ক’ অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে-

‘বিদেশের সহিত সম্পাদিত সকল চুক্তি রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করা হইবে এবং রাষ্ট্রপতি সংসদে পেশ করিবার ব্যবস্থা করিবেন।’

ট্রানজিট চুক্তির সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনীতির বিষয় ছাড়াও সার্বভৌমত্বের বিষয়টি জড়িত। কাজেই এ চুক্তি সম্পাদনের আগে জনগণের মতামত গ্রহণ করা এবং লাভ-ক্ষতির বিষয়গুলো গভীরভাবে অনুধাবন করা আবশ্যক।

ভারত তৃতীয় দেশে পণ্য আমদানি ও রফতানির কাজে চট্টগ্রাম ও মংলা সমুদ্রবন্দর এবং বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে এক অংশ থেকে অন্য অংশে পণ্য ট্রানজিটের লক্ষ্যে সাত বছর মেয়াদি চুক্তির প্রস্তাব করেছে। প্রস্তাবিত এই চুক্তির খসড়া ইতোমধ্যেই বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করেছে ভারত। খসড়া চুক্তি পর্যালোচনার জন্য সরকার গঠিত ট্রানজিট সংক্রান্ত কোর কমিটির কাছে পাঠানো হয়েছে। চুক্তির খসড়ায় উপযুক্ত সার্ভিস চার্জ বাদে শুল্ক ও অন্যান্য চার্জ থেকে অব্যাহতি দেয়ার কথা বলা হয়েছে।

চুক্তির মেয়াদ সাত বছর শেষ হলে উভয় দেশের সম্মতিতে তা আরও সাত বছরের জন্য নবায়ন করা যাবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরের আগে বোঝা যাচ্ছিল, দিল্লি-ঢাকা সম্পর্ক আগের হিসাব-নিকাশের মধ্যে থাকবে না। তার ফল দেখা গেল ৫০ দফা মনমোহন-হাসিনা যৌথ ইশতেহারে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-মনমোহন সমঝোতা স্মারকের ২৩ নম্বর দফা আশুগঞ্জকে শুধু ওডিসি সুবিধাই দেয়নি, বরং এই নদীবন্দরটিকে পোর্ট অব কল ঘোষণা করে সার্বক্ষণিক পণ্য পরিবহনের সুযোগ দান করা হয়েছে!

আশুগঞ্জের পর ভারতকে মংলা ও চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর ব্যবহারের অনুমতি দেয়া হয়েছে যৌথ ইশতেহারে। ইশতেহারের ২৩ নম্বর দফায় এই সুবিধা দেয়া হয়েছে।

বাংলাদেশের এজেন্ডা হিসেবে আরেকটি ইস্যু অন্তর্ভুক্ত হয়েছে যৌথ ইশতেহারের ২৬ নম্বর দফায়। সেখানে বলা হয়েছে, নেপালে ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহারের জন্য রোহনপুর-সিঙ্গাবাদ ব্রডগেজ রেলওয়ে লাইন ব্যবহার করা হবে। চুক্তির খসড়ায় ভারত চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর হয়ে কন্টেইনার এবং কন্টেইনার ছাড়া ১৫টি রেল ও সড়কপথে ট্রানজিটের মাধ্যমে পণ্য পরিবহনের প্রস্তাব করেছে।

উল্লেখ্য, ট্রানজিট, ট্রান্সশিপমেন্ট কিংবা করিডোর- যে সুবিধাই দেয়া হোক না কেন, এ জন্য বাংলাদেশের সড়ক ও রেল অবকাঠামো কতটা প্রস্তুত সে সম্পর্কে অবশ্যই প্রশ্নের অবকাশ রয়েছে। বাংলাদেশের বর্তমান সড়ক অবকাঠামো নিজস্ব পণ্য ও যাত্রী পরিবহনের ক্ষেত্রে কীরূপ পর্যাপ্ত তা প্রতিদিনকার অভিজ্ঞতা থেকেই আমরা দেখতে পাচ্ছি। এরূপ একটি অবস্থায় প্রতিদিন নতুন করে শত শত ভারতীয় পরিবহন একই অবকাঠামোয় প্রবেশ করলে পরিস্থিতি কী দাঁড়াবে? ইতোমধ্যে গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন পর্যবেক্ষণ থেকে দেখা যাচ্ছে, কমবেশি প্রায় ১৫শ’ ট্রাক (প্রতিটি কমবেশি ১৫ টন) ‘ট্রানজিট’ বা করিডোর সুবিধা পেলে প্রতিদিন বাংলাদেশ অতিক্রম করবে। ট্রানজিটের জন্য যেসব রুটের প্রস্তাব করা হচ্ছে সেখানে এখন গড়ে চলাচলকারী বাংলাদেশি পণ্যবাহী যানের সংখ্যা দৈনিক প্রায় ৭৫০টি অর্থাৎ ট্রানজিটের পর নির্দিষ্ট রুটে দৈনিক গড়ে পণ্যবাহী যানের পরিমাণ দাঁড়াবে প্রায় ২ হাজার ২৫০ যা বর্তমান পরিমাণের চেয়ে তিনগুণ বেশি। ট্রানজিট বা করিডোরের সম্ভাব্য ৮টি রুট নিয়ে ভাবনা-চিন্তা হচ্ছে বলে জানা যায়। বাংলাবান্ধা-তামাবিল এবং বাংলাবান্ধা-আখাউড়া ছাড়া ট্রানজিট বা করিডোরের বাকি ছয়টি প্রস্তাবিত রুটে ঢাকাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সামগ্রিকভাবে এবং বিশেষভাবে ঢাকায় আমাদের বিদ্যমান সড়ক অবকাঠামো উপরোক্ত বাড়তি পণ্যবাহী যান চলাচলের জন্য কতটা তৈরি? আমাদের যমুনা সেতু কি ভারতীয় হেভিভেইকলগুলোর ভার বহন করতে সক্ষম? সেভাবে কি আদৌ এই সেতু নির্মাণ করা হয়েছে? ‘ট্রানজিট’ সুবিধার আওতায় ভারত যেসব হেভি মেশিনারী পরিবহন করবে তা সাধারণ ট্রাকের পরিবর্তে অনেক বড় বড় কনটেইনার ক্যারিয়ারে পরিবহন করা হবে যেগুলোর মোড় পরিবর্তনেরও সুযোগ নেই বাংলাদেশের অনেক সড়কে এবং এগুলো যখন চলাচল করবে তখন পুরো সড়কে স্থানীয় যান চলাচল বন্ধ রাখতে হবে। সম্প্রতি আশুগঞ্জের অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, বিশাল আকৃতির ভারতীয় কনটেইনার ক্যারিয়ার যেহেতু বাংলাদেশের রাস্তায় চলাচলের অনুপযোগী সেকারণে বিপুল কৃষিজমি নষ্ট করে রাস্তাকে ‘উপযোগী’ করা হচ্ছে। এমন সব জায়গা দিয়ে সেখানে নতুনভাবে রাস্তা নির্মাণ করা হচ্ছে যার কোন দেশজ প্রয়োজনীয়তা ছিল না। কেবল ভারতীয় স্বার্থেই সেখানে স্থানীয় মানুষরা কৃষি জমি খোয়াচ্ছেন।

২০১০ সালের ১২ জানুয়ারি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরকালে সেদেশের প্রধানমন্ত্রী মনমোহনের সঙ্গে ট্রানজিট বিষয়ক যেসব ‘অগ্রগতি’ হয় তার একটি ছিল আশুগঞ্জকে ‘পোর্ট অব কল’ ঘোষণা এবং ভারতীয় পণ্য চলাচলের জন্য সেখানে ৩৬.২৩ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে একটি ‘ইনল্যান্ড কনটেইনার রিভার পোর্ট’ স্থাপন, ১২০ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে ‘দ্বিতীয় ভৈরব ও দ্বিতীয় তিতাস সেতু’ নির্মাণ এবং ৩৪ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে আশুগঞ্জ এলাকার সড়ক অবকাঠামোর উন্নয়ন। মূলত আগরতলাসহ উত্তর-পূর্ব ভারতে বড় আকারে বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের জন্য সেসব এলাকায় ভারী যন্ত্রপাতি নেয়ার কাজে আশুগঞ্জকে ব্যবহার করবে ভারতীয়রা। এই সড়ক দিয়ে ভারতীয় ‘হেভি মেশিনারী’ নেয়ার কাজে ২৮ ও ৩২ চাকার যান ব্যবহার করা হবে- যেসব যানে এক সঙ্গে ৬০-৮০ টন ওজনের যন্ত্রপাতি ওঠানো হবে। এসব বিষয় তদারকের জন্য এমনকি আশুগঞ্জে এখনো বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহণ কর্তৃপক্ষের স্বতন্ত্র কোন কার্যালয়ও নেই। পুরো প্রক্রিয়াটি সেখানে ভারতীয়রাই তদারক করবে বলে স্থানীয়ভাবে অনুমিত হচ্ছে এবং দেশে গত এক দশক ধরে উচ্চারিত বড় বড় অবকাঠামোধর্মী কোন প্রকল্প আজো আলোর মুখ না দেখলেও আশুগঞ্জের অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ মাত্র কয়েক মাসের মধ্যে শেষ হয়েছে। অর্থাৎ দেশবাসীর সামনে আজ এ সত্যই উদ্ভাসিত হচ্ছে যে, ট্রানজিটের সবকিছুই হচ্ছে ভারতের স্বার্থে এবং গোপনীয়ভাবে (?)

জনগণকে অন্ধকারে রেখে এ চুক্তি করা হলে দেশের মানুষ তা কোনো অবস্থায়ই মেনে নেবে না। একসময় সরকার বলেছে, এ চুক্তি হলে বাংলাদেশ সিঙ্গাপুর হয়ে যাবে। এখন বলছে, কিছু অর্থ পাওয়া যেতেও পারে। ভারত যদি বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে যেতে চায়, বাংলাদেশকেও অনুরূপভাবে ভারতের ভেতর দিয়ে অন্যান্য দেশে যোগাযোগের ব্যবস্থা করে দিতে হবে। এটা গোপনীয়তা রক্ষা করে নয়। এটা করতে হবে দেশের জনগণকে অবহিত করেই। জনগণকে পাশ কাটিয়ে এ চুক্তি করার এখতিয়ার সরকারের নেই। এটা করলে সরকার আরেকটি বেআইনি ও অসাংবিধানিক কাজ করবে।

মূলত, ট্রানজিট চুক্তির সঙ্গে দেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা এবং অর্থনীতির প্রশ্ন জড়িত। এতে আমাদের স্বাধীন দেশের ভেতর দিয়ে প্রতিবেশী দেশ ভারতের যানবাহন ও নাগরিকরা তাদের নিজ দেশের মতোই যাওয়া-আসা করবে। আর আমাদের দেশের নাগরিকরা এর কিছুই জানতে পারবে না তা কখনই হতে পারেনা। জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টি অবশ্যই পর্যালোচনা করে দেখতে হবে। এটা দেখা ও জানার অধিকার দেশের প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার। চুক্তির আগে এর খসড়া জনগণের সামনে পেশ করতে হবে। এটাই হচ্ছে আন্তর্জাতিক স্বীকৃত রীতি। তবে ট্রানজিট চুক্তিতে শুধু বর্তমানের লাভ দেখলেই হবে না। আগামী ২০ বছর কিংবা ৫০ বছর পর এর প্রভাব কী হবে সেটাও ভেবে দেখতে হবে।

মূলতঃ এসব দায়িত্ববোধ আসে ইসলামী অনুভূতি ও প্রজ্ঞা থেকে। আর তার জন্য চাই নেক ছোহবত তথা ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ।

যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমামুল আইম্মাহ, কুতুবুল আলম, আওলাদে রসূল, রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী উনার মুবারক ছোহবত লাভেই সে মহান ও অমূল্য নিয়ামত হাছিল সম্ভব। মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের তা নছীব করুন। (আমীন)

-মুহম্মদ মাহবুবুর রহমান

যুগের আবূ জাহিল, মুনাফিক ও দাজ্জালে কায্যাবদের বিরোধিতাই প্রমাণ করে যে, রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী হক্ব। খারিজীপন্থী ওহাবীদের মিথ্যা অপপ্রচারের দাঁতভাঙ্গা জবাব-৬৭

ভ্রান্ত ওহাবী মতবাদ প্রচারের নেপথ্যে-১৬

চাঁদ দেখা ও নতুন চন্দ্রতারিখ নিয়ে প্রাসঙ্গিক আলোচনা-৩৫

বাতিল ফিরক্বা ওহাবীদের অখ্যাত মুখপত্র আল কাওসারের মিথ্যাচারিতার জবাব-২৫ হাদীছ জালিয়াতী, ইবারত কারচুপি ও কিতাব নকল করা ওহাবীদেরই জন্মগত বদ অভ্যাস ওহাবী ফিরক্বাসহ সবগুলো বাতিল ফিরক্বা ইহুদী-নাছারাদের আবিষ্কার! তাদের এক নম্বর দালাল

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ‘সংবিধানের প্রস্তাবনা’, ‘মৌলিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা’ ‘জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা’ এবং ‘জাতীয় সংস্কৃতি’ শীর্ষক অনুচ্ছেদের সাথে- থার্টি ফার্স্ট নাইট তথা ভ্যালেন্টাইন ডে পালন সরাসরি সাংঘর্ষিক ও সংঘাতপূর্ণ’। পাশাপাশি মোঘল সংস্কৃতির দান পহেলা বৈশাখ পালনও প্রশ্নবিদ্ধ।সংবিধানের বহু গুরুত্বপূর্ণ ও বিশেষ স্পর্শকাতর অনুচ্ছেদের প্রেক্ষিতে ৯৫ ভাগ মুসলমানের এদেশে কোনভাবেই থার্টি ফার্স্ট নাইট ও ভ্যালেন্টাইন ডে পালিত হতে পারে না।পারেনা গরিবের রক্ত চোষক ব্র্যাকের ফজলে আবেদও ‘নাইট’ খেতাব গ্রহণ করতে। পারেনা তার  নামের সাথে ‘স্যার’ যুক্ত হতে। পাশাপাশি মোঘল সংস্কৃতির দান পহেলা বৈশাখ পালনও প্রশ্নবিদ্ধ।