চাঁদ দেখা ও নতুন চন্দ্রতারিখ নিয়ে প্রাসঙ্গিক আলোচনা-৫৬

সংখ্যা: ২১৫তম সংখ্যা | বিভাগ:

-আল্লামা আবুল বাশার মুহম্মদ রুহুল

বর্তমান সংখ্যার আলোচনা

ইহুদীদের মদদপুষ্ট হয়ে এবং সউদী ওহাবী শাসকগোষ্ঠীর অর্থে সাহায্যপ্রাপ্ত হয়ে সারাবিশ্বে একটি

হিজরী ক্যালেন্ডার অনুসরণের অলীক স্বপ্ন নিয়ে একটি ভুঁইফোঁড় সংগঠন সারা দেশে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।

‘জবধষ ঐরুৎর ঈধষবহফধৎ ওসঢ়ষবসবহঃধঃরড়হ ঈড়ঁহপরষ ইধহমষধফবংয’ নামে এই সংগঠনটি সারা বিশ্বে একটি হিজরী ক্যালেন্ডার অনুসরণের পক্ষে অর্থাৎ সারা বিশ্বে একদিনে ঈদ পালন করার পক্ষে নানা প্রচারণা চালাচ্ছে এবং এ সম্পর্কে ৯০টি খোঁড়া যুক্তি দাঁড় করিয়েছে। আমরা ধারাবাহিকভাবে তাদের বর্ণিত শরীয়তের খিলাফ এই মনগড়া যুক্তির শরীয়তসম্মত এবং সঠিক মতামত প্রকাশ করবো ইনশাআল্লাহ। যেন সাধারণ মুসলমানগণ চাঁদের তারিখ নিয়ে বিভ্রান্তিতে না পড়ে। তারা লিখেছে-

৪৯ নম্বর মত: চাঁদ ছাড়া শুধু সৌর ক্যালেন্ডার আজ ঘরে ঘরে প্রবেশ করেছে, চাঁদের মাস এবং হিজরী ক্যালেন্ডার সম্পর্কে ভুল ধারণা এবং অযৌক্তিক মত পার্থক্য থাকার কারণে

৪৯ নম্বর মতের জাওয়াব: চাঁদের মাস এবং হিজরী ক্যালেন্ডার নিয়ে মত পার্থক্যের জন্ম ১৯৪৮ সাল থেকে অর্থাৎ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ঈওঅ প্রতিষ্ঠার পর থেকে। সউদী আরবের ওহাবী রাজ পরিবার ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য অভিভাবক হিসেবে বেছে নিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাফির শাসকদের। মুসলমানগণের প্রকৃত অভিভাবক হচ্ছেন যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব নূরে মুজসসাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহগণ উনারা। সউদী ওহাবী সরকার এই চরম সত্যটি উপলব্ধি করতে না পারায় কাফিররা তাদের মনগড়া চিন্তা, চেতনা, দৃষ্টিভঙ্গি প্রবেশ করিয়ে দিয়েছে তাদের দেশে। চাঁদের মাস, হিজরী তারিখ নির্ধারণ এসব বিষয়গুলি তার থেকে বাদ নয়। যেমন কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, চাঁদ দেখে আরবী মাস নির্ধারণ করার জন্য অথচ আজকের সউদী আরবে বহু যুগ ধরে আরবী মাস গণনা হচ্ছে মনগড়া নিয়মে। কয়েকটি মাসে চাঁদ দেখার লোক দেখানো আয়োজন করলেও মাস শুরু হয় তাদের ইচ্ছানুযায়ী এবং তা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই চাঁদ না দেখে অমাবস্যার তারিখ অনুযায়ী।

শুধু সউদী আরব চাঁদের মাস শুরুর ক্ষেত্রে এ ভ্রান্ত নীতি অনুসরণ করছে তা নয় তারা পয়সার যোগান দিয়ে তাদের মতানুসারী দেশগুলো এবং বিভিন্ন মুসলিম দেশেও চাঁদের মাস শুরু করার বিভিন্ন মনগড়া পদ্ধতি চাপিয়ে দিয়েছে। তথাকথিত ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক তাদের ষড়যন্ত্রের একটি অংশ। কেউ ইচ্ছায়, কেউ অনিচ্ছায়, কেউ বুঝে, কেউ না বুঝে কেউ অর্থের কারণে, কেউ আবেগে এসব ভ্রান্ত মতের অনুসারী হচ্ছে এবং তা প্রচার প্রসারে নিয়োজিত রয়েছে।

ঘরে ঘরে সৌর ক্যালেন্ডার প্রবেশ করেছে মুসলমানগণ যখন ইসলাম থেকে সরে গিয়ে ব্রিটিশদের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছে। এর জন্য সাধারণ মুসলমানগণের চেয়েও বেশি দায়ী মুসলমান নামধারী বিভ্রান্ত শাসক শ্রেণী। তবে আমাদের দেশ বাংলাদেশে একটি ভিন্ন চিত্র লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মহান রাজারবাগ দরবার শরীফ থেকে প্রকাশিত হিজরী ক্যালেন্ডার আজ অনেকের ঘরেই। এছাড়াও বাংলাদেশে প্রতি আরবী মাস শুরু হচ্ছে চাঁদ দেখে শরীয়তের অনুসরণের মাধ্যমে। আরও উল্লেখ্য, কাফিরদের তথাকথিত গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের বিকল্প হিসেবে এই মহান দরবার শরীফ থেকেই প্রকাশিত হয়েছে শামসী ক্যালেন্ডার। আর এই মহান আয়োজনের সাথে রয়েছেন যিনি ইমামুল, আইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, মুজাদ্দিদে আ’যম ঢাকা রাজারবাগ শরীফ-এর মহা সম্মানিত মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম এবং উনার সুযোগ্য আওলাদ, খলীফাতুল উমাম, হাবীবুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ হযরত শাহযাদা হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম। মহান আল্লাহ পাক তিনি অচিরেই এই আলো সমগ্র বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিবেন ইনশাআল্লাহ!

 

বাংলাদেশের জন্য ১৪৩৩ হিজরীর পবিত্র

শা’বান মাসের চাঁদের রিপোর্ট

বাংলাদেশের স্থানীয় সময় অনুযায়ী জিরো মুন (অমাবস্যা) সংঘটিত হবে ইয়াওমুছ ছুলাছায়ি, মঙ্গলবার, ২১ আউয়াল, ১৩৮০ শামসী। রাত ৯টা ২ মিনিটে। ১৯ জুন, ২০১২, মঙ্গলবার।

বাংলাদেশে পবিত্র শা’বান মাসের চাঁদ তালাশ করতে হবে, ২২ আউয়াল, ১৩৮০ শামসী। ২০ জুন-২০১২, ইয়াওমুল আরবিয়ায়ি (বুধবার) সন্ধ্যায়।

সেদিন ঢাকায় সূর্যাস্ত ৬টা ৪৮ মিনিটে এবং চন্দ্রাস্ত ৭টা ২২ মিনিটে। অর্থাৎ সূর্যাস্ত এবং চন্দ্রাস্তের সময়ের পার্থক্য ৩৪ মিনিট। সূর্যাস্তের সময় চাঁদ দিগন্তরেখার প্রায় ৬ ডিগ্রি ৫০ মিনিট উপরে অবস্থান করবে। কৌণিক দূরত্ব হবে ১০ ডিগ্রি ৩৮ মিনিট। সূর্য থাকবে ২৯৬ ডিগ্রি আজিমাতে। আর চাঁদ খুঁজতে হবে ২৮৮ ডিগ্রি আজিমাতে। সেদিন চাঁদ দেখার সম্ভাবনা নেই।

যুগের আবূ জাহিল, মুনাফিক ও দাজ্জালে কায্যাবদের বিরোধিতাই প্রমাণ করে যে, রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি হক্ব। খারিজীপন্থী ওহাবীদের মিথ্যা অপপ্রচারের দাঁতভাঙ্গা জবাব-৮১

ভ্রান্ত ওহাবী মতবাদ প্রচারের নেপথ্যে-৩০

চাঁদ দেখা ও নতুন চন্দ্রতারিখ নিয়ে প্রাসঙ্গিক আলোচনা-৪৯

আমীরুল মু’মিনীন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী আলাইহিস সালাম তিনি নিঃসন্দেহে আল্লাহ পাক উনার খাছ ওলী উনার প্রতি অপবাদকারী জালিম গং নিঃসন্দেহে বাতিল, গুমরাহ, লানতপ্রাপ্ত, জাহান্নামী ও সুন্নী নামের কলঙ্ক  রেজাখানীরা আয়নায় নিজেদের কুৎসিত চেহারা দেখে নিক ॥ ইসলামী শরীয়ার আলোকে একটি দলীলভিত্তিক পর্যালোচনা-২

গোটা দেশবাসীকে সম্পূর্ণ অবহিত করে ট্রানজিট চুক্তি না করলে এবং দেশবাসীর সম্মতিতে না করলে কথিত ট্রানজিট চুক্তি হবে দেশবাসীর সাথে সম্পূর্ণ বিশ্বাসঘাতকতা করে দেশ বিক্রির শামিল যা সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক এবং অগ্রহণযোগ্য