চাঁদ দেখা ও নতুন চন্দ্রতারিখ নিয়ে প্রাসঙ্গিক আলোচনা-৩১

সংখ্যা: ১৯০তম সংখ্যা | বিভাগ:

-আল্লামা আবুল বাশার মুহম্মদ রুহুল হাসান

বর্তমান সংখ্যার আলোচনা: চন্দ্রমাস ২৯ বা ৩০ দিনে হবার কি কোন ধারাবাহিকতা আছে? কেউ কেউ বলেন ১৯ বছর পর আবার কেউ বলেন ৩০ বছর চাঁদের পরিভ্রমণ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি ঘটে। বিষয়টি কি সঠিক?

আমরা জানি কোন চান্দ্রমাস ২৯ দিনে এবং কোন কোন চন্দ্রমাস ৩০ দিনে হয়। আমাদের আলোচনার প্রথম বিষয় হচ্ছে এমনকি কখনো দেখা যায় যে, কয়েকটি চন্দ্রমাস পর পর ২৯ দিনে বা পর পর ৩০ দিনে বা ২৯/৩০ দিনে এমনিভাবে হবে। এ বিষয়টি আলোচনার পূর্বে আমাদের দুটো বিষয়ের আলোচনা প্রয়োজন তা হচ্ছে-

১। আরবী মাসের ২৯তম দিনে চাঁদ দেখা বা না দেখা অনুযায়ী চন্দ্রমাসের দৈর্ঘ্য (অর্থাৎ চাঁদ দেখা যাওয়ার আকৃতিতে এলেও মানুষ মেঘ বা অন্য কোন কারণে না দেখতে পেলে মাসের দৈর্ঘ্য পরিবর্তিত হয়)

২। পৃথিবীর চারপার্শ্বে আবর্তনের সাপেক্ষ চন্দ্রমাসের দৈর্ঘ্য অর্থাৎ প্রদক্ষিণ শেষে চাঁদ যখন দেখা যাবার আকৃতিতে আসে (পৃথিবী থেকে মানুষ তা দেখতেও পারে নাও পারে)

প্রথম বিষয়টি বলতে গিয়ে বলা যায় যদি এমন হয় পর পর অনেকগুলো মাসের ২৯তম দিনে কখনো চাঁদ দেখা যায়নি তাই মাসটি ৩০ দিনে শেষ হয়েছে আবার যে মাসের ২৯তম দিনে চাঁদ দেখা যাবার আকৃতিতে ছিল কিন্তু মেঘের কারণে দেখা যায়নি তাতেও মাসটি ৩০ দিনে পূর্ণ করতে হয়েছে। এরকম ক্ষেত্রে শুধু পর পর কয়েকটি মাস ৩০ দিনে হওয়া সম্ভব। কিন্তু দ্বিতীয় বিষয়টি অর্থাৎ পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ শেষে মাসের ২৯তম দিনে চাঁদের দেখা যাবার আকৃতিতে আসা এবং না আসার উপর ভিত্তি করে যদি বলতে হয় তাতেও নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয় যে চন্দ্রমাসের দৈর্ঘ্যরে কোন ধারাবাহিকতা আছে। কেননা ৪০০০ বছরের অর্থাৎ ৪৮০০০ মাসের চন্দ্রমাসের দৈর্ঘ্য পরীক্ষা করেও কোন সুনির্দিষ্ট ধারাবাহিকতা খুঁজে পাওয়া যায়নি।

১৯ বছর, ৩০ বছর পর পর চন্দ্রমাসের আবর্তনের গতিপথের পুনরাবৃত্তি হয় বিষয়টি সঠিক নয়। কেননা কেউ কেউ বলেন ২১০ চন্দ্র বছর পর এই আবর্তনের গতিপথের পুনরাবৃত্তি ঘটে। এসবগুলো শুধু ধারণা মাত্র। দীর্ঘ সময় পর পর এই আবর্তনের গতিপথের কাছাকাছি পর্যায়ে যেতে পারে কিন্তু অবিকল পুনরাবৃত্তি ঘটে না।

যে সকল দেশ কোন চন্দ্রমাস ২৯ দিনে কোন কোন মাস ৩০ দিনে এভাবে পর্যায়ক্রমে গণনা করে তা তাদের বানানো নিয়ম অনুযায়ী করে থাকে। শরীয়তের নির্দেশ তা নয়।

ফিক্বাহ শাস্ত্রে আরবী মাস ২৮ দিনে হবারও বর্ণনা রয়েছে। অর্থাৎ কোন মাসের ২৮তম দিনেও চাঁদ দেখা যেতে পারে। যদি এমন হয় পর পর দুটি মাস ২৯ দিনে শেষ হয় অর্থাৎ ২৯ দিনের দিন চাঁদ দেখা যাবার আকৃতিতে থাকবে। সেক্ষেত্রে যদি প্রথম মাসটিতে মেঘের কারণে চাঁদ দেখা না যায় এবং মাসটি ৩০ দিনে পূর্ণ হয় তবে দ্বিতীয় মাসটিতে অনেক সময় ২৮তম দিনেও চাঁদ দেখা যাবার সম্ভাবনা থাকে।

সাধারণভাবে শরীয়তের নির্দেশ হচ্ছে আরবী মাসের ২৯তম দিনে চাঁদ তালাশ করতে হবে। দেখা গেলে নতুন আরবী মাস শুরু হবে আর না দেখা গেলে আরবী মাস ৩০ দিনে পূর্ণ করতে হবে। এই নিয়মের বাইরে আর কোন নিয়মে আরবী মাস গণনা করা শরীয়ত সম্মত নয়।

বিশ্বের জন্য ১৪৩০ হিজরীর পবিত্র

শাওয়াল মাসের চাঁদের রিপোর্ট:

জিরো মুন (অমাবস্যা) সংঘটিত হবে ১৯ সেপ্টেম্বর, শনিবার, ২০০৯, ১৮টা ৪৪ মিনিটে (আন্তর্জাতিক সময় অনুযায়ী)। অমাবস্যার দিন সউদী আরবে পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাবার কোন সম্ভাবনা নেই।

বাংলাদেশের জন্য ১৪৩০ হিজরীর

পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদের রিপোর্ট:

বাংলাদেশের স্থানীয় সময় অনুযায়ী জিরো মুন (অমাবস্যা) সংঘটিত হবে ১৯ সেপ্টেম্বর, শনিবার, ২০০৯ ঈসায়ী ভোর রাত ১২টা ৪৪ মিনিটে।

বাংলাদেশের পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ তালাশ করতে হবে ২০ সেপ্টেম্বর, রবিবার সন্ধ্যায়। সেদিন ঢাকায় সূর্যাস্ত ৫টা ৫৭ মিনিটে এবং চন্দ্রাস্ত ৬টা ৪৬ মিনিটে। সূর্যাস্তের সময় চাঁদ দিগন্তরেখার প্রায় সাড়ে ১০ ডিগ্রী উপরে অবস্থান করবে। সেদিন চাঁদ দেখা যাবার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে।

মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার নিকট খোলা চিঠি দেশটা কী মুসলমানের, না ঐ নিকৃষ্ট সংস্কৃতিবাদীদের? দেশে কী ১৫ কোটি মুসলমান প্রাধান্য পাবে, না মাত্র লাখেরও কম সংস্কৃতিকর্মী প্রতিষ্ঠা পাবে? সংস্কৃতিকর্মীর প্রচারণা দ্বারা কি রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের এদেশে ‘ইসলাম’ ও ‘মুসলমান’ তুলে দেয়া হবে?  মিটিয়ে ফেলা হবে? মুছে ফেলা হবে? বিধর্মীদের সাথে একাকার করে দেয়া হবে? তাহলে ‘মরলে শহীদ বাঁচলে গাজী’ চিরন্তন সে ঐতিহ্য কোথায় যাবে?

যুগের আবূ জাহিল, মুনাফিক ও দাজ্জালে কায্যাবদের বিরোধিতাই প্রমাণ করে যে, রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী হক্ব। খারিজীপন্থী ওহাবীদের মিথ্যা অপপ্রচারের দাঁতভাঙ্গা জবাব-৫৭

চাঁদ দেখা ও নতুন চন্দ্রতারিখ নিয়ে প্রাসঙ্গিক আলোচনা-২৫

ভ্রান্ত ওহাবী মতবাদ প্রচারের নেপথ্যে-৭

বাতিল ফিরক্বা ওহাবীদের অখ্যাত মুখপত্র আল কাওসারের মিথ্যাচারিতার জবাব-১৮ হাদীছ জালিয়াতী, ইবারত কারচুপি ও কিতাব নকল করা ওহাবীদেরই জন্মগত বদ অভ্যাস ওহাবী ফিরক্বাসহ সবগুলো বাতিল ফিরক্বাহ ইহুদী-নাছারাদের আবিষ্কার! তাদের এক নম্বর দালাল