‘ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ ব্যবহার সম্পর্কে এক চরম জাহিল, গণ্ডমূর্খ, মিথ্যাবাদী, মুনাফিক্ব, ধোঁকাবাজ এবং প্রতারকের জিহালতী, মূর্খতা, মিথ্যাচার, ধোঁকা, প্রতারণা ও অপব্যাখ্যার দলীলভিত্তিক দাঁতভাঙ্গা জবাব-১

সংখ্যা: ২৭৮তম সংখ্যা | বিভাগ:

 

স্বাভাবিকভাবে ‘ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ বাক্য মুবারকখানা সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦তামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। সুবহানাল্লাহ! কিন্তু সকলের ঐকমত্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ব্যতীত সমস্ত হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম এবং সমস্ত হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদের ক্ষেত্রেও ‘ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ ব্যবহার করা জায়েয ও মুস্তাহাবের অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ! এ সম্পর্কে আল্লামা হযরত ইমাম আবূ যাকারিয়া মুহিউদ্দীন ইয়াহ্ইয়া ইবনে শারফুন নববী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ : ৬৭৬ হিজরী শরীফ) তিনি এবং আল্লামা হযরত ইমাম ইবনে মুলক্বিন রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ : ৮০৪ হিজরী শরীফ) তিনি অর্থাৎ উনারাসহ আরো অনেকেই স্বীয় কিতাবে ইজমা’ বর্ণনা করেছেন। উনারা বলেছেন,

اَجْـمَعُوْا عَلَى الصَّلـٰوةِ عَلـٰى نَبِيِّنَا مُـحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَكَذٰلِكَ اَجْـمَعَ مَنْ يُّعْتَدُّ بِهٖ عَلـٰى جَوَازِهَا وَاسْتِحْبَابِـهَا عَلـٰى سَائِرِ الْاَنْبِيَاءِ وَالْـمَلَائِكَةِ اِسْتِقْلَالًا.

অর্থ: “আমাদের মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নবী, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি ছলাত পাঠের ব্যাপারে অর্থাৎ উনাকে ‘ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ বলার বিষয়ে সকলে ইজমা করেছেন। অনুরূপভাবে এ বিষয়েও ইজমা করেছেন যে, সমস্ত হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম এবং সমস্ত হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদের ক্ষেত্রে স্বতন্ত্রভাবে ছলাত পাঠ করা অর্থাৎ উনাদের সকলের ক্ষেত্রে স্বতন্ত্রভাবে ‘ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ ব্যবহার করা জায়েয ও মুস্তাহাব।” সুবহানাল্লাহ! (আল আযকার লিন নববী ১/১১৮, আল ই’লাম বিফাওয়াইদি উমদাতিল আহ্কাম ৩/৪৭৭, আল হাবাইক ফী আখবারিল মালাইক লিস সুয়ূত্বী ১/৮৪, বাহ্জাতুল মাহাফিল ২/৪১৬ ইত্যাদি)

আল্লামা হযরত ইমাম ত্বীবী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ : ৭৪৩ হিজরী শরীফ) তিনি উল্লেখ করেন,

اَجْـمَعُوْا عَلَى الصَّلـٰوةِ عَلـٰى نَبِيِّنَا وَعَلـٰى سَائِرِ الْاَنْبِيَاءِ وَالْـمَلَائِكَةِ اِسْتِقْلَالًا.

অর্থ: “আমাদের মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নবী, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি এবং সমস্ত হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম ও সমস্ত হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদের প্রতি স্বতন্ত্রভাবে ছলাত পাঠ করা অর্থাৎ উনাদের সকলের ক্ষেত্রে স্বতন্ত্রভাবে ‘ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ ব্যবহার করার বিষয়ে সকলে ইজমা’ করেছেন।” সুবহানাল্লাহ! (ফুতূহুল গইব ফিল কাশফি ‘আন ক্বিনাইর রইব লিত ত্বীবী ১২/৪৭৫)

এমনকি ওহাবীদের গুরু ইবনে ক্বইয়্যুম লা’নাতুল্লাহি আলাইহিও বলেছে-

وَقَدْ حَكٰى غَيْرُ وَاحِدِ ۣ الْاِجْـمَاعَ عَلـٰى اَنَّ الصَّلـٰوةَ عَلـٰى جَـمِيْعِ النَّبِيِّيْـنَ مَشْرُوْعَةٌ مِّنْهُمُ الشَّيْخُ مُـحْيِـىُ الدِّيْنِ النَّوَوِىُّ رَحِـمَهُ اللهُ وَغَيْرُهٗ.

 অর্থ: “নিঃসন্দেহে এ বিষয়ে একাধিক ব্যক্তি ইজমা’ বর্ণনা করেছেন যে, নিশ্চয়ই সমস্ত হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের প্রতি ছলাত পাঠ করা তথা উনাদের ক্ষেত্রে ‘ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ ব্যবহার করা শরীয়ত সম্মত। সুবহানাল্লাহ! (যারা ইজমা’ বর্ণনা করেছেন,) উনাদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছেন হযরত শায়েখ মুহিউদ্দীন নববী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি এবং আরো অনেকে।” সুবহানাল্লাহ! (জালাউল আফহাম ২৫৮)

যদি সমস্ত হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম এবং সমস্ত হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদের ক্ষেত্রে স্বতন্ত্রভাবে ‘ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ বাক্য মুবারকখানা ব্যবহার করা জায়েয ও মুস্তাহাব হয়ে থাকে, তাহলে এটা আর বলার অপেক্ষাই রাখে না যে, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের ক্ষেত্রে স্বতন্ত্রভাবে ‘ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ ব্যবহার করা সম্পূর্ণরূপে জায়েয ও মুস্তাহাব তো অবশ্যই; এমনকি বিশেষ ফযীলত লাভের কারণ। সুবহানাল্লাহ!

কেননা স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজেই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে উনার নিজের অন্তর্ভুক্ত করে নিয়েছেন এবং ইরশাদ মুবারক করেছেন, আমাদের সাথে কারো তুলনা করা যাবে না। সুবহানাল্লাহ!

এ সম্পর্কে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,

عَنْ حَضْرَتْ اَنَسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَـحْنُ اَهْلُ بَيْتٍ لَّا يُقَاسُ بِنَا اَحَدٌ.

অর্থ: “হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, আমরা মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম। আমাদের সাথে অন্য কারো তুলনা করা যাবে না।” সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! (দায়লামী শরীফ ৪/২৮৩, জামি‘উল আহাদীছ ২২/২১৯, কানজুল উম্মাল ১২/১০৪, জাম‘উল জাওয়ামি’ ১/২৪৯৫০, যাখায়েরুল ‘উক্ববাহ ফী মানাক্বিবে যাওইল কুরবা ১/১৭, সুবুলুল হুদা ওয়ার রশাদ ১১/৭ ইত্যাদি)

এক স্বঘোষিত ঈমানহারা, বেঈমানের মুখোশ উন্মোচন

‘অসীম ইলম মুবারক উনার অধিকারী’ বিশ্বাস করলে বা বললে যদি ঈমানহারা হতে হয়, তাহলে আইনুল হুদা ওরফে আইনুশ শয়তান লা’নাতুল্লাহি আলাইহি সদরল আমিনকে মাওলানা বলে এবং মাদরাসা থেকে ফারেগ হওয়া ব্যক্তিদেরকে মাওলানা বলা জায়েয বলে, সে নিজেই ঈমানহারা হয়ে বেঈমান হয়ে গেছে। অর্থাৎ সে নিজেকে স্বঘোষিত বেঈমান হিসেবে সাব্যস্ত করেছে।

কেননা মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজে মাওলানা। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,

أَنْتَ مَوْلٰنَا فَانْصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكٰفِرِيْنَ.

অর্থ: “(আয় মহান আল্লাহ পাক!) আপনি মাওলানা। সুতরাং কাফের সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদেরকে সাহায্য করুন।” (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ : সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ২৮৬)

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিও মাওলান। যেমন- মহসম্মানিত ও মহাপবিত্র দুরুদ শরীফ-এ বলা হয়,

 اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلٰى سَيِّدِنَا نَبِيِّنَا حَبِيْبِنَا شَفِيْعِنَا مَوْلَانَا مُـحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهَ وَسَلَّمَ

উচ্চারণ: “আল্লাহুম্মা ছল্লি আলা সাইয়্যিদিনা নাবিয়্যিনা হাবীবিনা শাফীয়িনা মাওলানা মুহম্মদ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।”

আবার যারা মাদরাসা থেকে কামিল পাশ করে, তাদেরকেও মাওলানা বলা হয়।

মূলত, মহান আল্লাহ পাক তিনি আল্লাহ পাক হিসেবে মাওলানা। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦তামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হিসেবে মাওলানা। আর একজন উম্মত সে তার অবস্থান থেকে মাওলানা।

ঠিক একইভাবে মহান আল্লাহ পাক তিনি ‘অসীম ইলম মুবারক উনার অধিকারী’ মহান আল্লাহ পাক হিসেবে। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিও ‘অসীম ইলম মুবারক উনার অধিকারী’ সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হিসেবে। আর একজন ওলীআল্লাহ তিনিও ‘অসীম ইলম মুবারক উনার অধিকারী’ হন, তিনি উনার অবস্থান থেকে। সুবহানাল্লাহ!

এখন ‘অসীম ইলম মুবারক উনার অধিকারী’ বললে যদি ঈমানহারা হতে হয়, তাহলে আইনুল হুদা ওরফে আইনুশ শয়তান লা’নাতুল্লাহি আলাইহি সদরুল আমীনকে মাওলানা বলে এবং মাদরাসা থেকে ফারেগ হওয়া ব্যক্তিদেরকে মাওলানা বলা জায়েয বলে, সে নিজেই ঈমানহারা হয়ে বেঈমান হয়ে গেছে। অর্থাৎ  সে নিজেই নিজেকে স্বঘোষিত বেঈমান হিসেবে সাব্যস্ত করেছে।

অন্যদিকে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,

وَاللهُ الْغَنِـىُّ وَاَنْتُمُ الْفُقَرَاءُ.

অর্থ: “মহান আল্লাহ পাক তিনি গনী বা ধনী, আর তোমরা হচ্ছো ফক্বীর।” (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা মুহম্মদ শরীফ : সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ-৩৮)

মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট সকলেই ফক্বীর। অথচ তৃতীয় খলীফা হযরত উছমান যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনাকে ‘গনী’ বলা হয়। সুবহানাল্লাহ!

তাহলে আইনুল হুদা ওরফে আইনুশ শয়তান লা’নাতুল্লাহি আলাইহি কি বলবে যে, তৃতীয় খলীফা হযরত উছমান যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনাকে ‘গনী’ বললে ঈমানহারা হতে হবে। আর যারা তৃতীয় খলীফা হযরত উছমান যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনাকে ‘গনী’ বলেন, এই চরম জাহিল ও গ-মূর্খটা কি উনাদেরকে বলবে যে, ঈমান বাঁচাও, কুরআন সুন্নাহর পথে ফিরে আসো। না‘ঊযুবিল্লাহ!

তাহলে পাঠক আপনারাই বলুন, আইনুল হুদা ওরফে আইনুশ শয়তান লা’নাতুল্লাহি আলাইহি কত বড় জাহিল, গ-মূর্খ, গোমরাহ্ ও পথভ্রষ্ট। যেটা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। না’ঊযুবিল্লাহ!

এই গোমরাহটা এতো কঠিন জাহিল ও গণ্ডমূর্খ যে, তার বাংলা ভাষা সম্পর্কে নূন্যতম জ্ঞানও নেই। সে অসীম শব্দের অর্থই জানে না। বাংলা অভিধানগুলোতে উল্লেখ রয়েছে,

অসীম /বিশেষণ পদ/ অনন্ত, সীমাহীন, যাহাকে আয়ত্ত করা যায় না। অসীম সুখ, অসীম দুঃখ, অসীম সাহস, (অসীম বীরত্ব, অসীম আগ্রহ, অসীম দূরত্ব, অসীম পিপাসা)।

অসীম: সীমাহীন; অনন্ত, অশেষ, প্রচুর।

অসীম: unlimited, unbounded

মেঘে মেঘে অন্ধ অসীম আকাশ। (কাজী নজরুল ইসলাম)

নিম্নে বিভিন্ন পত্রপত্রিকা ও বই পুস্তক থেকে অসীম শব্দের কিছু ব্যবহার তুলে ধরা হলো-

আমরা যদি আমাদের মুক্তিযুদ্ধের কথা একবার চিন্তা করি তাহলে দেখতে পাই, একদল অসীম সাহসী নির্ভীক তরুণসেনা ……..

অসীম মনোবল, অদম্য সাহস আর মাতৃভূমির প্রতি সীমাহীন ভালোবাসার দরুন এই বাংলা স্বাধীন হয়।

আমার যে অসীম কথামালা।

মেঘে মেঘে অন্ধ অসীম আকাশ।

তার অসীম বীরত্বের কথা সকলেই জানে।

মেঘ ছুঁয়ে দেখার অসীম বাসনা নিয়ে ছুটে চলুন খাগড়াছড়ির পথে। এখন বলার বিষয় হচ্ছে, তাহলে যারা বাংলা ভাষায় ‘অসীম সুখ, অসীম দুঃখ, অসীম সাহস, অসীম বীরত্ব, অসীম আগ্রহ, অসীম দূরত্ব, অসীম পিপাসা, অসীম ধন, অসীম সাহসী, অসীম মনোবল, অসীম কথামালা, অসীম বাসনা’ ইত্যাদি শব্দ ব্যবহার করে থাকেন বা ব্যবহার করবেন, এই গোমরাহটা কি এ সমস্ত লোকদেরকে ঈমানহারা বলবে? না‘ঊযুবিল্লাহ!

মহান আল্লাহ পাক তিনি গোটা মুসলিম উম্মাহকে আইনুল হুদা ওরফে আইনুশ শয়তান লা’নাতুল্লাহি আলাইহি নামক এই চরম গোমরাহ্, জাহিল, গ-মূর্খ, পথভ্রষ্ট ও মাল‘ঊনটার প্ররোচনা থেকে হিফাযত করুন। আমীন!

-মুহাদ্দিছ মুহম্মদ ইবনে ছিদ্দীক্ব।

প্রসঙ্গ: ইসরাইলি পণ্য বর্জনের আহ্বান জানিয়েছে তুরস্ক। ইসরাইলের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অবরোধসহ কঠোর সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা মুসলিম বিশ্বের এখন ফরযের উপর ফরয।

সুদ পরিশোধেই ব্যয় হবে বাজেটের ১১ শতাংশ। প্রত্যেক বছর বাজেটের আকার বাড়লেও এর সুফল পাচ্ছে না দেশ ও দেশের জনগণ। জনগণের উচিত সরকারকে বাধ্য করা- ঋণের ধারা থেকে সরে এসে অভ্যন্তরীণ অর্থ-সম্পদের দিকে গুরুত্ব দিয়ে বাজেটকে গণমুখী করার জন্য।

বাংলাদেশে জিএমও ফুড প্রচলনের সকল ষড়যন্ত্র বন্ধ করতে হবে-২

পর্যবেক্ষক ও সমালোচক মহলের মতে- ভারতের কাছে দেশের স্বার্থ বিলিয়ে দেয়ার নিকৃষ্টতম উদাহরণ রামপালে কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র। মাত্র ১৫ ভাগ বিনিয়োগ করে ভারত মালিকানা পাবে ৫০ ভাগ। আর ধ্বংস হবে এদেশের সুন্দরবন। সুন্দরবনকে ধ্বংস করার সিদ্ধান্ত থেকে সরকারকে সরে আসতে হবে (২)

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতোই রূপপুরের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ভয়াবহ। রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে কিন্তু রূপপুর অজ্ঞতার আঁধারেই রয়ে গেছে? বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিষয়টি বিশেষভাবে আমলে নিতে হবে। প্রয়োজনে সচেতন জনগণকেই প্রতিহত করতে হবে (২)