‘ছহিবে কুন ফাইয়াকূন’ লক্বব মুবারক সম্পর্কে এক চরম জাহিল, গণ্ড মূর্খ, মিথ্যাবাদী, উলামায়ে সূ’, ধোঁকাবাজ এবং প্রতারকের জিহালতী, মূর্খতা, মিথ্যাচার, ধোঁকা, প্রতারণা ও অপব্যাখ্যার দলীলভিত্তিক দাঁতভাঙ্গা জবাব-৩

সংখ্যা: ২৭৭তম সংখ্যা | বিভাগ:

মাহবূবে সোবহানী, কুতুবে রব্বানী হযরত শায়েখ সাইয়্যিদ মুহীউদ্দীন আব্দুল ক্বাদির জীলানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার বিশ্বখ্যাত কিতাব ‘ফুতূহুল গইব শরীফ উনার ৩৪ নং পৃষ্ঠায়’ বলেন-

قَالَ اللهُ عَزَّ وَجَلَّ فِـىْ بَعْضِ كُتُبِهٖ يَا اِبْنَ اٰدَمَ اَنَا للهُ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا اَنَا اَقُوْلُ لِلشَّىْءِ كُنْ فَيَكُوْنُ اَطِعْنِـىْ اَجْعَلُكَ تَقُوْلُ لِلشَّىْءِ كُنْ فَيَكُوْنُ .

অর্থ: “মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার কোন কোন কিতাবে তথা পূর্ববর্তী আসমানী কিতাবসমূহে ইরশাদ মুবারক করেছেন, হে আদম সন্তান! আমি মহান আল্লাহ পাক, আমি ব্যতীত আর কোন ইলাহ্ নাই। আমি কোন কিছুকে كُنْ হও বললে, فَيَكُوْنُ সাথে সাথে তা হয়ে যায়। তুমি আমার অনুগত হও, তাহলে আমি তোমাকে এমন করে দিবো যে, তুমিও কোন কিছুকে كُنْ হও বললে, فَيَكُوْنُ সাথে সাথে তা হয়ে যাবে।” সুবহানাল্লাহ!

মাহবূবে সোবহানী, কুতুবে রব্বানী হযরত শায়েখ সাইয়্যিদ মুহীউদ্দীন আব্দুল ক্বাদির জীলানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার বিশ্বখ্যাত কিতাব ‘ফুতূহুল গইব শরীফ উনার ৪০ নং পৃষ্ঠায়’ বলেন-

قَالَ اللهُ تَعَالـٰى فِـىْ بَعْضِ كُتُبِهٖ يَا اِبْنِ اٰدَمَ اَنَا للهُ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا اَنَا اَقُوْلُ لِلشَّىْءِ كُنْ فَيَكُوْنُ اَطِعْنِـىْ اَجْعَلُكَ تَقُوْلُ لِلشَّىْءِ كُنْ فَيَكُوْنُ وَقَدْ فَعَلَ ذٰلِكَ بِكَثِيْـرٍ مِّنْ اَنْبِيَائِهٖ وَاَوْلِيَائِهٖ وَخَوَاصِّهٖ مِنْ بَنِىْ اٰدَمَ.

অর্থ: “মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার কোন কোন কিতাবে তথা পূর্ববর্তী আসমানী কিতাবসমূহে ইরশাদ মুবারক করেছেন, হে আদম সন্তান! আমি মহান আল্লাহ পাক, আমি ব্যতীত আর কোন ইলাহ্ নাই। আমি কোন কিছুকে كُنْ হও বললে, فَيَكُوْنُ সাথে সাথে তা হয়ে যায়। তুমি আমার অনুগত হও, তাহলে আমি তোমাকে এমন করে দিবো যে, তুমিও কোন কিছুকে كُنْ হও বললে, فَيَكُوْنُ সাথে সাথে তা হয়ে যাবে। সুবহানাল্লাহ!

আর বনী আদম থেকে মহান আল্লাহ পাক উনার অসংখ্য হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা, অসংখ্য হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা এবং অসংখ্য খাছ বান্দাগণ উনারা এরূপ করেছেন।” সুবহানাল্লাহ!

উপরোক্ত মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ, সম্মানিত ইজমা শরীফ ও সম্মানিত ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দলীল আদিল্লাহভিত্তিক আলোচনা থেকে দিবালোকের ন্যায় অত্যন্ত সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হলো যে, যখন আদম সন্তান তথা বান্দা মহান আল্লাহ পাক উনার অনুগত হয়ে যায়, তখন মহান আল্লাহ পাক তিনি উক্ত বান্দাকে উনার كُنْ فَيَكُوْنُ   এই সম্মানিত ছিফত মুবারক হাদিয়া মুবারক করেন। সুবহানাল্লাহ! ফলে উক্ত বান্দা মহান আল্লাহ পাক উনার كُنْ فَيَكُوْنُ এই সম্মানিত ছিফত মুবারক উনার صَاحِب  ছাহিব বা অধিকারী হয়ে যান তথা صَاحِبُ كُنْ فَيَكُوْنُ ‘ছাহিবে কুন ফাইয়াকূন’ হয়ে যান। সুবহানাল্লাহ! মহান আল্লাহ পাক তিনি যেমন কোন কিছুকে كُنْ হও বললে, فَيَكُوْنُ সাথে সাথে তা হয়ে যায়, তেমনিভাবে উক্ত বান্দা তথা ওলীআল্লাহ তিনিও কোন কিছুকে كُنْ হও বললে, فَيَكُوْنُ সাথে সাথে তা হয়ে যায়। সুবহানাল্লাহ!

সেটাই মাহবূবে সোবহানী, কুতুবে রব্বানী হযরত শায়েখ সাইয়্যিদ মুহীউদ্দীন আব্দুল ক্বাদির জীলানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার বিশ্বখ্যাত কিতাব ‘ফুতূহুল গইব শরীফ উনার ৪০ নং পৃষ্ঠায়’ বলেন-

اَطِعْنِـىْ اَجْعَلُكَ تَقُوْلُ لِلشَّىْءِ كُنْ فَيَكُوْنُ وَقَدْ فَعَلَ ذٰلِكَ بِكَثِيْـرٍ مِّنْ اَنْبِيَائِهٖ وَاَوْلِيَائِهٖ وَخَوَاصِّهٖ مِنْ بَنِىْ اٰدَمَ.

অর্থ: “(মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন,)  তুমি আমার অনুগত হও, তাহলে আমি তোমাকে এমন করে দিবো যে, তুমিও কোন কিছুকে كُنْ হও বললে, فَيَكُوْنُ সাথে সাথে তা হয়ে যাবে। সুবহানাল্লাহ! আর বনী আদম থেকে মহান আল্লাহ পাক উনার অসংখ্য হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা, অসংখ্য হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা এবং অসংখ্য খাছ বান্দাগণ উনারা এরূপ করেছেন।” সুবহানাল্লাহ!

সুতরাং হযরত আউলিয়ামে রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা নি:সন্দেহে অবশ্যই অবশ্যই মহান আল্লাহ পাক উনার كُنْ فَيَكُوْنُ এই সম্মানিত ছিফত মুবারক উনার অধিকারী তথা صَاحِبُ كُنْ فَيَكُوْنُ ‘ছাহিবে কুন ফাইয়াকূন’। সুবহানাল্লাহ!

এই চরম জাহিল ও মূর্খ লোকটার উচিত তাছাউফের কিতাবগুলো ভালোভাবে পড়া। নিজেকে তাছাউপন্থী দাবী করে, অথচ সে তাছাউফের ‘ত’ও জানে না। যদি জানতো, তাহলে ‘ছাহিবে কুন ফাইয়াকূন’ লক্বব মুবারক ব্যবহার করা সম্পর্কে এরূপ গোমরাহীমূলক বক্তব্য দিতে পারতো না।

এই গুমরাহ্ ও ফাসিকটার জেনে রাখা উচিত, শুধু সে কেন, সে, তার গুরু, তার অনুসারী এবং তাদের সকলের চৌদ্দ পুরুষও যদি আসে এবং ক্বিয়ামত পর্যন্ত যদি চেষ্টা করে, তারপরেও কস্মিনকালেও তাদের পক্ষে صَاحِبُ كُنْ فَيَكُوْنُ ‘ছাহিবে কুন ফাইয়াকূন’ এই লক্বব মুবারক ব্যবহার করা না জায়িয, হারাম, কুফরী, র্শিক প্রমাণ করতে পারবে না। ইনশাআল্লাহ! তাদের প্রতি চ্যালেঞ্জ রইলো, তারা পাগলের প্রলাপ না বকে, দূর থেকে কেটী কুত্তার ন্যায় ঘেউ ঘেউ না করে, দলীলবিহীন মনগড়া এলোমেলো বক্তব্য না দিয়ে, পারলে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ, সম্মানিত ইজমা শরীফ ও সম্মানিত ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে প্রমাণ করুক যে, صَاحِبُ كُنْ فَيَكُوْنُ ‘ছাহিবে কুন ফাইয়াকূন’ এই লক্বব মুবারক ব্যবহার করা না জায়িয, হারাম, কুফরী, র্শিক। কিন্তু তারা কস্মিনকালেও পারবে না।

এ বিষয়ে আরো অসংখ্য দলীল-আদিল্লাহ মওজূদ রয়েছে। উলামায়ে সূ’দের আর কতো দলীলের প্রয়োজন? আর কতো দলীল দিলে তারা ‘ছহিবে কুন ফাইয়াকূন’ লক্বব মুবারক ব্যবহার করা জায়িয হিসেবে মেনে নিবে? দলীল দিয়ে তাদেরকে কবর দেয়া যাবে। অবশ্য তারা তো আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের মুখোশে ওহাবী আক্বীদাধারী, তারা হয়তো মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ, সম্মানিত ইজমা শরীফ ও সম্মানিত ক্বিয়াস শরীফ এবং মাহবূবে সোবহানী, কুতুবে রব্বানী হযরত শায়েখ সাইয়্যিদ মুহীউদ্দীন আব্দুল ক্বাদির জীলানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে, সুলত্বানুল হিন্দ, গরীবে নেওয়াজ, হাবীবুল্লাহ হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন চিশতী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে, আফদ্বালুল আউলিয়া, ক্বাইয়্যূমে আউওয়াল, হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে, আশেকে রসূল হযরত শায়েখ সাইয়্যিদ আহমদ কবীর রেফা‘য়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে, সুলত্বানুল আরিফীন হযরত বাইজিদ বোস্তামী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে, শায়েখে আকবর আল্লামা হযরত ইমাম মুহিউদ্দীন ইবনুল আরাবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে ও অন্যান্য হযরত আউলিয়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদেরকে মানবে না। না মানলে আর কি করার আছে? ইবলীসকে তো আর ঈমানদার বানানো যাবে না, ইবলীস তো ইবলীসই থেকে যাবে। না‘ঊযুবিল্লাহ!

‘ছাহিবে কুন ফাইয়াকূন’ লক্বব মুবারক সম্পর্কে ভণ্ডামী ও আল্লাহ দাবী তথা শিরকের অপবাদ দিতে গিয়ে এই চরম জাহিল, গণ্ড মূর্খ, মিথ্যাবাদী ও প্রতারকটা নিজেকেই ভণ্ড ও আল্লাহ দাবীকারী তথা শিরককারী হিসেবে সাব্যস্ত করেছে। কারণ সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী কেউ যদি কাউকে ভণ্ড ও শিরকের অপবাদ দেয়, আর সে যদি ভণ্ড ও শিরককারী না হয়, তাহলে যে ভণ্ড ও শিরকের ফতওয়া দিয়েছে, তার উপরই ভণ্ড ও শিরকের ফতওয়া বর্তাবে অর্থাৎ সে নিজেই ভণ্ড ও শিরককারী তথা মুশরিক হিসেবে সাব্যস্ত হবে। না‘ঊযুবিল্লাহ!

কাজেই, সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী- ভণ্ড ও শিরকের অপবাদ দিতে গিয়ে এই চরম জাহিল, গণ্ড মূর্খ, মিথ্যাবাদী ও প্রতারকটা নিজেকেই ‘ভণ্ড এবং শিরককারী তথা মুশরিক’ হিসেবে সাব্যস্ত করেছে, তাতে বিন্দুমাত্র সন্দেহের অবকাশ নেই।  এ বিষয়ে যারা সন্দেহ পোষণ করবে এবং যারা তাকে ‘ভণ্ড এবং শিরককারী তথা মুশরিক’ বলবে না, তারাও ভণ্ড এবং শিরককারী তথা মুশরিক হবে। না‘ঊযুবিল্লাহ!  সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী তার ওয়ারিসসত্ত্ব বাতিল হয়ে গেছে। তার বিবাহও বাতিল হয়ে গেছে যদি বিবাহিত হয়ে থাকে। তার সমস্ত আমলও নষ্ট হয়ে গেছে। যদি হজ্জ করে থাকে তবে তা নষ্ট হয়ে গেছে।  সে যদি ৩ দিনের মধ্যে প্রকাশ্যে তওবা না করে, তাহলে তার একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। তার গোসল, কাফন-দাফন করা, জানাযার নামায পড়া জায়েয নেই এবং তাকে সম্মানিত মুসলমান উনাদের কবরস্থানে দাফন করাও জায়িয নেই। বরং তাকে কুকুর-শৃগালের মত গর্তে পুতে রাখতে হবে। যারা তার গোসল, কাফন-দাফন করবে, জানাযার নামায পড়বে, তাদের উপরও একই হুকুম বর্তাবে। না‘ঊযুবিল্লাহ!  -মুহম্মদ আল আমীন।

প্রসঙ্গ: ইসরাইলি পণ্য বর্জনের আহ্বান জানিয়েছে তুরস্ক। ইসরাইলের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অবরোধসহ কঠোর সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা মুসলিম বিশ্বের এখন ফরযের উপর ফরয।

সুদ পরিশোধেই ব্যয় হবে বাজেটের ১১ শতাংশ। প্রত্যেক বছর বাজেটের আকার বাড়লেও এর সুফল পাচ্ছে না দেশ ও দেশের জনগণ। জনগণের উচিত সরকারকে বাধ্য করা- ঋণের ধারা থেকে সরে এসে অভ্যন্তরীণ অর্থ-সম্পদের দিকে গুরুত্ব দিয়ে বাজেটকে গণমুখী করার জন্য।

বাংলাদেশে জিএমও ফুড প্রচলনের সকল ষড়যন্ত্র বন্ধ করতে হবে-২

পর্যবেক্ষক ও সমালোচক মহলের মতে- ভারতের কাছে দেশের স্বার্থ বিলিয়ে দেয়ার নিকৃষ্টতম উদাহরণ রামপালে কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র। মাত্র ১৫ ভাগ বিনিয়োগ করে ভারত মালিকানা পাবে ৫০ ভাগ। আর ধ্বংস হবে এদেশের সুন্দরবন। সুন্দরবনকে ধ্বংস করার সিদ্ধান্ত থেকে সরকারকে সরে আসতে হবে (২)

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতোই রূপপুরের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ভয়াবহ। রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে কিন্তু রূপপুর অজ্ঞতার আঁধারেই রয়ে গেছে? বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিষয়টি বিশেষভাবে আমলে নিতে হবে। প্রয়োজনে সচেতন জনগণকেই প্রতিহত করতে হবে (২)