ছাহিবু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, সুলত্বানুন নাছীর, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বইয়ুমুয্যামান, ঢাকা রাজারবাগ শরীফ উনার মহাসম্মানিত মুরশিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম উনার ঐতিহাসিক অভূতপূর্ব আজিমুশ্বান তাজদীদ মুবারক সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ও মুসলমানগণের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে আইনী কার্যক্রম (৯)

সংখ্যা: ২৮৫তম সংখ্যা | বিভাগ:

মুসলমানদের চিরশত্রু ইহুদী, নাসারা, হিন্দু, বৌদ্ধসহ সমস্ত কাফির, বেদ্বীন, বদদ্বীনরা ছলে, বলে, কৌশলে মুসলমানদের জাহিরী-বাতিনী তথা সর্বোত ক্ষতি সাধনে তৎপর। যার বাস্তবতা দেখতে পাই আমাদের দেশেও। এদেশ থেকে ইসলামী অনুশাসন, তাহযীব-তামাদ্দুন উঠিয়ে দিয়ে মুসলমানদেরকে কোনঠাসা করার লক্ষ্যে এই কাফির গোষ্ঠী কখনো মিডিয়াকে, কখনো শাসক শ্রেণীকে এবং কখনো আদালতকে ব্যবহার করে তাদের স্বার্থ উদ্ধার করে যাচ্ছে। এমনকি শাসক শ্রেণী কোন বিষয়ে সম্মত না হলে, আনুগত্যতা না দেখালে তাদের পরিবর্তনেও সাম্রাজ্যবাদীরা দেশের আদালতকে ব্যবহার করছে।

তাই, বর্তমান সময়ের যিনি মহাসম্মানিত ইমাম ও মুজাদ্দিদ, খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ছাহিবু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আছ ছমাদ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ও মুসলমানদের স্বার্থ বিরোধী কাফির ও মুনাফিকদের যাবতীয় ষড়যন্ত্র ও কূট কৌশল নস্যাৎ করে সত্যিকার অর্থেই ইসলামী অনুশাসন প্রতিষ্ঠায় বহুমুখী কার্যক্রম গ্রহণ করেছেন। সেগুলোর অন্যতম “আইনী কার্যক্রম”। সুবহানাল্লাহ। যা উনার ঐতিহাসিক অভূতপূর্ব আজিমুশ্বান তাজদীদ মুবারক।

এ তাজদীদী কার্যক্রমের সফলতা আজ দিবালোকের চেয়েও সুস্পষ্ট। ফলশ্রুতিতে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ও মুসলমানদের স্বার্থ বিরোধী কাফির ও মুনাফিকদের অনেক ষড়যন্ত্র ও কূট কৌশল নস্যাৎ হয়েছে, হচ্ছে এবং হতেই থাকবে। ইনশাআল্লাহ!

পাঠকের উপলব্ধির স্বার্থে নীচে বিশেষ কিছু আইনী কার্যক্রমের তালিকা ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করা হল। (ধারাবাহিক)

সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ উনার সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ অর্থাৎ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ উৎযাপনে প্রশাসন থেকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া এবং একইসাথে সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূর মহাপবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ মাসে যেন কোন প্রকার দ্বীন ইসলাম উনার শরীয়ত বিরোধী হারাম নাজায়িয কর্মকা- না করা হয় পাশাপাশি সকল প্রকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাসব্যাপী যেন বিশেষভাবে সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর, মহাপবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অর্থাৎ পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উৎযাপন করা হয় তা নিশ্চিত করতে এসব বিষয়ে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সংষ্কৃতমন্ত্রী, ধর্মমন্ত্রী, পরিকল্পনা মন্ত্রী ও এসব মন্ত্রণালয়ের সচিবদেরকে রিপ্রেজেন্টেটিভ লেটার পাঠানো হয়।  সরকার একটি গেজেট প্রকাশ করে যে, সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বাধ্যতামূলকভাবে সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর, মহাপবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অর্থাৎ পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করতে হবে। সুবহানাল্লাহ!

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান-মান মুবারক উনার খিলাফ অনলাইনে ব্যঙ্গ চিত্রসহ কটুক্তি করা বন্ধ করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, তথ্য মন্ত্রণালয়, আইজিপি, বি.টি.আর.সি.সহ সংশ্লিষ্ট সরকারী দফতর গুলোর নিষ্ক্রিয় থাকার বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে রিট করা হয়।  হাইকোর্ট থেকে রুল জারী করা হয়েছে।

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুমহান শান মুবারকে আপত্তিকর ভাষায় চু-চেরা ক্বীল-ক্বাল করে দিয়ার্ষি আরাগের লেখা সৃষ্টিঘর প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত ‘দিয়া আরেফিন ও নানীর বাণী” নামক বইদুটিতে হাইকোর্টে মেনশন করা হয়। বইগুলো বিক্রি ও প্রকাশনা বন্ধে ঢাকা ও নূরানীগঞ্জের এসপি, ডিসি ও স্বরাষ্ট্র সচিবকেসহ বাংলা একাডেমি মহাপরিচালককে আইনানুগ ব্যবস্থার জন্য হাইকোর্ট হতে আদেশ দেয়া হয়।  ফলে সেই বইগুলোর প্রচার-প্রসার বন্ধ হয়ে যায়।

“মুসলিমদের দ্বীনী অনুভূতিতে আঘাতের দায়ে ও হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নাম মুবারক ব্যবহার করায় “ন ডরাই” মুভি প্রদর্শন কেন নিষিদ্ধ করা হবে না, মুভিটির সেন্সর ছাড়পত্র কেন বাতিল করা হবে না এবং কমিক বই “ন ডরাই – এডভেঞ্চার অফ আয়েশা” কেন বাজার থেকে প্রত্যাহার করা হবে না” – এই মর্মে হাইকোর্টে রিট করা হয়। হাইকোর্টে রুল দিয়েছে। রুল শুনানীর জন্য তারিখ নির্দিষ্ট করা হয়েছে।

সংবিধান থেকে রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম তুলে দেয়ার ষড়যন্ত্র নিয়ে এ বিষয়ে দেশের কথিত ১১জন বিশিষ্ট নাগরিক উচ্চ আদালতে রিট করলে, ইন্টারভেনার হিসেবে সেই রিটে পার্টি হয়ে সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম দ্বীন ইসলাম বহাল রাখা ও তাদের রিট আবেদনের বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে, তা খারিজ করার আবেদন করা হয়। হাইকোর্ট তাদের রিট আবেদন ফাইল খারিজ করে, যার ফলে সংবিধানে রাষ্ট্র ধর্ম দ্বীন ইসলাম বহাল থাকে।

পরবর্তীতে আবারো সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম দ্বীন ইসলাম তুলে দেয়ার ষড়যন্ত্র নিয়ে হাইকোর্টে আইনজীবী সমরেন্দ্র নাথ গোস্বামী আরেকটি রিট করে, সেটিও খারিজ হলে সে রিট খারিজের বিরুদ্ধে সুপ্রীমকোর্টে আপিল করলে, সেখানেও তার আপিলের বৈধতা ও সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম দ্বীন ইসলাম বহাল রাখতে সুপ্রীমকোর্টের আপিল বিভাগে পক্ষভুক্ত হতে লিভ টু আপিল ফাইল করা হয়। আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারক আমাদের করা আবেদনের উপর শুনানী গ্রহণ করে সেটি মূল আবেদনের সাথে সংযুক্ত করে নিয়মিত বেঞ্চে পাঠিয়ে দেয়।

শিক্ষার্থীরা বোরখা পরায় দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিগ্রহের শিকার হওয়ার প্রেক্ষিতে স্কুল ও কলেজ ছাত্রীদের বোরখা পরার অধিকার চেয়ে এবং একই সাথে যেসব প্রতিষ্ঠান পর্দা করতে বাধা দেয় তাদের বিষয়ে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে। হাইকোর্ট থেকে রুল জারী করা হয়েছে।

হারাম খেলাধুলাকে কেন্দ্র করে ১৯৭২ সালের পতাকা আইন লঙ্ঘন করে যত্রতত্র বিদেশি পতাকা উত্তোলন প্রশ্নে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তাকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না? এছাড়া পতাকা আইন ও রুলস অনুযায়ী জাতীয় পতাকা ও বিদেশি পতাকা উত্তোলনের নিয়মাবলি জনস্বার্থে প্রচার করার জন্য উচ্চ আদলতের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়। হাইকোর্ট থেকে রুল জারী করা হয়েছে।

মাদকাসক্ত চিহ্নিত করতে বিয়ের আগেই বর-কনের রক্ত পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করতে সরকারী উদ্যেগে ব্যবস্থাগ্রহণ করার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে হাইকোর্ট রিট করা হয়। হাইকোর্ট থেকে রুল জারী করা হয়েছে।

সারাদেশের সব পতিতালয় ও এ ধরণের সকল ব্যবসা আইনত নিষিদ্ধ করা এবং এসব বন্ধে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তাকে চ্যালেঞ্জ করা এবং একই সঙ্গে যৌন কর্মীদের পুনর্বাসনের জন্য উচ্চ আদালত থেকে নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়। হাইকোর্ট থেকে রুল দিয়েছে।

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হূযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারকের খিলাফ লেখা ছাপানোর জন্য তসলিমা নাসরিনসহ ওমেন চ্যাপ্টারের তিন জন সংবাদিকের বিরুদ্ধ ৫৭ ধারায় মামলা করা হয়েছে। ঢাকা শাহজাহানপুর থানায় মামলা গ্রহণ করে নথিভুক্ত করেছে। মামলার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান-মান মুবারক উনার খিলাফ বলার কারনে নাস্তিক শফিক রেহমানের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। নাস্তিক শফিক রেহমান কঠিন লাঞ্ছিত হয়।

ফেসবুকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ও হযরত উম্মাহাতুল মু’মীনিন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের শান মুবারকে চু-চেরা ক্বীল-ক্বাল করে লিখার কারণে অপু মন্ডল নামের এক মালউনের বিরুদ্ধে সাইবার এ্যাক্টে মামলা করা হয়েছে। মামলাটি সাইবার ট্রাইব্যুনালে বিচারাধিন প্রক্রিয়ায় রয়েছে। তবে ট্রাইব্যুনাল পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছে পরবর্তী তারিখে উক্ত আসামীকে আটকরত অবস্থায় যেন কোর্টে হাজির করা হয়।

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুমহান শান মুবারকে আপত্তিকর ভাষায় চু-চেরা ক্বীল-ক্বাল করে ফেসবুকে ষ্ট্যাটাস দেয়ায় কুমার দিপু নামক মালউনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সাইবার ট্রাইবুনালে মামলা করা হয়। ট্রাইবুনাল মামলা আমলে নিয়ে ঢাকা শাহজাহানপুর থানায় এজহারভুক্ত করে, কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটকে তদন্ত করার নির্দেশ প্রদান করেন।

ছাহিবু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আছ ছমাদ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ঐতিহাসিক অভূতপূর্ব আজিমুশ্বান তাজদীদ মুবারক সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ও মুসলমানগণের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে আইনী কার্যক্রম (১০)

ছাহিবু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বইয়ুমুয্যামান, ঢাকা রাজারবাগ শরীফ উনার মহাসম্মানিত মুরশিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম হযরত সুলত্বানুন নাছীর ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ঐতিহাসিক অভূতপূর্ব আজিমুশ্বান তাজদীদ মুবারক সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ও মুসলমানগণের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে আইনী কার্যক্রম (১১)

সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ও মুসলমানগণের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে আইনী কার্যক্রম (১২)

সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ও মুসলমানগণের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে আইনী কার্যক্রম (১৩)