জামাতীদের ডাকা হরতালে দেশে শুধু প্রতিদিন দশ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হচ্ছেনা, পাশাপাশি তারা প্রতিটি হরতালে নাশকতা করেও অতিরিক্ত হাজার হাজার কোটি টাকার ক্ষতি এবং মানুষের জীবনের ক্ষতি করে চলছে। অধিকতর ক্ষয়ক্ষতি করার জন্য তারা রেলকে বেছে নিয়েছে। সরকারকে আগ থেকেই ব্যবস্থা নিতে হবে।

সংখ্যা: ২২৪তম সংখ্যা | বিভাগ:

সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ ও সালাম মুবারক।

গত ২ এপ্রিল ২০১৩ ঈসায়ী তারিখে আবারো হরতাল ডেকেছিল স্বাধীনতা বিরোধী, পবিত্র দ্বীন ইসলাম বিরোধী জামাতে মওদুদী। তাদের ডাকা হরতালে শুধু প্রতিদিন দশ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হচ্ছে তাই নয়। তার পাশাপাশি তারা হরতালে স্বাভাবিক ক্ষতির পাশাপাশি নিজেরাও নাশকতা করে আরো হাজার হাজার কোটি টাকার ক্ষতি করছে। সম্প্রতি তারা চাঁপাইনবাবগঞ্জে গোটা পল্লী বিদ্যুৎ কেন্দ্র জ্বালিয়ে দেয়। পল্লী বিদ্যুৎ কোয়ার্টারে অবস্থানকারীরা কোনো মতে প্রাণ নিয়ে পালায়। সেই সাথে ক্ষতিগ্রস্ত গোটা চাঁপাইনবাবগঞ্জের লাখ লাখ কৃষক। গোটা বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা ধ্বংস হওয়ায় সব সেচপাম্প বন্ধ হয়ে আছে। উল্লেখ্য, হরতালের নামে জামাত-শিবির বড় ধরনের নাশকতা চালাচ্ছে।

জানা গেছে, সারা দেশে ব্যাপক নাশকতা চালাতে কয়েক হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠন করেছে জামাত-শিবির। নাশকতার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে তাদের সঙ্গে রয়েছে নিষিদ্ধ ঘোষিত কয়েকটি সন্ত্রাসী সংগঠন। মাঠ পর্যায়ের দলীয় নেতাকর্মী ও দালালদের মধ্যে এরই মধ্যে বণ্টন করা হয়েছে ৩২০ কোটি টাকা। এই টাকার জোরেই বিভিন্ন স্থানে নাশকতা চালানো হচ্ছে। মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার বাধাগ্রস্ত করতে সামনের দিনগুলোতে আরো বড় ধরনের নাশকতার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। জামাত ও সন্ত্রাসী সংগঠনের তিন প্রভাবশালী নেতার কাছ থেকে এসব তথ্য পেয়েছেন গোয়েন্দারা।

সম্প্রতি জামাত-শিবির হরতালের নামে নাশকতার জন্য রেলকে বেছে নিয়েছে। কারণ, এতে মানুষের জান-মালসহ বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি করা সম্ভব।

সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সহিংসতায় স্থাপনা, রেললাইন, স্টেশন ও রেলে আগুন দেয়াসহ ৯৫টি নাশকতার ঘটনা ঘটেছে বাংলাদেশ রেলওয়েতে।

২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ মার্চ পর্যন্ত রেলওয়ের সম্পদের উপর ৯৫টি নাশকতামূলক কর্মকা- চালিয়েছে জামাত-শিবির। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতিসহ যাত্রীসাধারণের নিরাপদ রেল ভ্রমণ বিঘ্নিত হচ্ছে। বর্তমান সরকার দেশের সাধারণ জনগণের স্বল্পব্যয়ে নিরাপদ ও আরামদায়ক যাতায়াত নিশ্চিত করতে রেলপথের উন্নয়নে ব্যাপক পদক্ষেপ নিয়েছে। কিন্তু জামাত-শিবির ও বিএনপি চক্র অন্যান্য স্থাপনা এবং যানবাহনের সঙ্গে রেলপথেও নাশকতামূলক ও ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

চলমান হরতাল ও নাশকতার কারণে রেল, রেললাইন ও স্টেশনে অগ্নিসংযোগের ঘটনা বেড়েই চলছে। অথচ কোনো স্টেশনেই অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নেই। নেই পানির জোগানও। সম্প্রতি বিভিন্ন স্টেশন, ব্রিজ ও রেলে অগ্নিসংযোগের ঘটনার পর এমনই তথ্য পেয়েছেন রেল কর্তৃপক্ষ। সূত্রে জানা যায়, দেশের স্টেশনগুলোর একটিতেও নিজস্ব কোনো অগ্নি-সুরক্ষা ব্যবস্থা নেই। যেটুকু রয়েছে তা শুধুই নামমাত্র। রেলের ভেতরও নেই অগ্নিনির্বাপণের কোনো ব্যবস্থা। সম্প্রতি রাজশাহী, কমলাপুর ও নরসিংদী রেলওয়ে স্টেশনে অগ্নিসংযোগের ঘটনার পর রেল কর্তৃপক্ষ নড়েচড়ে বসলেও তাদের যেন করার কিছুই নেই।

কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে কমলাপুর, বিমানবন্দরসহ অধিকাংশ স্টেশনগুলো রি-মডেলিং করা হলেও অগ্নিনির্বাপণের কোনো ব্যবস্থা রাখা হয়নি। বাইরে থেকে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন তাদের সরঞ্জাম নিয়ে যে স্টেশনে প্রবেশ করবে তারও কোনো ব্যবস্থা নেই। আগে এবং রি-মডেলিং করার পরও স্টেশনগুলোতে অগ্নিনির্বাপণের ব্যবস্থা না রাখায় কাউকে চাপও প্রয়োগ করা যাচ্ছে না।

সম্প্রতি বিএনপির নেতৃত্বে বিরোধী ১৮ দলীয় জোটের টানা হরতালের দ্বিতীয় দিনে রাজধানী ঢাকা থেকে সিলেটগামী আন্তঃনগর উপবন রেলটি মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় লাইনচ্যুত হওয়ার ১১ ঘণ্টা পর রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হলেও এই ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন যাত্রীরা। রেলের কর্মকর্তারা বলছেন, ওই রেলে ১৬টি বগির প্রতিটিতে ৬০ থেকে ৭০ জনের মতো যাত্রী ছিল।

সে হিসেবে এক হাজারের বেশি যাত্রী বহনকারী ওই রেলটি যদি তার নিজস্ব গতিতে চলতো তাহলে বড় ধরনের প্রাণহানির আশঙ্কা ছিল। তবে হরতালের সময় রেল চালানোর ক্ষেত্রে গতি বেশ শিথিল রাখতে হয় বলে অনেকটাই রক্ষা পাওয়া গেছে। দুষ্কৃতিকারীরা রেললাইনের স্লিপার সরিয়ে পাথর দিয়ে ঢেকে রাখে যার কারণে আগে থেকে বোঝা যায় না।

প্রসঙ্গত, আমরা মনে করি হরতালের সময় রেল নাশকতা যাতে না হয় সেজন্য সরকারের সুস্পষ্ট তদারকি ও প্রস্তুতি থাকা দরকার। এখনই প্রতিটি রেলগেটম্যান ও রেলে অগ্নিনিরবাপক ব্যবস্থা করা দরকার। পাথর সরিয়ে নেয়া, রেল লাইন উপড়ে ফেলা ইত্যাদি নাশকতার তাৎক্ষণিক মনিটরিং ও চলন্ত রেলকে হেফাজতের ব্যবস্থাদি করা দরকার। মূলত বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি করার জন্য রেলই এখন হরতালকারীদের প্রধান ও বড় টার্গেট। সেজন্য হরতালে রেল ও রেল লাইনকে রক্ষা করার জন্য সরকারেরও সামগ্রিক এবং কার্যকর ব্যবস্থা প্রস্তুত রাখা দরকার।

মূলত সব সমস্যা সমাধানে চাই সদিচ্ছা ও সক্রিয়তা তথা সততা। কিন্তু এর জন্য প্রয়োজন নেক  ছোহবত মুবারক, নেক সংস্পর্শ মুবারক তথা রূহানী ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ মুবারক।

যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা পাওয়া সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। (আমীন)

-মুহম্মদ তা’রীফুর রহমান

যুগের আবূ জাহিল, মুনাফিক ও দাজ্জালে কায্যাবদের বিরোধিতাই প্রমাণ করে যে, রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি হক্ব। খারিজীপন্থী ওহাবীদের মিথ্যা অপপ্রচারের দাঁতভাঙ্গা জবাব-৮১

ভ্রান্ত ওহাবী মতবাদ প্রচারের নেপথ্যে-৩০

চাঁদ দেখা ও নতুন চন্দ্রতারিখ নিয়ে প্রাসঙ্গিক আলোচনা-৪৯

আমীরুল মু’মিনীন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী আলাইহিস সালাম তিনি নিঃসন্দেহে আল্লাহ পাক উনার খাছ ওলী উনার প্রতি অপবাদকারী জালিম গং নিঃসন্দেহে বাতিল, গুমরাহ, লানতপ্রাপ্ত, জাহান্নামী ও সুন্নী নামের কলঙ্ক  রেজাখানীরা আয়নায় নিজেদের কুৎসিত চেহারা দেখে নিক ॥ ইসলামী শরীয়ার আলোকে একটি দলীলভিত্তিক পর্যালোচনা-২

গোটা দেশবাসীকে সম্পূর্ণ অবহিত করে ট্রানজিট চুক্তি না করলে এবং দেশবাসীর সম্মতিতে না করলে কথিত ট্রানজিট চুক্তি হবে দেশবাসীর সাথে সম্পূর্ণ বিশ্বাসঘাতকতা করে দেশ বিক্রির শামিল যা সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক এবং অগ্রহণযোগ্য