জামাত-জোট শুধু খাম্বা দুর্নীতি করেই হাজার হাজার কোটি টাকা মারেনি এমনকি ধর্মীয় ফান্ড যাকাতের টাকাও তারা চুরি করতে দ্বিধা করেনি যাকাত চোরের তালিকায় নাম রয়েছে জামাতী মুখপত্র টিভি ভাষ্যকার তথা মালানা আবুল কালাম আযাদ মশহুর বাচ্চু রাজাকার থেকে জামাতী তাফসীরকারক কুখ্যাত রাজাকার দে.হো সাঈদী ওরফে বাংলার ইহুদী ছাড়াও রয়েছে আরো সব জামাতী। ‘কুরআন-সুন্নাহ বিরোধী কোন আইন পাস হবে না’- এ প্রতিশ্রুতির সরকারের উচিত ওইসব যাকাত চোরের তথাকথিত  ইসলামী প্রোগ্রাম ‘কুরআন-সুন্নাহর’ ফতওয়া অনুযায়ী বন্ধ করে দেয়া। এবং চোর ও মুনাফিক তথা যুদ্ধাপরাধী হয়েও ইসলামের লেবাছ ধারণ করার প্রেক্ষিতে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম অবমাননা করার দায়ে তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহী মামলা করা, তাদেরকে কুরআন-সুন্নাহর ফতওয়া অনুযায়ী ইসলামী প্রোগ্রাম করার তথা তাফসীর করার অযোগ্য ঘোষণা করা।

সংখ্যা: ১৯৬তম সংখ্যা | বিভাগ:

‘দৈনিক আল ইহসান’-এর প্রথম লীড নিউজ হেডিং হয়েছে, æঅবশেষে ‘মাসিক আল বাইয়্যিনাত’ ও ‘দৈনিক আল ইহসান’-এর প্রতিবেদনই সত্য প্রমাণিত হলো। যাকাতের টাকা চুরির দায়ে মামলা হলো- দেইল্যা রাজাকার ও বাচ্চু রাজাকারসহ সাবেক ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শাহজাহানের বিরুদ্ধে। যাকাতের টাকা চুরি অতঃপর সুদে খাটানো- এরকম ধর্মের লেবাসধারী যাকাত চোর, সুদখোরের উদাহরণ পৃথিবীতে দ্বিতীয়টি নেই।”

খবরে বলা হয়েছে, æঅবশেষে ‘মাসিক আল বাইয়্যিনাত’ ও ‘দৈনিক আল ইহসান’-এর প্রতিবেদনই সত্য প্রমাণিত হলো।

যাকাতের টাকা চুরির দায়ে মামলা হলো- কুখ্যাত জামাত নেতা মাও. দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ওরফে দেইল্যা রাজাকার, মাও. আবুল কালাম আযাদ ওরফে বাচ্চু রাজাকার ও বিগত জামাত-জোট সরকারের সাবেক ধর্মপ্রতিমন্ত্রী মোশারেফ হোসেন শাহজাহানসহ চারজনের বিরুদ্ধে যাকাত বোর্ডের ১ কোটি সাড়ে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাতের দায়ে দুর্নীতির মামলা করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

ফাউন্ডেশনের পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) আইয়ুব আলী চৌধুরী বাদি হয়ে গতকাল সোমবার সকালে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলাটি (নং-৩০) দায়ের করেন। এ উপলক্ষে গতকাল দুপুরে

ইসলামিক ফাউন্ডেশন আগারগাঁও কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক সামীম মোহাম্মদ আফজাল সাংবাদিকদের জানান, উল্লিখিত ব্যক্তিবর্গ ২০০৪-০৫ ও ২০০৫-০৬ অর্থবছরে যাকাত বোর্ডের টাকা দেশের ৬৪ জেলার গরিব-দুস্থদের না দিয়ে মাত্র ৪টি জেলায় দলীয় লোকদের বিতরণ এবং নিজেদের প্রতিষ্ঠানের নামে আত্মসাৎ করে। উপরন্তু, সংশ্লিষ্ট জেলা যাকাত কমিটিকে উপেক্ষা করে তারা এই টাকা বিতরণ করে। দীর্ঘ তদন্তের পর ইসলামিক ফাউন্ডেশন সোমবার মামলা দায়ের করে।

সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, সাবেক ধর্মপ্রতিমন্ত্রী মোশারেফ হোসেন শাহজাহান নদীভাঙন এলাকায় ১ হাজার গৃহহীনের ঘর তৈরির জন্য ৫০ লাখ টাকা, মসজিদ কাউন্সিল ফর কমিউনিটি এডভান্সমেন্টের চেয়ারম্যান মাও. আবুল কালাম আযাদ ওরফে বাচ্চু রাজাকার আর্সেনিক কবলিত এলাকায় নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্পের নামে ৪৫ লাখ টাকা, ফাউন্ডেশনের সাবেক পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) মুহাম্মদ লুৎফুল হক দারুল কারার সোসাইটির (শরীয়তপুর) নামে দরিদ্র জনগণের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে ৮ লাখ টাকা ও তৎকালীন ধর্ম বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি বাংলার ইহুদী খ্যাত মাও. দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ওরফে দেইল্যা রাজাকার ইসলামী সমাজকল্যাণ কেন্দ্রের নামে (পিরোজপুর) ক্ষুদ্র ব্যবসায় পুঁজি ও কর্মসংস্থানের জন্য উপকরণ বিতরণের নামে ৫ লাখ টাকা দলীয় সদস্য ও যাকাত পাওয়ার অনুপযুক্ত ব্যক্তির মধ্যে বিতরণ করে।

মোশারেফ হোসেন শাহজাহান ‘জাতীয় বন্ধুজন পরিষদ’ নামে একটি এনজিওর ব্যবস্থাপনায় কুঁড়েঘর উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় যাকাতের টাকায় ১ হাজার গৃহ নির্মাণ করেন। তদন্তে এ সংক্রান্ত কাগজপত্রে ঘাপলা ও ঘর নির্মাণের পর কিস্তিতে টাকা ফেরত নেওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

মাও. আবুল কালাম আযাদ ওরফে বাচ্চু রাজাকার যাকাতের টাকা তার মসজিদ কাউন্সিল ফর কমিউনিটি এডভান্সমেন্টের নামে ঋণ হিসেবে বিতরণ করে মুনাফাসহ আদায় করে। অন্যদিকে ফাউন্ডেশনের সাবেক পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) মুহাম্মদ লুৎফুল হক ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও যাকাত বোর্ডের অনুমোদন ছাড়াই ১ কোটি ৪৬ লাখ ৭৫ হাজার টাকা ছাড় করার জন্য নথিতে প্রতিমন্ত্রীর অনুমোদন গ্রহণ করে। নিজে দারুল কারার সোসাইটির (শরীয়তপুর) নামে একটি প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে দরিদ্র জনগণের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে ৮ লাখ টাকা যাকাত নেয়।

জানা যায়, দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ওরফে দেইল্যা রাজাকার চিঠি লিখে দোষ খ-নের চেষ্টা করেছে। কিন্তু তা সন্তোষজনকভাবে প্রমাণ করতে পারেনি।

এক প্রশ্নের জবাবে আজিজুর রহমান বলেন, যাকাত আহরণের নিয়ম মানা হয়েছে, কিন্তু বিতরণে এর ব্যত্যয় ঘটেছে। আলেম হয়েও যাকাতের টাকা বিতরণে শরীয়তের বিধান লঙ্ঘন করেছে তারা।

মাও. আবুল কালাম আযাদ ওরফে বাচ্চু রাজাকারের নাম উল্লেখ করে ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক সামীম মোহাম্মদ আফজাল বলেন, আর্সেনিক প্রকল্পের নামে এক ঢিলে দুই পাখি মেরেছে।

মামলার বাদি আইয়ুব আলী চৌধুরী বলেন, মওলানা আযাদ মানিকগঞ্জে এক মহিলাকে যাকাতের ১২ হাজার টাকায় একটি গাভি কিনে  দেয়। তবে পরদিনই সেই গাভীটি চুরি হয়ে যায়। কিন্তু সুদসহ সাড়ে ১৪ হাজার টাকা আদায় করা হয়েছে ওই মহিলার কাছ থেকে।”

উল্লেখ্য, যাকাত চুরির এ বিষয়টি ২০০৪ সালে ‘মাসিক আল বাইয়্যিনাত’-এ অতঃপর ‘দৈনিক আল ইহসান’-এ প্রকাশ করা হয়েছিলো। কিন্তু অপরাপর মিডিয়া তা আদৌ প্রচার করেনি।

**********

সরকারের এক প্রভাবশালী মন্ত্রী সম্প্রতি দুঃখ করে বলেছেন, বর্তমান মিডিয়া বিশেষত ইলেকট্রনিক মিডিয়া প্রায় পুরোটাই জামাত-জোটের হাতে। আর এ কারণে ওইসব টিভি চ্যানেলে অবাধে ইসলামের অপব্যাখ্যা, কু-ব্যাখ্যা তথা মওদুদী ব্যাখ্যার ঢেড়া পেটানোর সুযোগ পায় কুখ্যাত রাজাকার মালানা আবুল কালাম আযাদ মশহুর বাচ্চু রাজাকার থেকে আরো সব কুখ্যাত জামাতী-খারিজী-দেওবন্দীরাও।

এতে ত্যক্ত-বিরক্ত, ক্ষুব্ধ, মহাক্ষুব্ধ ছিলো সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ।

কিন্তু সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষের প্রতি রয়েছে মহান আল্লাহ পাক-উনার অশেষ রহমত। কারণ, মহান আল্লাহ পাক কুরআন শরীফ-এ ইরশাদ করেন, æআমি হক্ব এবং নাহক্ব পার্থক্য করা ব্যতীত ছাড়বো না।”

এ আয়াত শরীফ-এর সত্যতা জাহির হয়েছে।

রাজাকার ও জামাতী টিভি ভাষ্যকার মালানা আবুল কালাম আযাদ ওরফে বাচ্চু রাজাকার থেকে আরেক রাজাকার ও মওদুদী তাফসীরকারক দেইল্যা রাজাকার মাও. দে.হো. সাঈদী ওরফে বাংলার ইহুদী যে-

চোর

মহাচোর

ধর্মচোর

দ্বীনের চোর

ইসলামের তৃতীয় স্তম্ভ যাকাত চোর

তা পত্র-পত্রিকায় প্রকাশ পেয়েছে।

‘দৈনিক ইনকিলাব’ পত্রিকায় হেডিং হয়েছিলো: æজামাত ও

বিএনপি নেতারা যাকাত বোর্ডের পৌনে দুই কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।”

খবরে বলা হয়: æজামাত-বিএনপি’র নেতারা যাকাত বোর্ডের পৌনে দুই কোটি টাকা লুটপাট করে নিয়ে গেছে। তবে জামাতের তিন নেতা সবচেয়ে বেশি টাকা লুটপাট করেছে। এদের মধ্যে দু’জন সাবেক সংসদ সদস্য। সংসদের প্যাডে চিঠি (ডিও) দিয়ে তারা এ টাকা লুটপাট করে। দুস্থ, অসহায় ও নিঃস্ব মানুষের জন্য রাখা টাকা বিএনপি-জামাত নেতারা আর্সেনিক দূরীকরণ, প্রশিক্ষণ, গৃহনির্মাণসহ বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে লুটপাট করে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্টে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। লুটপাটকারীদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি।

জানা যায়, ২০০৪ ও ২০০৫ সালের যাকাত বোর্ডের প্রায় এক কোটি ৬৯ লাখ টাকা এক সাথে বরাদ্দ দেয়া হয়। ওই সময় যাকাত বোর্ড বিএনপি ও জামাতপন্থী নেতাদের নিয়ে গঠিত হয়। ওই বোর্ডের সদস্যরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে এক কোটি ৪০ লাখ টাকা নিজেরাই ভাগ বাটোয়ারা করে নেয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি টাকা নিয়েছে সাবেক ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মোশারেফ হোসেন শাহজাহান, জামাতপন্থী টিভি ভাষ্যকার বাচ্চু রাজাকার মালানা আবুল কালাম আযাদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সাবেক পরিচালক (অর্থ) লুৎফুল হক। এছাড়া জামাত নেতা দেইল্যা রাজাকার মালানা দে.হো সাঈদীও এ টাকা নিয়েছে। সে জাতীয় সংসদের প্যাডে চিঠি দিয়ে এ দান নেয়। সাবেক ধর্মমন্ত্রী ৫৬ লাখ ৫০ হাজার এবং আবুল কালাম আজাদ বাচ্চু রাজাকার ৪৫ লাখ টাকা এ বোর্ড থেকে নিয়েছে। দে.হো. সাঈদীসহ দুই জামাত নেতা ৫ লাখ করে টাকা নিয়েছে বলে তদন্ত কমিটির প্রাথমিক রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

যাকাত বোর্ডের টাকা বিএনপি-জামাত নেতারা লুটপাট করে নিয়ে গেছে বলে সম্প্রতি সংবাদপত্রে বিভিন্ন আলিম বিবৃতি দিলে বিষয়টি ইসলামিক ফাউন্ডেশন (ইফা) পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) আইয়ুব আলী চৌধুরীকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। এ কমিটি তদন্ত করে যাকাত বোর্ডের টাকা লুটপাটের প্রাথমিক সত্যতা পায়। তদন্ত কমিটির সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে তারা প্রাথমিকভাবে তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পেয়েছেন। এখন যেসব এলাকার নামে যাকাত বোর্ডের টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছিলো সেখানে সরেজমিন তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষ হলে লুটপাটকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ইফা’র তদন্ত কমিটির প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পবিত্র কুরআন শরীফ-এ নির্ধারিত আটটি খাতের বাইরে কোন ব্যক্তি বা এনজিওকে যাকাত দেয়া যায় না। অথচ বিগত যাকাত বোর্ডের টাকা এমনভাবে বণ্টন করা হয়েছে সেখানে পবিত্র কুরআন শরীফ-এর বিধান সুস্পষ্টভাবে লঙ্ঘন করা হয়েছে। জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য মুজিবুর রহমান যুক্তিবাদী বলেছেন, বিএনপি-জামাত সরকারের আমলে যাকাত বোর্ডের টাকা কুরআন-সুন্নাহর বিধানের বাইরে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। আমরা এ লুটপাটের বিচার চাই।” (দৈনিক ইনকিলাব-১১-০৪-০৯)

উল্লেখ্য একই রিপোর্ট ১৮-১০-০৬ তারিখে ‘দৈনিক যায়যায়দিন’ পত্রিকাও প্রকাশিত হয়েছিল।

হেডিং হয়েছিল, æযাকাত বোর্ডের ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা ভাগ বাটোয়ারা।”

খবরে বলা হয়েছে, æসরকারি যাকাত বোর্ডের টাকাও এখন আর

সঠিক জায়গায় যাচ্ছে না। দুস্থদের টাকা খরচ হচ্ছে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে। ধর্ম প্রতিমন্ত্রী নিজে এবং যাকাত বোর্ড কমিটির লোকজন নিজেদের হাতে গড়া বিভিন্ন সংগঠনের মধ্যে দুস্থদের জন্য আসা এ টাকা ভাগ বাটোয়ারা করে নিচ্ছেন। রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে কমিটির বাইরেরও অনেকে এ টাকায় ভাগ বসাচ্ছেন। গত অর্থবছরে যাকাত ফান্ডের প্রায় এক কোটি সত্তর লাখ টাকা এভাবেই ভাগ বাটোয়ারা হয়ে গেছে।

জানা গেছে, গত ২০০৪-০৫ অর্থবছরে এক কোটি ৬৯ লাখ ৩২ হাজার ৮২ টাকা ধর্ম প্রতিমন্ত্রী নিজের খুশিমতো বরাদ্দ দিয়েছে। এর মধ্যে নিজের গড়া সংগঠন বন্ধুজন পরিষদের নামে বরাদ্দ নিয়েছে সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা। কমিটির সাবেক সদস্য মাওলানা আবুল কালাম আযাদ ওরফে বাচ্চু রাজাকারের সংগঠন মসজিদ কাউন্সিল ফর কমিউনিটি অ্যাডভান্সমেন্টকে দিয়েছে ৪৫ লাখ। ইসলামী ঐক্যজোটের (আমিনী) সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা মুহিউদ্দীন খানের সংগঠন তওহিদ মিশনকে দিয়েছে ৮ লাখ ৬৫ হাজার টাকা। বাকি টাকা সে কমিটির সদস্যদের সুপারিশে যাকাত বোর্ডের বিভিন্ন প্রকল্পে বরাদ্দ দিয়েছে।”

বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, কুরআন-সুন্নাহয় উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানে দেয়ার কোন বিধান নেই। আর ওইসব প্রতিষ্ঠানের নামে সংশ্লিষ্টরা যে পুরো টাকাই পেটে পুরে দেন সে সত্যই এখন বেরিয়ে এসেছে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, কুরআন শরীফ-এ মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, æতোমরা ওই কথা বল কেন, যা তোমরা নিজেরা করো না?”

জামাতী মালানা আবুল কালাম আযাদ ওরফে বাচ্চু রাজাকার এবং দেইল্যা রাজাকার দে.হো. সাঈদী ওরফে বাংলার ইহুদী-

রাজাকারগিরি,

মিথ্যা, দুর্নীতি, ইসলামের অবমাননা,

ইসলামের অপব্যাখ্যা থেকে

অবশেষে যাকাত ফান্ডের টাকা পর্যন্ত চুরি করেছে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এরাই দেশে ইসলামী আইন চায়। আর সে ইসলামী আইন অনুযায়ী এদেরই এখন হাত কাটতে হয়।

অপরদিকে কুরআন শরীফ-এ আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন, æতোমরা ওই কথা বল কেন, যা তোমরা নিজেরা কর না?”

সুতরাং যারা নিজেরাই রাজাকার, চোর, চরিত্রহীন তারা আবার কী করে সাধারণ মানুষকে আমলের কথা,

ইসলামের কথা শোনাতে পারে?

প্রবাদ রয়েছে, ‘চোরে না শোনে ধর্মের কাহিনী।’

তাই দেখা যাচ্ছে, ’৭১-এর রাজাকার, খুনি, ধর্ষক, লুটেরা, যুদ্ধাপরাধী জামাতীরা স্বাধীনতার ৩৫ বছর পরও ধর্মের কথা শোনেনি।

বরং ধর্মের নামে তারা ’৭১-এ যেমন রাজাকারগিরি করেছিলো তেমনি স্বাধীনতার ৩৫ বছর পর ক্ষমতায় সমাসীন হয়ে তারা ধর্মের স্তম্ভেই তথা যাকাত ফান্ডের টাকাই আত্মসাৎ করলো।

অথচ তারা-

* ভেক ধরেছে ধার্মিকের।

* পরিধান করে আছে ইসলামের লেবাছ।

* ইসলামী প্রোগ্রামের নামে তারা টিভি চ্যানেলে মওদুদীবাদী শিক্ষা দিচ্ছে।

* আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত বিরোধী হাজারো কুফরী আক্বীদা শিক্ষা দিচ্ছে।

* শবে বরাতের বিরুদ্ধে বলছে।

* পবিত্র ঈদে মিলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর বিরুদ্ধে বলছে।

* মীলাদ শরীফ ও মীলাদ শরীফ-এ ক্বিয়াম শরীফ-এর বিরুদ্ধে বলছে।

* আউলিয়ায়ে কিরামগণ, উনাদের বিরুদ্ধে বলছে। (নাঊযুবিল্লাহ)

মূলত তথাকথিত মালানা আবুল কালাম আযাদ ওরফে বাচ্চু রাজাকার ও দেইল্যা রাজাকার মালানা দে.হো. সাঈদী ওরফে বাংলার ইহুদী তথা এসব চোর-বাটপার লুটেরা, ধর্ষক, যুদ্ধাপরাধী, রাজাকাররা যে- আউলিয়ায়ে কিরাম উনাদের বিরুদ্ধে বলবে এটাই সত্য।

কারণ, কুরআন শরীফ-এ আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন, æনিশ্চয়ই জ্বিন ও ইনছানের মধ্যে যারা বদ ও দুষ্ট প্রকৃতির তারাই নবী-রসূল তথা আউলিয়ায়ে কিরামগণের বিরোধিতা করে।”

যাকাত চোর মালানা আবুল কালাম আযাদ ওরফে বাচ্চু রাজাকার ও যাকাত চোর দেইল্যা রাজাকার সাঈদী তাদের ওয়াজে আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের বিরোধিতা করে যথার্থই প্রমাণ করেছে যে, তারা সত্যিই কুরআন শরীফ-এ উল্লিখিত বদ ও দুষ্ট লোক।

কিন্তু কথা হলো এসব মুনাফিকরা রয়েছে-

ইসলামের লেবাছে

ইসলামের পোশাকে

ইসলামের ছূরতে।

অপরদিকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম। এসব রাজাকার, জামাতী মুনাফিকরা ইসলামের অবমাননা করছে।

রাষ্ট্রদ্রোহী কাজ করছে।

কাজেই তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহী মামলাসহ কুরআন-সুন্নাহ-এর ফতওয়া মুতাবেক ইসলামের নামে তাদের সব প্রোগ্রাম বন্ধ করে দেয়ার আইন প্রণয়ন করা দরকার।

æকুরআন-সুন্নাহ বিরোধী কোনো আইন পাস হবে না”- এ প্রতিশ্রুতির সরকারের কাছে দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষ তাই আশা করে।

মহান আল্লাহ পাক রহমত করুন কবুল করুন ও কামিয়াব করুন। (আমীন)

– মুহম্মদ তা’রীফুর রহমান

যুগের আবূ জাহিল, মুনাফিক ও দাজ্জালে কায্যাবদের বিরোধিতাই প্রমাণ করে যে, রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী হক্ব। খারিজীপন্থী ওহাবীদের মিথ্যা অপপ্রচারের দাঁতভাঙ্গা জবাব-৬৭

ভ্রান্ত ওহাবী মতবাদ প্রচারের নেপথ্যে-১৬

চাঁদ দেখা ও নতুন চন্দ্রতারিখ নিয়ে প্রাসঙ্গিক আলোচনা-৩৫

বাতিল ফিরক্বা ওহাবীদের অখ্যাত মুখপত্র আল কাওসারের মিথ্যাচারিতার জবাব-২৫ হাদীছ জালিয়াতী, ইবারত কারচুপি ও কিতাব নকল করা ওহাবীদেরই জন্মগত বদ অভ্যাস ওহাবী ফিরক্বাসহ সবগুলো বাতিল ফিরক্বা ইহুদী-নাছারাদের আবিষ্কার! তাদের এক নম্বর দালাল

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ‘সংবিধানের প্রস্তাবনা’, ‘মৌলিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা’ ‘জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা’ এবং ‘জাতীয় সংস্কৃতি’ শীর্ষক অনুচ্ছেদের সাথে- থার্টি ফার্স্ট নাইট তথা ভ্যালেন্টাইন ডে পালন সরাসরি সাংঘর্ষিক ও সংঘাতপূর্ণ’। পাশাপাশি মোঘল সংস্কৃতির দান পহেলা বৈশাখ পালনও প্রশ্নবিদ্ধ।সংবিধানের বহু গুরুত্বপূর্ণ ও বিশেষ স্পর্শকাতর অনুচ্ছেদের প্রেক্ষিতে ৯৫ ভাগ মুসলমানের এদেশে কোনভাবেই থার্টি ফার্স্ট নাইট ও ভ্যালেন্টাইন ডে পালিত হতে পারে না।পারেনা গরিবের রক্ত চোষক ব্র্যাকের ফজলে আবেদও ‘নাইট’ খেতাব গ্রহণ করতে। পারেনা তার  নামের সাথে ‘স্যার’ যুক্ত হতে। পাশাপাশি মোঘল সংস্কৃতির দান পহেলা বৈশাখ পালনও প্রশ্নবিদ্ধ।