দরিদ্রদের জন্য প্রতি বছর প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা বাজেটে বরাদ্দ থাকলেও মন্ত্রী এমপিসহ সংশ্লিষ্ট সবাই করছে দূর্নীতি। দরিদ্র দূর হচ্ছেনা আদৌ। এর অবসান হবে কবে?

সংখ্যা: ২২৫তম সংখ্যা | বিভাগ:

সব প্রশ প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ ও সালাম মুবারক।
সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনীর আওতায় অতিদরিদ্রদের জন্য ভিজিএফ, টিআর, কাবিখা ও বয়স্ক ভাতাসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে সরকার প্রতিবছর বাজেটে যে টাকা বরাদ্দ দেয়, তা সঠিকভাবে দরিদ্রদের হাতে পৌঁছায় না- এ অভিযোগ দীর্ঘদিনের। অনেক ক্ষেত্রেই ধনী, অপেক্ষাকৃত সচ্ছল ও রাজনীতির সঙ্গে সম্পর্কিতরাই এসব সুবিধা নিয়ে নেয়। প্রশ্নের মুখে পড়ে বিভিন্ন মন্ত্রী প্রায়ই অকপটে এসব অনিয়মের কথা স্বীকার করে।
বাংলাদেশের ২ কোটি ৮০ লাখ মানুষ অতি দরিদ্র হিসেবে চিহ্নিত। এরমধ্যে ১৭ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষ তাদের দৈনন্দিন জীবনের ন্যূনতম চাহিদাটুকুও পূরণ করতে পারেন না।
দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী জনগণকে চিহ্নিত করা হয়েছে, যাদের আয় দৈনিক ১০০ টাকার নিচে। মূল্যস্তর, পুষ্টি, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য প্রভৃতি বিবেচনা করলে এ আয় গ্রহণযোগ্য নয়। তাই প্রকৃত বিবেচনায় দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী জনগণের সংখ্যা সরকারি হিসাবের তুলনায় অনেক বেশি। তেলের মাথায় তেল না দিয়ে সরকারকে দরিদ্রদের জন্য সঠিক নীতি গ্রহণ করতে হবে।
প্রসঙ্গত: উল্লেখ্য, খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক বলেছিলো, ঢাকা শহরের ৫০ হাজার অতিদরিদ্র পরিবারের তালিকা তৈরি হচ্ছে। এসব পরিবার প্রতিমাসে বিশেষ হ্রাসকৃত মূল্যে ২০ কেজি চাল পাবে।
বলা হয়েছিলো ঢাকা মহানগরীর প্রতিটি নির্বাচনী এলাকার সংসদ সদস্য এবং ৯০টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলরদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে হতদরিদ্রদের এই তালিকা প্রণয়ন করা হবে। খাদ্যমন্ত্রী বলেছে, শুধু রাজধানী ঢাকাই নয়, সারাদেশে অতিদরিদ্র ও সুস্থ অসহায়দের তালিকা তৈরির পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। এই লক্ষ্যে ইতোমধ্যে তালিকা তৈরির ছক মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। প্রতিটি বিভাগীয় শহরে ২৫ ডিলারের মাধ্যমে প্রতিদিন ২৫ টন করে চাল বিক্রি করা হবে। প্রয়োজনে এ সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে।
বাস্তবতা হলো অতিদরিদ্রদের কষ্ট লাঘবে সরকারের এ সদিচ্ছার বাস্তবায়ন আদৌ সফল হয়নি। নতুন করে যে তালিকা প্রণয়নের কাজ চলছে তাতেও সরকারের সাফল্য কতটুকু অর্জিত হবে তা এখনও অনিশ্চিত। বিএনপি-জামাত জোট সরকারের আমলে খাদ্য ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট গঠনের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা আয় করেছে। সে দুর্নীতি এখনও বিদ্যমান।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্ত নারীর দুস্থ ভাতা, এসিডদগ্ধ মহিলা ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের পুনর্বাসন এবং মহিলাদের আত্মকর্মসংস্থান, অসচ্ছল প্রতিবন্ধীদের ভাতা, দরিদ্র মায়ের মাতৃত্বকালীন ভাতাসহ বর্তমানে প্রায় ৯৯টি কর্মসূচি চলমান রয়েছে। কিন্তু এসব কর্মসূচিতে বরাদ্দকৃত অর্থ সঠিক জায়গায় না পৌঁছার অভিযোগ দীর্ঘদিনের।
২৫টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনীর আওতায় প্রায় ৯৯টি কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এরা যে শুধু মহা দুর্নীতিবাজ তাই নয় এদের মধ্যে কোনো সমন্বয়ও নেই। এছাড়া অনেক কম গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিও চলমান রয়েছে।
সূত্র জানায়, প্রতি বছর বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনীতে বরাদ্দ বাড়ছে। একই সঙ্গে কর্মসূচিও বাড়ানো হচ্ছে। চলতি বছরের বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা ও ক্ষমতায়ন খাতে মোট ২২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর আগের বছর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল ২১ হাজার কোটি টাকা। আর ২০১০-১১ অর্থবছরের বাজেটে দেওয়া হয়েছিল ১৯ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকা। আগামী বছরের বাজেটেও এ খাতে বরাদ্দ বাড়বে বলে জানা গেছে।
কিন্তু আল ইহসান বার্তা সংস্থা মতে মাত্র দশ হাজার কোটি টাকা প্রদান করলেই দেশ থেকে দারিদ্র্য দূরীকরণ সম্ভব। কিন্তু তার দ্বিগুণ, বহুগুণ অর্থ বরাদ্দ থাকলেও বাস্তবে গরীবরা কোনই ভাগ পাচ্ছেনা। সবাই করছে দুর্নীতি। মূলত দুর্নীতি আর গণতন্ত্র একসূত্রে গাঁথা। দুর্নীতি থেকে রেহাই পেতে হলে দরিদ্রদের জন্য প্রকৃত অর্থে কিছু করতে হলে গণতন্ত্রের ধোঁকা থেকে মুক্তি লাভ করে প্রকৃত পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার ছায়াতলে আশ্রয় নিতে হবে।
মূলত এসব অনুভূতি ও দায়িত্ববোধ আসে পবিত্র ঈমান ও পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাদের অনুভূতি ও প্রজ্ঞা থেকে। আর তার জন্য চাই নেক ছোহবত তথা মুবারক ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ। যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, যামানার মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবতেই সে মহান ও অমূল্য নিয়ামত হাছিল সম্ভব। মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের তা নছীব করুন। (আমীন)
-মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান

মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার নিকট খোলা চিঠি দেশটা কী মুসলমানের, না ঐ নিকৃষ্ট সংস্কৃতিবাদীদের? দেশে কী ১৫ কোটি মুসলমান প্রাধান্য পাবে, না মাত্র লাখেরও কম সংস্কৃতিকর্মী প্রতিষ্ঠা পাবে? সংস্কৃতিকর্মীর প্রচারণা দ্বারা কি রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের এদেশে ‘ইসলাম’ ও ‘মুসলমান’ তুলে দেয়া হবে?  মিটিয়ে ফেলা হবে? মুছে ফেলা হবে? বিধর্মীদের সাথে একাকার করে দেয়া হবে? তাহলে ‘মরলে শহীদ বাঁচলে গাজী’ চিরন্তন সে ঐতিহ্য কোথায় যাবে?

যুগের আবূ জাহিল, মুনাফিক ও দাজ্জালে কায্যাবদের বিরোধিতাই প্রমাণ করে যে, রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী হক্ব। খারিজীপন্থী ওহাবীদের মিথ্যা অপপ্রচারের দাঁতভাঙ্গা জবাব-৫৭

চাঁদ দেখা ও নতুন চন্দ্রতারিখ নিয়ে প্রাসঙ্গিক আলোচনা-২৫

ভ্রান্ত ওহাবী মতবাদ প্রচারের নেপথ্যে-৭

বাতিল ফিরক্বা ওহাবীদের অখ্যাত মুখপত্র আল কাওসারের মিথ্যাচারিতার জবাব-১৮ হাদীছ জালিয়াতী, ইবারত কারচুপি ও কিতাব নকল করা ওহাবীদেরই জন্মগত বদ অভ্যাস ওহাবী ফিরক্বাসহ সবগুলো বাতিল ফিরক্বাহ ইহুদী-নাছারাদের আবিষ্কার! তাদের এক নম্বর দালাল