নারী অধিকার প্রসঙ্গে

সংখ্যা: ২১৭তম সংখ্যা | বিভাগ:

সমস্ত প্রশংসা মহান রব্বুল আলামীন আল্লাহ পাক উনার প্রতি। আরো দুরূদ শরীফ ও সালাম পেশ করছি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি এবং আরো ছলাত ও সালাম পেশ করছি সাইয়্যিদুনা মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম এবং হযরত আম্মা হুযূর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম উনার প্রতি।

প্রবাদ রয়েছে, `Time and tide wait for none’ অর্থ: “সময় এবং  স্রোত কারো জন্য অপেক্ষা করে না।” সে চলে তার নিজ গতিতে। সে চলবেই এটাই তার স্বাভাবিকতা। ঠিক  তেমনি মানুষের জীবন অতিবাহিত হয়। তবে সময় ও স্রোতের চলার গতির সঙ্গে মানুষের চলার গতি অনেক পার্থক্য রয়ে গেছে। মানুষের চলার গতি, জীবনের গতি এক আশ্চর্য মহিমান্বিত ধারায় প্রবাহিত হতে থাকে। এ জীবনের সাথে মিলে মিশে একাকার হয় অনেক জন। অর্থাৎ একজন মিলে জীবন নয় বা জীবন গড়ে উঠা নয়। সঙ্গে রয়েছে সাথী বিভিন্ন রকমের। পুরুষ, নারী, শিশু, কিশোর-কিশোরী, যুবক-যুবতী, বৃদ্ধ-বৃদ্ধা প্রভৃতি। সবাইকে নিয়ে আনন্দময় জীবন গড়ে তোলা। এক পরিবারে একেক সমাজে একেক দেশে বিভিন্ন বৈচিত্র্য, বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করা যায়। এখানেই জীবনের প্রবাহমান বড়ই স্পর্শকাতর, বড়ই চমৎকার। এর নিদারুণ রহস্যের একটাই কারণ সেটা হচ্ছে আল্লাহ পাক উনার কুদরত আর সমস্ত কিছুই আল্লাহ পাক উনার কুদরতের মধ্যে অবস্থিত। আর এরই মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে মানুষের জীবন চলাচল; রয়েছে শরীয়তের বিধান, রয়েছে আদেশ-নিষেধ, মানুষ একে অপরকে নিয়ে বেঁচে থাকে। তাই সে ঘর বেঁধেছে, স্বামী-স্ত্রী খেতাব হয়েছে, সন্তান-সন্ততি রয়েছে- এভাবেই চলতে থাকবে ক্বিয়ামত পর্যন্ত। সুতরাং মহান আল্লাহ পাক উনার সৃষ্টির মধ্যে মুখ্য ভূমিকাই পালন করেছে নর-নারী।

অতএব, একজন নর এবং একজন নারীর ভূমিকা একটা পরিবারে, একটা দেশে, একটা সমাজে অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। একজন পুরুষের যেমন বিভিন্ন দিক থেকে অগ্রগামিতার ভূমিকা অনেক, ঠিক তেমনি একজন নারী বা মহিলারাও বিভিন্ন দিক থেকে অগ্রগামী ভূমিকাও রয়েছে। ইতিহাসের পাতা সেদিক থেকে সু-উজ্জ্বলভাবে জ্বল জ্বল করছে। আমরা মুসলমান দ্বীন ইসলামে ‘নারী জাতির’ মূল্যায়ন করা হয়েছে অতি মর্যাদায়। মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সে মর্যাদা ভূলন্ঠিত হতে দেননি। উনারা রহমত করেছেন ইহসান করেছেন নারী জাতিদের উপর। আর এই রহমত ও ইহসানের কারণেই কোন নারীকেই ভুলে যাওয়া উচিত নয়, শরীয়তের বিধি-বিধান। সংসার দেখা, ছেলে-মেয়ে লালন-পালন, পিতা-মাতা, শ্বশুর-শাশুড়ী, হজ্জ আদায় করাসহ যাবতীয় শরীয়তের বিধান পালন করা অবশ্যই একজন নারীর কর্তব্য। দ্বীনী তা’লীম-তালকীন তাকে নিতে হবে এবং অন্যকেও শিখাতে হবে। নিজের জীবনে শরীয়তের বিধি-বিধান বাস্তব প্রতিফলন ঘটাতে হবে এবং অন্যদেরকেও দ্বীন ইসলামের প্রতি প্রভাবিত করতে হবে। মহান আল্লাহ পাক তিনি কালামুল্লাহ শরীফ-এ ইরশাদ করেন, “আর ঈমানদার পুরুষ ও ঈমানদার নারী একে অপরের সহায়ক। তারা ভাল কথার শিক্ষা দিবে এবং মন্দ কাজ হতে বিরত রাখবে। নামায প্রতিষ্ঠা করবে।” (সূরা তওবা : আয়াত শরীফ ৭১)

সুতরাং নেককার পরহেযগার ঈমানদার মহিলা হতে হলে তাকে অবশ্যই সৎ কাজের আদেশ দান করতে হবে এবং বদ কাজের নিষেধ করতে হবে। নিজেকেই সংশোধন হতে হবে অন্যকেও সংশোধনের পথ বাতলে দিতে হবে। একটা পরিবারের স্বামী, সন্তান, পিতা-মাতা, শ্বশুর-শাশুড়ী ইত্যাদি আত্মীয়-স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশী যদি শরীয়তের খিলাফ কাজ করে তবে অবশ্যই সে পরিবারের মহিলার দায়িত্ব কর্তব্য হবে তাদের নাহক্ব, খারাপটা বুঝানো যাতে শরীয়তের বিধি-বিধানের বাইরে তারা যেন কোন কাজ না করে। তাদেরকে বুঝিয়ে শরীয়ত মোতাবেক চালানো অবশ্যই একজন মহিলার গৃহিণী হিসেবে, মা হিসেবে, স্ত্রী হিসেবে, বোন হিসেবে দায়িত্ব-কর্তব্য রয়ে গেছে।

অতএব, আমরা প্রত্যেক মুসলমান বোনেরা যেন “সৎকাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ’ করতে পারি সাইয়্যিদুনা মামদূ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম এবং সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত আম্মা হুযূর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম উনাদের কাছে সেই নেক দোয়া এবং আরযি পেশ করছি। আমীন।

-আহমদ আজিমা ফারহা

যুগের আবূ জাহিল, মুনাফিক ও দাজ্জালে কায্যাবদের বিরোধিতাই প্রমাণ করে যে, রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি হক্ব। খারিজীপন্থী ওহাবীদের মিথ্যা অপপ্রচারের দাঁতভাঙ্গা জবাব-৮১

ভ্রান্ত ওহাবী মতবাদ প্রচারের নেপথ্যে-৩০

চাঁদ দেখা ও নতুন চন্দ্রতারিখ নিয়ে প্রাসঙ্গিক আলোচনা-৪৯

আমীরুল মু’মিনীন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী আলাইহিস সালাম তিনি নিঃসন্দেহে আল্লাহ পাক উনার খাছ ওলী উনার প্রতি অপবাদকারী জালিম গং নিঃসন্দেহে বাতিল, গুমরাহ, লানতপ্রাপ্ত, জাহান্নামী ও সুন্নী নামের কলঙ্ক  রেজাখানীরা আয়নায় নিজেদের কুৎসিত চেহারা দেখে নিক ॥ ইসলামী শরীয়ার আলোকে একটি দলীলভিত্তিক পর্যালোচনা-২

গোটা দেশবাসীকে সম্পূর্ণ অবহিত করে ট্রানজিট চুক্তি না করলে এবং দেশবাসীর সম্মতিতে না করলে কথিত ট্রানজিট চুক্তি হবে দেশবাসীর সাথে সম্পূর্ণ বিশ্বাসঘাতকতা করে দেশ বিক্রির শামিল যা সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক এবং অগ্রহণযোগ্য