নারী অধিকার প্রসঙ্গে

সংখ্যা: ১৯৮তম সংখ্যা | বিভাগ:

প্রগতিশীল নারীবাদীরা এবং নারীবাদীদের পক্ষের অনেকেই বলে থাকে- æবিগত শতকের গোড়ার দিকে নারী শিক্ষা জাগরণের আলো জ্বেলেছিলো; উল্লেখযোগ্য কোন কোন প্রগতিশীল নারী। সেই থেকে নারী সমাজ ক্রমাগত শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশ, জাতি ও জাগরণের জন্য রাখছে ভূমিকা!”

এখন আমাদের কথা হচ্ছে- তথাকথিত নারী সমাজ যদি তথাকথিত উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে থাকে তবে তাদের বর্তমান অবস্থা এমন কেন? তারা স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে এমনকি বাইরের থেকে ডিগ্রি নিয়ে পাশ্চাত্যের শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে এসে ঘরে, বাইরে, কর্মক্ষেত্রে, রাস্তা-ঘাটে, দেশে বিদেশে সর্বত্র লাঞ্ছিত হচ্ছে, অপমানিত হচ্ছে, মান সম্ভ্রম হারাচ্ছে।

তবে কি আমরা এটাই বুঝতে পারছি যে, পাশ্চাত্যের ইহুদী-নাছারা, বেদ্বীন-বদদ্বীনদের শিক্ষা নারীদেরকে অবমাননা করার শিক্ষাটাই দেয়? আল্লাহ পাক উনার ফরয বিধান ‘পর্দা করা’ নারীদের মূল দায়িত্ব-কর্তব্য। তবে কি এই খবিস, বর্বর, যবন, মেøচ্ছ, অস্পৃশ্যরা তাদের কাজ কি? একটাই মুসলমান সমাজের নারীদেরকে পর্দা থেকে বের করে আনা? আর পর্দায় থাকার মধ্য রয়েছে শালীনতা, নিরাপত্তা এবং আল্লাহ পাক উনার খাছ রহমত ও আল্লাহ পাক উনার হাবীব উনার খাছ ইহসান। ওই বেদ্বীন-বদদ্বীনগুলো যেহেতু খাছ ইবলিসের চেলা- তাই ওরা চেয়েছে মুসলিম নারীরা যেন এই রহমত, শান্তি থেকেই যেন দূরে সরে যায়। তবেই ওদের পূর্ণ সুবিধা ইবলিসের ষড়যন্ত্রগুলো বাস্তবায়িত করা। অর্থাৎ যমীনের বুকে বেপর্দা নারী-পুরুষদের একবার মিশামিশিতে ফিতনা-ফ্যাসাদ সৃষ্টি করে পরিবারে, সংসার, সমাজে এক বিশৃঙ্খলা সংঘটিত হয়। কিন্তু আমরা বলতে চাই- আর কোনো শরীয়ত বিরোধী কাজ নয়। ফিতনা-ফাসাদ নয়, বেপর্দা হয়ে বের হওয়া নয়। একজন নারী তার শিক্ষা সে অর্জন করবে। তার কর্মক্ষেত্রে সে যাবে। ঘর-সংসার করবে। তিনি ডাক্তারই হোন বা কোন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষিকাই হোন অর্থাৎ যে যে পেশায় থাকুন না কেন। সবকিছুই একজন নারী করতে পারবে। তবে তাকে অবশ্যই পর্দা রক্ষা করে করতে হবে, হারাম থেকে হিফাযত থাকতে হবে। সেটার জন্য যা প্রয়োজন তা হচ্ছে সমাজের অবস্থার পরিবর্তন।

স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, অফিস-আদালত, হাসপাতাল, শপিং মল সরকারিভাবেই হোক আর বেসরকারিভাবেই হোক মেয়েদের অবস্থা যদি সম্পূর্ণ আলাদা থাকে। অর্থাৎ উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, একটা ক্লিনিক বা হাসপাতাল- শুধু মেয়েরাই সেখানে অবস্থান করবে। কোন ছেলেদের সেখানে উপস্থিতি থাকবে না। শুধু যে হাসপাতাল তা নয় সর্বক্ষেত্রে যদি মেয়েদের সম্পূর্ণ আলাদা ব্যবস্থা করা যায়। তবে সব রকমের ফিতনা-ফাসাদ থেকে নারীরা মুক্ত থাকবে। কারণ যখন তারা যার যার বাড়ি থেকে বের হবে, পর্দার সাথে বোরকা পরে বের হবে। রাস্তায়, যানবাহনে বোরকা পরবে কিন্তু যখন যার যার প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করবে সে লেখাপড়ার জন্যই হোক বা চাকরির জন্যই হোক তখন ভেতরে যেহেতু মেয়েরাই থাকবে, কোন পুরুষ থাকবে না; তখন বোরকা খুলে যার যার কাজে মনোযোগ দিতে পারবে। এতে কি হবে? কোন ছেলে যখন কোন মেয়েকে দেখতে পাবে না তখন ইভ টিজিংয়ের শিকার হতে হবে না। কে সুন্দর, কে কালো বুঝাও যাবে না। আর কোন মেয়ের চেহারা না দেখলে কোন ছেলের পছন্দ হওয়ার প্রশ্নই উঠে না। পত্রিকার রিপোর্ট অনুযায়ী কোন মেয়েকে আত্মহত্যা করতে হবে না এবং মা-বাবাকে খুন হতে হবে না। যার ফলশ্রুতিতে ছেলে-মেয়ে আলাদা থাকার কারণে শয়তানও উঁকি-ঝুঁকি দিয়ে তৃতীয় সঙ্গী হয়ে পাপ কাজ করাতে পারবে না। সম্ভ্রমহরণ, ব্যভিচার সব বন্ধ হয়ে যাবে। যে স্বামী তার ঘরের স্ত্রী ফেলে তার অফিসের মহিলা কর্মীকে দেখে আসক্ত হয় এবং নিজের সংসারে অশান্তি করতে থাকে। যা আমরা হরহামেশাই পত্র পত্রিকাগুলো থেকে জেনে থাকি। এখন যদি ছেলে-মেয়েদের সম্পূর্ণ আলাদা ব্যবস্থা থাকে। তবে সেই স্বামীটারও কোন মহিলা কর্মী না থাকাতে কোন ফিতনায় পড়তে হবে না; তার সংসারেও অশান্তি হবে না।

অর্থাৎ একটা শিক্ষিত জাতি আর শিক্ষিত সমাজের পরিচয় বহন করে- উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের সাথে সাথে তাদের আচার-ব্যবহারের উন্নতির প্রসারতা। যেহেতু পাশ্চাত্যের শিক্ষা ব্যবস্থার ধারক বাহক যবন, মেøচ্ছ, অস্পৃশ্য বেদ্বীন-বদদ্বীনরা। সেহেতু সেই শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে এত বড় বড় বুলি আউড়িয়ে বেহায়া-বেলেল্লাপনার মত রাস্তা-ঘাট, অফিস-আদালতে নারী-পুরুষ মিলে-মিশে থাকাটা কোন ভদ্র লোক বা ভদ্র সমাজের কাজ নয়। অভদ্র, অশালীন, অসভ্য, বেয়াদব পুরুষ এবং মহিলারাই এমন পরিচয় বহন করে। অথচ দেখুন, দ্বীন ইসলামই একমাত্র ফিতরাতের ধর্ম অর্থাৎ স্বাভাবিকতার ধর্ম। আর যা স্বাভাবিক সেটাই আদব। আর আল্লাহ পাক এবং আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নর-নারী যার যার স্ব-স্ব অঙ্গনে সেই আদব, ভদ্রতা, সভ্যতা এবং শালীনতা শিক্ষা দিয়েছেন। যাতে নারীরা মান-সম্ভ্রম, মর্যাদার প্রতি সজাগ হয়ে নিজেরাই দ্বীন ইসলামের ছত্রছায়ায় থেকে নিজেদেরকে হিফাযত করতে পারে। সুতরাং আমাদের প্রত্যেকের সর্বস্তরের জনসাধারণের মধ্যে এই জাগরণই আনতে হবে। যাতে নারীরা অবশ্যই সমঅধিকারের প্রাপ্তি লাভ করতে পারে নিজেদের স্ব-স্ব কর্মক্ষেত্রে, শুধুমাত্র নারীরা সকলে মিলে। অর্থাৎ পুরুষদের পাশাপাশি নয়। তবেই আমরা আশা করতে পারি যে, নারীদের মর্যাদা নারীরাই সুপ্রতিষ্ঠিত করতে পারবে ইনশাআল্লাহ! এবং সমাজের পুরুষদের দ্বারা নারীদের প্রতি যত অনাচার অবিচার ঘটে থাকে সবকিছু এক সময় দূর হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ!

-আজিমা ফারহা।

যুগের আবূ জাহিল, মুনাফিক ও দাজ্জালে কায্যাবদের বিরোধিতাই প্রমাণ করে যে, রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী হক্ব। খারিজীপন্থী ওহাবীদের মিথ্যা অপপ্রচারের দাঁতভাঙ্গা জবাব-৬৭

ভ্রান্ত ওহাবী মতবাদ প্রচারের নেপথ্যে-১৬

চাঁদ দেখা ও নতুন চন্দ্রতারিখ নিয়ে প্রাসঙ্গিক আলোচনা-৩৫

বাতিল ফিরক্বা ওহাবীদের অখ্যাত মুখপত্র আল কাওসারের মিথ্যাচারিতার জবাব-২৫ হাদীছ জালিয়াতী, ইবারত কারচুপি ও কিতাব নকল করা ওহাবীদেরই জন্মগত বদ অভ্যাস ওহাবী ফিরক্বাসহ সবগুলো বাতিল ফিরক্বা ইহুদী-নাছারাদের আবিষ্কার! তাদের এক নম্বর দালাল

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ‘সংবিধানের প্রস্তাবনা’, ‘মৌলিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা’ ‘জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা’ এবং ‘জাতীয় সংস্কৃতি’ শীর্ষক অনুচ্ছেদের সাথে- থার্টি ফার্স্ট নাইট তথা ভ্যালেন্টাইন ডে পালন সরাসরি সাংঘর্ষিক ও সংঘাতপূর্ণ’। পাশাপাশি মোঘল সংস্কৃতির দান পহেলা বৈশাখ পালনও প্রশ্নবিদ্ধ।সংবিধানের বহু গুরুত্বপূর্ণ ও বিশেষ স্পর্শকাতর অনুচ্ছেদের প্রেক্ষিতে ৯৫ ভাগ মুসলমানের এদেশে কোনভাবেই থার্টি ফার্স্ট নাইট ও ভ্যালেন্টাইন ডে পালিত হতে পারে না।পারেনা গরিবের রক্ত চোষক ব্র্যাকের ফজলে আবেদও ‘নাইট’ খেতাব গ্রহণ করতে। পারেনা তার  নামের সাথে ‘স্যার’ যুক্ত হতে। পাশাপাশি মোঘল সংস্কৃতির দান পহেলা বৈশাখ পালনও প্রশ্নবিদ্ধ।