নারী অধিকার প্রসঙ্গে

সংখ্যা: ২০৭তম সংখ্যা | বিভাগ:

“আজকের এ অবস্থার জন্য সমাজ ব্যবস্থা দায়ী। এই যে গত কয়েকদিনে নারীদের উপর একের পর এক ঘটনা ঘটছে; কোন সুস্থ ও স্বাভাবিক সমাজে তা ঘটতে পারে না। আমরা এক অস্থির সমাজে বসবাস করছি। আমাদের ছেলেমেয়েরা এই সমাজেই বেড়ে উঠছে। একটা প্রজন্ম বেড়ে উঠার জন্য যে পরিমাণ সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার কথা আমরা তার কিছুই দিতে পারছি না।”

যে ব্যক্তি উপরের রিপোর্টটি লিখেছে তার প্রথম পরিচয় সে হিন্দু। দ্বিতীয় পরিচয় সে সমাজ ও পরিবেশবিদ। আর আমাদের বক্তব্য হলো একটা হিন্দু যে কিনা নিজেই পূত-পবিত্র না- সে কিভাবে শতকরা ৯৭ ভাগ মুসলিম অধ্যুষিত দেশে এই সমাজ পবিত্র করবে? কারণ আল্লাহ পাক তিনি বলেন, “মুশরিকরা নাপাক।”

হিন্দুদের আচার-ব্যবহার, খাওয়া-বসা, উঠা, চলাফেরা সব কিছুর মধ্যে নোংরামী রয়েছে। তাদের শিক্ষা-দীক্ষা পর্যন্ত কলুষিত করে তাদের ব্যক্তিত্বকে। তারা যে দেবতাদের মেনে চলে সে দেবতারা এক একজন এক একটা অপকর্মে লিপ্ত থাকে। ‘রাধা-কৃষ্ণের’ কাহিনী তারা সর্বত্র আলোচনা করে থাকে এবং অনুসরণ করে থাকে। যারা বাংলা সাহিত্য নিয়ে পড়ালেখা করেছেন তারা বুঝবেন তাদের এই কৃষ্ণ দেবতার অপকর্মের কথা মেনেও হিন্দুরা ‘হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ’ জপতে থাকে এবং অন্তরে অবলীলায় পোষণ করতে থাকে কৃষ্ণের মতো স্বপ্নের পুরুষ হওয়া এবং রাধার মতো দেবী হওয়ার জন্য। আর এই জন্যই আমরা বলতে বাধ্য হচ্ছি, এদের মতো ম্লেচ্ছ, অস্পৃশ্য হিন্দুরা যদি সমাজের সুস্থতার কথা বলে তবে তা শুনতে হাস্যকরই লাগে!

অস্থির সমাজের স্থিরতা, সুস্থতা, স্বাভাবিকতা তখনই আসবে যখন ইসলামী বিধি-বিধান সমাজ ব্যবস্থায় জারি থাকবে। আর এর জন্য প্রয়োজন মুসলমানদের দ্বীন সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি। দ্বীন ইসলাম সম্পর্কে জানা। হাদীছ শরীফ-এ বর্ণিত রয়েছে, “প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীর জন্য ইলম (অর্থাৎ দ্বীন ইসলাম সম্পর্কিত জ্ঞান) অর্জন করা ফরয।” সুতরাং এই ফরয হুকুম-আহকামটি যদি প্রত্যেক মুসলমান পালন করে থাকে তবে তার জন্য একটা পরিবারে, একটা সমাজে, একটা দেশে শরীয়তের বিধি-বিধান পালন করা সম্ভব হবে।

একজন ব্যক্তি যখন আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আদেশ, নিষেধ সম্পর্কে জানবে; বিধি-বিধান সম্পর্কে জানবে তখন সে তার পিতা-মাতা, সন্তান-সন্ততি, আত্মীয়-স্বজনদেরও জানাতে পারবে এবং প্রত্যেকেই একত্রে তা পালন করতে পারবে। আর এভাবে মুসলমান পরিবারগুলো একে একে শরীয়তের নিয়ম-নীতিতে অভ্যস্ত হলে একটা সমাজও বদলে যাবে। কারণ একটা পরিবারকে দেখে আরেকটা পরিবার শিখতে থাকবে। দ্বীন ইসলাম যেহেতু সহনশীলতা, ধৈর্যশীলতা, শালীনতা, মাধুর্যতা শিক্ষা দেয়; সেহেতু একটা সমাজে তথা একটা দেশে স্থিরতাই বিরাজ করবে। পুরাতন প্রজন্মই হোক আর নতুন প্রজন্মই হোক না কেন প্রত্যেকের মধ্যে সহনশীলতা, ধৈর্য, শালীনতা বজায় থাকবে। আর সর্বোপরি মুসলিম অধ্যুষিত দেশে মুসলমানদের যে সুযোগ-সুবিধা আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা দিয়েছেন, সেই সুযোগ সুবিধাই মুসলমান সন্তানরা পাবে।

কিন্তু ইহুদী-বৌদ্ধ, খ্রিস্টান হিন্দু এদের নিয়ম-নীতি, তর্জ-তরীক্বা মানলে মুসলমানদের কোন সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার কথা নয়।

-আজিমা ফারহা

প্রসঙ্গ: ইসরাইলি পণ্য বর্জনের আহ্বান জানিয়েছে তুরস্ক। ইসরাইলের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অবরোধসহ কঠোর সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা মুসলিম বিশ্বের এখন ফরযের উপর ফরয।

সুদ পরিশোধেই ব্যয় হবে বাজেটের ১১ শতাংশ। প্রত্যেক বছর বাজেটের আকার বাড়লেও এর সুফল পাচ্ছে না দেশ ও দেশের জনগণ। জনগণের উচিত সরকারকে বাধ্য করা- ঋণের ধারা থেকে সরে এসে অভ্যন্তরীণ অর্থ-সম্পদের দিকে গুরুত্ব দিয়ে বাজেটকে গণমুখী করার জন্য।

বাংলাদেশে জিএমও ফুড প্রচলনের সকল ষড়যন্ত্র বন্ধ করতে হবে-২

পর্যবেক্ষক ও সমালোচক মহলের মতে- ভারতের কাছে দেশের স্বার্থ বিলিয়ে দেয়ার নিকৃষ্টতম উদাহরণ রামপালে কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র। মাত্র ১৫ ভাগ বিনিয়োগ করে ভারত মালিকানা পাবে ৫০ ভাগ। আর ধ্বংস হবে এদেশের সুন্দরবন। সুন্দরবনকে ধ্বংস করার সিদ্ধান্ত থেকে সরকারকে সরে আসতে হবে (২)

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতোই রূপপুরের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ভয়াবহ। রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে কিন্তু রূপপুর অজ্ঞতার আঁধারেই রয়ে গেছে? বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিষয়টি বিশেষভাবে আমলে নিতে হবে। প্রয়োজনে সচেতন জনগণকেই প্রতিহত করতে হবে (২)