পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে সম্মানিত ও পবিত্র মাযহাব চতুষ্ঠয় উনাদের মধ্যে যে কোন একটি সম্মানিত ও পবিত্র মাযহাব মানা ও অনুসরণ করা ফরয ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া-১৪

সংখ্যা: ২৩৩তম সংখ্যা | বিভাগ:

[সমস্ত প্রশংসা মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন উনার জন্যে এবং অসংখ্য দুরূদ ও সালাম মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামউনার প্রতি। মহান আল্লাহ পাক উনার অশেষ রহ্মতে “গবেষণা কেন্দ্র মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ” উনার ফতওয়া বিভাগের তরফ থেকে বহুল প্রচারিত, হক্বের অতন্দ্র প্রহরী, বাতিলের আতঙ্ক ও আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনাদের আক্বীদায় বিশ্বাসী এবং হানাফী মাযহাব-উনার অনুসরণে প্রকাশিত একমাত্র দলীলভিত্তিক যামানার তাজদীদী মুখপত্র “মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ” পত্রিকায় যথাক্রমে- ১. টুপির ফতওয়া (২য় সংখ্যা) ২. অঙ্গুলী চুম্বনের বিধান (৩য় সংখ্যা) ৩. নিয়ত করে মাজার শরীফ যিয়ারত করা (৪র্থ সংখ্যা) ৪. ছবি ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় হারাম হওয়ার ফতওয়া (৫ম-৭ম সংখ্যা) ৫. জুমুয়ার নামায ফরযে আইন ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ফতওয়া (৮ম-১০ম সংখ্যা) ৬. মহিলাদের মসজিদে গিয়ে জামায়াতে নামায পড়া মাকরূহ্ তাহ্রীমী সম্পর্কে ফতওয়া (১১তম সংখ্যা) ৭. কদমবুছী ও তার প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া (১২তম সংখ্যা) ৮. তাহাজ্জুদ নামায জামায়াতে পড়া মাকরূহ্ তাহ্রীমী ও বিদ্য়াতে সাইয়্যিয়াহ্ এবং তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া (১৩তম সংখ্যা) ৯. ফরয নামাযের পর মুনাজাত ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া (১৪-২০তম সংখ্যা) ১০. ইন্জেকশন নেয়া রোযা ভঙ্গের কারণ ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া (২১-২২তম সংখ্যা) ১১. তারাবীহ্-এর নামাযে বা অন্যান্য সময় কুরআন শরীফ খতম করে উজরত বা পারিশ্রমিক গ্রহণ করা জায়িয ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া (২৩-২৪তম সংখ্যা) ১২. তারাবীহ্ নামায বিশ রাকায়াত ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া (২৫-২৯তম সংখ্যা) ১৩. দাড়ী ও গোঁফের শরয়ী আহ্কাম ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া (৩০-৩৪তম সংখ্যা) ১৪. প্রচলিত তাবলীগ জামায়াত ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া (৩৫-৪৬তম সংখ্যা) ১৫. আযান ও ছানী আযান মসজিদের ভিতরে দেয়ার আহ্কাম এবং তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া (৪৭-৫০তম সংখ্যা) ১৬. দোয়াল্লّীন-যোয়াল্লীন উনার শরয়ী ফায়সালা এবং তার প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া (৫১-৫২তম সংখ্যা) ১৭. খাছ সুন্নতী টুপি ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া (৫৩-৫৯তম সংখ্যা) ১৮. নূরে মুহম্মদী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও উনার প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া (৬০-৮২তম সংখ্যা) ১৯. ইমামাহ্ বা পাগড়ী মুবারকের আহ্কাম ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কিত ফতওয়া (৮৩-৯৬তম সংখ্যা) ২০. শরীয়তের দৃষ্টিতে আখিরী যোহ্র বা ইহ্তিয়াতুয্ যোহ্রের আহ্কাম এবং তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া (৯৭-১০০তম সংখ্যা) ২১. জানাযা নামাযের পর হাত তুলে সম্মিলিতভাবে মুনাজাত করার শরয়ী ফায়সালা ও তার প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া (১০১-১১১তম সংখ্যা) এবং ২২. হিজাব বা পর্দা ফরযে আইন হওয়ার প্রমাণ ও তার প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া (১১২-১৩১তম সংখ্যা) ২৩. খাছ সুন্নতী ক্বমীছ বা কোর্তা এবং তার প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া (১৪০তম সংখ্যা) ২৪. হানাফী মাযহাব মতে ফজর নামাযে কুনূত বা কুনূতে নাযেলা পাঠ করা নাজায়িয ও নামায ফাসিদ হওয়ার কারণ এবং তার প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া (১৩২-১৫২তম সংখ্যা) ২৫. ইসলামের দৃষ্টিতে বিশ্বকাপ ফুটবল বা খেলাধুলা’র শরয়ী আহকাম ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ফতওয়া (১৫৫তম সংখ্যা) ২৬. হানাফী মাযহাব মতে পুরুষের জন্য লাল রংয়ের পোশাক তথা রুমাল, পাগড়ী, কোর্তা, লুঙ্গি, চাদর ইত্যাদি পরিধান বা ব্যবহার করা হারাম ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া (১৫৩-১৬০তম সংখ্যা)  ২৭. ইসলামের নামে গণতন্ত্র ও নির্বাচন করা, পদপ্রার্থী হওয়া, ভোট চাওয়া ও দেয়া হারাম ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া (১৬১-১৭৫তম সংখ্যা) ২৮. কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াস-এর দৃষ্টিতে প্রাণীর মূর্তি তৈরি করা ও ছবি আঁকা, তোলা, তোলানো, রাখা, রাখানো, দেখা, দেখানো হারাম নাজায়িয হওয়ার অকাট্য প্রমাণ ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া (১৬৮-চলমান), ২৯. জুমুয়া ও ঈদাইনের খুৎবা আরবী ভাষায় দেয়া ওয়াজিব। আরবী ব্যতীত অন্য কোন ভাষায় খুৎবা দেয়া মাকরূহ তাহরীমী ও বিদয়াতে সাইয়্যিয়াহ ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া (১৯২-১৯৩তম সংখ্যা) ৩০. কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াস-এর দৃষ্টিতে লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান শবে বরাত-এর আহকাম ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া (১৯৫-২১৩তম সংখ্যা), ৩১. পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা ও ক্বিয়াস উনাদের দৃষ্টিতে “কুলাঙ্গার, পাপিষ্ঠ ইয়াযীদ লা’নাতুল্লাহি আলাইহি সম্পর্কে শরীয়তের সঠিক ফায়ছালা ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া” পেশ করার পর-

৩২তম ফতওয়া হিসেবে

“পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে সম্মানিত ও পবিত্র মাযহাব চতুষ্ঠয় উনাদের মধ্যে যে কোন একটি সম্মানিত ও পবিত্র মাযহাব মানা ও অনুসরণ করা ফরয ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া”-

পেশ করতে পারায় মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র দরবার শরীফ-এ শুকরিয়া জ্ঞাপন করছি।

সম্মানিত ও পবিত্র মাযহাব চতুষ্ঠয় উনাদের মধ্যে যে কোন একটি সম্মানিত ও পবিত্র মাযহাব উনার উপর মউত পর্যন্ত ইস্তিক্বামত থাকা ফরয

পূর্ব প্রকাশিতের পর

পবিত্র তাফসীর শরীফ উনাদের নির্ভরযোগ্য কিতাব থেকে ‘আত-তাক্বলীদুশ্ শারয়ী তথা শরীয়াত সমর্থিত অনুসরণ’ উনার সমর্থনে পবিত্র আয়াত শরীফ সমূহ উনাদের ছহীহ ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ ও আহকাম

পবিত্র কুরআন মাজীদ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, ইজমাউল উম্মাহ ও ছহীহ ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দলীল-আদিল্লাহ মোতাবেক সম্মানিত ইসলামী শরীয়াত উনার যাবতীয় হুকুম-আহকাম মেনে চলার জন্য কারো অনুসরণ করাকে ‘আত-তাকলীদুশ শারয়ী তথা শরীয়াত সমর্থিত অনুসরণ’ বলে। উনাকে ‘তাকলীদুল ইসলাম’, ‘তাকলীদুদ্ দীন’ ও ‘তাকলীদুদ্ দালায়িলিল আরবায়াহ’ অর্থাৎ পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার চারখানা দলীল উনাদের অনুসরণও বলা হয়ে থাকে।

নি¤েœ পবিত্র তাফসীর শরীফ উনাদের নির্ভরযোগ্য কিতাব থেকে ‘আত-তাক্বলীদুশ্ শারয়ী তথা শরীয়াত সমর্থিত অনুসরণ’ উনার সমর্থনে পবিত্র আয়াত শরীফ সমূহ উল্লেখ করে উনাদের ছহীহ ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ ও আহকাম বা বিধি-বিধান আলোচনা করা হলো-

পবিত্র আয়াত শরীফ নম্বর- ৪

وَقَالُوْا لَنْ يَّدْخُلَ الْجَنَّةَ اِلَّا مَنْ كَانَ هُوْدًا اَوْ نَصَارى تِلْكَ اَمَانِيُّهُمْ قُلْ هَاتُوْا بُرْهَانَكُمْ اِنْ كُنْتُمْ صَادِقِيْنَ. (سورة البقرة ১১১ الاية)

অর্থ: ওরা বলে, ইহুদী অথবা খৃষ্টান ব্যতীত কেউ জান্নাতে যাবে না। এটা ওদের মনের বাসনা। (হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আপনি বলে দিন, তোমরা সত্যবাদী হলে দলীল পেশ করো। (পবিত্র সূরাতুল বাক্বারাহ শরীফ- ১১১)

এ পবিত্র আয়াত শরীফ উনার আম হুকুম অনুসারে হযরত ইমাম-মুজতাহিদ, ফক্বীহ, মুফতী ও আলিম-উলামা উনারা পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র সুন্নাহ শরীফ, পবিত্র ইজমাউল্ উম্মাহ শরীফ ও পবিত্র ছহীহ ক্বিয়াস শরীফ উনাদের থেকে নির্ভরযোগ্য দলীল পেশ করবেন, আর গাইরে আলিম তথা যারা মুজতাহিদ নন তারা উনাদের সেই দলীল সম্মত ফায়সালা মেনে নিবেন। ইহাকেই তাক্বলীদ বা মাযহাব অনুসরণ বলা হয়ে থাকে।

পবিত্র আয়াত শরীফ নম্বর- ৫

 وَكَذلِكَ جَعَلْنَاكُمْ اُمَّةً وَّسَطًا لِّتَكُونُوا شُهَدَاءَ عَلَى النَّاسِ وَيَكُونَ الرَّسُولُ عَلَيْكُمْ شَهِيدًا وَمَا جَعَلْنَا الْقِبْلَةَ الَّتِي كُنْتَ عَلَيْهَا اِلَّا لِنَعْلَمَ مَنْ يَتَّبِعُ الرَّسُولَ مِمَّنْ يَنْقَلِبُ عَلى عَقِبَيْهِ وَإِنْ كَانَتْ لَكَبِيرَةً اِلَّا عَلَى الَّذِينَ هَدَى اللهُ وَمَا كَانَ اللهُ لِيُضِيعَ اِيمَانَكُمْ إِنَّ اللهَ بِالنَّاسِ لَرَءُوفٌ رَحِيمٌ (سورة البقرة ۱۴۳ الاية)

অর্থ: অনুরূপ আমি তোমাদেরকে সত্যপরায়ণ উম্মত হিসেবে স্থির করেছি, যাতে তোমরা সকল মানুষদের জন্য সাক্ষ্যদাতা হও এবং যাতে হযরত রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সাক্ষদাতা হন তোমাদের জন্য। আপনি যে পবিত্র ক্বিবলা উনার উপর ছিলেন, তাকে আমি এজন্যই পবিত্র ক্বিবলা করেছিলাম, যাতে একথা স্থির হয় যে, কে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আনুগত্য করে আর কে পিছুটান দেয়। নিশ্চয়ই এটা কঠোরতর বিষয়, কিন্তু তাদের জন্য নয় যাদেরকে মহান আল্লাহ পাক তিনি পথপ্রদর্শন করেছেন। মহান আল্লাহ তায়ালা এমন নন যে, তোমাদের ঈমান নষ্ট করে দেবেন। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ তায়ালা তিনি মানুষদের প্রতি খুবই দয়াশীল ও করুনাময়। (সূরাতুল বাক্বারাহ শরীফ- ১৪৩)

অত্র পবিত্র আয়াত শরীফ উনার وَكَذلِكَ جَعَلْنَاكُمْ اُمَّةً وَّسَطًا ‘অনুরূপ আমি তোমাদেরকে সত্যপরায়ণ উম্মত হিসেবে স্থির করেছি’ অংশ দ্বারা পবিত্র ইজমাউল্ উম্মাহ শরীফ ও ছহীহ ক্বিয়াস শরীফ যে ইসলামী শরীয়াত উনার অকাট্য দলীল তা প্রমাণ করা হয়েছে। পবিত্র ইজমাউল্ উম্মাহ শরীফ ও পবিত্র ছহীহ ক্বিয়াস শরীফ হযরত ইমাম-মুজতাহিদ উনাদের গবেষণার ফল-ফসল। তাই এ পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে হযরত ইমাম-মুজতাহিদ রহমাতুল্লাহি আলাইহিম উনাদেরকে তাকলীদ বা অনুসরণ করতে নির্দেশ করা হয়েছে।

অত্র পবিত্র আয়াত শরীফ উনার বিশুদ্ধ তাফসীর বা ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ

(৩৪২)

واستدل الشيخ ابو منصور رحمه الله بالآية على أن الإجماع حجة لأن الله تعالى وصف هذه الأمة بالعدالة، والعدل هو المستحق للشهادة وقبولها فإذا اجتمعوا على شيء وشهدوا به لزم قبوله. (مدارك التنزيل وحقائق التأويل اى تفسير النسفي سورة البقرة ۱۴۳ الاية المؤلف : أبو البركات عبد الله بن أحمد بن محمود النسفي الحنفي الماتريدي رحمة الله عليه المتوفى ۷۱۰ هجري)

অর্থ: হযরত শায়েখ আবূ মানছূর মাতুরীদী রহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনি উল্লেখিত পবিত্র আয়াত শরীফ উনার ভিত্তিতে প্রমান করেছেন যে, নিশ্চয়ই উম্মাতের ইমাম-মুজতাহিদ উনাদের ইজমা’ শরীফ (অর্থাৎ কোন বিষয়ে ঐক্যমত) অকাট্য দলীল। কেননা, মহান আল্লাহ তায়ালা তিনি অত্র পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে এই উম্মতের ইমাম-মুজতাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহিম তথা উলামায়ে কিরাম উনাদের আদালত বা সত্যপরায়নতার প্রশংসা করেছেন। সত্যপরায়নতাই স্বাক্ষ্য প্রদানের জন্য এবং তা গ্রহণযোগ্য হওয়ার জন্য উপযুক্ত। সুতরাং যখন কোন ইমাম-মুজতাহিদ কোন বিষয়ে ইজমা’ করেন তখন তা গ্রহণ সাপেক্ষ্যে মান্য করা লাযিম বা ওয়াজিব। (মাদারিকুত্ তানযীল ওয়া হাক্বায়িকুত্ তা’বীল অর্থাৎ তাফসীরুন্ নাসাফী সূরাতুল বাক্বারাহ ১৪৩ নম্বর আয়াত শরীফ লেখক: আল্লামা আবুল্ বারাকাত আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ বিন মাহমূদ নাসাফী হানাফী মাতুরীদী রহমাতুল্লাহি আলাইহি ওয়াফাত: ৭১০ হিজরী)

(৩৪৩)

وشاع عن ابى منصور الاستدلال بالآية- على أن الإجماع حجة. (روح المعاني في تفسير القرآن العظيم والسبع المثاني اى تفسير الالوسي سورة البقرة ۱۴۳ الاية المؤلف: علامة شهاب الدين محمود ابن عبد الله الحسيني الآلوسي رحمة الله عليه المتوفى سنة ۱۲۷۰ هجري)

অর্থ: হযরত শায়েখ আবূ মানছূর মাতুরীদী রহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনি উল্লেখিত পবিত্র আয়াত শরীফ উনার ভিত্তিতে বলেছেন যে, নিশ্চয়ই উম্মাতের ইমাম-মুজতাহিদ উনাদের ইজমা’ শরীফ (অর্থাৎ কোন বিষয়ে ঐক্যমত) অকাট্য দলীল। (রূহুল মায়ানী ফী তাফসীরিল্ কুরআনিল্ আযীম ওয়াস্ সাবয়িল্ মাছানী অর্থাৎ তাফসীরুল আলূসী সূরাতুল বাক্বারাহ ১৪৩ নম্বর আয়াত শরীফ লেখক: আল্লামা শিহাবুদ্দীন মাহমূদ বিন আব্দুল্লাহ হুসাইনী আলূসী রহমাতুল্লাহি আলাইহি ওয়াফাত: ১২৭০ হিজরী)

(৩৪৪)

والمقصود من الاية في هذا المقام انه قد استدل الشيخ ابو منصور رحمة الله عليه بالاية على ان الاجماع حجة. (التفسيرات الاحمدية في بيان الايات الشرعية سورة البقرة ۱۴۳ الاية الصفحة ۳۷ للعلامة حضرت الشيخ احمد بن ابي سعيد بن عبد الله ملاجيون الحنفي الماتريدي رحمة الله عليه الوفاة ۱۱۳۰ هجري، برهان المقلدين الصفحة ১১৭ للعلامة مولانا محمد روح الامين بشيرهاتي الحنفي الماتريدي رحمة الله عليه، سيف المقلدين الصفحة ۲۲۳ للعلامة مولانا محمد ابراهيم المحبتبوري رحمة الله عليه)

অর্থ: অত্র পবিত্র আয়াত শরীফ উনার দ্বারা এখানে উদ্দেশ্য হচ্ছে; যেমনটি হযরত শায়েখ আবূ মানছূর মাতুরীদী রহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনি উল্লেখিত পবিত্র আয়াত শরীফ উনার ভিত্তিতে বলেছেন যে, নিশ্চয়ই উম্মাতের ইমাম-মুজতাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের ইজমা’ শরীফ (অর্থাৎ কোন বিষয়ে ঐক্যমত) অকাট্য দলীল। (আত্ তাফসীরাতুল্ আহমাদিয়াহ ফী বায়ানিল্ আয়াতিশ্ শারয়িয়্যাহ সূরাতুল্ বাক্বারাহ ১৪৩ আয়াত শরীফ ৩৭ পৃষ্ঠা লেখক: আল্লামা হযরত শায়েখ আহমাদ বিন আবী সাঈদ বিন আব্দুল্লাহ মুল্লা জিঊন হানাফী মাতুরীদী রহমাতুল্লাহি আলাইহি ওয়াফাত: ১১৩০ হিজরী, বুরহানুল মুক্বাল্লিদীন ১১৭ পৃষ্ঠা লেখক: আল্লামা মাওলানা মুহাম্মাদ রূহুল আমীন বশীরহাটী হানাফী মাতুরীদী রহমাতুল্লাহি আলাইহি, সাইফুল মুক্বাল্লিদীন ২২৩ পৃষ্ঠা লেখক: আল্লামা মাওলানা মুহাম্মাদ ইবরাহীম মুহাব্বাতপুরী হানাফী মাতুরীদী রহমাতুল্লাহি আলাইহি)

(৩৪৫-৩৪৮)

باب قَوْلِهِ تَعَالَى: {وَكَذلِكَ جَعَلْنَاكُمْ أُمَّةً وَسَطًا} وَمَا أَمَرَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِلُزُومِ الْجَمَاعَةِ وَهُمْ أَهْلُ الْعِلْمِ.

عَنْ ابِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ رضى الله عنه قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم يُجَاءُ بِنُوحٍ عليه السلام يَوْمَ الْقِيَامَةِ فَيُقَالُ لَهُ هَلْ بَلَّغْتَ فَيَقُولُ نَعَمْ يَا رَبِّ فَتُسْأَلُ أُمَّتُهُ هَلْ بَلَّغَكُمْ فَيَقُولُونَ مَا جَاءَنَا مِنْ نَذِيرٍ فَيَقُولُ مَنْ شُهُودُكَ فَيَقُولُ مُحَمَّدٌ صلى الله عليه و سلم وَأُمَّتُهُ فَيُجَاءُ بِكُمْ فَتَشْهَدُونَ ثُمَّ قَرَأَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم “وَكَذلِكَ جَعَلْنَاكُمْ أُمَّةً وَسَطًا” قَالَ عَدْلاً. (الجامع المسند الصحيح المختصر من امور رسول الله صلى الله عليه وسلم وسننه وأيامه اى الصحيح للبخاري كتاب بدء الوحي باب قَوْلِهِ تَعَالَى “وَكَذلِكَ جَعَلْنَاكُمْ أُمَّةً وَسَطًا”، الصحيح للبخاري كتاب بدء الوحي باب قَوْلِ اللهِ عَزَّ وَجَلَّ “وَلَقَدْ أَرْسَلْنَا نُوحًا إِلَى قَوْمِهِ”، الصحيح للبخاري كتاب بدء الوحي باب قَوْلِهِ “وَكَذلِكَ جَعَلْنَاكُمْ أُمَّةً وَسَطًا لِتَكُونُوا شُهَدَاءَ عَلَى النَّاسِ وَيَكُونَ الرَّسُولُ عَلَيْكُمْ شَهِيدًا”،كتاب التفسير باب قَوْلِهِ “وَكَذلِكَ جَعَلْنَاكُمْ أُمَّةً وَسَطًا لِتَكُونُوا شُهَدَاءَ عَلَى النَّاسِ وَيَكُونَ الرَّسُولُ عَلَيْكُمْ شَهِيدًا” المؤلف: حضرت الامام أبو عبد الله محمد بن إسماعيل بن إبراهيم بن المغيرة البخاري الشافعي رحمة الله عليه المتوفى سنة ۲۵۶ هجري، سنن الترمذي كتاب التفسير باب ۳ ومن سورة البقرة)

অর্থ: পরিচ্ছেদ: মহান আল্লাহ তায়ালা তিনি ইরশাদ মুবারক করেন: وَكَذلِكَ جَعَلْنَاكُمْ اُمَّةً وَّسَطًا ‘অনুরূপ আমি তোমাদেরকে সত্যপরায়ণ উম্মত হিসেবে স্থির করেছি’। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন্ নাবিয়্যীন, নুরুম্ মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হযরত নাবী করীম ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ‘আহলুস্ সুন্নাহ ওয়াল জামায়াহ’ উনার অনুসরন লাযিম (ওয়াজিব বা ফরদ্ব) করে নিতে হুকুম করেছেন। আর উনারা (জামায়াত) হলেন আহলুল্ ইল্ম অর্থাৎ ইমাম-মুজতাহিদ, আউলিয়া-উলামায়ে কিরাম রহমাতুল্লাহি আলাইহিম উনারা।

হযরত আবূ সাঈদ খুদরী রদ্বিয়াল্লাহু আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে। তিনি বলেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন ইমামুল মুরসালীন খাতামুন্ নাবিয়্যীন নুরুম্ মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হযরত রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন: “জলীলুল্ ক্বদর রসূল-নাবী হযরত নূহ আলাইহিস সালাম উনাকে ক্বিয়ামতের ময়দানে নিয়ে এসে জিজ্ঞাসা করা হবে, আপনি কি আপনার দায়িত্ব যথাযথ পৌছিয়েছেন? তিনি উত্তরে বলবেন, আয় আমার রব তায়ালা! হ্যাঁ আমি পৌছিয়েছি। অতপর উনার উম্মাতগণকে জিজ্ঞাসা করা হবে যে, তিনি কি তোমাদের কাছে দা’ওয়াত পৌছিয়েছেন? তখন তারা বলবে আমাদের কাছে ভীতি প্রদর্শনকারী কেউ আসেননি। মহান আল্লাহ তায়ালা তিনি তখন (হযরত নূহ আলাইহিস সালাম উনাকে) বলবেন, আপনার পক্ষে স্বাক্ষী কে? তখন তিনি (হযরত নূহ আলাইহিস সালাম) বলবেন, আমার সাক্ষী হযরত মুহাম্মাদ মুছ্তফা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ও উনার উম্মত উনারা। তৎক্ষনাৎ তাদেরকে তোমাদের সামনে হাজির করা হবে। অতঃপর এ ব্যাপারে তোমরা অর্থাৎ আপনারা সাক্ষী প্রদান করবেন। অতপর হযরত রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নি¤েœাক্ত আয়াত শরীফ তিলাওয়াত করলেন-

‘অনুরূপ আমি তোমাদেরকে সত্যপরায়ণ উম্মত হিসেবে স্থির করেছি’। তিনি বলেন, এখানে وَسَطًا দ্বারা عَدْلاً সত্যপরায়ণ, ন্যায়পরায়ণ, ইনছাফগার উম্মাত উদ্দেশ্য। (আল্ জামিউল্ মুসনাদুছ্ ছহীহুল্ মুখতাছারু মিন উমূরি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ওয়া সুনানিহী ওয়া আইয়ামিহী অর্থাৎ আছ্ ছহীহু লিল্ বুখারী কিতাবু বাদউল্ ওয়াহ্য়ী বাবু ক্বওলিল্লাহি তায়ালা وَكَذلِكَ جَعَلْنَاكُمْ أُمَّةً وَسَطًا আছ্ ছহীহু লিল্ বুখারী কিতাবু বাদউল্ ওয়াহ্য়ী বাবু ক্বওলিল্লাহ আয্যা ওয়া জাল্লা وَلَقَدْ أَرْسَلْنَا نُوحًا إِلَى قَوْمِهِ , আছ্ ছহীহু লিল্ বুখারী কিতাবু বাদউল্ ওয়াহ্য়ী বাবু ক্বওলিল্লাহি وَكَذلِكَ جَعَلْنَاكُمْ أُمَّةً وَسَطًا لِتَكُونُوا شُهَدَاءَ عَلَى النَّاسِ وَيَكُونَ الرَّسُولُ عَلَيْكُمْ شَهِيدًا আছ্ ছহীহু লিল্ বুখারী কিতাবুত্ তাফসীর বাবু ক্বওলিল্লাহিوَكَذلِكَ جَعَلْنَاكُمْ أُمَّةً وَسَطًا لِتَكُونُوا شُهَدَاءَ عَلَى النَّاسِ وَيَكُونَ الرَّسُولُ عَلَيْكُمْ شَهِيدًا ,সুনানুত্ তিরমিযী কিতাবুত্ তাফসীর বাব নম্বর ৩ সূরাতুল্ বাক্বারাহ, বুরহানুল মুক্বাল্লিদীন ১১৭ পৃষ্ঠা লেখক: আল্লামা মাওলানা মুহাম্মাদ রূহুল আমীন বশীরহাটী হানাফী মাতুরীদী রহমাতুল্লাহি আলাইহি, সাইফুল মুক্বাল্লিদীন ২২৩ পৃষ্ঠা লেখক: আল্লামা মাওলানা মুহাম্মাদ ইবরাহীম মুহাব্বাতপুরী হানাফী মাতুরীদী রহমাতুল্লাহি আলাইহি)

(৩৪৯)

فيه أربع مسائل: الرابعة- وفية دليل على صحة الإجماع ووجوب الحكم به، لأنهم إذا كانوا عدولا شهدوا على الناس. فكل عصر شهيد على من بعده، فقول الصحابة حجة وشاهد على التابعين، وقول التابعين على من بعدهم. وإذ جعلت الامة شهداء فقد وجب قبول قولهم. (الجامع لأحكام القرآن للقرطبي اى تفسير القرطبي سورة البقرة ۱۴۳ الاية المؤلف: حضرت العلامة ابو عبد الله محمد بن احمد بن ابي بكر بن فرح الانصاري الخزرجي شمس الدين القرطبي رحمة الله عليه المتوفى سنة ۶۷۱ هجري الناشر: دار الكتب المصرية- القاهرة)

অর্থ: অত্র পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে চারটি মাসয়ালা রয়েছে। তন্মধ্যে চতুর্থ নম্বর মাসয়ালা হচ্ছে- পবিত্র আয়াত শরীফ উনার দ্বারা পবিত্র ‘ইজমাউল উম্মাহ’ শরীফ ছহীহ হওয়া এবং পবিত্র ইজমা শরীফ উনার হুকুম যে ওয়াজিব তা প্রমাণ করা হয়েছে। কেননা, যখন কেউ সত্যপরায়ণ হয় তখন উনার সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হয়। কাজেই প্রত্যেক যামানা তার পরের যামানার জন্য সাক্ষীস্বরূপ। হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম উনাদের ক্বাওল মুবারক দলীল এবং তা হযরত তাবিয়ীন রহমাতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের ব্যাপারে সাক্ষী। অনুরূপ হযরত তাবিয়ীন রহমাতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের ক্বাওল পরবর্তীদের জন্য দলীল। সুতরাং উম্মাতের হক্কানী-রব্বানী উলামায়ে কিরাম কোন ব্যাপারে সাক্ষী দিলে তা অন্যদের জন্য মান্য করা ওয়াজিব বা ফরদ্ব। (আল্ জামিউ লিআহকামিল্ কুরআন লিল্ কুরতুবী অর্থাৎ তাফসীরুল কুরতুবী সূরাতুল্ বাক্বারাহ ১৪৩ আয়াত শরীফ লেখক: হযরত আল্লামা আবূ আব্দিল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন আবূ বাকার বিন র্ফাহ আনছারী খাযরাজী শামসুদ্দীন কুরতুবী রহমাতুল্লাহি আলাইহি ইন্তিকাল: ৬৭১ হিজরী প্রকাশনা: দারুল কুতুবিল মিছরিয়্যাহ-ক্বাহিরাহ)

(৩৫০)

وفي الآية دليل على أن إجماع هذه الأمة حجة قاطعة. (تيسير الكريم الرحمن في تفسير كلام المنان اى تفسير السعدي سورة البقرة ۱۴۳ الاية المؤلف : علامة عبد الرحمن بن ناصر بن عبد الله السعدي رحمة الله عليه المتوفى: ۱۳۷۶ هجري)

অর্থ: অত্র পবিত্র আয়াত শরীফ উনার দ্বারা এই উম্মাতের পবিত্র ‘ইজমাউল উম্মাহ’ শরীফ অকাট্য দলীল হিসেবে প্রমানীত। (তাইসীরুল কারীমির রহমান ফী তাফসীরি কালামিল্ মান্নান অর্থাৎ তাফসীরুস সা’দী সূরাতুল্ বাক্বারাহ ১৪৩ আয়াত শরীফ লেখক: আল্লামা আব্দুর রহমান বিন নাছিরুদ্দীন বিন আব্দুল্লাহ সা’দী রহমাতুল্লাহি আলাইহি ইন্তিকাল: ১৩৭৬ হিজরী)

অত্র ইবারতগুলো দ্বারা পবিত্র ইজমাউল উম্মাহ যে সম্মানিত শরীয়াত উনার অকাট্য দলীল তা প্রমাণ করা হয়েছে। আর পবিত্র ইজমা উনাকে অনুসরণ করা মূলত: মাযহাবী ফায়সালা। পবিত্র ইজমা উনাকে মান্য করার অর্থই হলো মাযহাব মান্য করা।

কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াস-এর দৃষ্টিতে প্রাণীর মূর্তি তৈরি করা ও ছবি আঁকা, তোলা, তোলানো, রাখা, রাখানো, দেখা, দেখানো হারাম-নাজায়িয হওয়ার অকাট্য প্রমাণ ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া-২৮

কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াস-এর দৃষ্টিতে লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান বা শবে বরাত-এর আহকাম ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া-১

কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াস-এর দৃষ্টিতে প্রাণীর মূর্তি তৈরি করা ও ছবি আঁকা, তোলা, তোলানো, রাখা, রাখানো, দেখা, দেখানো হারাম-নাজায়িয হওয়ার অকাট্য প্রমাণ ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া-২৯

কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াস-এর দৃষ্টিতে লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান বা শবে বরাত-এর আহকাম ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া-২

কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াস-এর দৃষ্টিতে প্রাণীর মূর্তি তৈরি করা ও ছবি আঁকা, তোলা, তোলানো, রাখা, রাখানো, দেখা, দেখানো হারাম-নাজায়িয হওয়ার অকাট্য প্রমাণ ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়া-৩০