পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং উত্তরাঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চলছে অবাধ খ্রিস্টান ধর্মান্তরিতকরণ। বিষয়টি অদূর ভবিষ্যতে গভীর শঙ্কার। রহস্যজনক কারণে নীরব সরকার।

সংখ্যা: ২২৫তম সংখ্যা | বিভাগ:

সব প্রশংসা মুবারক মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ ও সালাম মুবারক।
বাংলাদেশের পার্বত্য এলাকাকে ঘিরে এনজিও এবং আন্তর্জাতিক খ্রিস্টান লবি খ্রিস্টীয় সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও ধর্ম প্রচারের লক্ষ্যে সুদীর্ঘকাল ব্যাপী নানামুখী চক্রান্ত চালিয়ে আসছে। মুঘল আমলেই এদেশের প্রতি এনজিও এবং খ্রিস্টান মিশনারীদের শ্যেন দৃষ্টি পতিত হয়। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর শাসনামলে মিশনারীগণ খ্রিস্টীয় সংস্কৃতির বিকাশ ও ধর্মান্তরের যে প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করে, পর্যায়ক্রমে পাকিস্তান ও বাংলাদেশ আমলে তার ক্রমবিকাশ সাফল্যের সাথে অব্যাহত থাকে। স্কুল প্রতিষ্ঠা, শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, হাসপাতাল স্থাপন, ঋণ প্রদান, ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণ, দারিদ্র্য বিমোচন, কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট ও নারীর ক্ষমতায়ন প্রভৃতি মুখরোচক কর্মসূচির আড়ালে রয়েছে এ দেশে ইউরোপীয় সংস্কৃতি ও খ্রিস্টান ধর্ম প্রচার করার নীল নকশার বাস্তবায়ন।
ড. উইলিয়াম কেরি, ড. টমাস, রিচার্ড হলওয়ে, ফাদার ক্লাউজ বার্লার, টরবেন ভি পিটারসন, আলফ্রেড রবিন মন্ডল ও ড. অলসন-এর মতো লোকেরা বাংলা ভাষাভাষী জনগোষ্ঠীর মধ্যে বাইবেলের শিক্ষা, কৃষ্টি ও আদর্শ প্রচারের জন্য বাংলা ভাষা রপ্ত করে। মি. কেরি নতুন আঙ্গিকে বাংলা ব্যাকরণ সংশোধন করে এবং ১৮০০ সালে ইংল্যান্ড থেকে বাংলা বর্ণমালার ছক এনে কলকাতার শ্রীরামপুর মিশন থেকে বাংলায় বাইবেল মুদ্রণ ও প্রচারের ব্যবস্থা করে। ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান হিসেবে কর্মরত অবস্থায় ড. কেরি ‘কথোপকথন’ ও ‘ইতিহাসমালা’ নামক বাংলায় দুটি গ্রন্থ রচনা করে। ১৮৫৭ সালে সিপাহী বিপ্লবের সময় ভারতীয় উপমহাদেশে ৯০টি প্রটেস্ট্যান্ট খ্রিস্টান মিশনারী সংস্থা কর্মরত ছিল। রোমান ক্যাথলিক চার্চের সংখ্যা এর বাইরে। এদেশে প্রতিকূল পরিবেশে খ্রিস্ট ধর্ম-সংস্কৃতির প্রচার ও বিকাশে তারা যে ত্যাগ ও সাধনা করে তা রীতিমতো বিস্ময়ের উদ্রেক করে।
বিদেশী অর্থে পরিপুষ্ট বহু এনজিও পার্বত্যঞ্চলসহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় সক্রিয়। এদের বেশির ভাগই পাহাড়ি জনগোষ্ঠীকে ধর্মান্তরিত করছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২০ বছরে পাবর্ত্যাঞ্চলে সেখানে ১২ হাজার উপজাতীয় পরিবার খ্রিস্টান হয়েছে। তিন পার্বত্য জেলায় ১৯৪টি গির্জা এ ক্ষেত্রে মুখ্য ভূমিকা রাখছে।
খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার সাজেক ইউনিয়নটি সীমান্তবর্তী ও দুর্গম যা বাংলাদেশের কোনো কোনো জেলার সমান। নৈসর্গিক সৌন্দর্যম-িত এই উপত্যকায় পৌঁছতে খাগড়াছড়ি বা রাঙ্গামাটি শহর থেকে দু’দিন লাগে। এই ইউনিয়নের ২০টি গ্রামে খেয়াং, বম, পাংখু, লুসাই উপজাতির ১০ হাজার মানুষের বাস। ২০ বছর আগেও এখানে খ্রিস্ট ধর্মের নামগন্ধ ছিল না। উপজাতীয়দের ভাষা, সংস্কৃতি সবই ছিল। আজ কিছুই নেই। শুধু ইংরেজিতে কথা বলাই নয়; সেখানকার অধিবাসীরা গিটার বাজিয়ে ইংরেজি গান গায়; মেয়েরা পরে প্যান্ট-শার্ট স্কার্ট। তাদের দেখে মনে হয় যেন বাংলার বুকে ‘একখ- ইউরোপ’। কারণ এখন তারা প্রায় সবাই খ্রিস্টান। দীর্ঘ দিন ধরে এই এলাকায় খ্রিস্টানেরা অনেক কৌশল ও টাকা ব্যয়ে ধর্মান্তরিত করে চলেছে। পাংখু উপজাতি পুরোপুরি খ্রিস্টান হয়ে গেছে; বদলে গেছে তাদের ভাষা; এমনকি হরফও ইংরেজি। এনজিওর নাম ধারণ করে খ্রিস্টানেরা এই দুর্গম এলাকায় হাসপাতাল, বিনোদন কেন্দ্র, গির্জা ইত্যাদি গড়ে তুলেছে।
‘প্রতিটি মানুষের জন্য একটি বাইবেল এবং প্রত্যেক জনগোষ্ঠীর জন্য একটি গির্জা’- এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে তারা লক্ষ্য পানে ছুটে চলেছে। ১৯৩৯ সালে বাংলাদেশে খ্রিস্টান ছিল ৫০ হাজার। ১৯৯২ সালে সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫ লাখ। আশঙ্কা করা হচ্ছে এভাবে ধর্মান্তকরণ করতে দিলে অচিরেই খ্রীস্টানদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে যা পরবর্তীতে ফিৎনা সৃষ্টি কারণ হবে। এনজিও ওয়ার্ল্ড ভিশনের অব্যাহত প্রচেষ্টার ফলে ১৯৯১ সালে একমাত্র গারো পাহাড় এলাকায় ১৬ হাজার ভোটার তালিকাভুক্ত হয় এবং খ্রিস্টান জনশক্তি দাঁড়ায় ৫০ হাজারে।
প্রাপ্ত তথ্য মতে, খ্রিস্টান কমিশন ফর ডেভলপমেন্ট বাংলাদেশ (সিসিডিবি), অ্যাডভানটেজ ক্রুশ অব বাংলাদেশ, হিউম্যানিট্রেইন ফাউন্ডেশন, গ্রিন হিল, গ্রামীণ উন্নয়ন সংস্থা (গ্রাউস), ইভানজেলিক্যাল খ্রিষ্টান ক্রুশ, শান্তিরানী ক্যাথলিক চার্চ, জাইনপাড়া আশ্রম, তৈদান, আশার আলো, মহামণী শিশু সদন, কৈনানিয়া, তৈমু প্রভৃতি এনজিওর বিরুদ্ধে তিন পার্বত্য জেলায় খ্রিষ্ট ধর্মে ধর্মান্তরিতকরণ প্রক্রিয়ার সাথে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে। এনজিওগুলো নানা প্রলোভনে পড়ে দলে দলে ধর্মান্তরিত হচ্ছে পাহাড়ি উপজাতীয় জনগোষ্ঠী। এসব এনজিও প্রতি সপ্তাহে চাল, ডাল, তেল বিতরণের পাশাপাশি মাসিক অর্থও সাহায্য করছে খ্রিস্টান হওয়ার শর্তে।

সূত্র মতে, বছরখানের আগে এসব এনজিওকে সরকারি নজরদারিতে আনলেও তাদের কার্যক্রম থেমে নেই। দারিদ্র্য ও সরলতার সুযোগ নিয়ে পাহাড়িদের সাহায্য ও সহযোগিতার নাম করে এনজিওগুলো তাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হাসিল করছে।
বলাবাহুল্য, সুদান থেকে যেমন খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের সংখ্যাধিক্যের কথা বলে দারফুরকে আলাদা করা হয়েছে তেমনি পার্বত্যঞ্চলে আলাদা স্বাধীন খ্রিস্টান রাজ্যের কথা শোনা যাচ্ছে বহু আগ থেকেই। এখনও সতর্ক নয় সরকার। সক্রিয় নয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মূলত: তাদের অথর্বতার বিপরীতে স্বাধীনতাকে অক্ষুণœ রাখতে হলে গোটা দেশবাসীর জেগে উঠার বিকল্প নেই।
মূলত সব সমস্যা সমাধানে চাই সদিচ্ছা ও সক্রিয়তা তথা সততা। কিন্তু এর জন্য প্রয়োজন নেক ছোহবত মুবারক, নেক সংস্পর্শ মুবারক তথা রূহানী ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ মুবারক।
যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা পাওয়া সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। (আমীন)
-মুহম্মদ আশরাফে মাহবূবে রব্বানী

কয়লা ধুলে যায় না ময়লা স্বাধীনতা উত্তর ৩৭ বছর গেলেও ৭১-এর খুনী ধর্ষক রাজাকারদের চরিত্র পাল্টায় না

জঙ্গিবাদী সংগঠন হিযবুত তাহরীর জামাতে মওদুদীরই সহযাত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জঙ্গি বানানোই ওদের আসল উদ্দেশ্য ঢাবি-জাবি-রাবি-চবিসহ সব বিশ্ববিদ্যালয়েই ওদের নিষিদ্ধ করা এবং উচ্ছেদ করা সরকারের আশু কর্তব্য-১

“তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ‘তত্ত্ব’ ব্যর্থ স্বীকারের পর গণতন্ত্রের ‘তন্ত্র’ও যে ভুলমন্ত্র তথা মরিচিকা মাত্র এবং ইসলামের দৃষ্টিতে তাহা হারাম ও নাজায়িয”- সেইটা বুঝিতে দেশবাসী মুসলমানদের আর কতো দিন লাগিবে? (৩)

যুগের আবূ জাহিল, মুনাফিক ও দাজ্জালে কায্যাবদের বিরোধিতাই প্রমাণ করে যে, রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী হক্ব। খারিজীপন্থী ওহাবীদের মিথ্যা অপপ্রচারের দাঁতভাঙ্গা জবাব-৫৫

চাঁদ দেখা ও নতুন চন্দ্রতারিখ নিয়ে প্রাসঙ্গিক আলোচনা-২৩