বাংলাদেশ নিয়ে বৃহৎ শক্তিগুলোর শীতল যুদ্ধ!  বাংলাদেশ নিয়ে আমেরিকাকে চাপ ভারতের, চীনকে চাপ আমেরিকার। কৌশলে ভুল করলে বাংলাদেশ চরম ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

সংখ্যা: ২৩৪তম সংখ্যা | বিভাগ:

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লিওন প্যানেটা নৌশক্তির সিংহভাগ এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নিয়ে আসার যে পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে তার প্রধান কারণ হচ্ছে চীনের উত্থান, বিশেষ করে দক্ষিণ চীন সাগরের কর্তৃত্ব নিয়ে বিরোধ। দৃশ্যত চীন একতরফাভাবেই দক্ষিণ চীন সাগরে কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে চাচ্ছে। এতে ক্ষতির শিকার হচ্ছে ফিলিপাইন ও তাইওয়ানের মতো যুক্তরাষ্ট্রের মিত্ররা। বিরোধপূর্ণ এলাকায় তেলসহ নানা খনিজ সম্পদ পাওয়া গেছে, যা যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের নীতি বিশ্বের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও অগ্রগতির ভরকেন্দ্রকে ঘিরে আবর্তিত হয়। একসময় বিশ্বে প্রবৃদ্ধির কেন্দ্র ছিল ইউরোপ। পরে তা যুক্তরাষ্ট্রে স্থানান্তরের পর বর্তমানে তা এশিয়ায় বিশেষত বাংলাদেশের দিকে চলে এসেছে। এশিয়া ও এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল বিশেষ করে বাংলাদেশেরও সম্পদ, জনশক্তি পশ্চিমা দেশগুলোর চেয়ে অনেক বেশি। যুক্তরাষ্ট্র এখানে স্থায়ীভাবে তার প্রভাব বিস্তার করতে চায়।

মূলত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন এবং ভারতের মতো বৃহৎ শক্তিগুলোর শীতল যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হচ্ছে বাংলাদেশ। নিজ স্বার্থরক্ষার্থে দেশগুলো মরিয়া। কারো সাথে বৈরিতা নয়, সবার সাথে বন্ধুত্ব নীতি বজায় রাখতে গিয়ে মাঝখানে নাজুক অবস্থানে বাংলাদেশ। ভারতের সাথে এ মুহূর্তে ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি ভালো সম্পর্ক বলে দাবি করছে সরকার। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথেও নিরাপত্তা সংলাপের বেড়াজালে সামরিক সম্পর্ক বৃদ্ধি পাচ্ছে। সন্ত্রাসবাদ দমন, নিরাপত্তা ও মানবিক সহায়তা এবং জাতিসংঘ তথা ইহুদীসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমসহ বঙ্গোপসাগরের নিরাপত্তা রক্ষার নামে বাড়ছে মার্কিন অংশগ্রহণ। অন্যদিকে পররাষ্ট্রনীতিতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সাবেক ৪ দলীয় সরকারের নীতি ছিল ‘রোড টু ইস্ট’ বা পূর্বমুখী কূটনীতি। বর্তমান সরকারও ভিন্ন নামে একে বলছে রিজিওনাল কানেকটিভিটি।

আঞ্চলিক শক্তি বিশেষ করে ভারত চায় না- এ অঞ্চলের ছোট দেশগুলোর সামরিক শক্তি বাড়–ক। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককেও ভারত দেখছে সন্দেহের চোখে। মিয়ানমারের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর ওয়াশিংটন চাইছে বাংলাদেশের সাথে মিয়ানমারের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হোক। এখানে রয়েছে দিল্লির আপত্তি, মিয়ানমার ও আসিয়ানের দেশগুলোর সাথে বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভারতের রয়েছে অনাগ্রহ। কারণ এর ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতি ও পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে ভারত নির্ভরতা আর থাকবে না। বঙ্গোপসাগরের রণকৌশলিক গুরুত্ব এবং সর্বোপরি রাশিয়া ও চীনের সাথে ভারতের ব্রিকস গঠন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে আর ‘ভারতের চোখ’ দিয়ে বাংলাদেশকে দেখার স্থানে রাখেনি।

বাংলাদেশ যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে গুরুত্বপূর্ণ চীন আক্রমণের জন্য। তেমনি চীনের কাছেও গুরুত্বপূর্ণ আত্মরক্ষার জন্য। আর ভারতের কাছে বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ শুধু একটি নয়, তিনটি কারণে। প্রথমতঃ চীনের সম্ভাব্য আক্রমণ থেকে আত্মরক্ষা, দ্বিতীয়তঃ চীনকে পালটা আক্রমণ করা এবং তৃতীয়তঃ পূর্বাঞ্চালীয় রাজ্যগুলোকে ভারতীয় ফেডারেশনের মধ্যে ধরে রাখা।

ভারত তাই বঙ্গোপসাগরে ও বাংলাদেশে মার্কিন বা অন্য যেকোনো শক্তির উপস্থিতি সহ্য করতে চায় না। সম্প্রতি চীন ও বাংলাদেশ ২০৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যেখানে বাংলাদেশ দুটি ‘মিং’ সাবমেরিন পাবে। ভারত এ চুক্তির কঠোর সমালোচনা করেছে এবং বেইজিংয়ের কাছে এ চুক্তির প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে জানতে চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছে। আসন্ন এ হুমকির কথা চিন্তা করে ভারতীয় নৌবাহিনী কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে ‘সাগর’ দ্বীপে তারা বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা ঘেঁষে মিসাইল ব্যাটারি স্থাপন করবে। উপরন্তু তারা গভীর সমুদ্রবন্দরের সংস্কার কার্যক্রম অনেক জোরেশোরেই করছে যেন যুদ্ধজাহাজগুলো সেখানে নোঙর করতে পারে। পরবর্তীতে তারা সাগর দ্বীপে ভূমি থেকে জাহাজে, ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপণযোগ্য মিসাইল ব্যবস্থা স্থাপন করবে। ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বঙ্গোপসাগরে তাদের অবস্থানকে শক্তিশালী করতে বড় অঙ্কের বরাদ্দ করেছে।

এ পরিস্থিতিতে ভারতের অবস্থান দুই পরাশক্তি চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী। চীন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র উভয়ের ব্যাপারে ভারত সন্দিগ্ধ। তাই সে কখনো চীনকে হুমকি মনে করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি এবং কখনো যুক্তরাষ্ট্রকে হুমকি মনে করে চীনের প্রতি ঝুঁকে পড়ে। এ দোলচালের মধ্যে ভারত যে রণকৌশলিক অবস্থানটা স্থির রাখতে চায়, তাহলো- বঙ্গোপসাগরে নিজেকে ছাড়া অন্য কোনো বৃহৎশক্তিকে প্রবেশ করতে না দেয়া।

এ অবস্থার মধ্যে ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক আরো এগিয়ে নিতে চীনের উচ্চ পর্যায়ের রাজনৈতিক ও সামরিক প্রতিনিধিদের ঢাকা সফর। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বেইজিং সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছে চীনা কর্তৃপক্ষ। বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত লী জুন ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে এ বিষয়গুলো তুলে ধরে।

চীনা রাষ্ট্রদূত বলেছে, “দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ক এই মুহূর্তে খুবই চমৎকার। দু’দেশের রাজনৈতিক ও মানুষে মানুষে সম্পর্ক আরো এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ, চীন, ভারত ও মিয়ানমারের (বিসিআইএম) অর্থনৈতিক করিডোর বিভিন্ন ক্ষেত্রে দু’দেশের সহযোগিতাকে আরো উন্নত করবে।”

এ অর্থনৈতিক করিডোরে কুনমিংয়ের সাথে চট্টগ্রামের সরাসরি যোগাযোগ একটি মৌলিক বিষয়। সমুদ্রসীমার নিষ্পত্তির পর গত এক বছরে মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক উন্নত হয়েছে। মিয়ানমার এখন বিসিআইএম অর্থনৈতিক করিডোরকে ইতিবাচক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখছে।

উল্লেখ্য, বিসিআইএমে বর্তমান প্রস্তাবিত রুটে কলকাতা থেকে চীনের কুনমিং পর্যন্ত রুটটি পশ্চিমবঙ্গ থেকে যশোর-ঢাকা-সিলেট হয়ে আবারো আসামের সিলচরে মিশেছে। এর পর তা মিয়ানমারের মান্দালা হয়ে কুনমিং পৌঁছেছে। এর ফলে অর্থনৈতিক করিডোরের আওতায় বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে ট্রানজিট পেয়ে যায় ভারত। কিন্তু বাংলাদেশ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সাথে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনে এ রুটটি ঢাকা থেকে টেকনাফ হয়ে মিয়ানমারের চাকতোর (কোয়াক কো) মধ্য দিয়ে কুনমিং পৌঁছতে চাইছে। বাংলাদেশ কোয়াক কোর সাথে যুক্ত হতে পারলে সহজেই কুনমিংয়ের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারবে, কেননা চীন আগে থেকেই এ যোগাযোগ অবকাঠামো খাতে বিশাল বিনিয়োগ করেছে। ঢাকাস্থ মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান মজিনাও এ আঞ্চলিক যোগাযোগ বৃদ্ধির ব্যাপারে খুবই আগ্রহ প্রকাশ করে।

উল্লেখ্য, আগে আমেরিকার স্টেট ডিপার্টমেন্ট- যেটা ওদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সেখানে বাংলাদেশ ডেস্ক বলে আলাদা কিছু ছিল না; ইন্ডিয়ান ডেস্কেরই অন্তর্গত ছিল বাংলাদেশ। নীতির নতুন পর্যায় বা গুরুত্বের কারণে এবার ২০১১ সাল থেকে আলাদা করে বাংলাদেশ ডেস্ক খোলা হয়।

মার্কিন পররাষ্ট্র নীতিতে নতুন এক বয়ান হাজির হয়- “পার্টনারশিপ ডায়ালগ”। এই অঞ্চলের সব দেশের সাথে আমেরিকা “পার্টনারশিপ ডায়ালগ” নামে চুক্তির জন্য তৎপর হয়ে উঠছে। বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই “পার্টনারশিপ ডায়ালগ” বিষয়ক চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী। ধরনের দিক থেকে “পার্টনারশিপ ডায়ালগ”-এর ফোকাস অর্থনৈতিক নয়, বরং স্ট্রাটেজিক অর্থাৎ সামরিক ও রাজনৈতিক।

পাশাপাশি উল্লেখ্য, গত ৫ জানুয়ারি (২০১৪ঈ.) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের জন্য আলাদা ডেস্ক চালু হয়েছে। যা আগে শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সঙ্গে একই ডেস্কে (বিএসএম) ছিল। এখন দেশ দুটিকে ভারত মহাসাগরীয় দেশগুলোর জন্য নির্ধারিত ডেস্কের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং এর নাম দেয়া হয়েছে এসএমঅ্যান্ডআইওআর বিভাগ। ভারতের এই পদক্ষেপের মধ্যে তাদের পররাষ্ট্র নীতিতে বাংলাদেশের বিষয়ে আরো বেশি মনোযোগ দেয়ারই ইঙ্গিত বটে।

অপরপক্ষে ২০১২ সালেই এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ঘোষণা অনুযায়ী ২০২০ সাল নাগাদ যুক্তরাষ্ট্রের মোট যুদ্ধজাহাজের ৬০ শতাংশই এ অঞ্চলে মোতায়েন করা হবে। একদিকে মার্কিন রণতরী বাড়ানোর ঘোষণা, অপরদিকে ভারতকে ঘিরে রেখে চীনের নৌ-উপস্থিতি বাড়ানোয় উদ্বিগ্ন ভারত। বাংলাদেশে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণে চীনের আগ্রহ এবং বাংলাদেশের নৌবাহিনীর সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতামূলক সম্পর্ক বাড়ানোকেও ভারত ভালোভাবে নিতে পারছে না।

বঙ্গোপসাগরের কারণে ভারত মহাসাগরের পানিসীমায় হওয়ায় বাংলাদেশ নিরাপত্তার কৌশলগত দিক দিয়ে খুবই গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে। আর বঙ্গোপাসাগরের কারণে ভারত মহাসাগরে আমাদের গুরুত্বপূর্ণ অধিকার রয়েছে। এ অবস্থানের কারণে ভবিষ্যতে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক বিশেষ করে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের যে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তা নির্ভর করবে আমরা এর সুযোগ কতোটা নিতে পারবো তার উপরে। দু’ভাবে বাংলাদেশ এটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে- এক্সেস কন্ট্রোল অথবা এক্সেস ডিনায়াল অর্থাৎ আমরা কাউকে এ সুযোগ দিতে পারি অথবা বাদও দিতে পারি।

এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের উপস্থিতি জোরদার হলে বাংলাদেশ লাভবান হবে, না ক্ষতিগ্রস্ত হবে- তাও নির্ভর করবে এ দেশের পররাষ্ট্রনীতির উপর। মূলত নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কারণে বঙ্গোপসাগরের নিয়ন্ত্রণ এ মুহূর্তে বাংলাদেশের হাতে নেই। তবে তথাকথিত বড় শক্তিগুলো যখন পরস্পর দ্বন্দ্ব সংঘাতে লিপ্ত হবে তখন বাংলাদেশের প্রতি অনেক প্রলোভনের পাশাপাশি অনেক ধরনের চাপ আসতে পারে। শীতল যুদ্ধের সময় অনেক দেশ তাদের নীতির জন্য লাভবান হয়েছে। বাংলাদেশ দূরদৃষ্টি দিয়ে তার পররাষ্ট্রনীতি ঠিক করলে এ থেকে যেমন লাভবান হতে পারে, তেমনি নীতিতে ভুল করলে চরম ক্ষতির শিকারও হতে পারে।

-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান

যুগের আবূ জাহিল, মুনাফিক ও দাজ্জালে কায্যাবদের বিরোধিতাই প্রমাণ করে যে, রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী হক্ব। খারিজীপন্থী ওহাবীদের মিথ্যা অপপ্রচারের দাঁতভাঙ্গা জবাব-৬৭

ভ্রান্ত ওহাবী মতবাদ প্রচারের নেপথ্যে-১৬

চাঁদ দেখা ও নতুন চন্দ্রতারিখ নিয়ে প্রাসঙ্গিক আলোচনা-৩৫

বাতিল ফিরক্বা ওহাবীদের অখ্যাত মুখপত্র আল কাওসারের মিথ্যাচারিতার জবাব-২৫ হাদীছ জালিয়াতী, ইবারত কারচুপি ও কিতাব নকল করা ওহাবীদেরই জন্মগত বদ অভ্যাস ওহাবী ফিরক্বাসহ সবগুলো বাতিল ফিরক্বা ইহুদী-নাছারাদের আবিষ্কার! তাদের এক নম্বর দালাল

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ‘সংবিধানের প্রস্তাবনা’, ‘মৌলিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা’ ‘জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা’ এবং ‘জাতীয় সংস্কৃতি’ শীর্ষক অনুচ্ছেদের সাথে- থার্টি ফার্স্ট নাইট তথা ভ্যালেন্টাইন ডে পালন সরাসরি সাংঘর্ষিক ও সংঘাতপূর্ণ’। পাশাপাশি মোঘল সংস্কৃতির দান পহেলা বৈশাখ পালনও প্রশ্নবিদ্ধ।সংবিধানের বহু গুরুত্বপূর্ণ ও বিশেষ স্পর্শকাতর অনুচ্ছেদের প্রেক্ষিতে ৯৫ ভাগ মুসলমানের এদেশে কোনভাবেই থার্টি ফার্স্ট নাইট ও ভ্যালেন্টাইন ডে পালিত হতে পারে না।পারেনা গরিবের রক্ত চোষক ব্র্যাকের ফজলে আবেদও ‘নাইট’ খেতাব গ্রহণ করতে। পারেনা তার  নামের সাথে ‘স্যার’ যুক্ত হতে। পাশাপাশি মোঘল সংস্কৃতির দান পহেলা বৈশাখ পালনও প্রশ্নবিদ্ধ।