বাতিল ফিরক্বা ওহাবীদের অখ্যাত মুখপত্র আল কাওসারের মিথ্যাচারিতার জবাব-৩৩

সংখ্যা: ২০৩তম সংখ্যা | বিভাগ:

হাদীছ জালিয়াতী, ইবারত কারচুপি ও কিতাব নকল করা ওহাবীদেরই জন্মগত বদ অভ্যাস

ওহাবী ফিরক্বাসহ সবগুলো বাতিল ফিরক্বা ইহুদী-নাছারাদের আবিষ্কার! তাদের এক নম্বর দালাল

বর্তমানে ইসলামের নামে বা মুসলমানের ছূরতে ইসলাম ও মুসলমানদের ক্ষতি সাধনে বা মুসলমানদের ঈমান আমল নষ্ট করণে ইহুদী-নাছারাদের খাছ দালাল বা এজেন্ট হয়ে যারা কাজ করছে তারা হলো-   ১. কাদিয়ানী ২. শিয়া, ৩. ওহাবী।

ওহাবী বাতিল ফিরক্বা

বর্তমানে ইসলামের ছূরতে মুসলমানের ঈমান-আমলের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করছে যে দলটি, সেটি হচ্ছে- ‘ওহাবী ফিরক্বা’। অর্থাৎ ইবনে ওহাব নজদীর অনুসারীরা। আমাদের আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের ফতওয়া মুতাবিক ওহাবীরা বাতিল ফিরক্বার অন্তর্ভুক্ত। কারণ তাদের আক্বীদা ও আমল আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের খিলাফ।

ইবনে ওহাব ইহুদী দালাল ব্রিটিশ গুপ্তচর হেমপারের স্বীকারোক্তি

শয়তান যে মানুষকে নেক সুরতে ধোঁকা দেয়, এ বিষয়টি ভালভাবে অনুধাবন করেছিল শয়তানের অনুচর ইহুদী এবং খ্রিস্টানরা। মুসলমানদের সোনালী যুগ এসেছিল শুধু ইসলামের পরিপূর্ণ অনুসরণের ফলে। শয়তানের চর ইহুদী খ্রিস্টানরা বুঝতে পেরেছিল মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ, অনৈক্য, সংঘাত সৃষ্টি করতে পারলেই ইসলামের জাগরণ এবং বিশ্বশক্তি হিসেবে মুসলমানদের উত্থান ঠেকানো যাবে। আর তা করতে হবে ইসলামের মধ্যে ইসলামের নামে নতুন মতবাদ প্রবেশ করিয়ে। শুরু হয় দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা যার মূলে থাকে খ্রিস্টীয় ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ। জন্ম হয় ওহাবী মতবাদের। ওহাবী মতবাদ সৃষ্টির মূলে থাকে একজন ব্রিটিশ গুপ্তচর হেমপার। মিসর, ইরাক, ইরান, হেজাজ ও তুরস্কে তার গোয়েন্দা তৎপরতা চালায় মুসলমানদের বিভ্রান্ত করার জন্য। “Confession of British Spy and British enmity against Islam” গ্রন্থ হচ্ছে হেমপারের স্বীকারোক্তিমূলক রচনা। মাসিক আল বাইয়্যিনাত-এর মতামত বিভাগে ১২৪তম সংখ্যা থেকে ১৭৭তম সংখ্যায় তা বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। নিম্নে সংক্ষিপ্তভাবে কিছু বিষয় উল্লেখ করা হলো-

ইবনে ওহাব নজদীর কতিপয় কুফরী আক্বীদা

ইবনে ওহাব নজদীর বঙ্গানুবাদ ‘কাশফুশ শুবহাত’ বইয়ের প্রথম অধ্যায়ের প্রথম পৃষ্ঠায় নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে দোষারোপ করে বলা হয় যে-
১.    নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মক্কা শরীফ-এর নেককার কাফিরদের মূর্তি ভেঙে অন্যায় কাজ করেছেন। নাঊযুবিল্লাহ! নজদী ওহাবী কাফিরের নিকট মূর্তি নির্মাণ নেক কাজরূপে গণ্য ছিলো এবং মূর্তি ভাঙ্গা অপরাধে গণ্য ছিল। নাঊযুবিল্লাহ!
২.    কাফিররা ইবাদত, হজ্জ, দান-খয়রাত ইত্যাদি নেক কাজ করতো। বিশেষ করে তারা আল্লাহ পাক উনাকে অধিক মাত্রায় স্মরণ করতো। নাঊযুবিল্লাহ!
৩.    মুশরিকরা সাক্ষ্য দিতো আল্লাহ পাক তিনি এক। নাঊযুবিল্লাহ!
৪.    নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যে সমস্ত মুশরিকদের বিরুদ্ধে জিহাদে অবতীর্ণ হয়েছিলেন তারা তৌহিদ এবং রুবুবিয়তে পূর্ণ বিশ্বাসী ছিলো। তারা আল্লাহ পাক উনার রুবুবিয়তের গুণাবলী মেনে নিয়েছিল। অথচ আল্লাহ পাক উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তাদেরকে সেই তৌহিদের অন্তর্ভুক্ত করেননি। নাঊযুবিল্লাহ! (দ্বিতীয় অধ্যায় তৃতীয় পৃষ্ঠা)
৫.    মুসলমানদের তুলনায় কাফিররা “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু”-এর অর্থ বেশি ভালো জানতো। নাঊযুবিল্লাহ! (তৃতীয় অধ্যায় সপ্তম পৃষ্ঠা)
৬.    মুসলমানরা নবী, ওলী, বৃক্ষ, কবর, জিন প্রভৃতিকে ‘ইলাহ’ এর আসনে উপবেষ্টিত করেন। নবীগণ কাফিরদেরকে একথা বুঝাবার প্রয়োজন মনে করেননি। নাঊযুবিল্লাহ! (অষ্টম পৃষ্ঠা)
৭.    কাফিররা কালিমার অর্থ বুঝে নিয়েছিলো, কিন্তু মুসলমানগণ তাও বুঝে নিতে সক্ষম হচ্ছে না। নাঊযুবিল্লাহ! (নবম পৃষ্ঠা)
৮.    স্বয়ং হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজের কোনো কল্যাণ বা অকল্যাণ সাধন করতে সক্ষম নন। হযরত আব্দুল কাদের জিলানী (রহমতুল্লাহি আলাইহিসহ) অন্যান্যরা তো বহু দূরের কথা। নাঊযুবিল্লাহ! (বিশ পৃষ্ঠা)
৯.    যাদের সঙ্গে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যুদ্ধ করেছেন, তারা আল্লাহ পাক উনাকে ভালো করে জানতো।  নাঊযুবিল্লাহ!
১০.    কুরআন শরীফ-এ ঘোষিত হুদায়বিয়ার সন্ধিকে মেনে নেয়নি ইবনে ওহাব।
-মুহম্মদ আবুল হাসান, বাসাবো , ঢাকা।

প্রসঙ্গ: ইসরাইলি পণ্য বর্জনের আহ্বান জানিয়েছে তুরস্ক। ইসরাইলের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অবরোধসহ কঠোর সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা মুসলিম বিশ্বের এখন ফরযের উপর ফরয।

সুদ পরিশোধেই ব্যয় হবে বাজেটের ১১ শতাংশ। প্রত্যেক বছর বাজেটের আকার বাড়লেও এর সুফল পাচ্ছে না দেশ ও দেশের জনগণ। জনগণের উচিত সরকারকে বাধ্য করা- ঋণের ধারা থেকে সরে এসে অভ্যন্তরীণ অর্থ-সম্পদের দিকে গুরুত্ব দিয়ে বাজেটকে গণমুখী করার জন্য।

বাংলাদেশে জিএমও ফুড প্রচলনের সকল ষড়যন্ত্র বন্ধ করতে হবে-২

পর্যবেক্ষক ও সমালোচক মহলের মতে- ভারতের কাছে দেশের স্বার্থ বিলিয়ে দেয়ার নিকৃষ্টতম উদাহরণ রামপালে কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র। মাত্র ১৫ ভাগ বিনিয়োগ করে ভারত মালিকানা পাবে ৫০ ভাগ। আর ধ্বংস হবে এদেশের সুন্দরবন। সুন্দরবনকে ধ্বংস করার সিদ্ধান্ত থেকে সরকারকে সরে আসতে হবে (২)

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতোই রূপপুরের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ভয়াবহ। রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে কিন্তু রূপপুর অজ্ঞতার আঁধারেই রয়ে গেছে? বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিষয়টি বিশেষভাবে আমলে নিতে হবে। প্রয়োজনে সচেতন জনগণকেই প্রতিহত করতে হবে (২)