বাতিল ফিরক্বা ওহাবীদের অখ্যাত মুখপত্র আল কাওসারের মিথ্যাচারিতার জবাব-২৮ হাদীছ জালিয়াতী, ইবারত কারচুপি ও কিতাব নকল করা ওহাবীদেরই জন্মগত বদ অভ্যাস ওহাবী ফিরক্বাসহ সবগুলো বাতিল ফিরক্বা ইহুদী-নাছারাদের আবিষ্কার! তাদের এক নম্বর দালাল

সংখ্যা: ১৯৭তম সংখ্যা | বিভাগ:

বর্তমানে ইসলামের নামে বা মুসলমানের ছূরতে ইসলাম ও মুসলমানদের ক্ষতি সাধনে বা মুসলমানদের ঈমান আমল নষ্ট করণে ইহুদী-নাছারাদের খাছ দালাল বা এজেন্ট হয়ে যারা কাজ করছে তারা হলো-   ১. কাদিয়ানী ২. শিয়া, ৩. ওহাবী।

ওহাবী বাতিল ফিরক্বা

বর্তমানে ইসলামের ছূরতে মুসলমানের ঈমান-আমলের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করছে যে দলটি, সেটি হচ্ছে- ‘ওহাবী ফিরক্বা’। অর্থাৎ ইবনে ওহাব নজদীর অনুসারীরা। আমাদের আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের ফতওয়া মুতাবিক ওহাবীরা বাতিল ফিরক্বার অন্তর্ভুক্ত। কারণ তাদের আক্বীদা ও আমল আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের খিলাফ।

ইবনে ওহাব ইহুদী দালাল

ব্রিটিশ গুপ্তচর হেমপারের স্বীকারোক্তি

শয়তান যে মানুষকে নেক সুরতে ধোঁকা দেয়, এ বিষয়টি ভালভাবে অনুধাবন করেছিল শয়তানের অনুচর ইহুদী এবং খ্রিস্টানরা। মুসলমানদের সোনালী যুগ এসেছিল শুধু ইসলামের পরিপূর্ণ অনুসরণের ফলে। শয়তানের চর ইহুদী খ্রিস্টানরা বুঝতে পেরেছিল মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ, অনৈক্য, সংঘাত সৃষ্টি করতে পারলেই ইসলামের জাগরণ এবং বিশ্বশক্তি হিসেবে মুসলমানদের উত্থান ঠেকানো যাবে। আর তা করতে হবে ইসলামের মধ্যে ইসলামের নামে নতুন মতবাদ প্রবেশ করিয়ে। শুরু হয় দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা যার মূলে থাকে খ্রিস্টীয় ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ। জন্ম হয় ওহাবী মতবাদের। ওহাবী মতবাদ সৃষ্টির মূলে থাকে একজন ব্রিটিশ গুপ্তচর হেমপার। মিসর, ইরাক, ইরান, হেজাজ ও তুরস্কে তার গোয়েন্দা তৎপরতা চালায় মুসলমানদের বিভ্রান্ত করার জন্য। “ঈড়হভবংংরড়হ ড়ভ ইৎরঃরংয ঝঢ়ু ধহফ ইৎরঃরংয বহসরঃু ধমধরহংঃ ওংষধস” গ্রন্থ হচ্ছে হেমপারের স্বীকারোক্তিমূলক রচনা। মাসিক আল বাইয়্যিনাত-এর মতামত বিভাগে ১২৪তম সংখ্যা থেকে ১৭৭তম সংখ্যায় তা বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। নিম্নে সংক্ষিপ্তভাবে কিছু বিষয় উল্লেখ করা হলো-

আব্দুল ওহাবের চরিত্রহীনতা

(পূর্ব প্রকাশিতের পর)

শেষ রাতে সে তার সাথে কয়েক বার মেলামেশা করে। এখনো তার নেশার ভাব কাটেনি। চেহারার সৌন্দর্যও লোপ পেয়েছে। মোট কথা সুফিয়া পুরাপুরি ইবনে আব্দুল ওহাবের উপর প্রভাব বিস্তার করে ফেলেছে। এ সময় নতুন আবাদি এলাকার ঔপনিবেশিক সরকারের উযীরের মূল্যবান কথা মনে পড়ল যা সে আমাকে বিদায় জানাবার প্রাক্কালে বলেছিলো- আমরা স্পেনকে মুসলমানদের থেকে শরাব ও জুয়ার দ্বারা পুনরায় ফিরে পেয়েছি। এখন এ দু’শক্তির মাধ্যমে অন্যান্য এলাকাও ফেরত আনতে হবে।

আবদুল ওহাবের সাথে ধর্মীয় বিষয় আলোচনা:

ইবনে আব্দুল ওহাবের সাথে ধর্মীয় বিষয় আলোচনার সময় একদিন আমি রোযা প্রসঙ্গ উত্থাপন করলাম। আমি বললাম আল্লাহ তায়ালা তো বলেননি রোযা রাখা জরুরী। কাজেই ইসলামে রোযা রাখা মুস্তাহাব। এ সময় ইবনে আবদুল ওহাব ক্রোধান্বিত হলেন। তিনি বললেন: তুমি আমাকে ধর্মচ্যুত করতে চাও? আমি বললাম হে ইবনে আব্দুল ওহাব! দ্বীন বলতে অন্তরের পবিত্রতা, জীবনের নিরাপত্তা ও মাধ্যম পন্থাকে বুঝায়। এ সমস্ত অবস্থা মানুষকে অন্যের উপর জুলুম-অত্যাচার থেকে বিরত রাখে। হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম কি বলেননি- ধর্ম প্রেম ও ভালবাসাকে বুঝায়? পবিত্র কুরআনে আছে-

واعبد ربك حتى ياتيك اليقين.

“এবং নিজ রবের ইবাদত করতে থাকুন, যে পর্যন্ত না ইয়াকীন (মৃত্যু) এসে উপস্থিত হয়।” (সূরা হিজর: আয়াত শরীফ-৯৯)

মানুষ যদি কামেল বিশ্বাসের মনযিলে পৌঁছে যায়, তখন আল্লাহ পাক-উনার নিয়ামত তার হৃদয়ে দৃঢ় হয়ে যায়, আর সে যদি সদাচারী হয়ে যায়, তাহলে রোযার আর কি প্রয়োজন থাকে? এ মনযিলে সে মানবিক উচ্চ মর্যাদার অধিকারী হয়। ইবনে আবদুল ওহাব এবার আমার উপর ভীষণ রাগ করলেন ও নিজের অসন্তুষ্টি প্রকাশ করলেন। আরেকদিন সুযোগমত আমি বললাম নামায জরুরী নয়। তিনি বললেন- কেন? আমি বললাম- আল্লাহ তায়ালা কুরআন-এ বলেছেন-

اقم الصلوة لذكرى

“এবং আমার স্মরণের দ্বারা নামায কায়িম কর।” (সুরা ত্বহা: আয়াত শরীফ-১৪)

সুতরাং নামাযের উদ্দেশ্য হল- যিকরে ইলাহী। আর আপনার উচিত উনার নাম নিজ মুখে জারি রাখা। ইবনে আবদুল ওহাব বললেন- হ্যাঁ, আমি শুনেছি কোন কোন ধর্মীয় আলিম নামাযের সময় আল্লাহ পাক উনার নাম বারবার উচ্চারণ করতে থাকেন, আর তাঁরা নামায পড়েন না। ইবনে আবদুল ওহাবের স্বীকৃতিতে আমি অত্যন্ত আনন্দিত হলাম। কিন্তু সতর্কতা অবলম্বন করে কিছুদূর পর্যন্ত আমি তাকে নামায পড়তে উৎসাহ দিলাম। এর পরিণাম হল- নামাযের পাবন্দী তার থেকে ছুটে গেল। এখন তিনি কখনো নামায পড়েন কখনো পড়েন না। বিশেষ করে সকালের (ফজরের) নামায তিনি প্রায়ই তরক করতে লাগলেন। আমরা গভীর রাত পর্যন্ত জেগে থাকি। এ কারণে তার ভোরে উঠে ওযু করার সাহস হত না। প্রকৃতপক্ষে, আমি ইবনে আব্দুল ওহাবের শরীর থেকে ঈমানী পোশাক ছাড়াতে কামিয়াব হলাম। প্রত্যহ তার সাথে মধুর আলাপ-আলোচনা অব্যাহত দেখা দিল। এ বিষয়ে কিছু বলতে তৈরি হলেন না। তিনি আমাকে বললেন- রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার শানে তুমি যদি কোন প্রকার বেয়াদবী কর তা হলে তোমার ও আমার বন্ধুত্বের দরজা চিরদিনের জন্য এখানেই বন্ধ হয়ে যাবে। আমি পরিশ্রমের ফসল ব্যর্থ হবার উপক্রম দেখে হঠাৎ আমার আলোচনার বিষয় বস্তুর মোড় অন্য দিকে ঘুরিয়ে দিলাম। এরপর ওহাবকে নেতৃত্ব প্রদানের ব্যাপারে চিন্তিত হলাম। তার দিল ও রূহের প্রবেশ করে, শিয়া, সুন্নী ফিরকার বাইরে ইসলামের তৃতীয় ফিরকার নেতৃত্বের জন্য তাকে আগে বাড়াবার জন্য আমলের যোগ্য করে তোলার প্রয়োজন দেখা দিল। এ উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য দরকার ছিল তার মনকে অন্যায় ভালবাসা ও অন্ধ পক্ষপাতিত্ব থেকে মুক্ত করে দেয়া। আর এজন্য তার স্বাধীন চিন্তাধারা, উচ্চাভিলাষকে শক্তি যোগানের প্রয়োজন দেখা দেয়। এ কাজে সুফিয়াও আমার সহযোগী ছিল। কেননা ইবনে আব্দুল ওহাব তাকে অত্যন্ত ভালবাসত, আর সপ্তাহ সপ্তাহ করে মুতয়ার মুদ্দত বাড়াত। মূলত সুফিয়া ইবনে আবদুল ওহাবের সবর, স্থিতি, এমনকি তার সমস্ত ক্ষমতা ছিনিয়ে নিয়েছিল। আমি একবার ইবনে আব্দুল ওহাবকে বললাম: এটা কি ঠক নয় যে, রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার সঙ্গে তার সমস্ত ছাহাবীর সাথে বন্ধুত্ব ছিল। তনি বললেন, হ্যাঁ। আমি বললাম- ইসলামের কানুন স্থায়ী নাকি অস্থায়ী? তিনি বলেন- অবশ্যই স্থায়ী। কেননা রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেছেন- হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার হালালকৃত কিয়ামত পর্যন্ত হালাল থাকবে, আর হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার হারামকৃত কিয়ামত পর্যন্ত হারাম থাকবে। আমি সঙ্গে সঙ্গে বললাম- সুতরাং আমাদের তাঁর সুন্নতের উপর আমল করে এক অপরের বন্ধু ও ভাই হওয়া উচিত। তিনি আমার প্রস্তাব গ্রহণ করলেন। এরপর থেকে আমরা উভয়ে প্রবাসে ও নিবাসে একে অপরের সাথে থাকতে লাগলাম। আমি এ প্রচেষ্টায় ছিলাম- যে বীজ বপনে আমি আমার যৌবনের দিনগুলো ব্যয় করেছি, এখন যথাসম্ভব তাড়াতাড়ি এ ফল থেকে উপকৃত হব। আমি তাকে আশ্বাস দিলাম যে, উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ আপনার অপেক্ষায় আছে।

-মুহম্মদ আবুল হাসান, বাসাবো, ঢাকা।

যুগের আবূ জাহিল, মুনাফিক ও দাজ্জালে কায্যাবদের বিরোধিতাই প্রমাণ করে যে, রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী হক্ব। খারিজীপন্থী ওহাবীদের মিথ্যা অপপ্রচারের দাঁতভাঙ্গা জবাব-৬৭

ভ্রান্ত ওহাবী মতবাদ প্রচারের নেপথ্যে-১৬

চাঁদ দেখা ও নতুন চন্দ্রতারিখ নিয়ে প্রাসঙ্গিক আলোচনা-৩৫

বাতিল ফিরক্বা ওহাবীদের অখ্যাত মুখপত্র আল কাওসারের মিথ্যাচারিতার জবাব-২৫ হাদীছ জালিয়াতী, ইবারত কারচুপি ও কিতাব নকল করা ওহাবীদেরই জন্মগত বদ অভ্যাস ওহাবী ফিরক্বাসহ সবগুলো বাতিল ফিরক্বা ইহুদী-নাছারাদের আবিষ্কার! তাদের এক নম্বর দালাল

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ‘সংবিধানের প্রস্তাবনা’, ‘মৌলিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা’ ‘জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা’ এবং ‘জাতীয় সংস্কৃতি’ শীর্ষক অনুচ্ছেদের সাথে- থার্টি ফার্স্ট নাইট তথা ভ্যালেন্টাইন ডে পালন সরাসরি সাংঘর্ষিক ও সংঘাতপূর্ণ’। পাশাপাশি মোঘল সংস্কৃতির দান পহেলা বৈশাখ পালনও প্রশ্নবিদ্ধ।সংবিধানের বহু গুরুত্বপূর্ণ ও বিশেষ স্পর্শকাতর অনুচ্ছেদের প্রেক্ষিতে ৯৫ ভাগ মুসলমানের এদেশে কোনভাবেই থার্টি ফার্স্ট নাইট ও ভ্যালেন্টাইন ডে পালিত হতে পারে না।পারেনা গরিবের রক্ত চোষক ব্র্যাকের ফজলে আবেদও ‘নাইট’ খেতাব গ্রহণ করতে। পারেনা তার  নামের সাথে ‘স্যার’ যুক্ত হতে। পাশাপাশি মোঘল সংস্কৃতির দান পহেলা বৈশাখ পালনও প্রশ্নবিদ্ধ।