বিশ্বকাপ জ্বর- না, পুঁজিপতিদের পরিকল্পিত ব্যবসায়িক স্বার্থপ্রণোদিত বৈশ্বিক উন্মাদনা। এক ফিফা’রই হাজার হাজার বিলিয়ন অর্থ কামানোর মওকা বিশ্বকাপ ফুটবল। বিশ্বকাপ ফুটবল, ক্রিকেট, অলিম্পিক- কিছুদিন গ্যাপ দিয়ে বিভিন্ন নামে চলছে গোটা বিশ্বকে শুষার গুটিকতক পুঁজিপতির পুঁজিবিলাস। এদের পাতা ফাঁদে পা দিয়ে মুসলমান হারাচ্ছে অর্থ, নষ্ট করছে সময়, বিলিয়ে দিচ্ছে দেশপ্রেম। যেদেশে সব মানুষের পরনে কাপড় নেই, সেদেশে তৈরি হচ্ছে দেড়শ হাত বিদেশী পতাকা। চারদিকে নজর দিলে বোঝার উপায় নেই, এটা কোন দেশ? সত্যিই গভীর বিপন্ন এদেশের স্বাধীনতার পতাকা। বিশ্ব পুঁজিপতিদের অনুসরণে এদেশেও বিস্তার হচ্ছে কর্পোরেট কালচার। বিপর্যস্ত হচ্ছে এদেশের ঐতিহ্য। নিঃশেষ হচ্ছে ঈমানী চেতনা। ধর্মব্যবসায়ী, যুদ্ধাপরাধীরা পুঁজিপতিদের তল্পীবাহক হয়ে যথারীতি নির্বাক। হায়, হুজুগে মাতা বাঙালি! আর কবে তোরা জাগবি?

সংখ্যা: ১৯৭তম সংখ্যা | বিভাগ:

গত ১০.০৬.২০১০ ঈসায়ী তারিখে ‘কিক অফ সেলিব্রেশন কনসার্ট’ স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৮টায় জোহানেসবার্গের সোয়েটোর অরলান্ডো স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছে। যাকে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘শুরুর আগে বিশ্বকাপ শুরু’ হিসেবে।

‘দ্য ফ্যাক্টরি অব ড্রিম’ নামে পরিচিত অরলান্ডো স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠেয় উদ্বোধনী কনসার্টকে ইতিমধ্যে সর্বকালের অন্যতম সেরা বলে অভিধা দিয়েছে। এতে অংশ নিয়েছে শাকিরা, অ্যালিসিয়া কিস, দ্য ব্লাক আইড পিয়াস, জন লেজেন্ড ও হাগ মাসেকেলাসহ বর্তমান ও সাবেক তথাকথিত ফুটবল তারকারা। কনসার্টের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের দায়িত্বে ছিলেন এমি অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী কেভিন ওয়াল। এই কনসার্ট থেকে আয় হয়েছে কোটি কোটি ডলার।

এদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার সাধারণ মানুষরা হতাশা এবং ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিভিন্ন রেডিও স্টেশনে ফোন করে? তাদের মূল বক্তব্য, ‘দক্ষিণ আফ্রিকায়- বিশ্বকাপের উদ্বোধনী দিনে গান গাওয়ার জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার কোন গায়ক বা গায়িকা কি পাওয়া

যায়নি? তাদের প্রশ্ন: ‘কেন দক্ষিণ আমেরিকার একজন গায়িকাকে এই গানটি গাইতে হবে?

দক্ষিণ আফ্রিকার স্থানীয় টক রেডিও স্টেশনের হোস্ট জেনি ক্রিস উইলিয়ামস জানায়, অনেকেই ফোন করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে, করে যাচ্ছে? জেনি আরো বলে, ‘দক্ষিণ আফ্রিকার মানুষরা সত্যিই নিজেদের নিয়েই মশগুল? তারা তাদের নিজস্ব গান শুনতে চায়? যে কারণেই তাদের প্রশ্ন, ‘‘দেশে এত জনপ্রিয় গায়ক-গায়িকা থাকতে কেন বিদেশি একজনকে দিয়ে গানটি গাওয়ানো হচ্ছে? আমি নিজেও এই যুক্তিকে সমর্থন করি? দক্ষিণ আফ্রিকার জনগণ যুক্তি দেখাচ্ছে  ‘‘বিশ্বকাপ আমাদের মহাদেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, আমাদের দেশে- গানও আমরা গাইতে চাই?”

শাকিরার এবারের বিশ্বকাপের “ওয়াকা ওয়াকা গানের” প্রতিবাদে দক্ষিণ আফ্রিকার মানুষ রাস্তায় মিছিল পর্যন্ত করেছে?

বলাবাহুল্য, শাকিরা প্রসঙ্গে দক্ষিণ আফ্রিকার জনগণের এ বিরোধিতা, এ আন্দোলনও অন্তত আমাদের জন্য তথা গোটা মুসলিম বিশ্বেও জন্য একটা বিরাট শিক্ষা হতে পারতো।

কারণ, দক্ষিণ আফ্রিকা নিজেই বিশ্বকাপ ফুটবলের আয়োজক। যেখানে বিশ্বের অন্যান্য রাষ্ট্রের খেলোয়াররা খেলতে থাকবে। কিন্তু তাদের উদ্বোধনী গানে তারা

বিজাতীয়

ভিনদেশী উপস্থিতি অস্বীকার করেছে।

অসহ্য বলে ব্যক্ত করেছে।

বিরোধিতা করছে।

বলাবাহুল্য, এ অভিব্যক্তি এসেছে তাদের নিজস্ব চেতনা থেকে।

নিজস্ব ঐতিহ্যের প্রতি আনুগত্য তথা শ্রদ্ধাবোধ থেকে।

নিজস্ব সংস্কৃতির চেতনা থেকে।

সর্বোপরি নিজস্ব স্বকীয়তা সংরক্ষণে দায়বদ্ধতা তার মর্যাদাকে বিকশিত করার অনুপ্রেরণা থেকে।

বলাবাহুল্য, দক্ষিণ আফ্রিকা একটা ঐতিহ্যগত জাতিগত বিভেদ, দ্বন্দ্ব-সংঘাতের দেশ।

সাদা-কালোর খুনোখুনির দেশ।

কিন্তু তারপরেও বিশ্বকাপের উদ্বোধনের গানে শাকিরার বিপক্ষে তারা এক হয়েছে। এক্ষেত্রে তারা বিভাজনের তথা দ্বন্দ্ব-সংঘাতের ঊর্ধ্বে উঠে গেছে।

তারা দেশের স্বকীয়তা সংরক্ষণ ও সম্মান প্রদর্শনের স্বার্থে এক হয়েছে।

একটা চেতনায় উজ্জীবিত হয়েছে।

বলাবাহুল্য, এ চেতনার জোর কতটুকু?

এ চেতনার প্রবর্তক কে?

তার শিকড় কত গভীরে?

তার জন্ম কতদিন আগে?

বলতে গেলে শাকিরা গান গাইবে তা প্রকাশের পরেই বা অতি নিকট সময়ে।

তাহলে, অনাদি অনন্তকালের সৃষ্টিকর্তা যিনি আল্লাহ পাক সেই আল্লাহ পাক উনার বান্দা, মুসলমানের কী

একবারও বিশ্বকাপ প্রসঙ্গে

ইসলামী জজবায়

উজ্জীবিত হওয়ার দরকার ছিলো না?

দক্ষিণ আফ্রিকায় শাকিরা বিরোধী চেতনার চেয়ে- খেলা বিরোধী

চেতনা যা

আল্লাহ পাক উনার দেয়া ইসলামী চেতনা অনেক বেশি সমুন্নত নয়?

অনুসরণীয় নয়?

পালনীয় নয়?

করণীয় নয়?

আর এর গভীরতা কি অনিবার্য নয়?

এর বর্ণনা কী স্পষ্ট নয়?

মুসলমান কী তার মুখাপেক্ষী নয়?

মুুসলমান কী অস্বীকার করতে পারে, কুরআন শরীফ-এর আদেশকে?

হাদীছ শরীফকে?

মৃত্যুকে?

কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ আমল না করার দোযখী শাস্তিকে?

কুরআন শরীফ-এ আল্লাহ পাক কী খেলা সম্পর্কে স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা উচ্চারণ করেননি? (চলবে)

-মুহম্মদ আলম মৃধা

যুগের আবূ জাহিল, মুনাফিক ও দাজ্জালে কায্যাবদের বিরোধিতাই প্রমাণ করে যে, রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী হক্ব। খারিজীপন্থী ওহাবীদের মিথ্যা অপপ্রচারের দাঁতভাঙ্গা জবাব-৬৭

ভ্রান্ত ওহাবী মতবাদ প্রচারের নেপথ্যে-১৬

চাঁদ দেখা ও নতুন চন্দ্রতারিখ নিয়ে প্রাসঙ্গিক আলোচনা-৩৫

বাতিল ফিরক্বা ওহাবীদের অখ্যাত মুখপত্র আল কাওসারের মিথ্যাচারিতার জবাব-২৫ হাদীছ জালিয়াতী, ইবারত কারচুপি ও কিতাব নকল করা ওহাবীদেরই জন্মগত বদ অভ্যাস ওহাবী ফিরক্বাসহ সবগুলো বাতিল ফিরক্বা ইহুদী-নাছারাদের আবিষ্কার! তাদের এক নম্বর দালাল

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ‘সংবিধানের প্রস্তাবনা’, ‘মৌলিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা’ ‘জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা’ এবং ‘জাতীয় সংস্কৃতি’ শীর্ষক অনুচ্ছেদের সাথে- থার্টি ফার্স্ট নাইট তথা ভ্যালেন্টাইন ডে পালন সরাসরি সাংঘর্ষিক ও সংঘাতপূর্ণ’। পাশাপাশি মোঘল সংস্কৃতির দান পহেলা বৈশাখ পালনও প্রশ্নবিদ্ধ।সংবিধানের বহু গুরুত্বপূর্ণ ও বিশেষ স্পর্শকাতর অনুচ্ছেদের প্রেক্ষিতে ৯৫ ভাগ মুসলমানের এদেশে কোনভাবেই থার্টি ফার্স্ট নাইট ও ভ্যালেন্টাইন ডে পালিত হতে পারে না।পারেনা গরিবের রক্ত চোষক ব্র্যাকের ফজলে আবেদও ‘নাইট’ খেতাব গ্রহণ করতে। পারেনা তার  নামের সাথে ‘স্যার’ যুক্ত হতে। পাশাপাশি মোঘল সংস্কৃতির দান পহেলা বৈশাখ পালনও প্রশ্নবিদ্ধ।