মতামত বিভাগ

সংখ্যা: ২৯১তম সংখ্যা | বিভাগ:

সবোর্চ্চ হক্ব-দরবার রাজারবাগ শরীফের বিরুদ্ধে চরম অপবাদ এবং অপপ্রচার তথা তথ্যসন্ত্রাস চালানোর পেছনে কুশীলব কারা? মৌলবাদী-জামাতী-ধর্মব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী ও আসামীদের যোগসাজশ কী প্রমাণ করে? নিজেদের বক্তব্যের সাথে সংঘাতপূর্ণ প্রচারণা চালিয়ে, চরম মিথ্যা ও একপাক্ষিক এবং অসত্য সংবাদ পরিবেশনে N.T.V, R.T.V এর কূট উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপসাংবাদিকতা এবং সীমাহীন ঔদ্ধত্যের শেষ কোথায়? রাজারবাগ শরীফের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা বিরোধী, রাজাকার গংদের পৃষ্ঠপোষকতায় অব্যাহত মিডিয়া ক্যুর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রযন্ত্র নিশ্চুপ কেন? রাষ্ট্রযন্ত্র কুচক্রীদের সংগঠিত ষড়যন্ত্রের দায় এড়াতে পারে না।

প্রিয় সাংবাদিক ভাইয়েরা!

আমার স্বামী জীবিত থাকতে আমার জন্য আলাদা কিছু সম্পত্তি ক্রয় করেছিলেন।  মূলত, এই জমি সেই জমি, যা নিয়ে এত আলোচনা- সমালোচনা। ২০০৯ সাল থেকে এ জমি নিয়েই আমার মেঝ পূত্র কাঞ্চনের সাথে আমার প্রথম বিরোধ শুরু হয়। কারণ স্বামীর অনুকরণে আমিও চেয়েছিলাম, পরকালের সম্পদ হিসেবে কিছু দ্বীনি কাজ করে যাওয়ার জন্য। সে ইচ্ছা থেকেই আমার নিজের জমি থেকে কিছু জমি মাদ্রাসা ও ইয়াতিমখানায় দান করার নিয়ত করি। কিন্তু আমার এ দানের বিষয়টি অন্য সন্তানরা মেনে নিলেও প্রথম থেকেই দ্বিতীয় পূত্র একরামুল আহসান কাঞ্চন মানতে পারেনি। তার কাছে আমার পরকালের সম্পদ থেকে তার ইহকালের সম্পদের ভাগ বড় হওয়া অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। অথচ কাঞ্চন ওয়ারিশসূত্রেই পর্যাপ্ত জমিজমা লাভ করেছে। আমি যে জমিটুকু দানের নিয়ত করেছি, এটা তো আমার পরকালের সম্পদ, সেটা কেন তাকে দিয়ে দিতে হবে?  আমি আমার সকল সন্তানকেই বিষয়টি ভালোভাবে বুঝিয়েছি। সবাই বিষয়টি সহজভাবে বুঝলেও স্ত্রীর প্ররোচনায় কাঞ্চন শুরু থেকেই আমার কথা মানতে চায়নি। সে সময়ে-অসময়ে আমার উপর চাপ প্রয়োগ করতে থাকে যেন, আমি আমার সম্পত্তি পুরোটাই তাকে লিখে দেই, কোনভাবেই যেন মাদ্রাসায় দান না করি।

প্রিয় সাংবাদিক ভাইয়েরা!

আমি কাঞ্চনের কথা মেনে না নেয়ায়, সে অন্য এক মহিলাকে মা বানিয়ে আমার জমির জাল দলিল তৈরী করে (জাল হেবা দলীল নং ১৩৯২৬, তারিখ: ২২/১১/২০০৯)। আসলে আমার স্বামীর সম্পত্তির সব দলিলপত্র সব সময় আমার মেঝ ছেলে কাঞ্চনের কাছেই জমা থাকতো।  তাকে আমরা পরিবারের সবাই খুব বিশ্বাস করতাম। কিন্তু অন্য নারীকে মা বানিয়ে জাল দলিল তৈরীর পর সবাই নড়েচড়ে বসে এবং খুঁজতে থাকে পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে সে আর কি নড়চড় করেছে। তখন কেঁচো খুড়তে সাপ বেড়িয়ে আসে।  দেখা যায় প্রায় ১ যুগ আগেই সে আমাকে মৃত দেখিয়ে এবং তার একমাত্র বোন ফাতেমা আক্তারকে বাদ দিয়ে ওয়ারিশনামা তৈরী করেছে।

কাঞ্চনের বানানো জাল দলিল বাতিল করতে এবং আমার কন্যার ওয়ারিশসত্ত্ব ফিরিয়ে আনতে আমি আদালতের দারস্থ হই। এতে কাঞ্চন ক্ষিপ্ত হয়ে আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করা শুরু করে। আমি গর্ভধারিনী মা হওয়া সত্ত্বেও আমার বিরুদ্ধে ২টি, তার আপন বড় ভাই আক্তারী কামালের বিরুদ্ধে ৭টি, তার একমাত্র বোনের বিরুদ্ধে ৩টি এবং তার মামাতো ভাই শাকেরুল কবিরের বিরুদ্ধে ৪টি মামলা করে।

(কুলাঙ্গার পুত্র কাঞ্চনের বিরুদ্ধে কাঞ্চনের মায়ের সংবাদ সম্মেলনে দেয়া বক্তব্য থেকে আংশিক সংকলিত)

উল্লেখ্য কুলাঙ্গার কাঞ্চন এখানেই থেমে থাকেনি। এরপর ইতিহাসের চরম নিকৃষ্টতার ও ভয়ঙ্কর অপরাধের পরিচয় দিয়ে যে খোদ রাজারবাগ শরীফের হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার নামে পর্যন্ত চরম মিথ্যা, ও পরম প্রতারণাপূর্ণ মামলা দায়ের করে। এবং বিভ্রান্ত ও প্রলুব্ধ করে মিডিয়া ক্যু শুরু করে।

রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার সম্মানিত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার বিরুদ্ধে একরামুল হাসান কাঞ্চন নিজে বাদী হয়ে নিম্নোক্ত হয়রানীমূলক মিথ্যা মামলাগুলো দায়ের করেছে।

এমনকী রাজারবাগ শরীফে মহান মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি যেখানে ছবি নির্ভর এনালগ এবং ডিজিটাল কোনো ডিভাইস বা মাধ্যমই ব্যাবহার করেন না, পছন্দ করেন না উনার পবিত্র জীবনে কোনোদিন মোবাইল বা কম্পিউটার ব্যবহার করেন নি। সেখানে কুলঙ্গার কাঞ্চন চরম ধৃষ্টতা করে উনার নামে ডিজিটাল মামলাও দিয়েছে। নাউযুবিল্লাহ!

রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার সম্মানিত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার বিরুদ্ধে ভূয়া মহিলাকে বাদী বানিয়ে যৌতুকের মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে। যার নং- সি. আর মামলা নং- ২৭১/২০১২। উক্ত মামলায় আদালত উক্ত মামলাকে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে রায় দেয়।

রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার সম্মানিত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার নামেও সে এরূপ ১২টি মিথ্যা মামলা দিয়েছে।

মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার নিকট খোলা চিঠি দেশটা কী মুসলমানের, না ঐ নিকৃষ্ট সংস্কৃতিবাদীদের? দেশে কী ১৫ কোটি মুসলমান প্রাধান্য পাবে, না মাত্র লাখেরও কম সংস্কৃতিকর্মী প্রতিষ্ঠা পাবে? সংস্কৃতিকর্মীর প্রচারণা দ্বারা কি রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের এদেশে ‘ইসলাম’ ও ‘মুসলমান’ তুলে দেয়া হবে?  মিটিয়ে ফেলা হবে? মুছে ফেলা হবে? বিধর্মীদের সাথে একাকার করে দেয়া হবে? তাহলে ‘মরলে শহীদ বাঁচলে গাজী’ চিরন্তন সে ঐতিহ্য কোথায় যাবে?

যুগের আবূ জাহিল, মুনাফিক ও দাজ্জালে কায্যাবদের বিরোধিতাই প্রমাণ করে যে, রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী হক্ব। খারিজীপন্থী ওহাবীদের মিথ্যা অপপ্রচারের দাঁতভাঙ্গা জবাব-৫৭

চাঁদ দেখা ও নতুন চন্দ্রতারিখ নিয়ে প্রাসঙ্গিক আলোচনা-২৫

ভ্রান্ত ওহাবী মতবাদ প্রচারের নেপথ্যে-৭

বাতিল ফিরক্বা ওহাবীদের অখ্যাত মুখপত্র আল কাওসারের মিথ্যাচারিতার জবাব-১৮ হাদীছ জালিয়াতী, ইবারত কারচুপি ও কিতাব নকল করা ওহাবীদেরই জন্মগত বদ অভ্যাস ওহাবী ফিরক্বাসহ সবগুলো বাতিল ফিরক্বাহ ইহুদী-নাছারাদের আবিষ্কার! তাদের এক নম্বর দালাল