মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা- * আবহমানকালের ঐতিহাসিক সত্যের প্রতি আঘাত হানা কেন? * এই মিথ্যার সাথে বসবাসের দরকারটা কী? * সরকারিভাবে তথ্য বিভ্রান্তি লালন করা হলে বিভ্রান্তির প্রবণতার প্রভাব পড়বে গোটা দেশবাসীর উপর। * ঘড়ির কাঁটা একঘণ্টা এগিয়ে না এনে সময়সূচী পরিবর্তন করলেই যেমন তা অনৈসলামী হয় না- * তেমনি তাতে ইসলামের নামধারী দলগুলোকেও অপপ্রচারণা ও আন্দোলনের সুযোগ তৈরি করে দেয়া হয় না।

সংখ্যা: ১৮৮তম সংখ্যা | বিভাগ:

আবহমানকাল ধরেই এদেশের মানুষ শুনে আসছে যে, সময় তার আপন গতিতে চলে। সময় বড় স্পর্শকাতর বিষয়।

সময় নিয়ে কথা বলেছেন স্বয়ং আল্লাহ পাক এবং আল্লাহ পাক-এর হাবীব, নূরে মুজাস্সাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।

স্বয়ং আল্লাহ পাক ইরশাদ করেছেন, “তোমরা সময়কে গালি দিওনা। কারণ, আমিই সময়কে নিয়ন্ত্রণ করে থাকি।”

অপরদিকে আল্লাহ পাক-এর হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাস্সাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন, “তোমরা সময়কে-মাসকে (অর্থাৎ দিন বা ঘণ্টাকে) আগ-পিছ করো না।”

উল্লেখ্য, জাহিলিয়াতের যুগে কাফিররা তাদের মন মত মাসকে আগে-পিছে পরিবর্তন করবো। সময়কে পরিবর্তন করতো।

কিন্তু আল্লাহ পাক-এর রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাস্সাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তা কঠোরভাবে নিষেধ করেছেন এবং এ সম্পর্কে কুরআন শরীফ-এ আয়াত শরীফও নাযিল হয়।

প্রসঙ্গতঃ মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী বলেন, ঘড়ির কাঁটা আগ-পিছ করা মূলতঃ কুরআন শরীফ-এ উল্লিখিত নাসীরই এক প্রকার।

উল্লেখ্য, ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা এগিয়ে আনার প্রথম দৃষ্টান্ত চালু হয় ১৯১৬ সালের ৩০শে এপ্রিল রাত ১১টায় জার্মানি ও আফ্রিকায়। এরপর ইউরোপের বিভিন্ন দেশ এ ব্যবস্থা চালু করে। সময় নির্ধারণের ক্ষেত্রে বসন্তের শুরুর কোনো একদিন বিকেলের আলোয় বেশি ব্যবহারের উদ্দেশ্যে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা এগিয়ে আনাকেই দিনের ‘দিনের আলো সংরক্ষণ’ বা ‘ডে-লাইট সেভিং কী’ বলা হয়; যা বর্তমানে আমাদের দেশে চালু করা হয়েছে।

তবে এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, ইউরোপ-আমেরিকায় নেয়া হয় ডে-লাইট সেভিংস প্রকল্প আর আমাদের দেশে যে লক্ষ্যে ঘড়ির কাটা এক ঘণ্টা আগ-পিছ করা হয়েছে তা হলো ‘এনার্জি সেভিংস’ প্রকল্প।

ইউরোপ-আমেরিকার লোকেরা স্বভাবতই খ্রিস্টান। আমাদের ৯৫% মুসলমান অধ্যুষিত বাংলাদেশের মত নামায, রোযার বিষয়টি তাদের নেই। পাশাপাশি তাদের ভৌগোলিক অবস্থান আমাদের মত নয়। আমাদের মত খব সহজেই তাদের সূর্য ডোবে না। তাদের সূর্যাস্ত প্রক্রিয়ায় অনেক বেশি সময় লাগে। এবং কেবলমাত্র আমোদ-প্রমোদ ও বিনোদন তথা সমুদ্র সৈকতে বেশিক্ষণ থাকার জন্য মূলতঃ তারা সেটা করে।

প্রসঙ্গতঃ উল্লেখ্য, এদেশের তথাকথিত বিশেষজ্ঞরা এখন এ হীন মানসিক প্রবণতা থেকে ফিরিয়ে আসতে পারেনি। তাহলো- ইউরোপ, আমেরিকায় যে কালচার পুরাতন ও পরিত্যক্ত হয়েছে তাকেই এদেশের সমস্যা সমাধানের জন্য বিশেষ অভিনব পন্থা বলে ব্যক্ত করা।

-০-

প্রসঙ্গতঃ উল্লেখ্য, ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা এগিয়ে আনার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ব্যাখ্যা করেছেন যে, ‘এতে দোকানদাররা রাত ৮টার সময় দোকান বন্ধ করলেও তারা প্রকৃত অর্থে দোকান বন্ধ করবে সন্ধ্যা ৭টায়।’

প্রসঙ্গতঃ উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশের ফুটপাতের হকারও ইউরোপ-আমেরিকার অভিজাত বিপনী বিতানের কর্মীর চেয়ে অনেক বেশি পোড় খাওয়া অভিজ্ঞ লোক। সারাদিন কষ্টের সাথে বসবাস বরে, অনেক বেশি মাথা খাঁটিয়েই তবে তারা উপার্জন করে, তারা ভাত খায়। আর ভাত একটা টিপেই তারা পুরো ভাত সিদ্ধ হয়েছে কী-না তা বুঝতে পারে।

সুতরাং ঘড়ির কাঁটা একঘণ্টা এগিয়ে আনার ফলে তারা যে নতুনভাবে প্রচারিত রাত ৮টার পরিবর্তে আসলে আগের ৭টাই দোকান বন্ধ করতে বাধ্য হচ্ছেন-

এ সত্য দোকানদাররা বুঝতে পারবেনা, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় দোকানদারদের এত বোকা ভাবতে পারেন কীভাবে?

অপরদিকে মাত্র একঘণ্টা আগে আনার ফলে অফিস-আদালতে এসি’র ব্যবহার কিছুই কমছেনা। আর আমাদের গোটা অফিস-আদালতই এখন বিদ্যুতে চলে; সূর্যের আলোতে চলে না।

সুতরাং সেক্ষেত্রে বিদ্যুতের ব্যবহার কতটুকু সাশ্রয় হচ্ছে তাও বিশেষ প্রশ্নবিদ্ধ বিষয়।

অপরদিকে ঘড়ির কাঁটা একঘণ্টা এগিয়ে আনলেও অফিসের সময়সূচীর কিন্তু পরিবর্তন হয়নি।

অফিস টাইম সেই ৮ ঘণ্টাই থাকছে।

শুধু আগের ৮টার সময় লোকজন অফিস করছেন কিন্তু সেই ৮টাকেই ৯টা ভেবে তবে অফিস করছেন।

সেক্ষেত্রে এই মিথ্যার সাথে গোটা জাতিকে সম্পৃক্ত হতে বাধ্য করার কী দরকার?

এদেশের শতকরা ৯৫ ভাগ লোক মুসলমান। তারা জš§ থেকে শুনে আসছে, ‘সত্য মানুষকে মুক্তি দেয়’।

        সেক্ষেত্রে গোটা জাতি জানছে যে, আসলে তারা একঘণ্টা মিথ্যার সাথে বসবাস করছে।

উল্লেখ্য, সরকারিভাবে দুর্নীতিরোধের জন্য ব্যাপক ঢাক-ঢোল পিটানো হয়।

জনগণের প্রতি আকুল আহ্বান করা হয়।

আর এখন যদি খোদ সরকারই জনগণকে মিথ্যার সাথে পরিচিত হতে বাধ্য করে

মিথ্যা চিন্তা করতে অভ্যস্ত করে

ফাঁকির মানসিকতা তৈরি করে তবে তার প্রভাব যে জনজীবনে কতদূর বিস্তৃত হতে পারে তা চিন্তা করার ক্ষমতা আসলে সরকারের নীতিনির্ধারকদের নেই।

এক্ষেত্রে হযরত শায়খ সাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার প্রখ্যাত ‘বোস্তা’ কিতাবে বলেছেন, “বাদশাহ যদি একটি ডিম চুরি করে তবে তার কর্মচারীরা গৃহস্থের গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগী সব লোপাট করে।’

সুতরাং খোদ সরকারই যদি

কোন মিথ্যার আশ্রয় নেয়,

মিথ্যার জš§ দেয়,

মিথ্যার সাথে বসবাসের জন্য জনগণকে বাধ্য করে তবে

এই এক মিথ্যার প্রবণতা

এই এক মিথ্যার মানসিকতা

এই এক ফাঁকির প্রবণতা

এই এক ছলনার কৌশলতা

যে গোটা

জনজীবনে

প্রশাসনে

অফিস-আদালতে

আরো হাজারো

মিথ্যা, ছলনা, শঠতা, ধোঁকা, প্রতারণা, প্রবঞ্চনা, ফাঁকি দেয়ার মানসিকতা তৈরি করবে, বিস্তার লাভ করবে তা ভেবে দেখবে সংশ্লিষ্ট নীতি-নির্ধারকদেরই।

সরকার নিজেকে কৃষক বান্ধব সরকার বলে প্রচার করছে। মানুষ তা গ্রহণ করছে।

পাস হওয়া বাজেটকেও কৃষকবান্ধব বলে ঘোষণা করা হচ্ছে।

সরকার কৃষিতে হাজার হাজার কোটি টাকা ভুর্তুকি দিচ্ছে।

যদি তাই হয়ে থাকে, সরকার শুধু কৃষিবান্ধব হবে কেন?

সরকার নগর বান্ধব হবে না কেন?

কৃষির সাথে সাথে বিদ্যুতেও সরকারের ভর্তুকি চিন্তা থাকবে না কেন?

অথবা নতুন নতুন বিদ্যুৎ প্লান্ট,

বায়োগ্যাস প্লান্ট,

বায়ুকল প্লান্ট সহ

বহু নতুন নতুন প্রকল্পের দিকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় নজর দিচ্ছে না কেন?

তড়িৎ কর্মসূচী নিচ্ছে না কেন?

তত্ত্বাবধায়ক সরকার দুর্নীতি দমনের নামে আড়াইশ’ কোটি টাকা খরচ করে হেলিকপ্টারে উড়ে নৃত্য-গীত করে ‘রোড শো’ কর্মসূচী করেছিলো।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের এসব স্বেচ্ছাচারী তৎপরতার জন্য ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার তোঘলকী সরকার’ বলে পরিচিতি লাভ করেছিলো।

সঙ্গতকারণেই দিন বদলের বহু প্রত্যাশিত সরকারকে যাতে তোঘলকী কর্মকা-ের বদনাম বহন না করতে হয় সে বিষয়ে সরকারকে সচেতন থাকতে হবে নিজ থেকেই।

কারণ, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ঘোষণা দিয়েছিলেন, ‘এতে নামায-কালামের কোন ক্ষতি হবে না। আগে দেড়টায় দুপুরের জামাত হতো এখন আড়াইটায় নামায হবে।’

সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এই মোটাবুদ্ধির উপরই চলছে।

কিন্তু সরকারকে এক্ষেত্রে নামায-রোযার সময় সংক্রান্ত আরো যে কত সূক্ষ্ম বিষয় সংযুক্ত আছে তা জানানো হয়নি।

সরকারকে বোঝানোর জন্য একটি সাধারণ কথাই যথেষ্ট যে, সরকারের প্রায় সব মন্ত্রী, সচিব, অতিঃ সচিব, যুগ্ম সচিব তারা অধিকাংশ সময়ে দুপুরের নামায পড়তে পারেন না।

এমনকি খোদ প্রধানমন্ত্রী থেকে পিয়ন এবং পিয়ন থেকে প্রজাসাধারণের অধিকাংশই ঠিক দেড়টাই জামাতের সাথে নামায পড়তে পারেন না।

সেক্ষেত্রে অনেক সাধারণ লোকেরই নামায পড়তে পড়তে দুপুর চারটা সাড়ে চারটা বেজে যায়।

আবার বিকেল ৫টা বেজে গেলেই অনেকেই সুযোগ পেলে আসর নামায পড়ে নেয়।

সমস্যাটা এখানেই প্রকট ও মারাত্মক।

সরকারকে পরামর্শ দেয়া তথাকথিত বিশেষজ্ঞ ও আমলারা এই মোটা থিওরী দ্বারা উর্বর চিন্তায় আছেন যে, দেশবাসী আগে

ফযর নামায পড়ত পৌনে ৫টায়- এখন পড়বে পৌনে ৬টায়।

যোহর পড়ত দেড়টায়- এখন পড়ছে আড়াইটায়।

আছর পড়ত ৫.৩০টায়-  এখন পড়বে ৬.৩০টায়।

বলাবাহুল্য, এইসব তথাকথিত বিশেষজ্ঞদের যদি বলা হয়,

‘মাগরীবের ওয়াক্ত কতক্ষণ থাকে?’

তারা জবাব দিবে-

‘আযানের পর থেকে ১৫-২০ মিনিট।’

অথচ আমাদের হানাফী মাযহাব মোতাবেক মাগরীবের সময় থাকে ‘আযান হওয়ার পর থেকে কমপক্ষে একঘন্টা দশ মিনিট পর্যন্ত।’

কিন্তু আমাদের সব বিশেষজ্ঞরাই মাগরীবের পর ১৫-২০ মিনিট পার হলেই মাগরীবের ওয়াক্ত পার হয়ে গেছে মনে করে আর নামায পড়ে না।

মূলতঃ তাদের এ অজ্ঞতা শুধু মাগরীবের ওয়াক্তের ক্ষেত্রেই নয়-

অন্যসব ওয়াক্তের ক্ষেত্রেও।

কারণ, ফযর নামাযসহ সব নামাযই আসলে কোন রাউন্ড টাইম বা নির্ধারিত সময়ের সাথে সংযুক্ত নয়।

প্রত্যেকটা সময় আগ-পিছ হয়।

সেক্ষেত্রে বিকেল ৫টা ভেবে অনেক মুসলমান যখন আসর নামায পড়বেন ঘড়ির কাঁটা এগিয়ে আনার ফলে তখনও থাকতেছে যোহরের ওয়াক্ত।

অর্থাৎ ঐ মুছল্লীর আসরের নামাযটা হচ্ছে না।

এটা শুধু এক মুছল্লীর ক্ষেত্রেই হবে না। এটা হচ্ছে কোটি কোটি মুছল্লীর ক্ষেত্রে।

কারণ, সাধারণ মানুষ যে ক্যালেন্ডার, যে সময়সূচী দ্বারা অভ্যস্ত তা তারা হঠাৎ করেই পরিবর্তন করতে পারবে না। এবং এটা সম্ভবও নয়। এজন্য প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল বাংলাদেশ তৈরির স্বপ্ন দেখিয়েছেন। কিন্তু ডিজিটাল বাংলাদেশী বানানোর কথা বলেননি।

মেশিন এনালগ থেকে এক মুহূর্তেই ডিজিটাল করা যেতে পারে

কিন্তু মানুষকে

এক দিনে,

এক মাসে,

এক বছরেও

ডিজিটাল করা সম্ভব নয়।

কারণ, মানুষ আর ঘড়ির কাঁটা এক নয়।

ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা নয় চব্বিশ ঘণ্টাও আগ-পিছ করা যায় কিন্তু মানুষের অভ্যাসকে সহজেই পরিবর্তন করা যায় না।

প্রসঙ্গতঃ এখানে যে বিষয়টি ‘কুরআন-সুন্নাহ বিরোধী কোনো আইন পাশ হবে না’ এই প্রতিশ্রুতির সরকারকে সে বিষয়টি বিশেষভাবে উপলব্ধি করতে হবে তা হলো যে,

ঘড়ির কাঁটা একঘণ্টা আগ-পিছ করার ফলে কোটি কোটি লোকের নামায-কালাম নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিচ্ছে। এবং এটা হওয়াই তো স্বাভাবিক। সেক্ষেত্রে এই যে, কোটি কোটি লোকের নামায-কালাম নষ্ট হওয়ার দায়-দায়িত্ব বহন করতে হবে খোদ সরকারকেই।

সরকারকে মনে রাখতে হবে, হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে যে, কেউ একটা নেক কাজের সূচনা করলো, যতজন লোক তাতে জড়িত হলো তার সব ছওয়াব যে দেখিয়েছে সে পাবে। আবার যে কেউ একটা বদ কাজের সূচনা করলো, যতজন লোক তাতে জড়িত হলো বা তা করতে বাধ্য হলো তাদের সবার গুনাহ সে পদ্ধতি বা সিস্টেম চালুকারীর উপরই বর্তাবে।

-মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান

ব্রিটিশ গুপ্তচরের স্বীকারোক্তি ও ওহাবী মতবাদের নেপথ্যে ব্রিটিশ ভূমিকা-৫০

বাতিল ফিরক্বা ওহাবীদের অখ্যাত মুখপত্র আল কাওসারের মিথ্যাচারিতার জবাব-১৩ হাদীছ জালিয়াতী, ইবারত কারচুপি ও কিতাব নকল করা ওহাবীদেরই জন্মগত বদ অভ্যাস

যুগের আবূ জাহিল, মুনাফিক ও দাজ্জালে কায্যাবদের বিরোধিতাই প্রমাণ করে যে, রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী হক্ব। খারিজীপন্থী ওহাবীদের মিথ্যা অপপ্রচারের দাঁতভাঙ্গা জবাব-৫১

‘থার্টিফাস্ট নাইট, ভালেন্টাইন ডে আর পহেলা বৈশাখের’ নামে হুজ্জোতির জন্য ধর্মব্যবসায়ীদের কৌশলগত নিষ্ক্রীয়তা, স্বার্থবাদী মৌসুমী রাজনৈতিক তৎপরতা এবং সংস্কৃতি বিপননকারীদের দূরভিসন্ধিতা ও মধ্যবিত্তের  তত্ত্ব-তালাশহীন প্রবণতা তথা হুজুগে মাতা প্রবৃত্তিই দায়ী

অবশেষে জামাতীরা স্বীকার করিল যে, মুক্তি পাইতে চাহিলে মুরীদ হইতে হয়। আল্লাহ পাক-এর ওলী বা দরবেশ হইতে পারিলে মুক্তি পাওয়া যায়। কিন্তু জামাতীরা তাহা নয় বলিয়াই আখিরাত তো দূরের কথা দুনিয়াতেই তাহারা দুর্নীতির দায়ে গ্রেফতার। আর মইত্যা রাজাকারের ফতওয়া অনুযায়ী তো- তাহাকেই কতল করা ওয়াজিব।