মুজাদ্দিদে আ’যমের রোব: ভ্যাটিকান স্বীকার করলো ইসলামের মাহাত্ম্য ও শ্রেষ্ঠত্ব এবং সত্যতা।প্রকাশ করলো পাপের ভারে বিপর্যস্ত পাদ্রীদের বিকৃত চরিত্রহীনতা।”চার্চের প্রতি আস্থা হারানো খ্রিস্টানরা কি এরপরও আস্থা রাখবে খ্রিস্টধর্মের উপর? (১)

সংখ্যা: ১৯৫তম সংখ্যা | বিভাগ:

সাধারণ মুসলমানের মনে খ্রিস্টান হিন্দু সম্পর্কে একটা প্রচ্ছন্ন ধারণা রয়েছে যে- খ্রিস্টান মাত্রই মদ খায়, চরিত্রহীন। হিন্দুরাও অবাধে অশ্লীলতায় ভাসে। কিন্তু এর পেছনে মূলত কারণটা কি?

সাধারণ মানুষ সে প্রশ্নেও জর্জরিত হয়নি। উত্তরও খুঁজে নেয়নি।

জলীলুল ক্বদর রসূল হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম উনাকে খ্রিস্টানরা যীশু খ্রিস্ট বলে। যীশুর নামে তারা বুকে ক্রুশ রাখে। কিন্তু এই যীশুরই প্রচুর নগ্ন ছবি তারা এঁকেছে। প্রকাশ করেছে। তাদের অনেকের রচনায়ই শুধু অশ্লীলভাবে প্রকাশ নয় এমনকি যীশুকে সমকামী বানিয়ে তারা অনেক সিনেমাও তৈরি করেছে। নাঊযুবিল্লাহ!

এবং আশ্চর্য হলেও সত্যি তাতে খ্রিস্টান দেশে দেশে কোনো প্রতিবাদ উঠেনি। সমালোচনার  ঝড় উঠেনি। বিস্ফোরণ হয়নি।

এমনকি খোদ পোপরাও কোনো উচ্চ-বাচ্চ করেনি।

আর এখানেই খ্রিস্টান মাত্রই চরিত্রহীন ও মাতাল হওয়ার কারণটা খুঁজে বের করা সহজ হয়।

অর্থাৎ কিনা নবী-রসূল আলাইহিমুস্ সালাম উনাদের সম্পর্কে খ্রিস্টানদের আক্বীদা খুবই খারাপ। আর যেহেতু নবী-রসূল আলাইহিমুস্ সালাম উনাদের সম্পর্কে তাদের আক্বীদা খারাপ সেহেতু তাদেরও আমল অনিবার্যভাবে খারাপ অর্থাৎ তারা যখন বিশ্বাস করে নবী-রসূল আলাইহিমুস্ সালাম উনারা ভুল করেছেন নাঊযুবিল্লাহ!

পাপ করেছেন। নাঊযুবিল্লাহ!

তখন তারাও আর পাপ করতে কুণ্ঠাবোধ করে না। দ্বিধা করে না, ভয় করে না। পাপ থেকে বিরত থাকার উৎসাহ পায় না।

বলাবাহুল্য, বাইবেলে নবী আলাইহিমুস সালামগণ সম্পর্কে চরিত্রহীনতা মাতলামিসহ বহু অপবাদ দেয়া হয়েছে। আর মূলত সে কারণেই খ্রিস্টানরা জš§গতভাবে এসব পাপাচারে মগ্ন থাকে। নাঊযুবিল্লাহ। এবং এটা এখন এতই ব্যাপকতা লাভ করেছে যে খোদ পোপরা পর্যন্ত একে একে সবাই সাধারণ ব্যভিচার নয় সমকামিতার মত জঘন্য পাপাচারে রীতিমত ভয়াবহ আসক্ত ও নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। নাঊযুবিল্লাহ!

মূলত রোমান ক্যাথলিক ধর্মযাজকদের বিরুদ্ধে চার্চের শিশুদের উপর যৌন নিপীড়নের অভিযোগ নতুন কোনো ঘটনা নয়। যদিও চার্চের যাজকদের এসব কুকর্মের খতিয়ান ইহুদী-খ্রিস্টান নিয়ন্ত্রিত মিডিয়ায় খুব কমই প্রকাশ

হয়ে থাকে।

যুক্তরাষ্ট্র: গত দুই দশকে যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনের রোমান ক্যাথলিক ধর্মযাজকের বিরুদ্ধে শিশু যৌন নিপীড়নের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। ১৯৯০ সালে বোস্টনের দুই ধর্মযাজকের বিরুদ্ধে জনরোষ সৃষ্টি হয়েছিল। ২০০২ সালে পোপ দ্বিতীয় জন পল এ নিয়ে চার্চ-প্রধানদের সঙ্গে জরুরি সভাও করেছিলেন, কিন্তু তাতে কোনো লাভ হয়নি। ২০০৩ সালে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ৫০ বছরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় চার হাজার রোমান ক্যাথলিক ধর্মযাজকের বিরুদ্ধে শিশু যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে। আর তাদের হাতে প্রায় ১০ হাজারেরও বেশি শিশু নির্যাতিত হয়েছে, যাদের বেশির ভাগই ছিল ছেলে।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকা যুক্তরাষ্ট্রের এক ক্যাথলিক ধর্মযাজকের বিরুদ্ধে উঠা শিশু যৌন নিপীড়নের খবর প্রকাশ করে বলেছে, ফাদার লরেন্স মার্ফি নামের উইন্সকনসিনের ওই যাজকের বিরুদ্ধে দুই শতাধিক বধির শিশুকে যৌন নিপীড়ন করার অভিযোগ ছিল।

ফাদার লরেন্স মার্ফি ২৪ বছর ধরে উইন্সকনসিনের একটি বধির শিশুদের স্কুলের শিক্ষক ছিলেন। ১৯৯০ সালে সংঘটিত ওই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এক আর্চবিশপ ফাদার লরেন্স মার্ফির বিরুদ্ধে ভ্যাটিকানে দুবার চিঠি লিখে অভিযোগ পাঠিয়েছিলেন। বর্তমান পোপ ষোড়শ বেনেডিক্ট তখন রোমান ক্যাথলিকদের সর্বোচ্চ সংস্থা কংগ্রেশন ফর দ্য ডকট্রিন অব দ্য ফেইথের প্রধান ছিলেন। কিন্তু এ ব্যাপারে তিনি নীরব ভূমিকা পালন করেছিলেন এবং কর্তৃপক্ষ লরেন্সের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়নি। বরং ঘটনা ধামাচাপা দিয়েছিল। এ ঘটনার প্রায় ২০ বছর পর বেনেডিক্ট পোপ হয়েছেন। শিশুদের যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে আত্মপক্ষ সমর্থন করে ভ্যাটিকান বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ এই অভিযোগের তদন্ত এবং তা বাতিল করেছে। তবে ভুক্তভোগীরা প্রশ্ন তুলেছেন, ‘কেন তখন ফাদার লরেন্স মার্ফিকে পুলিশে দেওয়া হয়নি; কেন তাকে ভর্ৎসনা করা হয়নি এবং তাকে গলাধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া হয়নি!’ ইতিমধ্যে পাঁচজন ভুক্তভোগীর পক্ষে দুজন আইনজীবী এই বিষয়ে মামলাও করেছেন।

নিউইয়র্ক টাইমস-এর এই প্রতিবেদনের পর বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গণমাধ্যমে ক্যাথলিক ধর্মযাজকদের বিরুদ্ধে শিশুদের যৌন নির্যাতনের বিস্তর অভিযোগ প্রকাশিত হতে থাকে। সর্বশেষ আয়ারল্যান্ডের ধর্মযাজকদের বিরুদ্ধে শিশু যৌন নির্যাতনের অভিযোগ প্রকাশিত হয়। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ভ্যাটিকান বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখে পড়ে। পোপ ষোড়শ বেনেডিক্টসহ সব রোমান ক্যাথলিক ধর্মযাজকের চারিত্রিক সততা, বিশ্বাসযোগ্যতা ও

নেতৃত্ব নিয়ে সবার মনেই দেখা দিয়েছে চরম সন্দেহ। আর রোমান ক্যাথলিকদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হিসেবে এই দায়ভার এককভাবে পোপ ষোড়শ বেনেডিক্টের উপরই বর্তায়।

জার্মানি: বর্তমান পোপ ষোড়শ বেনেডিক্টের নিজের দেশ জার্মানিতেও ক্যাথলিক ধর্মযাজকদের বিরুদ্ধে শিশুদের যৌন নিপীড়নের ব্যাপক অভিযোগ রয়েছে। ২০১০ সালের শুরু থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৩০০ জন ভুক্তভোগী অভিযোগ করেছে, তারা যাজকদের দ্বারা যৌন ও শারীরিক নিপীড়নের শিকার হয়েছে। এমনকি পোপের নিজ ভাইয়ের পরিচালিত একটি স্কুলের বিরুদ্ধেও শিশু যৌন নিপীড়নের অভিযোগ রয়েছে। গত ৩০ মার্চ জার্মানির ক্যাথলিক চার্চ কর্তৃপক্ষ এ ধরনের যৌন নিপীড়নের অভিযোগ গ্রহণের জন্য একটি ‘হটলাইন’ চালু করেছে। জার্মানির ট্রিয়ারের বিশপ স্টিফেন আকরেমান জানিয়েছেন, ১৯৫০ সাল থেকে এ পর্যন্ত ২০ জন ধর্মযাজকের বিরুদ্ধে শিশুদের যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে।

নেদারল্যান্ডস: নেদারল্যান্ডসের ক্যাথলিক ধর্মযাজকদের বিরুদ্ধে শিশুদের উপর যৌন নিপীড়নের প্রায় ২০০টি অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ওই সব অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনার পর ধর্মযাজকদের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের আরো অনেক অভিযোগ বের হয়ে আসছে।

অস্ট্রেলিয়া: অস্ট্রেলিয়াতে ক্যাথলিক ধর্মযাজকদের বিরুদ্ধে শিশু যৌন নিপীড়নের ক্রমিক অভিযোগ উঠছে। বিগত অর্ধশতাব্দী ধরে চলে আসা এসব ঘটনা নিয়ে এখন অনেকেই মুখ খুলছেন। প্রায় ১৬ জন এ রকম ২৭টি ঘটনার কথা বর্ণনা করেছেন। পাঁচজন ধর্মযাজক যৌন নিপীড়নের দায়ে বহিষ্কৃত হয়েছেন। একজন ধর্মযাজক প্রায় ৪০ বছর আগে একটি যৌন নিপীড়ন করার ঘটনায় পদত্যাগও করেছেন।

সুইজারল্যান্ড: ক্যাথলিক চার্চগুলোতে সংগঠিত শিশু যৌন নিপীড়ন তদন্ত করার জন্য ২০০২ সালে সুইজারল্যান্ডে একটি কমিশন গঠিত হয়েছে। সম্প্রতি সেই কমিশনের একজন সদস্য বলেছেন, একটি পত্রিকায় প্রকাশিত সাক্ষাৎকার থেকে জানা গেছে, ১৫ বছর আগে প্রায় ৬০ জন যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছেন ধর্মযাজকের দ্বারা।

আয়ারল্যান্ড: আয়ারল্যান্ডে গত বছর এ ধরনের শিশু যৌন নিপীড়নের দুটি গুরুতর অভিযোগ উঠে। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সে দেশের চারজন আর্চবিশপ পদত্যাগ করেছিলেন। শুধু তা-ই নয়, ভ্যাটিকান কর্তৃপক্ষ এই ঘটনায় পোপের সামনে জবাবদিহি করার জন্য আয়ারল্যান্ডের পুরো ক্যাথলিক ধর্মযাজকদের সমন জারি

করেছিল। ছয় মাস আগে এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ধর্মীয় আবাসিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিশুদের উপর শারীরিক, মানসিক ও যৌন নির্যাতন চালানো হয়। সর্বশেষ ২০১০ সালের মার্চে আয়ারল্যান্ডের এক ক্যাথলিক চার্চ প্রধানের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ আবারও উত্থাপিত হয়েছে।

আয়ারল্যান্ডের ঘটনার পর ভ্যাটিকান নড়েচড়ে উঠেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পোপ ষোড়শ বেনেডিক্ট আয়ারল্যান্ডে ধর্মযাজকদের দ্বারা শিশু যৌন নিপীড়নের শিকার ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। তিনি এই ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে একে ‘পাপ ও অপরাধ’ বলে অভিহিত করেছেন। পোপ নিজে আয়ারল্যান্ডের রোমান ক্যাথলিকদের কাছে এ ব্যাপারে একটি চিঠি লিখেছেন। চিঠিতে তিনি যাজকদের ভর্ৎসনা করে বলেছেন, ‘তোমরা তোমাদের বিশ্বাসযোগ্যতা ও আত্মমর্যাদা নষ্ট করেছ। এটা বিশপদের বিবেকের ত্রুটি ও নেতৃত্বের ব্যর্থতা।’ ভ্যাটিকানের পক্ষ থেকে এ ধরনের ঘটনাকে ট্র্যাজেডি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তারা তাদের ব্যাখ্যায় একে প্রাতিষ্ঠানিক ত্রুটি বলেও চিহ্নিত করেছেন। তবে পোপ তার চিঠিতে এই ত্রুটি সংস্কারের কোনো কথা বলেননি এবং কোনো অভিযুক্ত যাজককে এই ঘটনায় পদত্যাগ করতেও বলেননি। তবে পোপের এই ক্ষমা প্রার্থনায় ভুক্তভোগীরা মোটেও সন্তুষ্ট নন। কেবল ভর্ৎসনা নয়, তারা চান যৌন নিপীড়ক যাজকদের কঠোর শাস্তি। শুধু তা-ই নয়, পোপ ষোড়শ বেনেডিক্টের নিজ দেশ জার্মানি থেকেই তার পদত্যাগের দাবি উঠেছে। কারণ পোপ নিজেও এই ধরনের অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তাই তার নিজেরই সংস্কার হওয়া উচিত বলেই ভুক্তভোগীদের অনেকেই মত দিয়েছেন। তাদের মতে, যাজকেরাই যখন নিপীড়কের ভূমিকা পালন করেন; তখন চার্চের উপর মানুষের আস্থা থাকতে পারে না।

বলাবাহুল্য, ইতোমধ্যে গোটা বিশ্বে রোমান ক্যাথলিক ধর্মযাজকদের বিরুদ্ধে ‘ছি ছি’ রব উঠেছে। ভ্যাটিকান-এর চরিত্রহীনতা গোটা বিশ্বে উš§ুক্ত হয়ে পড়েছে। এমনকি খোদ পোপের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়ক ধর্মযাজকদের প্রশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ এ অবস্থাকে আরো উন্মাতাল করেছে।

তবে এখন খ্রিস্টানদেরকে এ সমস্যার আরো গভীরে গিয়ে ঠিক করতে হবে যে তারা কী কেবল ধর্মযাজকদের সম্পর্কেই বিরূপ ধারণা নিবে? না গোটা খ্রিস্টান ধর্ম সম্পর্কেই সত্য ধারণায় উপনীত হবে।

কারণ খোদ ধর্মেই যদি গলদ থাকে তবে ধর্মযাজকদের মাঝে তা প্রতিফলিত হবেই। শুধু কিছু ধর্মযাজক বা একজন পোপ বেনেডিক্টের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে এর ইতি টানা যাবে না।

উল্লেখ্য, খ্রিস্টান-ধর্মযাজক, পাদ্রী, নান, ফাদারদের জন্য বিয়ে-শাদী, ঘর-সংসার, যৌনাচার জায়িয নয়। এটা হল বৈরাগ্যবাদ। এটা তাদের ধর্মের বিষয়। তারা যে ধর্মের বিকৃতি ঘটিয়েছে এটা তার প্রমাণ। পাশাপাশি খ্রিস্টান ধর্ম যে সত্য নয় ইসলামই যে পরিপূর্ণ এর দ্বারা তাও প্রতিভাত হয়।

কুরআন শরীফ-এ আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, æআল্লাহ পাক-উনার সন্তুষ্টি লাভের আশায় তারা খ্রিস্টানেরা বৈরাগ্যবাদ চালু করেছিল। এটা আমি তাদের জন্য বিধান দেইনি। তারপর তাও তারা যথাযথভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করেনি।”

বলাবাহুল্য, পাদ্রী ও পোপরা এখন ইসলামের সত্যতা ও শ্রেষ্ঠত্ব বুঝতে পেরেছেন।

ভ্যাটিকানের মুখপাত্র ফেদেরিকো লম্বার্দি জানান, এসব কিছুর মূলে রয়েছে খুবই ছোট একটি সমস্যা? তা হলো ক্যাথলিক পাদ্রীদের বাধ্যতামূলক চিরকুমার থাকার নিয়ম? এ কারণেই এসব যৌন নিগ্রহের ঘটনা ঘটছে বলে তারা মনে করছেন।

হামবুর্গের বিশপ ইয়োখেন ইয়াশ পাদ্রীদের চিরকুমার থাকার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন? তিনি মনে করেন, বিবাহিত পাদ্রী গির্জা, সমাজ জীবনের নানা বিষয়ে জ্ঞান দানে সহায়ক হবেন। এতে গির্জারই মঙ্গল হবে। গির্জার জন্য বিবাহিত পাদ্রীরা সুফল বয়ে আনতে পারবেন? পরিবার কি, পরিবারের প্রতি দায়িত্ব কি, তার প্রতি পাদ্রীরা নিজেদের একাত্ম করতে পারবেন।

খোদ ভ্যাটিকানই এখন খ্রিস্টধর্মের অপবিত্রতা ও অপূর্ণতা  পাদ্রীদের নিকৃষ্টতা এবং ইসলামের শ্রেষ্ঠত্ব স্বীকারে বাধ্য হলেন।

এবং বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, এটা এমন এক সময় হল যখন মুজাদ্দিদে আ’যম, রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-উনার তাজদীদী রোবে গোটা অমুসলিম থর থর করে কেঁপে উঠেছে। আর সে কম্পনের কারণেই পাদ্রীদের তথা গোটা খ্রিস্টধর্মের মুখোশ খুলে পড়েছে। (ইনশাআল্লাহ চলবে)

-মুহম্মদ আলম মৃধা

যুগের আবূ জাহিল, মুনাফিক ও দাজ্জালে কায্যাবদের বিরোধিতাই প্রমাণ করে যে, রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী হক্ব। খারিজীপন্থী ওহাবীদের মিথ্যা অপপ্রচারের দাঁতভাঙ্গা জবাব-৬৭

ভ্রান্ত ওহাবী মতবাদ প্রচারের নেপথ্যে-১৬

চাঁদ দেখা ও নতুন চন্দ্রতারিখ নিয়ে প্রাসঙ্গিক আলোচনা-৩৫

বাতিল ফিরক্বা ওহাবীদের অখ্যাত মুখপত্র আল কাওসারের মিথ্যাচারিতার জবাব-২৫ হাদীছ জালিয়াতী, ইবারত কারচুপি ও কিতাব নকল করা ওহাবীদেরই জন্মগত বদ অভ্যাস ওহাবী ফিরক্বাসহ সবগুলো বাতিল ফিরক্বা ইহুদী-নাছারাদের আবিষ্কার! তাদের এক নম্বর দালাল

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ‘সংবিধানের প্রস্তাবনা’, ‘মৌলিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা’ ‘জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা’ এবং ‘জাতীয় সংস্কৃতি’ শীর্ষক অনুচ্ছেদের সাথে- থার্টি ফার্স্ট নাইট তথা ভ্যালেন্টাইন ডে পালন সরাসরি সাংঘর্ষিক ও সংঘাতপূর্ণ’। পাশাপাশি মোঘল সংস্কৃতির দান পহেলা বৈশাখ পালনও প্রশ্নবিদ্ধ।সংবিধানের বহু গুরুত্বপূর্ণ ও বিশেষ স্পর্শকাতর অনুচ্ছেদের প্রেক্ষিতে ৯৫ ভাগ মুসলমানের এদেশে কোনভাবেই থার্টি ফার্স্ট নাইট ও ভ্যালেন্টাইন ডে পালিত হতে পারে না।পারেনা গরিবের রক্ত চোষক ব্র্যাকের ফজলে আবেদও ‘নাইট’ খেতাব গ্রহণ করতে। পারেনা তার  নামের সাথে ‘স্যার’ যুক্ত হতে। পাশাপাশি মোঘল সংস্কৃতির দান পহেলা বৈশাখ পালনও প্রশ্নবিদ্ধ।