মুত্বহহার, মুত্বহহির, আছ ছমাদ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, উম্মুল উমাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আম্মা হুযূর ক্বিবলা ছল্লাল্লাহু আলাইহা ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত সন্তুষ্টি-রেযামন্দি মুবারক ব্যতীত কেউ কস্মিনকালেও হাক্বীক্বী সন্তুষ্টি-রেযামন্দি মুবারক হাছিল করতে পারবে না

সংখ্যা: ২৮৫তম সংখ্যা | বিভাগ:

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,

اَلنَّبِـىُّ اَوْلـٰى بِالْمُؤْمِنِـيْـنَ مِنْ اَنْـفُسِهِمْ وَاَزْوَاجُهٗۤ اُمَّهٰتُـهُمْ

অর্থ: “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা মু’মিন উনাদের নিকট উনাদের জানের চেয়েও অধিক প্রিয় এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন সমস্ত সৃষ্টির মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র পিতা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা হচ্ছেন সমস্ত সৃষ্টির মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মাতা আলাইহিন্নাস সালাম।” সুবহানা হযরত উম্মিল উমাম ছল্লাল্লাহু আলাইহা ওয়া সাল্লাম! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ : সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ৬)

এই সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে মু’মিন বলতে একমাত্র যিনি খ্বালিক্ব¡ মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অর্থাৎ উনারা ব্যতীত সমস্ত হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারাসহ সমস্ত জিন-ইনসান, সমস্ত ফেরেস্তা আলাইহিমুস সালামসহ তামাম কায়িনাতবাসী সকলেই উদ্দেশ্য। সুবহানাল্লাহ!

উনারা সকলেই মু’মিন। উনারা প্রত্যেকেই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি সম্মানিত ঈমান মুবারক এনেছেন। সুবহানাল্লাহ! কোনো হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে সম্মানিত নুবুওওয়াত-রিসালাত মুবারক দেয়া হয়নি; যতক্ষণ পর্যন্ত না উনারা সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি সম্মানিত ঈমান মুবারক এনেছেন। সুবহানাল্লাহ! অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি সম্মানিত ঈমান মুবারক আনার পরেই মহান আল্লাহ পাক তিনি সমস্ত হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে সম্মানিত নুবুওওয়াত-রিসালাত মুবারক হাদিয়া মুবারক করেছেন। সুবহানাল্লাহ!

কাজেই, মহাম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা হচ্ছেন একমাত্র মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অর্থাৎ উনারা ব্যতীত সমস্ত হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারাসহ সমস্ত জিন-ইনসান, সমস্ত ফেরেস্তা আলাইহিমুস সালামসহ তামাম কায়িানাতবাসী সকলেরই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মাতা আলাইহিন্নাস সালাম। সুবহানাল্লাহ!

উল্লেখ্য যে, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,

اِنَّ الْـجَنَّةَ تَـحْتَ اَقْدَامِ اُمَّهَاتِكُمْ

অর্থ: “নিশ্চয়ই সম্মানিত জান্নাত মুবারক তোমাদের সম্মানিতা মাতা উনাদের পায়ের নীচে।” সুবহানাল্লাহ!

অপর বর্ণনায় এসেছেন-

عَنْ حَضْرَتْ اَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِىَ اللهُ تَـعَالـٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ النَّبِـىُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَلْـجَنَّةُ تَـحْتَ اَقْدَامِ الْاُمَّهَاتِ

অর্থ: “হযরত আনাস ইবনে মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, সম্মানিত জান্নাত মুবারক সম্মানিতা মাতা উনাদের পায়ের নিচে।” সুবহানাল্লাহ! (জামি‘উছ ছগীর ১/৫৬৩, আল কুনা ওয়াল আসমা’ ৩/১০৯১, মুসনাদে শিহাব ১/১০২, আল জামি’ লিখত্বীব বাগদাদী ৪/৪৬১, আল ফাওয়াইদ লিআবী শায়েখ ইস্পাহানী ১/২৬, আত তারগীব ওয়াত তারহীব ১/২৮১, মূজিবাতুল জান্নাহ ১/১১০, ফায়যুল ক্বদীর ৩/৪৭৭, আদ দুররুল মুনতাছিরাহ লিস সুয়ূত্বী ১/৯, আল ফাতহুল কাবীর লিস সুয়ূত্বী ২/৬২, জামি‘উল আহাদীছ ১২/৮০, দায়লামী শরীফ ২/১১৬, কাশফুল খফা ১/৩৩৫, কানযুল ‘উম্মাল ১৬/৪৬১, জাম‘উল জাওয়ামি’ ১/১১৬০৭, ইহইয়াউ ‘উলূমিদ্দীন, মিরক্বাত শরীফ ইত্যাদি)

অর্থাৎ সন্তানদের সম্মানিত জান্নাত মুবারক সম্মানিতা মাতা উনাদের পায়ের নিচে। সুবহানাল্লাহ!

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ অনুযায়ী মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা একমাত্র যিনি খ্বালিক্ব¡ মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অর্থাৎ উনারা ব্যতীত সমস্ত হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারাসহ সমস্ত জিন-ইনসান, সমস্ত ফেরেস্তা আলাইহিমুস সালামসহ, তামাম কায়িনাতবাসী সকলেরই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মাতা আলাইহিন্নাস সালাম। সুবহানাল্লাহ!

আর বর্ণিত মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ অনুযায়ী যিনি খ্বালিক্ব¡ মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অর্থাৎ উনারা ব্যতীত সমস্ত হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারাসহ সমস্ত জিন-ইনসান, সমস্ত ফেরেস্তা আলাইহিমুস সালামসহ, তামাম কায়িনাতবাসী সকলেরই সম্মানিত জান্নাত মুবারক হচ্ছেন- মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুদ দারাজাত মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ক্বদম মুবারক) উনাদের নিচে। সুবহানাল্লাহ!

একইভাবে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে মুরীদের আদব কেমন হবে সে সম্পর্কে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন-

عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَـعَالـٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَلشَّيْخُ فِـىْ اَهْلِهٖ كَالنَّبِـىِّ فِـىْ اُمَّتِهٖ وَفِـىْ رِوَايَةٍ اَلشَّيْخُ لِقَوْمِهٖ كَالنَّبِـىِّ فِـىْ اُمَّتِهٖ

অর্থ: “হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা তিনি উনার অধীনস্তদের নিকট, অপর বর্ণনায় রয়েছে, উনার সম্প্রদায়ের নিকট তদ্রুপ সম্মানিত ও অনুসরণীয় যেমন হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালামগণ উনারা উম্মতের নিকট সম্মানিত ও অনুসরণীয়।” সুবহানাল্লাহ! (দায়লামী শরীফ, মাকতুবাত শরীফ, জামিউল জাওয়ামি’, আল জামিউছ ছগীর ইত্যাদি)

বর্ণিত সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ অনুযায়ী কয়েকটি বিষয় দিবালোকের চেয়েও অত্যধিক সুস্পষ্ট-

প্রথমত: মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অর্র্থাৎ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হাক্বীক্বী ক্বায়িম মাক্বাম। তাই প্রত্যেক মুরীদের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য তথা ফরয হচ্ছে- মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার একক ও অদ্বিতীয় হাক্বীক্বী ক্বায়িম মাক্বাম বা নায়িব এবং পরিপূর্ণ নকশা মুবারক হিসেবে মনে প্রাণে বিশ্বাস করা। সুবহানা মুর্শিদ ক্বিবলা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!

দ্বিতীয়ত: উম্মুল উমাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আম্মা হুযূর ক্বিবলা ছল্লাল্লাহু আলাইহা ওয়া সাল্লাম তিনি ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম অর্থাৎ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের পরিপূর্ণ ক্বায়িম মাক্বাম। তাই প্রত্যেক মুরীদের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য তথা ফরয হচ্ছেন সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম ছল্লাল্লাহু আলাইহা ওয়া সাল্লাম উনাকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের পরিপূর্ণ ক্বায়িম মাক্বাম বা নায়িব ও নকশা মুবারক হিসেবে মনে প্রাণে বিশ্বাস করা। সুবহানা উম্মিল উমাম ছল্লাল্লাহু আলাইহা ওয়া সাল্লাম!

তৃতীয়ত: সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি যেরূপ সর্বোচ্চ আদব রক্ষা ও প্রকাশ করতে হবে, হুসনে যন পোষণ করতে হবে, তদ্রুপ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতিও সর্বোচ্চ আদব রক্ষা ও প্রকাশ করতে হবে এবং সর্ব্বোচ্চ হুসনে যন পোষণ করতে হবে। সুবহানা মুর্শিদ ক্বিবলা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!

চতুর্থত: মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের প্রতি যেরূপ সর্বোচ্চ আদব রক্ষা ও প্রকাশ করতে হবে, হুসনে যন পোষণ করতে হবে, তদ্রুপ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম ছল্লাল্লাহু আলাইহা ওয়া সাল্লাম উনার প্রতিও সর্বোচ্চ আদব রক্ষা ও প্রকাশ করতে হবে এবং সর্বেŸাচ্চ হুসনে যন পোষণ করতে হবে। সুবহানা উম্মিল উমাম ছল্লাল্লাহু আলাইহা ওয়া সাল্লাম!

পঞ্চমত: সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হাক্বীক্বী ক্বায়িম মাক্বাম হিসেবে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতিটি আদেশ-নির্দেশ মুবারক যথাযথভাবে সূক্ষাতিসূক্ষ এবং পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পালন করা প্রত্যেক মুরীদের জন্য ফরজে আইন। সুবহানা মুর্শিদ ক্বিবলা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!

ষষ্ঠত: মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের পরিপূর্ণ ক্বায়িম মাক্বাম হিসেবে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম ছল্লাল্লাহু আলাইহা ওয়া সাল্লাম উনার প্রতিটি আদেশ-নির্দেশ মুবারক যথাযথভাবে সূক্ষাতিসূক্ষ এবং পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পালন করা প্রত্যেক মুরীদের জন্য ফরজে আইন। সুবহানা উম্মিল উমাম ছল্লাল্লাহু আলাইহা ওয়া সাল্লাম!

সপ্তমত: মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হাক্বীক্বী ক্বায়িম মাক্বাম হওয়ায় উনার মুবারক শানে নাযিলকৃত সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফসমূহ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানেও প্রযোজ্য হবে। সুবহানা মুর্শিদ ক্বিবলা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!

অষ্টমত: সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম ছল্লাল্লাহু আলাইহা ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের পরিপূর্ণ ক্বায়িম মাক্বাম হওয়ায় উনাদের মুবারক শানে নাযিলকৃত সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফসমূহ এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফসমূহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম ছল্লাল্লাহু আলাইহা ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানেও প্রযোজ্য হবে। সুবহানা উম্মিল উমাম ছল্লাল্লাহু আলাইহা ওয়া সাল্লাম!

আর মুত্বহ্হার, মুত্বহহির, আছ ছমাদ, আস সাফফাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ১৪৪২ হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২৫শে শাওওয়াল শরীফ লাইলাতু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ (লাইলাতুল ইছনাইনিল ‘আযীম শরীফ তথা সোমবার রাতে) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘ফালইয়াফরহূ শরীফ’ সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা জানো আমাকে? মহান আল্লাহ পাক উনি এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি অর্থাৎ উনারা দু’জন ছাড়া আমি সবার শায়েখ। এটা মনে রাখবে, এটা মনে রাখবে। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) বড়পীর সাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে জিজ্ঞাসা করা হলো- ‘আপনি কি সুলত্বনুল আরিফীন? গাউসুল আ’যম? মুজাদ্দিদুয যামান? কুতুবুল আলম? তিনি বললেন, অবশ্যই। আরো বললেন, আমার মাক্বাম হচ্ছে ওরাউল ওরা, ওরাউল ওরা, ওরাউল ওরা অর্থাৎ তিনি বললেন ‘আরো উপরে, আরো উপরে, আরো উপরে।’ তোমরা মনে রেখো- মহান আল্লাহ পাক উনি এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি অর্থাৎ উনারা ছাড়া আমি সবার শায়েখ। মনে রেখো। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!)

আর তোমরা যদি মনে করো- তোমাদের হযরত আম্মা হুযূর ক্বিবলা ছল্লাল্লাহু আলাইহা ওয়া সাল্লাম তিনি আমার পরে ক্বায়িম মাক্বাম, তাহলে উনি তো পুরুষ-মহিলা সবার জন্যই শায়েখ। (সুবহানা উম্মিল উমাম ছল্লাল্লাহু আলাইহা ওয়া সাল্লাম!) উনি পুরুষ-মহিলা, জিন-ইনসান সবার-ই শায়েখ। (সুবহানা উম্মিল উমাম ছল্লাল্লাহু আলাইহা ওয়া সাল্লাম!) মহিলারা খালি মহিলাদের শায়েখ হবে আর পুরুষরা পুরুষের শায়েখ হবে, এটা কোথায় আছে? হ্যাঁ? এরা তো পড়া-লেখা করে না। লেখা-পড়া করতে হবে।”

কাজেই, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার একক ও অদ্বিতীয় হাক্বীক্বী ক্বায়িম মাক্বাম আর আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, উম্মুল উমাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আম্মা হুযূর ক্বিবলা ছল্লাল্লাহু আলাইহা ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের একক ও অদ্বিতীয় হাক্বীক্বী ক্বায়িম মাক্বাম। (সুবহানা উম্মিল উমাম ছল্লাল্লাহু আলাইহা ওয়া সাল্লাম!)

মুত্বহ্হার, মুত্বহহির, আছ ছমাদ, আস সাফফাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত সুলত্বানুন নাছীর ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যেমন মহান আল্লাহ পাক উনি এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি অর্থাৎ উনারা ছাড়া সবার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র শায়েখ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। ঠিক তেমনিভাবে মুত্বহ্হার, মুত্বহহির, আছ ছমাদ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, উম্মুল উমাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আম্মা হুযূর ক্বিবলা ছল্লাল্লাহু আলাইহা ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এবং মুত্বহ্হার, মুত্বহহির, আছ ছমাদ, আস সাফফাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অর্থাৎ উনারা ব্যতীত সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসী সকলের মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র শায়েখ ছল্লাল্লাহু আলাইহা ওয়া সাল্লাম। সুবহানা উম্মিল উমাম ছল্লাল্লাহু আলাইহা ওয়া সাল্লাম! সকলেরই সম্মানিত জান্নাত মুবারক হচ্ছেন উম্মুল উমাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আম্মা হুযূর ক্বিবলা ছল্লাল্লাহু আলাইহা ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুদ দারাজাত মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ক্বদম মুবারক) উনার নীচে। (সুবহানা উম্মিল উমাম ছল্লাল্লাহু আলাইহা ওয়া সাল্লাম!) উনার সন্তুষ্টি-রেযামন্দি মুবারক ব্যতীত কেউ কস্মিনকালেও হাক্বীক্বী রেযামন্দি-সন্তুষ্টি মুবারক লাভ করতে পারবে না; এমনকি সম্মানিত জান্নাত মুবারকও লাভ করতে পারবে না।

এ প্রসঙ্গে মুত্বহ্হার, মুত্বহহির, আছ ছমাদ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, উম্মুল উমাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আম্মা হুযূর ক্বিবলা ছল্লাল্লাহু আলাইহা ওয়া সাল্লাম তিনি ১৪৪৩ হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১৮ই সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ) ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) ফালইয়াফরহূ শরীফ মাহফিল মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,

اِنَّ الْـجَنَّةَ تَـحْتَ اَقْدَامِ اُمَّهَاتِكُمْ

“নিশ্চয়ই সম্মানিত জান্নাত মুবারক তোমাদের সম্মানিতা মাতা উনাদের পায়ের নীচে।” সুবহানাল্লাহ!

যদি তাই হয়ে থাকে, তাহলে আমি অনুমতি মুবারক দিলেই সবাই সম্মানিত জান্নাত মুবারক-এ প্রবেশ করতে পারবে। আর আমি অনুমতি মুবারক না দিলে কেউ সম্মানিত জান্নাত মুবারক-এ প্রবেশ করতে পারবে না। (সুবহানা উম্মিল উমাম ছল্লাল্লাহু আলাইহা ওয়া সাল্লাম!) আমি হচ্ছি সম্মানিত জান্নাত মুবারক উনার মালিক। (সুবহানা উম্মিল উমাম ছল্লাল্লাহু আলাইহা ওয়া সাল্লাম!) মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সম্মানিত জান্নাত মুবারক দেখিয়ে দিবেন, আর আমি সম্মানিত জান্নাত মুবারক-এ প্রবেশ করাবো।” (সুবহানা উম্মিল উমাম ছল্লাল্লাহু আলাইহা ওয়া সাল্লাম!)

হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার শরীয়তে সম্মানিতা মাতা উনাকে সম্মানিত পিতা উনার চেয়ে ৯ গুণ মুহব্বত করা হতো। আমাদের শরীয়তে সম্মানিতা মাতা উনাকে সম্মানিত পিতা উনার চেয়ে ৩ গুণ বেশি মুহব্বত করতে হয়।

এ সম্পর্কে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,

عَنْ حَضْرَتْ اَبِـىْ هُرَيْـرَةَ رَضِىَ اللهُ تَـعَالـٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَجُلٌ يَا رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ اَحَقُّ بِـحُسْنِ صَحَابَـتِـىْ قَالَ اُمُّكَ قَالَ ثُـمَّ مَنْ قَالَ اُمُّكَ قَالَ ثُـمَّ مَنْ قَالَ اُمُّكَ قَالَ ثُـمَّ مَنْ قَالَ اَبُـوْكَ

অর্থ: “হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা একজন হযরত ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি বলেন- ইয়া রসূলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমার থেকে উত্তম সদাচরণ পাওয়ার ক্ষেত্রে কে অধিক হক্বদার? নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন, আপনার মা। তিনি বললেন, তারপর কে? তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন, আপনার মা। তিনি বললেন, তারপর কে? তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন, আপনার মা। তিনি বললেন, তারপর কে? তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন, আপনার পিতা।” সুবহানা উম্মিল উমাম ছল্লাল্লাহু আলাইহা ওয়া সাল্লাম! (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ)

উপরোক্ত মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ দ্বারা সুস্পষ্টভাবে প্রমানিত হলেন যে, আমাদের শরীয়তে সম্মানিত পিতা উনার এক হক্ব আর সম্মানিতা মাতা উনার তিন হক্ব। সুবহানাল্লাহ!

তাহলে উম্মুল উমাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আম্মা হুযূর ক্বিবলা ছল্লাল্লাহু আলাইহা ওয়া সাল্লাম উনাকে কতটুকু মুহব্বত মুবারক করতে হবে, সম্মানতি তা’যীম-তাকরীম মুবারক করতে হবে, উনার কতটুকু সম্মানিত গোলামী মুবারক উনার আনজাম মুবারক দিতে হবে এবং কতটুকু উনার সম্মানিত ছানা-ছিফত মুবারক করতে হবে? সেটা আর বলার অপেক্ষাই রাখেনা। (সুবহানা উম্মিল উমাম ছল্লাল্লাহু আলাইহা ওয়া সাল্লাম!)

এ প্রসঙ্গে উম্মুল উমাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আম্মা হুযূর ক্বিবলা ছল্লাল্লাহু আলাইহা ওয়া সাল্লাম তিনি ১৪৪৩ হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১৮ই সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ) ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) ফালইয়াফরহূ শরীফ মাহফিল মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “পিতার এক হক্ব আর মায়ের তিন হক্ব। যদি তাই হয়ে থাকে, তাহলে মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে ১ হাজার টাকা হাদিয়া দিলে, আমাকে ৩ হাজার টাকা হাদিয়া দিতে হবে।” (সুবহানা উম্মিল উমাম ছল্লাল্লাহু আলাইহা ওয়া সাল্লাম!)

তাহলে উম্মুল উমাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আম্মা হুযূর ক্বিবলা ছল্লাল্লাহু আলাইহা ওয়া সাল্লাম উনার শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক কতো বেমেছাল, সেটা সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসী সকলের চিন্তা ও কল্পনার উর্ধ্বে। সুবহানা উম্মিল উমাম ছল্লাল্লাহু আলাইহা ওয়া সাল্লাম! এক কথায় তিনি শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি নন এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নন এবং মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নন; এছাড়া সমস্ত শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক উনাদের মালিক হচ্ছেন তিনি। সুবহানা উম্মিল উমাম ছল্লাল্লাহু আলাইহা ওয়া সাল্লাম! তিনি সমস্ত সৃষ্টির মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মাতা ছল্লাল্লাহু আলাইহা ওয়া সাল্লাম এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র শায়েখ ছল্লাল্লাহু আলাইহা ওয়া সাল্লাম। উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুদ দারাজাত মুবারক (মহাসম্মানিত   ও মহাপবিত্র ক্বদম মুবারক) উনার নীচে সমস্ত সৃষ্টির সম্মানিত জান্নাত মুবারক। উনার সন্তুষ্টি মুবারক ব্যতীত কেউ কখনও হাক্বীক্বী রেযামন্দি-সন্তুষ্টি মুবারক লাভ করতে পারবে না; এমনকি উনার অনুমতি মুবারক ব্যতীত কেউ সম্মানিত জান্নাত মুবারকেও প্রবেশ করতে পারবে না। সুবহানা উম্মিল উমাম ছল্লাল্লাহু আলাইহা ওয়া সাল্লাম!

মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের সবাইকে মুত্বহ্হার, মুত্বহহির, আছ ছমাদ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, উম্মুল উমাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আম্মা হুযূর ক্বিবলা ছল্লাল্লাহু আলাইহা ওয়া সাল্লাম উনার হাক্বীক্বী শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক উপলব্ধি করে উনার হাক্বীক্বী সম্মানিত ছানা-ছিফত মুবারক করার তাওফীক্ব দান করুন এবং উনার যথাযথ হক্ব মুবারক উপলব্ধি করে উনাকে যথাযথ তা’যীম-তাকরীম মুবারক করার, উনার হাক্বীক্বী সম্মানিত গোলামী মুবারক উনার আনজাম মুবারক দেয়ার মাধ্যমে দুনিয়ার যমীনে, হায়াতে, মউতে, কবরে, হাশর-নশরে, মীযানে, পুলছিরাতে, জান্নাতে যেয়েও অনন্তকালব্যাপী দায়িমীভাবে উনার  মুবারক শানে ‘ফালইয়াফরহূ শরীফ’ সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করার তাওফীক্ব দান করুন। আমীন!

-মুহাদ্দিছ মুহম্মদ ইবনে ছিদ্দীক্ব।

সিবত্বতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, বিনতু খইরি বানাতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আন নূরুল ঊলা আলাইহাস সালাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত বিনতু যিন নূর আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত সংক্ষিপ্ত জীবনী মুবারক

সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি ‘আলাল আলামীন, মালিকুদ দুনিয়া ওয়াল আখিরাহ্, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আছ ছমাদ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, উম্মুল উমাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আম্মা হুযূর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম তিনি হচ্ছেন ক্বায়িম মাক্বামে সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি ‘আলাল আলামীন, মালিকুদ দুনিয়া ওয়াল আখিরাহ্, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আছ ছমাদ উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম

যুল ওয়াসীলাহ, খইরুল আলামীন, সাইয়্যিদুছ ছাক্বলাইন, ছাহিবুল কাওছার, যিক্রুল্লাহ, খইরু খলক্বিল্লাহ, আস সিরাজুল মুনীর, ইমামুল মুত্তাক্বীন, মালিকুল কায়িনাত, আবূ রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশের মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ওয়াক্বেয়াহ মুবারক

পবত্রি দ্বীন ইসলাম উনার দৃষ্টিতে ছোঁয়াচে বা সংক্রামক বলে কোন রোগ নাই “ছোঁয়াচে বা সংক্রামক বশ্বিাস করা শরিক”

সম্মানিত শরীয়ত উনার ফাতাওয়া অনুযায়ী “সুস্থ মানুষকে সুস্থ মানুষ থেকে দুরে থাকার ব্যাপারে” ইফার ফাতাওয়া ও সরকারী নির্দেশনা সম্পূর্নরূপে ভুল, মনগড়া, কুফরী ও শিরকীপূর্ণ