যামানার মহান ইমাম আলাইহিস সালাম উনার বিরোধিতাকারীদের একের পর এক ধ্বংস দেখে রেযাখানীদের খালিছ তওবা করে নেয়াটা জরুরী ছিল সুন্নী নামের কলঙ্ক, আহমদীয়া সুন্নীয়া দাবিকারী কাদিয়ানীদের ভাবশিষ্য চট্টগ্রামের রেযাখানী ফিরক্বার প্রলাপবাক্যের মূলোৎপাটন-১

সংখ্যা: ২১৭তম সংখ্যা | বিভাগ:

বাতিলের আতঙ্ক, হক্বের অতন্দ্র প্রহরী, আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের একমাত্র দলীলভিত্তিক মুখপত্র মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ-এর ক্ষুরধার লেখনীর কারণে আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত শহীদে আ’যম বেরলভী আলাইহিস সালাম উনার বিরুদ্ধে তোহমত আরোপকারী বাতিল ফিরক্বা মৃত আহম্মক রেজা খাঁর অনুসারী চট্টগ্রামের রেযাখানী গংয়ের জ্বলে পুড়ে অঙ্গার হয়ে যাবার মতো অবস্থা হয়েছে। এ অবস্থায় তারা রীতিমতো প্রলাপ বাক্য শুরু করেছে। মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ-এর প্রবন্ধ লেখকের কোন কথার যুক্তিপূর্ণ শরয়ী প্রতিবাদ করতে না পেরে যতসব বিষোদগার, কুৎসা রটনা করে তাদের নাপাক মুখপত্রের শাবান ৩৩ হিজরী সংখ্যায় নিজস্ব ডেস্ক হতে মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফকে ধর্মীয় অপব্যাখ্যা, অশালীনতা ও রুচিহীনতায় ভরা একটি পত্রিকা হিসেবে তোহমত দেয়া হয়েছে। নাউজুবিল্লাহ মিন জালিক!

অথচ চট্টগ্রামের সত্যিকারের ধর্মপ্রাণ ঈমানদার মুসলমানরা ঠিকই জানেন এবং খবর রাখেন যে, তাজদীদী মুখপত্র মাসিক আল বাইয়্যিনাতের ইলম ও ফতওয়ার উপর ভিত্তি করেই তামাম রেযাখানী মৌলুভীরা মসজিদ-মাদরাসাতে তাদের জীবিকা টিকিয়ে রেখেছে। এটা তারা যতই অস্বীকার করুক না কেন, রেযাখানীদের ইমাম-খতীব-মুহাদ্দিস-মুফাসসির তথা মৌলুভীদের গোপন ট্রাঙ্ক, আলমারী চেক করলে ঠিকই বের হয়ে আসবে মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ। কারণ মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ ছাড়া তাদের জীবিকা নির্বাহ হবেই বা কিভাবে? আর এটা স্বীকার করে গিয়েছিল তাদের এদেশীয় মৃত ইমাম মৌলুভী অদক্ষ আব্দুল জলীল। কিন্তু পরবর্তীতে মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ-এর আপোসহীনতা, চরম সত্যবাদিতার কারণে যখন অদক্ষ জলীলেল নাহক্ব বিদয়াতী কথাবার্তা ভ-ামী ফাঁস হতে লাগলো তখন সেও আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের একমাত্র মুখপত্র মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ-এর বিরোধিতা করতে আরম্ভ করলো। এটাকে সে ওহাবী বাতিলপন্থীদের পত্রিকা হিসেবে অপপ্রচার চালাতে লাগলো।

অবশেষে হক্বের বিরোধিতা করতে করতেই খোদায়ী আযাব-গযবে পড়ে মরার পর আকৃতি বিকৃতি হয়ে তার সাঙ্গলীলা হলো। এ বিষয়গুলো চট্ট্রগ্রামের রেযাখানী ফিরক্বার লোকদের বিশেষ করে তাদের মুখপত্রের সম্পাদক অদক্ষ মৌলানা জালালের অজানা থাকার কথা নয়। কিন্তু তারপরও কুফরীর উপর কুফরীর মাত্রাকে বৃদ্ধি করার জন্য, নিজেদের অস্তিত্বকে সমূলে বিনাশ করার জন্য ফের তারা বাতিলের আতঙ্ক, সারা বিশ্বে আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের একমাত্র দলীল ভিত্তিক মুখপত্র মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ এবং এটির সুমহান প্রতিষ্ঠাতা পৃষ্ঠপোষক, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, সাইয়্যিদুল আউলিয়া, জব্বারিউল আউয়াল, মুজাদ্দিদে আ’যম ঢাকা রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ কিবলা কা’বা আলাইহিস সালাম উনার দলীলবিহীন, মনগড়া, কল্পিত বিরোধিতা আরম্ভ করলো। নাউযুবিল্লাহ মিন জালিক!

বলাবাহুল্য, উনার নাহক্ব বিরোধিতা করতে গিয়ে রেযাখানী গং হযরত মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ হযরত মুর্শিদ কিবলা কা’বা আলাইহিস সালাম উনার শানে শরীয়তসম্মত কোন অভিযোগ দাঁড় করাতে পারেনি। না পেরে অন্ধ, কানা, বধির দাজ্জালে কাজ্জাব ওলামায়ে সূ’দের মতো একনাগাড়ে কতিপয় প্রলাপ বাক্য বকে তাদের নাপাক মুখপত্রের পৃষ্ঠা ভরেছে। অবশ্য মৃত আহম্মক রেজা খাঁর অনুসারী তো বটেই পৃথিবীর অপরাপর কোন দল, গোষ্ঠী বা ফিরক্বার মধ্যেও আজ পর্যন্ত এমন কোন মা এমন কোন সন্তান জন্ম দিতে পারেনি, ইনশাআল্লাহ কিয়ামত পর্যন্ত পারবেও না যার পক্ষে ইসলামী শরীয়তের অকাট্য কোন দলীল-আদিল্লাহ দ্বারা বিন্দু থেকে বিন্দু পরিমাণ সম্ভব, হযরত মুজাদ্দিদে আ’যম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ কিবলা কা’বা আলাইহিস সালাম উনার কোন ইলম, আমল, কথা, কাজ বা ফতওয়াকে ভুল বা সুন্নাহ-শরীয়ত বিরোধী প্রমাণ করা। সুবহানাল্লাহ!

আমরা এই প্রবন্ধে, হক্ব সত্যপন্থী সুন্নী মুসলমানদের বিভ্রান্তি দূর করার জন্য পাশাপাশি মৃত আহম্মক রেজা খাঁর অনুসারী রেযাখানী গং কত বেশি নাহক্ব দুনিয়াদার ভ-, প্রতারক, দাজ্জালে কাজ্জাব সেটা তুলে ধরে মুসলিম উম্মাহর ঈমান-আমল হিফাজত করার জন্য রেযাখানীদের নাপাক মুখপত্রের মিথ্যা তোহমত আর প্রলাপ বাক্যের শুধুমাত্র দাঁতভাঙ্গা নয় কোমরভাঙ্গা জাওয়াব ধারাবাহিকভাবে পত্রস্থ করবো ইনশাআল্লাহ!

     -মূফতী আবু বকর মুহম্মদ জাহিদুল ইসলাম

চাঁদ দেখা ও নতুন চন্দ্রতারিখ নিয়ে প্রাসঙ্গিক আলোচনা-৫১

জনগণের প্রতি আইনমন্ত্রীর মিথ্যা অভিযোগ; দেশের প্রতি ঘাদানিকের মিথ্যা অজুহাত; আর সংবিধান সংশোধন প্রশ্নে ৯৭ ভাগ অধিবাসী মুসলমান এবং দশ লাখ মসজিদ, লাখ লাখ মাদরাসা ও পাঁচ ওয়াক্ত আযান প্রসঙ্গে।

কালো টাকার প্রাদুর্ভাব এবং করের বিপরীতে যাকাত প্রদান প্রসঙ্গে

ষাট হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে প্রাথমিক শিক্ষা প্রকল্প? দুর্নীতিতে জরাগ্রস্ত প্রশাসন থেকে রাজনীতি তথা সর্বস্তরে দুর্নীতির অভিযোগ এবং প্রাথমিক শিক্ষার প্রতিফলন (?) প্রসঙ্গে (১)

নির্বোধ রাষ্ট্রের অধীনে বোধশক্তিসম্পন্ন মানুষ বাস করতে পারে কিভাবে? কল্পিত রাষ্ট্র কথিত নির্বোধ বলেই পরকীয়া, খুন, সম্ভ্রমহরণ, ছিনতাই, রাহাজানি, পর্নোগ্রাফি, দুর্নীতি ইত্যাদির রহস্য বের করতে পারে না। আর সমাজে ব্যাপকহারে বেড়ে যাচ্ছে ওইসব অবক্ষয় জনিত ঘটনা। বোধশক্তিসম্পন্ন মানুষ আর কতকাল নির্বোধ রাষ্ট্রের অরাজকতা বরদাশত করবে? (১)