যামানার মহান ইমাম সাইয়্যিদুনা আসসাফফাহ আলাইহিস সালাম উনার বিরোধিতাকারীদের একের পর এক ধ্বংস দেখে রেজাখানীদের খালিছ তওবা করে নেয়াটা জরুরী ছিলো সুন্নী নামের কলঙ্ক, আহমদীয়া সুন্নীয়া দাবিকারী কাদিয়ানীদের ভাবশিষ্য চট্টগ্রামের রেযাখানী ফিরক্বার প্রলাপবাক্যের মূলোৎপাটন-৭

সংখ্যা: ২২৩তম সংখ্যা | বিভাগ:

প্রিয় পাঠক! বিগত সংখ্যাগুলোতে চট্টগ্রামের রেজাখানী ফিরক্বার অনুসারী প্রতিবাদী বিক্ষুব্ধ গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত “আনজুমান তথা গাউছিয়া কমিটির কাছে সুন্নী জনতার কতিপয় প্রশ্ন” নামক চটি রেসালায় বর্ণিত কতিপয় বিষয় আপনাদের জ্ঞাতার্থে উল্লেখ করেছিলাম। সেখানে এমন কতিপয় বিষয় উঠে এসেছে যেগুলো চিন্তা-ফিকির করলেও গা শিউরে উঠে। কারণ প্রতারণা, ধোঁকাবাজি, দ্বীন ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করার একটা সীমা থাকা উচিত; যাতে অন্ততঃ তওবা করার সুযোগটুকু থাকে। কিন্তু গুমরাহ রেজাখানী ফিরক্বার মৌলুভী জালাল গং, তাদের পাঠানী পীর নামক তাহের শাহ-সাবের শাহ গং ও তাদের একনিষ্ঠ গুমরাহ অনুসারীরা সমস্ত সীমা লঙ্ঘন করে কুফরী-শিরকীতে আজ নিমজ্জিত হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ! শুধু কি তাই! পাকিস্তানের ছিরিকোটের রেজাখানী পাঠানী পীর নামধারী তাহের শাহ-সাবের শাহ গংদের সাথে তালেবানী সন্ত্রাসীদের সাথে গোপন আঁতাত রয়েছে কি-না সেটা নিয়েও রীতিমতো গোপন তদন্ত শুরু হয়েছে। উক্ত চটি রেসালায় এ ব্যাপারে উল্লেখ হয়েছে- আরব আমিরাতের দুবাইয়ের প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী, দুবাই গাউসিয়া কমিটির সভাপতি, তাহের পাঠানী নামক ভ-পীরের ঘনিষ্ঠ মুরীদ, নাম যার আইয়ুব। সে ব্যক্তি পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশের তালেবান সন্ত্রাসী অধ্যুষিত অ্যাবোটাবাদ জেলার ছিরিকোটে পাঠানী ভ-পীর তাহেরের নামে মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে চল্লিশ লক্ষ দেরহাম পাঠিয়ে আরব আমিরাত, পাকিস্তানসহ গোটা মার্কিন মুল্লুকে তোলপাড় করে তোলে। কথিত রয়েছে, এই অ্যাবোটাবাদেই কিছুদিন আগেই সন্ত্রাসী দল আল-কায়েদার প্রধান সন্ত্রাসী ওসামা বিন লাদেনকে তার সুরক্ষিত আস্তানায় মার্কিনীরা হত্যা করে। মার্কিনীদের চাপে আরব আমিরাত সরকার ইতোমধ্যে তাহের পাঠানীর বাঙালি মুরীদ আইয়ুবকে গ্রেফতার করেছে। তারা ব্যাপক তদন্ত চালাচ্ছে ওই টাকা রেজাখানী ভ-পীর তাহের পাঠানীর মাধ্যম হয়ে পাকিস্তানে অবস্থানরত তালেবান সন্ত্রাসীদের কাছে পাঠানো হয়েছে কি-না। ঠিক একই কায়দায় প্রতিবছর বাংলাদেশ হতে গাউসিয়া কমিটির মাধ্যমে এর চেয়েও বেশি পরিমাণ টাকা পাকিস্তানের ছিরিকোটের তাহের পাঠানীর পরিবারের নিকট যাচ্ছে। সে টাকাও ভায়া হয়ে কোন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর হাতে যাচ্ছে কি-না সে প্রশ্নও গাউসিয়া কমিটি ওরফে গোশত কমিটির নিকট আলোচ্য রেসালাতে করা হয়েছে।

আসল কথা হলো, কোন লোক নিজেকে পীর দাবি করার পরও যখন দেখা যায়, তার মধ্যে একজন সাধারণ মু’মিন ব্যক্তির তাক্বওয়া পরহেযগারীর লেশমাত্রও জাহির হয়না তখন সে ব্যক্তি অর্থলোভে যে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর দালাল হিসেবে বিক্রি হবেনা সেটা কি করে নিশ্চিত থাকা যায়? পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার একটি বিশেষ আমল বা বিধান হলো শরয়ী পর্দা। এই শরয়ী পর্দা করার কথা স্বয়ং খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার কালাম পাকে ইরশাদ মুবারক করেছেন। রেজাখানী ফিরক্বার পাঠানী পীর ও তার অনুসারী মৌলুভী জালাল গং অহরহ শরয়ী পর্দা তরক করে থাকে। নাউযুবিল্লাহ! অথচ সামান্য লজ্জা শরম থাকলেও সাধারণ মানুষ পর্দা করে থাকে। কিন্তু এদের লজ্জা শরম এত নিচে নেমেছে যে, এরা বেগানা মহিলাদের সাথে নিয়ে ক্লাস করে, বেগানা মহিলাদের হাত ধরে, বেগানা মহিলাদের দ্বারা হাত-পা টিপায়, বেগানা মহিলাদের দিকে লোলুপ দৃষ্টিতে তাকিয়ে ফুঁ দিয়ে থাকে। নাউযুবিল্লাহ! এ ব্যাপারে উক্ত রেসালাতে রেজাখানী মুফতীদের নিকট প্রশ্ন করা হয়েছে, ভারতের রেজাখানের কবরে মহিলাদের যাতায়াত নিষিদ্ধ লেখা রয়েছে অথচ রেজাখানীর সুতিকাগার হিসেবে দাবিদার চট্টগ্রামের জামেয়া সংলগ্ন খানকাতে তাহের পাঠানীর অবস্থানকালীন সময়ে কড়া মেকআপ ব্যবহারকারিণী বেপর্দা মহিলাদের সমাগম, চলাফেরা রেজাখানী মসলকের পরিপন্থি কি-না?

উল্লেখ্য, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার ইরশাদ মুবারক অনুযায়ী, যে ব্যক্তি নিজে পর্দা করেনা এবং তার অধীনস্থদের পর্দা করায় না সে ব্যক্তি হলো দাইয়্যুছ। পবিত্র বেহেশত মুবারক উনার দরজা মুবারক-এ লেখা রয়েছে- দাইয়্যুছ কখনোই পবিত্র বেহেশত মুবারক উনার মাঝে প্রবেশ করতে পারবে না। নাউযুবিল্লাহ! পবিত্র হাদীছ শরীফ মুতাবিক যেখানে ভ- পীর তাহের পাঠানীর শরয়ী পর্দা তরকের জন্য পবিত্র বেহেশত মুবারক-এ যাওয়া নিষিদ্ধ হয়ে যায় এমতাবস্থায় তার গুমরাহ অনুসারীদের জন্য পরকালে কোথায় জায়গা হতে পারে তা এখনি সময় থাকতে তাবৎ রেজাখানীদের ফিক্বির করা উচিত বৈকি!

-মূফতী আবু বকর মুহম্মদ জাহিদুল ইসলাম

চাঁদ দেখা ও নতুন চন্দ্রতারিখ নিয়ে প্রাসঙ্গিক আলোচনা-৫১

জনগণের প্রতি আইনমন্ত্রীর মিথ্যা অভিযোগ; দেশের প্রতি ঘাদানিকের মিথ্যা অজুহাত; আর সংবিধান সংশোধন প্রশ্নে ৯৭ ভাগ অধিবাসী মুসলমান এবং দশ লাখ মসজিদ, লাখ লাখ মাদরাসা ও পাঁচ ওয়াক্ত আযান প্রসঙ্গে।

কালো টাকার প্রাদুর্ভাব এবং করের বিপরীতে যাকাত প্রদান প্রসঙ্গে

ষাট হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে প্রাথমিক শিক্ষা প্রকল্প? দুর্নীতিতে জরাগ্রস্ত প্রশাসন থেকে রাজনীতি তথা সর্বস্তরে দুর্নীতির অভিযোগ এবং প্রাথমিক শিক্ষার প্রতিফলন (?) প্রসঙ্গে (১)

নির্বোধ রাষ্ট্রের অধীনে বোধশক্তিসম্পন্ন মানুষ বাস করতে পারে কিভাবে? কল্পিত রাষ্ট্র কথিত নির্বোধ বলেই পরকীয়া, খুন, সম্ভ্রমহরণ, ছিনতাই, রাহাজানি, পর্নোগ্রাফি, দুর্নীতি ইত্যাদির রহস্য বের করতে পারে না। আর সমাজে ব্যাপকহারে বেড়ে যাচ্ছে ওইসব অবক্ষয় জনিত ঘটনা। বোধশক্তিসম্পন্ন মানুষ আর কতকাল নির্বোধ রাষ্ট্রের অরাজকতা বরদাশত করবে? (১)