যামানার মহান ইমাম সাইয়্যিদুনা আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম উনার বিরোধীতাকারীদের একের পর এক ধ্বংস দেখে রেজাখানীদের খালিছ তওবা করে নেয়াটা জরুরী ছিলো সুন্নী নামের কলঙ্ক, আহমদীয়া সুন্নীয়া দাবিকারী কাদিয়ানীদের ভাবশিষ্য চট্টগ্রামের রেযাখানী ফিরক্বার প্রলাপবাক্যের মূলোৎপাটন-৬

সংখ্যা: ২২২তম সংখ্যা | বিভাগ:

প্রিয় পাঠক! চট্টগ্রামের রেজাখানী ফিরক্বার অনুসারী প্রতিবাদী বিক্ষুব্ধ গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত “আনজুমান তথা গাউছিয়া কমিটির কাছে সুন্নী জনতার কতিপয় প্রশ্ন” নামক চটি রেসালায় তথাকথিত গাউসিয়া কমিটির কর্মকা- সম্পর্কে লেখা হয়েছে- “পাকিস্তানের পেশওয়ারের ছিরিকোটের পস্তু ভাষাভাষি অর্থাৎ একটি পাঠান বিশেষ পরিবারের বংশ পরম্পরা সদস্যদের বাংলাদেশে গাউসে পাকের একমাত্র প্রতিনিধি এবং মসলকে আলা হযরতের! প্রচার প্রসারের সোল এজেন্ট বানিয়ে চট্টগ্রামের বর্ণবাদী একটি মহল গাউসিয়া কমিটির অন্তরালে মূলত গোশত কমিটি গঠন করে বাংলাদেশ তথা চট্টগ্রামের সুন্নী মুসলিম জনতার সরলতার সুযোগ নিয়ে আর কতকাল নিজেদের কায়েমী স্বার্থ হাসিল করে চলবে তা আজ ভাববার সময় এসেছে। রেজাখানী ছিরিকোটি হুযুরের বাণী- “ইয়ে ফকিরী কুচ নেহী হ্যায় মাখলুককা খিদমত বহুত বড়া ইবাদত হ্যায়” এ দর্শনকে শিরোধার্য করেই মানব সেবা ও জনহিতকর কর্মকাণ্ডের ব্রত নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বলে গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ করলেও বাস্তবে এর কোন প্রতিফলন নেই। অথচ গাউসিয়া কমিটি তথা আনজুমানের বিশাল অর্থ বিত্তের ভা-রের কথা কারো অজানা নয়।…ফলে আজ প্রশ্ন উঠেছে গাউসিয়া কমিটি কারা, কি উদ্দেশ্যে গঠন করেছিলেন? গাউসিয়া কমিটি মূলত কারা পরিচালনা করছে? গাউসিয়া কমিটির বিশাল আয় কোথায় এবং কোন খাতে খরচ হচ্ছে? বর্তমানে যারা গাউসিয়া কমিটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন তারা ভেতরে বাইরে কতটুকু সুন্নীয়তের পাবন্দ?”

প্রিয় সচেতন পাঠক! কথিত  রেজাখানীদের বিক্ষুব্ধ গ্রুপ তাদের রেসালাতে উপরোক্ত কঠিন এবং বাস্তব যে প্রশ্নগুলো ছুড়ে দিয়েছে  সেগুলো মূলত চট্টগ্রামসহ সারা দেশ বিদেশের সকল ধর্মপ্রাণ ঈমানদার সুন্নী মুসলমান উনাদেরই প্রশ্ন। কারণ, দীর্ঘদিন যাবৎ দেখা যাচ্ছে, গুমরাহ রেজাখানী ফিরক্বার মতলববাজ দুনিয়াদার মৌলুভী গং পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার সম্পর্কে চট্টগ্রামের কতিপয় ফাসিক-ফুজ্জার সওদাগরকে বিভ্রান্ত করতঃ হাত করে গাউসুল আ’যম দাস্তগীর হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নাম মুবারক বিক্রি করে কথিত গাউসিয়া কমিটির হর্তাকর্তা ও মোল্লা-মৌলুভী গং সহজ সরল মুসলমান উনাদের বাসায় বাসায় দোয়া-দরূদ, খতম, মীলাদ শরীফ ইত্যাদির দোহাই দিয়ে মাল কামাইয়ের ধান্ধায় লিপ্ত হয়েছে। তাদের এই লোক দেখানো আমল-আখলাকের সুযোগ নিয়ে চিহ্নিত দেওবন্দী ওহাবী ফিরক্বার মৌলুভী গং তাদের মসজিদ-মাদরাসা বিবিধ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ফায়দা লুটে যাচ্ছে। মাঝখান থেকে সত্যিকার সহজ সরল ধর্মপ্রাণ ঈমানদার মুসলমান উনারা চরমভাবে বিভ্রান্ত হচ্ছেন। কারণ, উনারা দেখছেন যে, বারো আউলিয়া উনাদের পুণ্যভূমি চট্টগ্রামে নামধারী আলিম ওলামা গং সুন্নী ওহাবী শাখায় বিভক্ত দাবি করলেও উভয় দলের নামধারী আলিম-ওলামা গং অহরহ হারাম ছবি তোলে, ভিডিও করে, টিভি দেখে, বেপর্দা-বেহায়া হয়, হারাম তন্ত্র-মন্ত্র করে, সুন্নতী পোশাক-পরিচ্ছদ ছেড়ে দিয়ে বিদয়াতী আবরণে নিজেদেরকে সজ্জিত করে রাখে। নাউযুবিল্লাহ!

উভয় দলের নামধারী মোল্লা-মৌলুভী গং হক্বপন্থী উনাদের বিরোধিতায় একাট্টা হয়ে যায়। অপরদিকে কুফরী-শিরকী নাহক্ব কর্মকাণ্ডে একাকার হয়ে যায়। নাউযুবিল্লাহ! এদেরকে বারবার হক্ব মত-পথে ফিরে আসার আহবান জানালেও এরা গুমরাহীর মধ্যে গোঁ ধরে রয়েছে। আর তাই তো এরা এখন খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার খাছ গযবে পড়ে নিজেদের গোঁমর নিজেরাই ফাঁস করে দিচ্ছে। আলোচ্য রিসালাতেই ওরা বলেছে- কথিত পীর নামক তাহের শাহ সাবের শাহ গং মূলত পাঠান বংশীয়। ওরা এদেশে সোল এজেন্ট মানে পাক্কা দালাল হিসেবে নাহক্ব কাজ করে যাচ্ছে। ওদের কথিত গাউসিয়া কমিটি মূলত গোশত কমিটি! সবচেয়ে বড় কথা ওরা কায়েমী স্বার্থ হাসিল করার জন্যই এদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমান উনাদেরকে বিভ্রান্ত করে যাচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ!

-মূফতী আবু বকর মুহম্মদ জাহিদুল ইসলাম

যুগের আবূ জাহিল, মুনাফিক ও দাজ্জালে কায্যাবদের বিরোধিতাই প্রমাণ করে যে, রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি হক্ব। খারিজীপন্থী ওহাবীদের মিথ্যা অপপ্রচারের দাঁতভাঙ্গা জবাব-৮১

ভ্রান্ত ওহাবী মতবাদ প্রচারের নেপথ্যে-৩০

চাঁদ দেখা ও নতুন চন্দ্রতারিখ নিয়ে প্রাসঙ্গিক আলোচনা-৪৯

আমীরুল মু’মিনীন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী আলাইহিস সালাম তিনি নিঃসন্দেহে আল্লাহ পাক উনার খাছ ওলী উনার প্রতি অপবাদকারী জালিম গং নিঃসন্দেহে বাতিল, গুমরাহ, লানতপ্রাপ্ত, জাহান্নামী ও সুন্নী নামের কলঙ্ক  রেজাখানীরা আয়নায় নিজেদের কুৎসিত চেহারা দেখে নিক ॥ ইসলামী শরীয়ার আলোকে একটি দলীলভিত্তিক পর্যালোচনা-২

গোটা দেশবাসীকে সম্পূর্ণ অবহিত করে ট্রানজিট চুক্তি না করলে এবং দেশবাসীর সম্মতিতে না করলে কথিত ট্রানজিট চুক্তি হবে দেশবাসীর সাথে সম্পূর্ণ বিশ্বাসঘাতকতা করে দেশ বিক্রির শামিল যা সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক এবং অগ্রহণযোগ্য