যামানার মহান ইমাম সাইয়্যিদুনা আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম উনার বিরোধীতাকারীদের একের পর এক ধ্বংস দেখে রেজাখানীদের খালিছ তওবা করে নেয়াটা জরুরী

সংখ্যা: ২১৯তম সংখ্যা | বিভাগ:

প্রিয় পাঠক! আপনারা হয়তো ইতমধ্যে জেনেছেন, ভন্ড নবী দাবীদার মির্জা গোলাম আহম্মক কাদীয়ানীর সাথে চট্টগ্রামের রেজাখানী বা রেজভী ফেরকা বলে পরিচিত তথাকথিত সুন্নীদের কি গভীর সম্পর্ক। এবার জানুন, কেনই বা এরা তাদের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সুন্নীয়া শব্দের আগে আহমদিয়া শব্দটি জুড়ে দেয়। ব্যাপার আসলে অন্য কিছুই নয়, কাদিয়ানীর আসল নাম হলো আহমদ। আর যেহেতু বিভিন্ন ক্ষেত্রে রেজাখানীরা সেই কাদীয়ানীকে অনুসরন অনুকরন করে থাকে তাই তারা অতি মুহব্বতে তাকে স্মরন বরন করে রাখার জন্য সুন্নীয়া শব্দের আগে আহমদিয়া শব্দটি লিখে থাকে। যেমন, তাদের কুফরী শেরকীর মুখপত্র প্রকাশিত হয় যে ট্রাস্টের মাধ্যমে সেখানেও আছে আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্ট। তাদের মাদ্রাসার নামেও দেখা যায়, আহমদিয়া সুন্নিয়া মাদ্রাসা, আছে আহমদিয়া অদুদিয়াসহ আরো অনেক কিছু। আর এটা সবাই জানেন যে, কাদিয়ানীরা নিজেদেরকে দাবী করে থাকে, আহমদিয়া মুসলিম জামাত বলে..নাউযুবিল্লাহ মিন জালিক!

আসলে আহমদীয়া লাগালেই যেমন নিশ্চিত করে বলা যায় না যে, মুবারক অর্থে শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে তদ্রুপ আহমদীয়া শব্দ যে কাদীয়ানীর মুহব্বতেও লাগানো হয়নি সেটাও প্রমান করতে হলে আমল আকিদার পৃথকতা প্রদর্শন করাটা জরুরী ছিলো যা গুমরাহ রেজাখানীরা করতে স্বাভাবিকভাবেই ব্যার্থ। এই গুমরাহ মৌলূভী জালাল গং রাজারবাগ শরীফ উনার মুহতারাম মুর্শিদ কিবলা সাইয়্যিদুনা আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম উনার শানে মিথ্যা বিষোদগার করতে গিয়ে লিখেছে- ‘কারন … নামের সাথে যে সব উপাধী সংযোগ করেছে তন্মধ্যে একটি হচ্ছে “মুহাম্মদী”। এ মুহাম্মদী মানে নজদের মুহম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহাব নজদীরই অনুসারী অর্থাৎ কট্টর ওহাবী।’ নাউযুবিল্লাহ মিন জালিক! এখন সঙ্গতকারনেই শুধুমাত্র নামের সাথেই মুহাম্মদী থাকার কারনে কাউকে যদি পাক্কা ওহাবী বলে অপবাদ দেয়া হয় তবে নামের সাথে, কাজের সাথে আমল আকিদার সাথে যে গুমরাহ রেজাখানী ফিরকার জনবল এবং প্রতিষ্ঠান সমূহের মধ্যে কাট্টা কাফির মুরতাদ গোলাম আহম্মক কাদীয়ানীর সম্প্রদায়ের তাশাব্বুহ দেখা যাচ্ছে সেই কারনে গুমরাহ রেজাখানী ফিরকার লোকদেরকে কাদীয়ানীর যোগ্য ভাবশিষ্য প্রেতাতœা বলে অভিহিত করা হলে সেটাই বা কেন অমূলক হবে?

অথচ ইতিহাস সাক্ষি যে, পাক ভারতীয় উপমহাদেশে দ্বীন ইসলামকে পূর্নজাগরনকারী, কাফির মুশরিক বিদয়াতীদের আতঙ্ক, মুসলিম উম্মাহর রাহবার, আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত শহীদ আহমদ বেরলভী আলাইহিস সালাম উনার প্রতি খোদ ইলাহী পাক ও নুরে মুজাসসাম, হাবিবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের প্রদত্ত জাহিরী বাতিনী ইসলাহীর কামালতে পূর্ন একটি তরীকা হলো- “তরীকায়ে মুহাম্মদীয়া”। এই কারনে রাজারবাগ শরীফ উনার মুহতারাম মুর্শিদ কিবলা সাইয়্যিদুনা আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম তিনি উক্ত আজিমুশ্বান তরীকা/ সিলসিলার সুযোগ্য মনোনীত কায়মাকাম উত্তরাধীকারী বলেই উনার নাম মুবারক-এর পরে কাদেরীয়া চিশতীয়া নক্সবন্দীয়ায়ে-মুজাদ্দিদীয়া ইত্যাদী তরীকার ন্যায় মুহাম্মদীয়া বা মুহম্মদী তরীকা উনার মুবারক নামটিও সংযোগ করা হয়। সুবহানাল্লাহ! অথচ এই সহজ সত্য বিষয়টিকে গুমরাহ রেজাখানী ফিরকার মৌলূভী জালাল গং জেনে শুনেই বিকৃতভাবে উপস্থাপনের অপচেষ্টা করেছে। এরা উম্মাহ নামের কলঙ্ক, চরম শ্রেনীর বেয়াদবও বটে। তারা তাদের নাপাক মুখপত্রে গুমরাহ মৃত আহম্মক রেজা খাঁর নামে আলা হযরত বলতে বলতে মুখে ফেনা তুলে ফেলে কিন্তু চরম বেয়াদবী প্রদর্শন করে তাদের নাপাক মুখপত্রের শাবান ১৪৩৩ হিজরী সংখ্যায়  প্রশ্নোত্তরে এভাবে লিখেছে-

.”আল্লাহ তায়ালা তাঁর সমস্ত ভান্ডারের চাবি সমূহ হুজুরকে দান করেছেন”..’আল্লাহ তায়ালা হুজুরকে সর্বশ্রেষ্ঠ মাহবুবের মর্যাদা দান করেছেন”…নাউজুবিল্লাহ মিন জালিক! এখানে যে মৃত আহম্মক রেজা খার গুমরাহ অনুসারী মৌলূভী জালাল গং সুস্পষ্টভাবে বেয়াদবী আর কুফরী করে বসেছে তাতে শরয়ী দলীলের আলোকে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই। অতএব যে গুমরাহ রেজাখানী সম্প্রদায় শানে রেসালত শরীফ উনাতেই আদব রক্ষা করতে পারে না তাদের পক্ষে কি করে সম্ভব জামানার সু-মহান ইমাম, রাজারবাগ শরীফ উনার মুহতারাম মুর্শিদ কিবলা সাইয়্যিদুনা আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম উনার শান মুবারক উপলব্ধি করা, চিরস্থায়ী লানত থেকে নিজেদেরকে রক্ষা করা-কষ্মিনকালেও সম্ভব নয়।

 

-মূফতী আবু বকর মুহম্মদ জাহিদুল ইসলাম।

প্রসঙ্গ: ইসরাইলি পণ্য বর্জনের আহ্বান জানিয়েছে তুরস্ক। ইসরাইলের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অবরোধসহ কঠোর সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা মুসলিম বিশ্বের এখন ফরযের উপর ফরয।

সুদ পরিশোধেই ব্যয় হবে বাজেটের ১১ শতাংশ। প্রত্যেক বছর বাজেটের আকার বাড়লেও এর সুফল পাচ্ছে না দেশ ও দেশের জনগণ। জনগণের উচিত সরকারকে বাধ্য করা- ঋণের ধারা থেকে সরে এসে অভ্যন্তরীণ অর্থ-সম্পদের দিকে গুরুত্ব দিয়ে বাজেটকে গণমুখী করার জন্য।

বাংলাদেশে জিএমও ফুড প্রচলনের সকল ষড়যন্ত্র বন্ধ করতে হবে-২

পর্যবেক্ষক ও সমালোচক মহলের মতে- ভারতের কাছে দেশের স্বার্থ বিলিয়ে দেয়ার নিকৃষ্টতম উদাহরণ রামপালে কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র। মাত্র ১৫ ভাগ বিনিয়োগ করে ভারত মালিকানা পাবে ৫০ ভাগ। আর ধ্বংস হবে এদেশের সুন্দরবন। সুন্দরবনকে ধ্বংস করার সিদ্ধান্ত থেকে সরকারকে সরে আসতে হবে (২)

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতোই রূপপুরের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ভয়াবহ। রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে কিন্তু রূপপুর অজ্ঞতার আঁধারেই রয়ে গেছে? বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিষয়টি বিশেষভাবে আমলে নিতে হবে। প্রয়োজনে সচেতন জনগণকেই প্রতিহত করতে হবে (২)