যুগের আবূ জাহিল, মুনাফিক ও দাজ্জালে কাযযাবদের বিরোধিতাই প্রমাণ করে যে, রাজারবাগ শরীফ উনার হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি হক্ব। খারিজীপন্থী ওহাবীদের মিথ্যা অপপ্রচারের দাঁতভাঙ্গা জবাব-১২২

সংখ্যা: ২৫১তম সংখ্যা | বিভাগ:

মূলত যুগে যুগে মিথ্যাবাদী আর মুনাফিকরাই হক্বের বিরোধিতা করেছে, হক্বের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করেছে। তাই মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে মুনাফিকদেরকে ‘কাযযাব’ বা মিথ্যাবাদী বলে উল্লেখ করেছেন। যেমন- পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “মহান আল্লাহ পাক তিনি সাক্ষ্য দিচ্ছেন যে, নিশ্চয়ই মুনাফিকরাই মিথ্যাবাদী।” (পবিত্র সূরা মুনাফিকুন শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১)

উক্ত পবিত্র আয়াত শরীফ দ্বারা এটাই প্রমাণিত হয় যে, যারা মুনাফিক তারা অবশ্যই মিথ্যাবাদী। আবার যারা মিথ্যাবাদী তারাই মুনাফিক। কেননা পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে মুনাফিকের যে আলামত বা লক্ষণ উল্লেখ করা হয়েছে, তন্মধ্যে একটি হলো- মিথ্যা কথা বলা।

মুজাদ্দিদে আ’যম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার বিরোধিতাকারীরা উক্ত পবিত্র আয়াত শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদেরই পূর্ণ মিছদাক। অর্থাৎ তারা একই সাথে মুনাফিক ও কাট্টা মিথ্যাবাদী। তাই তারা মানুষদেরকে বিভ্রান্ত করার জন্যে স্মরণিকা-বার্ষিকী, পত্র-পত্রিকা ও বক্তৃতার মাধ্যমে মিথ্যা ও প্রতারণার আশ্রয় নেয়। তাদের সেসব মিথ্যাচারিতার দাঁত ভাঙ্গা জবাব নিম্নে প্রদত্ত হলো-

(পূর্ব প্রকাশিতের পর)

. প্রসঙ্গ: “সুদে ঋণ ও ছবি”

সুদ প্রসঙ্গে অবৈধ সন্তান মুনাফিক গোষ্ঠী যে বক্তব্য দিয়েছে তা ডাহা মিথ্যা। তৎপ্রেক্ষিতে বলতে হয় যে, পৃথিবীর যমীনে কোনো মা এমন কোনো সন্তান প্রসব করেনি, যে সন্তান প্রমাণ করতে পারবে যে, মুজাদ্দিদে আ’যম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি সুদভিত্তিক বা অন্য কোনো প্রক্রিয়ায় লোন নিয়েছেন। উনার নামে কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো লোন নেই।

কাজেই মিথ্যাবাদী মুনাফিক গোষ্ঠীর প্রতি চ্যালেঞ্জ রইলো, তারা প্রমাণ করুক যে- রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি কোনো সুদী প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ বা লোন নিয়েছেন। এটি প্রমাণ করতে পারলে তাদের পুরস্কৃত করা হবে। প্রকৃতপক্ষে অবৈধ সন্তান, মুনাফিকরাই সুদী লোনের সাথে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িত।

আর ‘ছবি’ সম্পর্কিত যে বিষয় তা হলো- “জরুরত হারামকে মুবারহ করে দেয়।” অর্থাৎ জীবিকা নির্বাহ বা জীবন রক্ষা ও ইলম সংক্রান্ত কোনো ব্যাপারে যদি তাকে ‘ছবি’ তুলতে বাধ্য করে, তবে সে সেক্ষেত্রে ‘মাজুর’ বলে গণ্য হবে; যেহেতু জীবন রক্ষা করা বা হালাল কামাই করা ও ইলম হাছিল করা ফরয। অর্থাৎ জরুরী।

-আল্লামা মুফতী মুহম্মদ ইবনে ইসহাক, ঢাকা

 

 

বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর পরিবর্তে উল্টো জরুরীভিত্তিতে দাম কমাতে হবে। ৮০ হাজার কোটি টাকার ফান্ডের সুবিধা জনগণকে দিতে হবে। সরকারের উচিত- কুইক রেন্টালসহ তেলনির্ভর বিদ্যুৎ উৎপাদন থেকে বের হয়ে এসে নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে ধাবিত হওয়া।

প্রসঙ্গ: মুসলিম দেশগুলোর সাথে সম্পর্ক জোরদারের আহবান প্রধানমন্ত্রীর। সামরিক ও অর্থনৈতিক শক্তিতে গোটা অমুসলিম বিশ্ব মুসলিম বিশ্বের মুখাপেক্ষী। সম্মানীত দ্বীন ইসলাম বিমুখ ও ভাতৃত্ববোধের অভাবে সাম্রজ্যবাদীরা প্রভাব বিস্তার করছে। মুসলিম বিশ্বের উপর ভ্রাতৃত্ববোধে বলিয়ান হয়ে মুসলিম বিশ্ব একজোট হলে কাফির বিশ্ব পদানত হতে বাধ্য।

সীমান্তে বাংলাদেশী দেখলেই গুলি- প্রতিশ্রুতি মানছে না বিএসএফ। সীমান্তে বাংলাদেশি হত্যা তিনগুণ বেড়েছে। জ্বলন্ত প্রশ্ন হলো- বাংলাদেশিদের জীবনের কি কোনো মূল্য নেই? বিজিবির আত্মরক্ষার কি কোনো অধিকার নেই? বিজিবি কি দর্শকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে সীমান্ত পাহারা দিবে?

মুজাদ্দিদে আ’যম, ঢাকা রাজারবাগ শরীফ উনার মহাসম্মানিত হযরত মুরশিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মুবারক পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত- সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ও মুসলমানগণের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে আইনী কার্যক্রম ঐতিহাসিক এক অভূতপূর্ব আজিমুশ্বান তাজদীদ মুবারক

‘ছহিবে কুন ফাইয়াকূন’ লক্বব মুবারক সম্পর্কে এক চরম জাহিল, গণ্ড মূর্খ, মিথ্যাবাদী, উলামায়ে সূ’, ধোঁকাবাজ এবং প্রতারকের জিহালতী, মূর্খতা, মিথ্যাচার, ধোঁকা, প্রতারণা ও অপব্যাখ্যার দলীলভিত্তিক দাঁতভাঙ্গা জবাব-৩