যুগের আবূ জাহিল, মুনাফিক ও দাজ্জালে কায্যাবদের বিরোধিতাই প্রমাণ করে যে, রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি হক্ব। খারিজীপন্থী ওহাবীদের মিথ্যা অপপ্রচারের দাঁতভাঙ্গা জবাব-৮৪

সংখ্যা: ২১১তম সংখ্যা | বিভাগ:

মূলত যুগে যুগে মিথ্যাবাদী আর মুনাফিকরাই হক্বের বিরোধিতা করেছে, হক্বের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করেছে। তাই মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ-এ মুনাফিকদেরকে ‘কাযযাব’ বা মিথ্যাবাদী বলে উল্লেখ করেছেন। যেমন- পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, “আল্লাহ পাক সাক্ষ্য দিচ্ছেন যে, নিশ্চয়ই মুনাফিকরাই মিথ্যাবাদী।” (সূরা মুনাফিকুন: আয়াত শরীফ-১)

উক্ত আয়াত শরীফ দ্বারা এটাই প্রমাণিত হয় যে, যারা মুনাফিক তারা অবশ্যই মিথ্যাবাদী। আবার যারা মিথ্যাবাদী তারাই মুনাফিক। কেননা হাদীছ শরীফ-এ মুনাফিকের যে আলামত বা লক্ষণ উল্লেখ করা হয়েছে তন্মধ্যে একটি হল মিথ্যা কথা বলা।

মুজাদ্দিদে আ’যম রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার যারা বিরোধিতাকারী তারা উক্ত আয়াত শরীফ ও হাদীছ শরীফ-এরই পূর্ণ মিছদাক। অর্থাৎ তারা একই সাথে মুনাফিক ও কাট্টা মিথ্যাবাদী। তাই তারা মানুষদেরকে বিভ্রান্ত করার জন্যে স্মরনিকা-বার্ষিকী, পত্র-পত্রিকা ও বক্তৃতার মাধ্যমে মিথ্যা ও প্রতারণার আশ্রয় নেয়।

ধারাবাহিক

ওহাবী, খারিজী, লা-মাযহাবী, জামাতী তথা মুনাফিক গোষ্ঠী কর্তৃক প্রকাশিত মিথ্যাচারে পরিপূর্ণ লিফলেটসমূহের দলীলভিত্তিক খ-ণমূলক জাওয়াব

বাতিলপন্থী ওহাবী, খারিজী, লা-মাযহাবী, জামাতী তথা মুনাফিক গোষ্ঠী রাজারবাগ শরীফ-এর প্রতি মিথ্যা প্রচার করতে গিয়ে বিভিন্ন সময়ে যে সকল লিপলেট প্রচার করেছে সেগুলোর জবাবে আমরা যে সকল লিফলেট প্রকাশ ও প্রচার করেছি তন্মধ্য হতে কয়েকটি লিফলেট নি¤েœ হুবহু উল্লেখ করা হলো-

(১)

রাজারবাগ শরীফ-এর সত্যতা ও মুনাফিক গোষ্ঠীর মিথ্যাচারিতার প্রমাণ অবৈধ সন্তানতুল্য মুনাফিক গোষ্ঠীর অবৈধ লিফলেটের মিথ্যা প্রোপাগা-ার দাঁতভাঙ্গা জবাব ও প্রকাশ্য বাহাছের চ্যালেঞ্জ

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, “আমি পাপী বা দুষ্ট প্রকৃতির লোকদেরকে প্রত্যেক নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের শত্রু বানিয়েছি। এ আয়াত শরীফ থেকে দু’টি বিষয় স্পষ্ট হয়ে উঠে যে, ১. প্রত্যেক হাদীরই বিরোধিতাকারী ছিল এবং থাকবে। ২. হাদীগণ উনাদের বিরোধিতা যারা করবে তারা অবশ্যই পাপী ও দুষ্ট প্রকৃতির লোক হবে।

মূলতঃ এ শ্রেণীর লোকগুলোই আখিরী রসূল, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিরোধিতা করেছিল, শুধু যে বিরোধিতা করেছিল তাই নয়, সাথে সাথে বহু মিথ্যা তোহমতও দিয়েছিল। যেমন তারা বলেছিল তিনি যাদুকর, জিনে ধরা রোগী, নির্র্বংশ ইত্যাদি। নাঊযুবিল্লাহ! এখানেই তারা থেমে যায়নি শেষ পর্যন্ত তারা উনার পবিত্রা আহলিয়া উম্মুল মু’মিনীন হযরত আয়িশা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার প্রতিও মিথ্যা তোহমত দেয়। যা ইফকের ঘটনা হিসেবে মশহূর হয়ে আছে।

মুনাফিকের দল মিথ্যা তোহমত দিয়েছে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের প্রতিও। হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা নাকি স্বজনপ্রীতি করেছেন, খিলাফত ধ্বংস করে রাজতন্ত্র কায়িম করেছেন। নাঊযুবিল্লাহ! তারা মিথ্যা তোহমত দিয়েছে ইমামে আ’যম হযরত ইমাম আবু হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি, হুজ্জাতুল ইসলাম হযরত ই‏মাম গায্যালী রহমতুল্লাহি আলাইহি, সুলতানুল হিন্দ হযরত খাজা ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি, আফযালুল আওলিয়া হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাদেরসহ পৃথিবীর সমস্ত ইমাম-মুজতাহিদ ও আওলিয়ায়ে কিরামগণ উনাদের প্রতিও।

তারই ধারাবাহিকতায় অবৈধ সন্তান, নব্য মুনাফিক গোষ্ঠী ও দাজ্জালে কাজ্জাব গং বর্তমান যামনার মুজাদ্দিদ রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার প্রতি বিভিন্ন মাসিক, সাপ্তাহিক, এমনকি জাতীয় দৈনিকে বহুদিন যাবৎ এরা নানা মিথ্যা প্রোপাগা-া করে আসছে। সঙ্গতকারণেই পত্র-পত্রিকায় উক্ত প্রপাগা-ার প্রতিবাদও পত্রস্থ হয়েছে। তবে ইফকের ঘটনা যেরূপ উম্মুল মু’মিনীন হযরত আয়িশা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার সত্যতা ও পবিত্রতাকে আরো সুষ্পষ্টভাবে প্রমাণিত করেছে। তদ্রƒপ অবৈধ সন্তান, নব্য মুনাফিক গোষ্ঠীর মিথ্যা বক্তব্যগুলোও রাজারবাগ শরীফ-এর সত্যতা আরো জোড়ালোভাবে মানুষের কাছে প্রমাণ করার সুযোগ করে দিয়েছে। সম্প্রতি এরা নাম-ঠিকানাবিহীন একটি অবৈধ লিফলেট বের করেছে। নি¤েœ তার জবাব দেয়া হলো-

অবৈধ সন্তান, মুনাফিক গোষ্ঠীর অবৈধ লিফলেট-এর দফাওয়ারী দাঁতভাঙ্গা জাওয়াব:

হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে- “কোন ব্যক্তি মিথ্যাবাদী হওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, সে যা শুনে যাচাই-বাছাই না করে তাই বলে বেড়ায়।”

মূলত: তৌহিদী জনতা নামে অবৈধ সন্তানেরা এই অবৈধ লিফলেট প্রকাশ করেছে। কিন্তু তাদের এই লিফলেট যে সম্পূর্ণ মিথ্যায় ভরপুর তা তারা নিজেরাও জানে। যে কারণে তাদের লিফলেটে নাম ও ঠিকানা উল্লেখ করার সাহস তারা পায়নি।

উল্লেখ্য, অবৈধ সন্তানের কোন পরিচয় বা ঠিকানা থাকে না। এক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। অর্থাৎ তারাই প্রমাণ করে দিল যে, তারা অবৈধ সন্তান। সুতরাং লোক সমাজে পরিচয় বা ঠিকানাবিহীন অবৈধ সন্তান, মুনাফিক গোষ্ঠীর অবৈধ লিফলেটের কিইবা গুরুত্ব থাকতে পারে?

১. সুদ: সুদ প্রসঙ্গে অবৈধ সন্তানরা যে বক্তব্য দিয়েছে তা ডাহা মিথ্যা। তৎপ্রেক্ষিতে বলতে হয় যে, পৃথিবীর যমীনে কোন মা এমন কোন সন্তান প্রসব করেনি, যে সন্তান প্রমাণ করতে পারবে যে, রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি সুদভিত্তিক বা অন্য কোন প্রক্রিয়ায় লোন নিয়েছেন। এটি প্রমাণ করতে পারলে তাদের পুরস্কৃত করা হবে। প্রকৃতপক্ষে অবৈধ সন্তান, মুনাফিকরাই সুদী লেনদেন করে থাকে ও সুদখোর। কাজেই মিথ্যাবাদী অবৈধ সন্তানদের প্রতি চ্যালেঞ্জ রইলো, তারা প্রমাণ করুক যে, রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি লোনের সাথে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িত।

২. ক্বায়িম-মক্বাম: ক্বায়িম-মক্বাম সম্পর্কেও অবৈধ সন্তানদের বক্তব্য সম্পূর্ণ ভুল। কারণ উম্মুল মু’মিনীন হযরত আয়িশা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার জন্য যে স্বর্ণালঙ্কার, লাল কাপড় ও রেশমী কাপড় নিষেধ ছিল, তা হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ৬৩ বৎসর বয়স মুবারক পর্যন্ত নয়। বরং উনার ৬৩ বৎসর বয়স মুবারক পর্যন্ত উম্মুল মু’মিনীন হযরত খাদীজাতুল কুবরা আলাইহাস সালাম ও উম্মুল মু’মিনীন হযরত আয়িশা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনারা ভারী স্বর্ণালঙ্কার পড়তেন।

মশহূর ইফকের ঘটনা: উম্মুল মু’মিনীন হযরত আয়িশা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার পরিহিত গলার হারকে কেন্দ্র করে ঘটেছিল। আর প্রকৃতপক্ষে সাইয়্যিদাতুন নিসা হযরত আম্মা হুযূর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম, উম্মুল মু’মিনীন হযরত আয়িশা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার ক্বায়িম-মক্বাম। মূলতঃ ভুল ও মনগড়া মাসয়ালা বর্ণনা করা জাহিল অবৈধ সন্তানদের দায়িমী স্বভাব।

৩. স্বর্ণের ব্যবসা: স্বর্ণের ব্যবসা সম্পর্কেও জাহিল অবৈধ সন্তানদের বক্তব্য সম্পূর্ণ ভুল ও মিথ্যা। কারণ ব্যবসা হিসেবে স্বর্ণের ব্যবসা হারাম নয়, বরং সম্পূর্ণ হালাল। কোন স্বর্ণের ব্যবসায়ী মুরীদ যদি তার মুর্শিদ উনাকে বরকতের জন্য শেয়ার দেয় তবে সেটাও দোষের নয়। যে কোন হালাল ব্যবসাই হারাম হয়ে যায় তখন, যখন উক্ত ব্যবসায় অসদুপায় অবলম্বন করা হয়। বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহি সালাম তিনি সবসময়ই বলেন, কেউ যদি উনাকে হাদিয়া দিতে চায় তা যেন অবশ্যই হালাল থেকে দেয়। যারা অবৈধ সন্তান এবং হারাম ও অবৈধ ব্যবসায় জড়িত তারা হালাল ব্যবসা বুঝবে না।

৪. পীর ছাহেবের প্রতি আচরণ: অবৈধ লিফলেটে পীর ছাহেবের প্রতি উনার আচরণ সম্পর্কেও অবৈধ সন্তান, মুনাফিকরা মিথ্যা উদগীরণ করেছে। মূলত: যাত্রাবাড়ীর মুর্শিদ ক্বিবলা রহমতুল্লাহি আলাইহি স্বীয় জীবদ্দশায় সবসময়ই রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার প্রশংসায় উচ্চকিত কণ্ঠ ছিলেন। তিনি ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন যে, রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার ওসীলায়ই উনার সিলসিলা জিন্দা থাকবে। আজ বাস্তবে তাই প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, যাত্রাবাড়ীর মুর্শিদ ক্বিবলা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সাথে এখনও রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার প্রগাঢ় রূহানী সম্পর্ক বিদ্যমান রয়েছে, যা একমাত্র কাশফধারী ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তির পক্ষে অনুধাবন করা সম্ভব নয়। রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি যাত্রাবাড়ীর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার জানাযায় যাননি।

স্বরণীয় যে, যাত্রাবাড়ীর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনিও উনার মুর্শিদ ক্বিবলা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার জানাযায় যাননি। এর দ্বারা তিনি উনার মুর্শিদ ক্বিবলা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার একখানা সুন্নত আদায় করেছেন। যাদের রূহানিয়ত নেই, ক্বলবে যিকির জারী নেই, যারা অবৈধ সন্তান- তারা এর মর্ম বুঝবে কি করে?

-মুফতী মুহম্মদ ইবনে ইসহাক, বাসাবো, ঢাকা।

মানহানি মামলায় গ্রেফতারের বিধান রহিতকরণ কী কেবলই ইতিবাচক? এর নেতিবাচক দিক নির্ণয় করতে যারা ব্যর্থ হয়েছেন তারা শুধু দূরদর্শিতা ও ভারসাম্যহীনতা এবং প্রজ্ঞাহীনতারই পরিচয় দেননি, পাশাপাশি ইসলামী অনুভব ও এদেশের ৯৫ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতির প্রতিও নিরেট উদাসীনতার পরিচয় দিয়েছেন ॥

যুদ্ধাপরাধের বিচারকে যারা ‘না’ করতে পারে; সে মানবাধিকার সংস্থাগুলো কোন্ দুরভিসন্ধিজনক কারণে ফতওয়াকেও ‘না’ বলছে ॥ পাশাপাশি রাষ্ট্রপতির সংশ্লিষ্টতা প্রচার করছে- তা উদঘাটন করতে হবে ॥ রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের এদেশে, ইসলামের দৃষ্টিতে- রাষ্ট্রপতি  থেকে চকিদার’ পর্যন্ত সব মুসলমানই ফতওয়ার অধীন

মহান বিজয় দিবস ও প্রসঙ্গ কথা আমরা শুধু কথিত যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে সন্তুষ্ট নই বরং ইসলামী আদর্শের ভিত্তিতে আমরা সব রাজাকারদেরও বিচার চাই

‘বার্ড ফ্লু’, ‘সোয়াইন ফ্লু’, সব ফ্লুতেই রয়েছে আন্তর্জাতিক ইসলাম বিদ্বেষী ও সাম্রাজ্যবাদীদের দ্বারা মুসলমান শোষণ ও নিপীড়নের-‘ক্লু’ ‘বার্ড ফ্লু’র নামে বাংলাদেশের পোল্ট্রি শিল্প ধ্বংস করা হয়েছে আর ‘সোয়াইন ফ্লু’র নামে ধ্বংস করা হয়েছে সউদীর হজ্জ ভিত্তিক অর্থনীতি তারপরেও আন্তর্জাতিক ইসলাম বিদ্বেষী ও সাম্রাজ্যবাদীদের অপতৎপরতা উপলব্ধির প্রবণতা এবং রোধ করার চেতনা দুঃখজনকভাবে মুসলমানদের মাঝে আদৌ তৈরি হচ্ছে না

যুগের আবূ জাহিল, মুনাফিক ও দাজ্জালে কায্যাবদের বিরোধিতাই প্রমাণ করে যে, রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী হক্ব। খারিজীপন্থী ওহাবীদের মিথ্যা অপপ্রচারের দাঁতভাঙ্গা জবাব-৬৭