যুগের আবূ জাহিল, মুনাফিক ও দাজ্জালে কায্যাবদের বিরোধিতাই প্রমাণ করে যে, রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি হক্ব। খারিজীপন্থী ওহাবীদের মিথ্যা অপপ্রচারের দাঁতভাঙ্গা জবাব-৭১

সংখ্যা: ১৯৮তম সংখ্যা | বিভাগ:

মূলত যুগে যুগে মিথ্যাবাদী আর মুনাফিকরাই হক্বের বিরোধিতা করেছে, হক্বের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করেছে। তাই মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন পবিত্র কুরআন শরীফ-এ মুনাফিকদেরকে ‘কাযযাব’ বা মিথ্যাবাদী বলে উল্লেখ করেছেন। যেমন- পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, æআল্লাহ পাক সাক্ষ্য দিচ্ছেন যে, নিশ্চয়ই মুনাফিকরাই মিথ্যাবাদী।” (সূরা মুনাফিকুন-১)

উক্ত আয়াত শরীফ দ্বারা এটাই প্রমাণিত হয় যে, যারা মুনাফিক তারা অবশ্যই মিথ্যাবাদী। আবার যারা মিথ্যাবাদী তারাই মুনাফিক। কেননা হাদীছ শরীফ-এ মুনাফিকের যে আলামত বা লক্ষণ উল্লেখ করা হয়েছে তন্মধ্যে একটি হলো মিথ্যা কথা বলা।

মুজাদ্দিদে আ’যম রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-উনার যারা বিরোধিতাকারী তারা উক্ত আয়াত শরীফ ও হাদীছ শরীফ-এরই পূর্ণ মিছদাক। অর্থাৎ তারা একই সাথে মুনাফিক ও কাট্টা মিথ্যাবাদী, তাই তারা মানুষদেরকে বিভ্রান্ত করার জন্যে স্মরনিকা-বার্ষিকী, পত্র-পত্রিকা ও বক্তৃতার মাধ্যমে মিথ্যা ও প্রতারণার আশ্রয় নেয়।

ধারাবাহিক

ঢাকার  তথাকথিত মুফতী বোর্ড ও মারকাজুল ইসলামী-এর তথাকথিত চেয়ারম্যান ও মুফতী … শামছুল হক æবেশরা…দের গোমর ফাঁক” নামে একটি রেসালা প্রকাশ করেছে এবং মুনাফিক গোষ্ঠী ও বাতিলপন্থী ওহাবী, খারিজী, জামাতিরা কয়েকটি লিফলেট প্রচার করেছে। সেগুলোতে যুগের আবূ জাহিল, মুনাফিক ও দাজ্জালে কাযযাব æশামছু ও মুনাফিক গোষ্ঠীরা রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী উনার বিরোধিতা করতে গিয়ে যে সকল মিথ্যা তথ্য পরিবেশন করেছে, তা তাদেরকে আশাদ্দুদ দরজার জাহিল, যুগের আবূ জাহিল, গোমরাহ ও দাজ্জালে কাযযাব হিসেবেই সাব্যস্ত করেছে।

পক্ষান্তরে তাদের উক্ত লেখাই প্রমাণ করে যে, রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী হক্ব।  কেননা, তারা তাদের উক্ত লিখায় রাজারবাগ শরীফের হযরত মুরশিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-উনার আক্বীদা ও আমলগত কোন ভুলই দলীল দ্বারা ছাবিত করতে পারেনি। যা লিখেছে তা সবই মনগড়া ও বানানো। কুরআন-সুন্নাহর সাথে তার কোনই সম্পর্ক নেই।

স্মর্তব্য যে, রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী উনার আক্বীদা ও আমলগত কোন ত্রুটি বাতিল পন্থীরা  আজ পর্যন্ত প্রমাণ করতে পারেনি। ইনশাআল্লাহ কেউ পারবেও না। কেননা তিনি আক্বীদার ক্ষেত্রে পরিপূর্ণরূপেই আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের আক্বীদায় বিশ্বাসী। যেমন তিনি  বিশ্বাস করেন-  মহান আল্লাহ পাক এক ও অদ্বিতীয়, উনার কোন শরীক নেই, তিনি নিরাকার, তিনি ইলম ও কুদরতের দ্বারা সর্বত্র বিরাজমান এবং আস্মা ও ছিফাত দ্বারা সর্বত্র জাহির বা প্রকাশমান, উনার হাক্বীক্বী ছূরত মুবারক কেউ পৃথিবীতে দেখবে না। তবে মিছালী ছূরত মুবারক দেখা সম্ভব, আল্লাহ পাক সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী, তিনি সমস্ত কিছু থেকে বেনিয়াজ, উনার সমকক্ষ কেউ নেই। কুরআন শরীফ মহান আল্লাহ পাক উনার  কালাম যা গায়রে মাখলূক।

মহান আল্লাহ পাক মানব জাতির হিদায়াতের জন্য এক লক্ষ মতান্তরে দুই লক্ষ চব্বিশ হাজার নবী ও রসূল পাঠিয়েছেন। হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সর্বশেষ নবী ও সর্বশ্রেষ্ঠ রসূল। তিনি নূরে মুজাসসাম বা নূর মুবারক দ্বারা তৈরি, উনার শরীর মুবারকের কোন ছায়া ছিলনা, উনার শরীর মুবারকের সমস্ত কিছুই পবিত্র থেকে পবিত্রতম, উনার পর আর কোন নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম পৃথিবীতে আগমন করবেন না। কারণ তিনি æখাতামুন নাবিয়্যীন”। কেউ নবী দাবি করলে সে কাট্টা কাফির হয়ে চির জাহান্নামী হবে। যেমন, কাদিয়ানী, বাহাই সম্প্রদায়। নবী-রসূলগণ সকলেই ছিলেন মা’ছূম বা নিষ্পাপ।

নবী-রসূল আলাইহিমুস সালামগণ উনাদের পর পৃথিবীতে সবচেয়ে মর্যাদাবান ও সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ হচ্ছেন হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুমগণ। এর পর তাবিয়ীনগণ এবং অতঃপর পরবর্তীগণ। হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুমগণ-উনাদের বিরোধিতা ও সমালোচনা করা কুফরী, উনারা প্রত্যেকেই মি’য়ারে হক্ব বা সত্যের মাপকাঠি, উনাদের কোন ইজতিহাদই ভুল ছিলনা। এমনিভাবে ইসলামের প্রতিটি বিষয়েই তিনি কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াস তথা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের আক্বীদায় বিশ্বাসী। যার ফলে বাতিলপন্থীরা বা বিরোধিতাকারীরা উনার কোন একটি আক্বীদাও ভুল প্রমাণ করতে সক্ষম হয়নি।

অনুরূপভাবে তিনি আমলের ক্ষেত্রেও পরিপূর্ণভাবে কুরআন, সুন্নাহ, ইজমা ও ক্বিয়াসকে অনুসরণ করেন। অর্থাৎ, ফরয, ওয়াজিব, সুন্নতে মুয়াক্কাদা, সুন্নতে যায়িদা এমনকি মুস্তাহাব আমলগুলোও সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্মভাবে পালন করেন। যেমন- তিনি পাঁচ ওয়াক্ত নামায জামায়াতে তাকবীরে উলার সাথে নিজে ইমাম হয়ে আদায় করেন, রমাদ্বান মাসে রোযা রাখেন, বিশ রাকায়াত তারাবীহ নামায নিজে ইমাম হয়ে জামায়াতে আদায় করেন, প্রতি বৎসর রমাদ্বান শরীফ-এর শেষ দশ দিন ই’তিকাফ করেন, ছদকাতুল ফিতর আদায় করেন, যাকাত প্রদান করেন, ঈদের নামায ছয় তাকবীরে নিজ ইমামতীতে আদায় করেন, প্রতি রাত্রে তাহাজ্জুদ নামায আদায় করেন, এমনকি সফরে থাকার সময়েও কখনো তিনি তাহাজ্জুদ নামায তরক করেন না। কুরবানী করেন, তিনি খাছ শরয়ী পর্দা করেন, তাক্বওয়া বা পরহিযগারীর জন্যে উনার সামনে ৫/৭ বছর বয়সের মেয়েদেরকেও আসতে দেননা এবং উনার অন্দর মহলেও ৫ বছর বয়সের ছেলেও প্রবেশ করতে পারে না। তিনি যাচাই-বাছাই করে হাদিয়া গ্রহণ করেন।  বিশেষ বিশেষ দিন ও মাসে তিনি নফল রোযা রেখে থাকেন।  চলা-ফেরা, খাওয়া-দাওয়া, লেবাস বা পোশাকে তিনি পরিপূর্ণরূপে সুন্নতের ইত্তিবা করে থাকেন। এমনিভাবে প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি কুরআন, সুন্নাহ, ইজমা ও ক্বিয়াস মুতাবিক আমল করে থাকেন। যার ফলে বাতিলপন্থী বা বিরোধিতাকারীরা আজ পর্যন্ত উনার একটি আমলও শরীয়ত বিরোধী বা সুন্নত পরিপন্থী প্রমাণ করতে পারেনি এবং কস্মিনকালেও পারবেনা ইনশাআল্লাহ।

অনুরূপভাবে উক্ত রেসালার লেখক যুগের আবূ জাহিল, মুনাফিক ও দাজ্জালে কাযযাব শামছু তার রেসালার মাধ্যমে ও মুনাফিক তথা বাতিলপন্থীরাও তাদের লিফলেটের মাধ্যমে পারেনি রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুরশিদ ক্বিবলা মুদ্দা  জিল্লুহুল আলী উনার কোন আক্বীদা ও আমল শরীয়ত বিরোধী প্রমাণ করতে। পেরেছে শুধু মনগড়া, মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত ব্যাখ্যা দিয়ে নিজেদেরকে যুগের আবূ জাহিল, মুনাফিক, দাজ্জালে কাযযাব ও আশাদ্দুদ দরজার জাহিল হিসেবে সাব্যস্ত করতে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ করতে হয় যে, কুমন্ত্রক শামছু ও মুনাফিক গং তাদের সমর্থনকারী গোষ্ঠীর অজ্ঞতাকেই নিজের বড় পুঁজি মনে করে রাজারবাগ শরীফ-এর বিরুদ্ধে তাদের কুমন্ত্রণার জাল বিস্তার করেছে।

তার উদাহরণটা মূলত ওই রকম যে, অজ্ঞ গ্রামবাসীর সামনে দু’জন শিক্ষকের যখন প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুরু হল, তখন অপেক্ষাকৃত কমজ্ঞানী কিন্তু চতুর শিক্ষক যখন জ্ঞানবান শিক্ষককে জিজ্ঞেস করল `I don’t know’-এর অর্থ কি? জ্ঞানী শিক্ষকের সঠিক জবাব আমি জানিনা” বললে, অজ্ঞ গ্রামবাসী ভেবে নিল তিনি বুঝি সত্যিই এ প্রশ্নের উত্তর জানেন না।

চতুর কুমন্ত্রক কাযযাব গং তাদের গোষ্ঠীর অজ্ঞতা সম্পর্কে অবগত। তাই তারা রাজারবাগ শরীফ-এর বিরুদ্ধে অপবাদ রচনা করতে গিয়ে তাদের চিরাচরিত কায়দায় লক্বব, স্বপ্ন তথা বুযূর্গী ইত্যাদি বিষয় নিয়েই অহেতুক অপপ্রচারের কলম ধরেছে, চিরদিনের জন্য হেনস্তা হওয়ার নির্ধারিত লক্ষ্যে আগামী সংখ্যা থেকে বেশরা … দের গোমর ফাঁক” নামক ভ্রান্ত রেসালা ও লিফলেটে প্রদত্ত মিথ্যাচারিতার দফাওয়ারী দলীলভিত্তিক দঁতভাঙ্গা জবাব দেয়া হবে ইনশাআল্লাহ।

-মুফতী মুহম্মদ ইবনে ইসহাক, ঢাকা।

যুগের আবূ জাহিল, মুনাফিক ও দাজ্জালে কায্যাবদের বিরোধিতাই প্রমাণ করে যে, রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী হক্ব। খারিজীপন্থী ওহাবীদের মিথ্যা অপপ্রচারের দাঁতভাঙ্গা জবাব-৬৭

ভ্রান্ত ওহাবী মতবাদ প্রচারের নেপথ্যে-১৬

চাঁদ দেখা ও নতুন চন্দ্রতারিখ নিয়ে প্রাসঙ্গিক আলোচনা-৩৫

বাতিল ফিরক্বা ওহাবীদের অখ্যাত মুখপত্র আল কাওসারের মিথ্যাচারিতার জবাব-২৫ হাদীছ জালিয়াতী, ইবারত কারচুপি ও কিতাব নকল করা ওহাবীদেরই জন্মগত বদ অভ্যাস ওহাবী ফিরক্বাসহ সবগুলো বাতিল ফিরক্বা ইহুদী-নাছারাদের আবিষ্কার! তাদের এক নম্বর দালাল

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ‘সংবিধানের প্রস্তাবনা’, ‘মৌলিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা’ ‘জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা’ এবং ‘জাতীয় সংস্কৃতি’ শীর্ষক অনুচ্ছেদের সাথে- থার্টি ফার্স্ট নাইট তথা ভ্যালেন্টাইন ডে পালন সরাসরি সাংঘর্ষিক ও সংঘাতপূর্ণ’। পাশাপাশি মোঘল সংস্কৃতির দান পহেলা বৈশাখ পালনও প্রশ্নবিদ্ধ।সংবিধানের বহু গুরুত্বপূর্ণ ও বিশেষ স্পর্শকাতর অনুচ্ছেদের প্রেক্ষিতে ৯৫ ভাগ মুসলমানের এদেশে কোনভাবেই থার্টি ফার্স্ট নাইট ও ভ্যালেন্টাইন ডে পালিত হতে পারে না।পারেনা গরিবের রক্ত চোষক ব্র্যাকের ফজলে আবেদও ‘নাইট’ খেতাব গ্রহণ করতে। পারেনা তার  নামের সাথে ‘স্যার’ যুক্ত হতে। পাশাপাশি মোঘল সংস্কৃতির দান পহেলা বৈশাখ পালনও প্রশ্নবিদ্ধ।