রাজনীতিবিদ ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের কারণেই কোন কারণ ছাড়াই দ্রব্যমূল্যের দাম অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে নিয়মিত ভাগ পাচ্ছে উচ্চ মহল জনস্বার্থ দেখার কেউ নেই।

সংখ্যা: ২২৩তম সংখ্যা | বিভাগ:

সব প্রশংসা খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ মুবারক ও সালাম মুবারক।

দেশে সব ধরনের নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি পেয়েছে হঠাৎ করেই। এর পেছনে রয়েছে কিছু ব্যবসায়ীর কারসাজি। এসব ব্যবসায়ী কোন কারণ ছাড়াই বিভিন্ন কৌশলে পণ্যমূল্য বাড়িয়ে জনজীবন অস্থির করে তুলেছে। এ তথ্য ৪টি গোয়েন্দা সংস্থার। পণ্যের আমদানি মূল্য এবং দেশের বাজারে বিক্রয় মূল্যের মধ্যে বিস্তর অসঙ্গতিও খুঁজে পেয়েছে গোয়েন্দারা। পণ্যের সরবরাহ ঠিক থাকলেও বাজারে পণ্য সংকটের কৃত্রিম গুজব ছড়ানো হয়েছে বলে তাদের তথ্যে জানা গেছে। কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির কৌশল হিসেবে পণ্য গুদামজাতও করেছে অসৎ ব্যবসায়ীরা।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিশ্ববাজারে যে কোন পণ্যে মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে অভ্যন্তরীণ বাজারেও বেড়ে যায়। কিন্তু পণ্যমূল্য কমলে এর কোনও প্রভাব পড়ে না। গত এক মাসের বিশ্ববাজার পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, পরিশোধিত ও অপরিশোধিত চিনির মূল্য সর্বোচ্চ আড়াই শতাংশ কমেছে। মসুর ডালের দাম কমেছে প্রায় দশমিক ৫০ শতাংশ। বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশনের হিসাবে এ মুহূর্তে ১ কেজি পেঁয়াজের আমদানি মূল্য ১৬ টাকা। এর সঙ্গে ৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক, ১০ শতাংশ আমদানিকারকের পরিবহন খরচ, ১৫ শতাংশ হারে ব্যাংক সুদ, ২ শতাংশ আমদানিকারকের মুনাফা, ৬ শতাংশ পাইকারি ব্যবসায়ীর মুনাফা ও পরিবহন খরচ, ৫ শতাংশ নষ্ট এবং ১৫ শতাংশ খুচরা ব্যবসায়ীর মুনাফা ও পরিবহন খরচ যোগ করলে প্রতি কেজি পেঁয়াজের মূল্য দাঁড়ায় ২৫ দশমিক ১৯ টাকা। অথচ ওই পেঁয়াজ বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ৪৮ টাকা কেজি দরে। অর্থাৎ প্রকৃত মুনাফার পরও ১ কেজি পেঁয়াজে বাড়তি ২৩ টাকা মুনাফার নামে লুটে নেয়া হয়েছে। হিসাবের এ প্রতিবেদনটি সম্প্রতি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে ট্যারিফ কমিশন। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, আমদানিকৃত পেঁয়াজের যৌক্তিক মূল্য সর্বোচ্চ ২৭ টাকা হতে পারে। কিন্তু প্রতি কেজি পেঁয়াজ এখনও বিক্রি হচ্ছে ৪২ থেকে ৪৪ টাকা।

জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর আত্মীয় একজন ব্যবসায়ী নেতাকে দিয়ে তার মাধ্যমে পুরো ব্যবসায়ী সম্প্রদায়কে নিয়ন্ত্রণ করছে। ওই ব্যবসায়ী নেতার নেতৃত্বে রাজনৈতিক দলের ইউনিট কমিটির মতো করে সরকারি দলসমর্থক ব্যবসায়ীদের নিয়ে ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সংগঠনের কমিটি গঠন করা হচ্ছে। কারসাজির মাধ্যমে নিত্যপণ্যের মূল্য অস্বাভাবিক বাড়িয়ে ব্যবসায়ীরা যে বাড়তি মুনাফা করছে তার ভাগ সরকারের উচ্চ মহলও পাচ্ছে।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, বিদেশ থেকে আমদানি করা কিছু পণ্য কারসাজির মাধ্যমে ৩৫ থেকে ৬০ শতাংশ লাভে বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে। এ কাজের সাথে সংশ্লিষ্টরা একাধিকবার বাণিজ্যমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর সাথে বৈঠকও করেছে। মূল্য কারসাজিকারকেরা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক সংগঠনের নেতৃস্থানীয়। সরকারি দলের সদস্য পরিচয়ে নানা কৌশলে তারা এসব পদে অধিষ্ঠিত হয়েছে। সরকার বদলের সাথে সাথেই এদের অনেকে রূপ বদল করে সরকারি দলের রাজনীতির সাথে যুক্ত হয়েছে।

জানা যায়, টিসিবিকে কার্যকর করার পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে সরকারি দলের সমর্থক এক শ্রেণীর ব্যবসায়ী। তারাই টিসিবির সাথে পণ্য সরবরাহের চুক্তি করে কিন্তু সরবরাহ করে না। যেটুকু দেয় তা-ও নিম্নমানের। এ কারণে প্রয়োজনের সময় টিসিবির গুদামে মাল থাকে না। যে মাল পাওয়া যায় তা-ও খাওয়ার অনুপোযোগী। কিন্তু এদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া যাচ্ছে না। কারণ, সরকারের সাথে এসব ব্যবসায়ীর রয়েছে গভীর সম্পর্ক।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ব্যবসায়ী-শিল্পপতিদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই থেকে শুরু করে প্রায় সব বাণিজ্য সংগঠনের নেতারাই এখন সরকারি দলের রাজনীতির সাথে সরাসরি যুক্ত। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার ঘোষণা অনেকটাই লোক দেখানো।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) পার্লামেন্ট ওয়াচ-২০০৯-এর এক জরিপে দেখা গেছে, নবম জাতীয় সংসদে (বর্তমান) মোট সাংসদের আনুপাতিক হার বিবেচনায় ৫৯ শতাংশই ব্যবসায়ী শ্রেণীর। আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, জামাতসহ অন্যান্য দলের সদস্যরাও এ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। টিআইবির জরিপে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এ সংসদে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংসদদের মধ্যে ৫৩ শতাংশ তাদের পেশা হিসেবে হলফনামায় ব্যবসার কথা উল্লেখ করেছে। আর বিএনপির সংসদ সদস্যদের মধ্যে পেশা হিসেবে ব্যবসার কথা উল্লেখ করেছে ৬৯ শতাংশ সদস্য।

অবশ্য বিশেষজ্ঞদের বরাত দিয়ে টিআইবি দাবি করেছে, প্রকৃতপক্ষে বর্তমান জাতীয় সংসদে ব্যবসায়ীদের হার তাদের এ জরিপে প্রাপ্ত ফলাফলের চেয়েও অনেক বেশি হবে। এর স্বপক্ষে যুক্তি তুলে ধরে টিআইবি বলেছে, অনেক সাংসদই তাদের জীবিকার প্রধান উৎস হলফনামায় উল্লেখ করেনি।

ওয়াকিফহাল মহলের অভিমত, ব্যবসার পরিধি বৃদ্ধি, নিরাপত্তা রক্ষা, সম্মান ও প্রশাসনিক প্রভাব বিস্তার এসব কিছু করায়ত্ত করতেই রাজনীতিমুখী হচ্ছে ব্যবসায়ীরা। বর্তমান ও বিগত দুটি কথিত গণতান্ত্রিক সরকারের আমল থেকেই এ প্রবণতা শুরু হয়েছে। তবে পরিস্থিতি এখন আগের পর্যায়ে নেই। ব্যবসায়ী শ্রেণী এখন রীতিমতো দেশীয় রাজনীতিকে প্রবলভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করেছে।

মূলত দেশে রাজনীতি হয়ে গেছে ব্যবসা আর ব্যবসা পরিণত হয়েছে রাজনীতিতে। সংসদের ৫৯ শতাংশ সাংসদের পেশাই ব্যবসা। তাই রাজনীতি ও ব্যবসা কোনটাতেই তারা প্রভাবমুক্ত থাকতে পারে না। এ কারণে রাজনীতি অসুস্থ প্রবণতা থেকে মুক্ত হতে পারছে না। তাই দেশে কালোবাজারীর শাস্তি হয় না। সিন্ডিকেট ও মজুদদারিদের ধরা হয় না।

অভিযোগ রয়েছে, গোটা বাজারব্যবস্থাই এ ব্যবসায়িক রাজনীতকরা নিয়ন্ত্রণ করছে। রাজনীতিতে এদের বড় ধরনের অংশগ্রহণ থাকায় বছরজুড়েই অকার্যকর থাকছে বাজারব্যবস্থা। প্রশাসন সেখানে কিছুই করতে পারছে না। এতে সর্বস্বান্ত হচ্ছে জনগণ। কাজেই জনগণকেই জনসচেতন হতে হবে। জনরোষের উন্মেষ ঘটিয়ে জনবিস্ফোরণ ঘটাতে হবে।

মূলত এসব অনুভূতি ও দায়িত্ববোধ আসে পবিত্র ঈমান ও পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাদের অনুভূতি ও প্রজ্ঞা মুবারক থেকে। আর তার জন্য চাই নেক ছোহবত মুবারক তথা ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ মুবারক। যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, যামানার মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ সে মহান ও অমূল্য নিয়ামত হাছিল সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের তা নছীব করুন। (আমীন)

-মুহম্মদ আরিফুল্লাহ

যুগের আবূ জাহিল, মুনাফিক ও দাজ্জালে কায্যাবদের বিরোধিতাই প্রমাণ করে যে, রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি হক্ব। খারিজীপন্থী ওহাবীদের মিথ্যা অপপ্রচারের দাঁতভাঙ্গা জবাব-৮১

ভ্রান্ত ওহাবী মতবাদ প্রচারের নেপথ্যে-৩০

চাঁদ দেখা ও নতুন চন্দ্রতারিখ নিয়ে প্রাসঙ্গিক আলোচনা-৪৯

আমীরুল মু’মিনীন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী আলাইহিস সালাম তিনি নিঃসন্দেহে আল্লাহ পাক উনার খাছ ওলী উনার প্রতি অপবাদকারী জালিম গং নিঃসন্দেহে বাতিল, গুমরাহ, লানতপ্রাপ্ত, জাহান্নামী ও সুন্নী নামের কলঙ্ক  রেজাখানীরা আয়নায় নিজেদের কুৎসিত চেহারা দেখে নিক ॥ ইসলামী শরীয়ার আলোকে একটি দলীলভিত্তিক পর্যালোচনা-২

গোটা দেশবাসীকে সম্পূর্ণ অবহিত করে ট্রানজিট চুক্তি না করলে এবং দেশবাসীর সম্মতিতে না করলে কথিত ট্রানজিট চুক্তি হবে দেশবাসীর সাথে সম্পূর্ণ বিশ্বাসঘাতকতা করে দেশ বিক্রির শামিল যা সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক এবং অগ্রহণযোগ্য