সমাজতন্ত্রের ঝাণ্ডা পরিত্যাগ করে ‘প্রথম আলো’ সম্পাদক মতিউর এখন পুঁজিবাদের বেনিফেসিয়ারী নিজেকে বদলে ফেলার কারণে এখন অন্যকেও বদলানোর নছীহত খয়রাত করেছেন কিন্তু সমাজতন্ত্র আর পুঁজিবাদ যেমন একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ; তেমনি ‘প্রথম আলো’র বদলানোর আহ্বানও এক অনাচার থেকে আর এক অনাদর্শের দিকে। চরিত্রহীন, আদর্শহীন, ধর্মহীন- মতি মিয়ার যোগ্যতা কোথায়? ‘বদলানোর রূপকার’ তথা ‘সংস্কারক’ সাজার।বরং এ আহ্বান ফেরি করে মতি মিয়া যে নতুন পুরস্কার বাণিজ্যের ধান্ধায় রয়েছেন তা বলতে গেলেই সবাই বুঝতে পারছেন

সংখ্যা: ১৯২তম সংখ্যা | বিভাগ:

গত ৪ঠা নভেম্বর তারিখে ‘দৈনিক প্রথম আলো’ পত্রিকার প্রথম পৃষ্ঠায় প্রথম ও বিশাল ছবির ক্যাপশন হয়:

আপনি শুরু করুন, বাকিরা ঠিকই বদলাবে- প্রথম আলোর এ আহ্বানে দুই হাত তুলে ধরে সাড়া দিলেন রবীন্দ্র সরোবরে সমবেত হাজারো দর্শকশ্রোতা। একাদশ বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গতকাল মঞ্চ থেকে শিল্পী, অতিথি ও বিশিষ্টজনেরা বদলে যাওয়ার আহ্বান জানান তাদের।”

এর পাশেই সিঙ্গেল কলামে হেডিং হয়-

æনিজেকে বদলানোর আহ্বানের সঙ্গে একাত্মতা।”

খবরে বলা হয়: æহেমন্তের কোমল রোদের আলোয় ঝলমলে বিকেল। ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবর উš§ুক্ত মঞ্চের অর্ধবৃত্তাকার কাঠামোর সঙ্গে ঝুলছে লম্বা ব্যানার। তাতে লেখা একটি আহ্বান, আপনি শুরু করুন, বাকিরা ঠিকই বদলাবে। সামনের প্রাঙ্গণ থেকে দুই দিকের রাজপথ পর্যন্ত উপচেপড়া ভিড়। সমবেত জনতা দুই হাত উচিয়ে একাত্মতা প্রকাশ করলেন নিজেকে বদলানোর সেই আহ্বানের সঙ্গে।

গতকাল বুধবার প্রথম আলোর একাদশ বর্ষপূর্তির দিনভর অনুষ্ঠানমালার শেষ পর্যায়ের আয়োজন ছিল এখানে। গান, আলোচনা আর নিজেকে বদলানোর অঙ্গীকারে দীপ্ত আয়োজনটি পেয়েছিলো ভিন্ন মাত্রা।

বদলানোর কাজটি একভাবে শুরু করলেই হয়। ফসলের ক্ষেতে যেমন আগাছা জšে§, তাকে তুলে না ফেললে শ্রমে-ঘামে রোপণ করা ফসলের বিনাশ ঘটে; তেমনি জীবনের যাত্রাপথে আমাদেরও আচার-আচরণ, স্বভাব ও গুণপনার সঙ্গে অনেক অদরকারি, অকল্যাণকর অনুষঙ্গও জড়িয়ে যায়। আগাছার মতো তাদেরও সরিয়ে ফেলতে হয়। নিজের জীবনাচরণের এসব নেতিবাচক অনুষঙ্গ সরিয়ে ফেললে জীবনটাও বদলে যায়। এভাবে সবাই বদলালে সমাজও বদলে যাবে। কবিগুরু তাই ‘একলা চলো রে’ বলে আমাদের নিজেদেরই পরিবর্তনের পথে, কল্যাণের পথে অগ্রসর হওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন বহুদিন আগে। প্রথম আলো তার একাদশ বর্ষপূর্তিতে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে এ আহ্বানই জানিয়েছে- বদলের কাজটি ‘আপনি শুরু করুন, বাকিরা ঠিকই বদলাবে’। নানা বয়সী শ্রোতা-দর্শক

এ আহ্বানে সাড়া দিয়ে এসেছিলেন রবীন্দ্র সরোবরে। … ”

‘প্রথম আলো’ দাবি করে থাকে তার পাঠক সংখ্যা তিন লাখেরও বেশি।

কিন্তু গত ৪ঠা নভেম্বরের ক্যাপশনে উল্লেখ করা হয়েছে ‘সমবেত হয়েছে হাজারো দর্শক শ্রোতা’।

অর্থাৎ প্রথম আলো শুধু অন্যের ব্যাপারেই মিথ্যাচার করে না নিজের ছানা-সিফত করতেও বরং আরো বেশি মিথ্যাচারের আশ্রয় নেয়।

বলাবাহুল্য, মিথ্যা আর প্রতারক সম্পাদক মতি মিয়াকে দিয়ে যার জš§, মিথ্যাচারই যে তার আজš§ স্বভাব তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

উল্লেখ্য, মতি মিয়া জীবনের প্রথমভাগে নিজেকে একজন ‘বিপ্লবী কমিউনিস্ট’ ভাবতে পছন্দ করতেন। কমিউনিস্ট পার্টির পত্রিকা একতা’র সম্পাদক ছিলেন দীর্ঘ ২১ বছর। সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের লেনিনগ্রাদ কিংবা মস্কো ছিল তার মানসভূমি। লেনিনগ্রাদে পা দিয়ে পুলকিত হয়ে কলাম লিখেছেন পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা। সোভিয়েত ইউনিয়ন তখন বিনা পয়সায় লেখক-সাংবাদিকদের সে দেশে যাওয়া-আসা, থাকা, খাওয়াসহ প্রায় সব খরচ বহন করতো। নব্বইয়ের দশকে কমিউনিজমের পতন হলে ‘শ্রেণী সংগ্রামে’ ইস্তফা দিয়ে নিজেই সামন্ত প্রভু হওয়ার স্বপ্নে বিভোর হন।

মতিউর রহমান একসময় সাপ্তাহিক সন্ধানীতে বিজ্ঞাপনের কমিশন এজেন্ট হিসেবেও কাজ করেছেন। পরবর্তিতে চাকরি নেন দৈনিক আজকের কাগজ পত্রিকায়। বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে তিনি কিছু কলাম লিখলেও সেসব তেমন পাঠকপ্রিয়তা পায়নি। যদিও তরুণ সম্পাদক নাইমুল ইসলাম খানের সম্পাদনায় আজকের কাগজ তখন বেশ জনপ্রিয় ছিল। পরে আজকের কাগজের মালিক অবসরপ্রাপ্ত লে. কর্নেল কাজী শাহেদ আহমেদের সঙ্গে মতবিরোধের কারণে সম্পাদক নাইমুল ইসলাম খানের সঙ্গে ভোরের কাগজের নতুন মালিক- ব্যবসায়ী ও পরবর্র্তী সময়ের রাজনীতিবিদ সাবের হোসেন চৌধুরীর পক্ষ নেন। যে নাইমুল ইসলাম খান তাকে চাকরি দিয়ে ভোরের কাগজে নিয়ে এসেছিলেন, তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে একটুও বাধেনি মতিউর রহমানের। নাইমুল ইসলাম খান আবারো সম্পাদকের পদ হারান।

মালিকের আস্থাভাজন হিসেবে মতিউর রহমান ভোরের কাজের সম্পাদক হন। পত্রিকাটি এই মতিউর রহমানকে কিছু পরিচিতি এনে

দেয় এ সুযোগে একতা পত্রিকার কর্মী ও ‘বদলে যাওয়া’ সাবেক কমিউনিস্টদের নিয়ে নিজস্ব বাহিনী তৈরি করতে থাকেন মতিউর রহমান। ভোরের কাগজের মালিক সাবের হোসেন চৌধুরীর সম্পর্কীয় ভাই তৎকালীন সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল নাসিমের ক্যু করার চেষ্টা যখন প্রেসিডেন্ট আব্দুর রহমান বিশ্বাস এবং সেনাবাহিনী একটি বড় অংশ দৃঢ়তার সঙ্গে রুখে দেয়, তখন মতিউর রহমান সম্পদিত ভোরের কাগজ নগ্নভাবে লেফটেন্যান্ট জেনারেল নাসিমের গণতন্ত্রবিরোধী কর্মকা-ের পক্ষে অবস্থান নেয়।

মতিউর রহমানের ভাগ্যের পরিবর্তন ব্যাপকভাবে ঘটতে থাকে। তিনি বাংলাদেশের অনেক বুদ্ধিজীবীর সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করেন। ভোরের কাগজ তরুণ ও শিক্ষিত সমাজের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পায়। কিন্তু ভোরের কাগজে মতিউর রহমানের একক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার ফলে মালিক সাবের চৌধুরীর সঙ্গে তার বিরোধ তৈরি হয়। মতিউর রহমান সব সময়ই নীবর ষড়যন্ত্রে সিদ্ধহস্ত। এক্ষেত্রে তার প্রমাণ রেখেছেন। ট্রান্সকম গ্রুপের চেয়ারম্যান লতিফুর রহমানের সঙ্গে গোপন বৈঠক করতে লাগলেন নতুন পত্রিকা প্রকাশের জন্য।

ভোরের কাগজের সাংবাদিক, কলামিস্ট, স্টাফ, পিয়নসহ তার অনুগতদের নিয়ে গোপনে প্রস্তুতি নেয়া শুরু করেন। এমনকি ভোরের কাগজের রেফারেন্স সেকশনে যতো কাগজপত্র ছিল গোপনে তারও সব কপি দলবল নিয়ে বের হয়ে এলেন তিনি।

সংবাদপত্রের জগতে এতো বড় প্রতারণার ঘটনা কখনো ঘটেনি। এই হচ্ছে আজকের বদলে যাওয়ার সেøাগানের প্রবক্তা মতিউর রহমানের স্বরূপ। বিরামহীন প্রতারণা ও বিশ্বাসঘাতকতার সিঁড়ি বেয়ে তিনি আজ নতুন কিছু প্রাপ্তির আশায় বিভোর।

এছাড়া সম্প্রতি ঢালাওভাবে প্রকাশিত ও প্রচারিত একটি বিজ্ঞাপনের ভাষা থেকে মতিউরের আরো যা কীর্তি জাহির হয়েছে তা হলো-

* শিল্প-বাণিজ্যকে ধ্বংস করার চক্রান্তে নেমেছে দৈনিক প্রথম আলো।

* দৈনিক প্রথম আলো দেশের বিচার বিভাগ, প্রশাসন, বিনিয়োগকারী, রাজনীতিবিদ ও শিল্প মালিকদের টার্গেট করে মাঠে নেমেছে।

* তাদের আক্রমণ ও মিথ্যা প্রচারণা থেকে শুধু ব্যবসায়ী শিল্পপতি নন, দেশের ঊর্ধ্বতন সামরিক, বেসামরিক কর্মকর্তা এবং রাজনীতিবিদরাও রেহাই পাচ্ছেন না।

* অবৈধভাবে টাকার মালিক বনতে দৈনিক প্রথম আলো রাষ্ট্র ও সরকার বিরোধী এই অপতৎপরতা চালাচ্ছে।

* দেশের স্বনামধন্য ব্যবসায়ীদের ব্ল্যাক মেইল করে দৈনিক প্রথম আলোর ব্যক্তি বিশেষ এখন শত শত কোটি টাকার মালিক বনেছেন। ১৯৯১ সালে একতা পত্রিকা বন্ধ করে দৈনিক আজকের কাগজে যে ব্যক্তি মাত্র ৫ হাজার টাকা বেতনে চাকরি নিয়েছিলেন আজ তার এই বিপুল অর্থ, বিত্তের উৎস নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন থাকলেও পত্রিকার দাপটে কেউ প্রশ্ন তুলছে না।

* নিজেদের ব্যবসা, ব্যক্তিস্বার্থ হাসিল করতে প্রথম আলো বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উপর আক্রমণ করে সংবাদ প্রচার করছে।

* কোটি কোটি মানুষের রুটি রুজিকে ধ্বংস করতে দৈনিক প্রথম আলো গভীর ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তের খেলা খেলছে। তাদের লক্ষ্য শুধু বসুন্ধরা নয় দেশের বিনিয়োগকে ধ্বংস করা।

* বসুন্ধরা সিটি মলের উপরে লাইটিং করার ২৭ কোটি টাকার ব্যবসা না পেয়ে প্রথম আলোর মালিক লতিফুর রহমান ক্ষুব্ধ হয়ে বসুন্ধরার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রচার করছে।

* দশ কোটি টাকার নিউজপ্রিন্ট বিনা টাকায় না দেয়া এবং বসুন্ধরার সকল বিজ্ঞাপনের কাজ প্রথম আলোর সম্পাদকের ছেলেকে না দেয়ার জন্য বসুন্ধরা গ্রুপকে ধ্বংস করার চক্রান্তে মেতে উঠেছেন তারা।

* আজকের প্রজন্মের সাংবাদিকরা অনুসন্ধান করলে জানতে পারবেন ভারতীয় উলফা এ দেশের কোন পত্রিকা মালিকের সাথে ব্যবসা করছে। আবার পরে উলফার অনুপ চেটিয়াকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়ে তাদের সকল অর্থ কোন পত্রিকার মালিক আত্মসাৎ করেছেন? এর প্রতিশোধ হিসেবে উলফা কার কন্যাকে হত্যা করেছে?

অথচ এসব কথা বহু আগেই বার বার ‘দৈনিক আল ইহসান’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়ে আসছে।

তবে ‘আল ইহসান’-এ গভীরভাবে যা উল্লেখ করা হয়েছে তা হলো- ‘প্রথম আলোর’ ইসলাম বিদ্বেষী গভীর মনোভাব ও ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র।’

কারণ, প্রথম আলো শুধু দুর্নীতি আর রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রেই লিপ্ত নয় বরং প্রথম আলো এদেশের ৯৫ ভাগ জনগোষ্ঠীর প্রাণাধিক ধর্ম ইসলামের বিরুদ্ধেও গভীর ষড়যন্ত্রে চরমভাবে লিপ্ত।

যার আরো একটি প্রমাণ গত ১৪ই নভেম্বর প্রথম আলো দিয়েছে। ঐ তারিখে প্রথম আলো পত্রিকায় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কিছু সদস্যের ছবি ছাপে। তাতে দেখা যায় বুট পরিহিত সেনাবাহিনী। আর সেনাবাহিনীর সে বুটের নীচেই বড় হেডিং দেয়া হয়েছে:

কা’বা শরীফে জুমার নামাজে বিশাল জামাত” এবং কা’বা

শরীফের ছবিও দেয়া হয়েছে।

এবং কা’বা শরীফ সম্পর্কিত হেডিং পত্রস্থ করে পৃথিবীর ২৭৫ কোটি মুসলমানের ধর্মীয় অনুষঙ্গ বা ঈমান কা’বা শরীফের অবমাননা করা। অর্থাৎ মুরতাদ মতিউর  যে এখনো তার মুরতাদীতে ধুরন্ধর কৌশলবাজি করে চলছে এটাও তার বড় প্রমাণ।

সঙ্গতকারণেই অবিলম্বে এর প্রকাশনা বন্ধসহ শক্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির বাস্তবায়ন দরকার।

-মুহম্মদ মাহবুবুর রহমান।

মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার নিকট খোলা চিঠি দেশটা কী মুসলমানের, না ঐ নিকৃষ্ট সংস্কৃতিবাদীদের? দেশে কী ১৫ কোটি মুসলমান প্রাধান্য পাবে, না মাত্র লাখেরও কম সংস্কৃতিকর্মী প্রতিষ্ঠা পাবে? সংস্কৃতিকর্মীর প্রচারণা দ্বারা কি রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের এদেশে ‘ইসলাম’ ও ‘মুসলমান’ তুলে দেয়া হবে?  মিটিয়ে ফেলা হবে? মুছে ফেলা হবে? বিধর্মীদের সাথে একাকার করে দেয়া হবে? তাহলে ‘মরলে শহীদ বাঁচলে গাজী’ চিরন্তন সে ঐতিহ্য কোথায় যাবে?

যুগের আবূ জাহিল, মুনাফিক ও দাজ্জালে কায্যাবদের বিরোধিতাই প্রমাণ করে যে, রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী হক্ব। খারিজীপন্থী ওহাবীদের মিথ্যা অপপ্রচারের দাঁতভাঙ্গা জবাব-৫৭

চাঁদ দেখা ও নতুন চন্দ্রতারিখ নিয়ে প্রাসঙ্গিক আলোচনা-২৫

ভ্রান্ত ওহাবী মতবাদ প্রচারের নেপথ্যে-৭

বাতিল ফিরক্বা ওহাবীদের অখ্যাত মুখপত্র আল কাওসারের মিথ্যাচারিতার জবাব-১৮ হাদীছ জালিয়াতী, ইবারত কারচুপি ও কিতাব নকল করা ওহাবীদেরই জন্মগত বদ অভ্যাস ওহাবী ফিরক্বাসহ সবগুলো বাতিল ফিরক্বাহ ইহুদী-নাছারাদের আবিষ্কার! তাদের এক নম্বর দালাল