সম্মানিত আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনাদের আক্বীদার খিলাফ কুফরী-শিরকী প্রচার-প্রসারের কারণেই দেওবন্দী শায়খুল হদছ মৌলভী সরফরাজ খান মরার পর আকৃতি বিকৃতি হয়ে হনুমানের আকৃতি ধারণ করেছে। অতএব, প্রত্যেক বদ আক্বীদাধারী ব্যক্তিদের এখনই খালিছ তওবা করে নেয়া ফরয

সংখ্যা: ২২৮তম সংখ্যা | বিভাগ:

খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মাঝে একজন উম্মতের ঈমানী মৃত্যু কিভাবে হতে পারে সে সম্পর্কে ইরশাদ মুবারক করেন- মহান আল্লাহ পাক তিনি যখন কারো ইহ পরকালীন কল্যাণ কামনা করেন তখন তাকে দিয়ে কিছু কাজ করিয়ে নেন। হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা জানতে চাইলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি কিভাবে কাজগুলো করান? নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি জাওয়াবে ইরশাদ মুবারক করলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ওই ব্যক্তিকে মৃত্যুর পূর্বে আমলে সালেহ বা নেক আমলের তাওফীক দান করেন। সুবহানাল্লাহ!

বলার অপেক্ষা রাখেনা যে, সর্ববিধ নেক আমলের মধ্যে সর্বপ্রথম এবং সর্বপ্রধান আমল হলো নিজের ঈমান তথা আক্বায়িদকে বিশুদ্ধ করা। আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনাদের আক্বীদা মুতাবিক ঈমানের উপর প্রতিষ্ঠিত তথা ইস্তিক্বামত থাকা। আক্বীদায় যদি বিন্দুমাত্র চির ধরে কিংবা নড়বড়ে হয় তবে কস্মিনকালেও ঈমানদার মু’মিন মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করার কোন উপায় থাকবে না। এরপরও যদি কেউ নিজেকে বড়পীর, শায়খুল হাদীছ, আমীরুল মুজাহিদীন, সাচ্চা আকাবির, রাহনুমায়ে শরীয়ত, বড় মুফতী মুহাদ্দিস, খতীব ইত্যাদি দাবি করে অথচ সম্মানিত আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনাদের খিলাফ বদ আক্বীদা-আমল নিয়েই মৃত্যুমুখে পতিত হয় তখন সেটাকে কোনভাবেই ঈমানী মৃত্যু বলে আখ্যা দেয়া যায়না বরং সেটা লা’নতী মৃত্যু বলেই জাহির হয়। এ জাতীয় গুমরাহ বিদয়াতী বদ আক্বীদাধারী লোকদের মরার সাথে সাথেই আকৃতি বিকৃতি ঘটতে থাকে। এমনকি এদের অনেকের মরার আগেই আকৃতি বিকৃতি ঘটে। কিন্তু সাধারণ মানুষ যেহেতু সহীহ সমঝ থেকে বেশ দূরে অবস্থান করে থাকে তাই তারা এমন আকৃতি বিকৃতিকে বয়সের দুর্বলতা মনে করেই বড় ভুলের মধ্যে পড়ে থাকে। যেমনটি আমরা নিকট অতীতে দেখেছি, বায়তুল মোকাররম মসজিদের সাবেক খতীব উবায়দুল, নুরুদ্দীন, চর্মনাইর কথিত পীর ফজলু, শায়খুল হদস আযাযীল, বি-বাড়ীয়ার সিরাজুল, নুরুল্লাহ, ফুরফুরা শরীফ থেকে বহিষ্কৃত আনসার আলী, মুফতে কমিনী ইত্যাদি ধর্মব্যবসায়ীদের মৃত্যুমুখে পতিত হবার সাথে সাথেই বিকট আকৃতি বিকৃতি ঘটেছিল, দুর্গন্ধে এদের মরা লাশের কাছে দাঁড়ানোটাই মুস্কিল ছিল। কারো কারো চেহারা বিড়াল শৃগাল কুকুর শূকরের রূপ ধারণ করেছিল। বিশাল বিশাল বরফের চাকের মধ্যে এদের বিকৃত লাশকে ফেলে রাখা হয়েছিল। এদের কারো কারো ঘাড় বাম দিকে এমনভাবে ঘুরে গিয়েছিল যে, শক্ত দড়ি রশি দিয়ে ঘাড় সোজা করার ব্যর্থ চেষ্টাও করা হয়েছিল। কারো কারো নাক দিয়ে, কান দিয়ে কিংবা পিছন দিয়ে দুর্গন্ধময় পচা রক্ত পুঁজ বের হচ্ছিল। নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক। এতকিছু দেখার পরও তাদের সমগোত্রীয় চেলা-চামু-া উলামায়ে সূ’রা কাট্টা মালউন ইবলিস শয়তানের মতো অপপ্রচার চালিয়ে বলেছে, ওদের চেহারা নাকি বহুত ছুরতময় হয়ে গিয়েছিল, মরার পর নাকি হাসতেছিল, লাশ নাকি কিবলামুখী হয়ে গিয়েছিল! নাউযুবিল্লাহ কত্ত বড় ডাহা মিথ্যা কথা।

এমন মিথ্যা কি তারা স¦-ইচ্ছায় বলে বেড়াচ্ছে নাকি তাদের অন্তরে তথা দিল দেমাগে কুফরী-শিরকী করতে করতে মহর পড়ে গেছে নাকি কহর পড়ে তাদের সমুদয় বোধশক্তিই নষ্ট হয়েছে- মহান আল্লাহ পাক তিনিই ভালো জানেন।

সম্মানিত আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনাদের খিলাফ আক্বীদার প্রচার-প্রসারে কলঙ্কিত জীবনের অধিকারী আরেক ধর্মব্যবসায়ী মরার পর আকৃতি বিকৃতি হবার কাহিনী এখন ফলাও করে প্রচার হচ্ছে সর্বত্র। বিদয়াতের আস্তানা হিসেবে বহুল পরিচিত দারুল উলুম দেওবন্দের শায়খুল হদস এবং হিন্দুদের শিষ্য মওলানা আহম্মক নাদানীর মুরীদ এবং মুফতে আহম্মক শফীর শিষ্য, মৌলভী সরফরাজ খান বিগত ২০০৯ সালের মে মাসে মারা যায়। তার মৃত্যুর কিছুদিন আগের একটি ভিডিও ইউটিউবসহ বিভিন্ন সাইটে প্রদর্শিত হচ্ছে। মরার পর তার কঠিন আকৃতি বিকৃতি ঘটে যার ফলে লুকোচুরি করে তার লাশকে গোপন করেই জানাজা কাফন দাফন করা হয়। কিন্তু তারই কতিপয় শিষ্য শাগরিদ এবং সাংবাদিক অত্যন্ত সঙ্গোপনে তার বিকৃত লাশের চেহারার ছবি তুলে রাখে। পরে ধীরে ধীরে বিভিন্ন মিডিয়ায় বিষয়টি প্রকাশ করতে থাকে।

প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, বিদয়াতী শায়খুল হদস সরফরাজ খানের সাংঘাতিক আকৃতি বিকৃতি অবলোকন করে তার শাগরিদ কতিপয় দেওবন্দী ওহাবী মওলানা খালিছ তওবা ইস্তিগফার করে হক্ব মত পথে ফিরে আসে।

উল্লেখ্য. উক্ত শায়খুল হদস সরফরাজ খানের আক্বীদা ছিল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মাটির মানুষ, উনার ছায়া মুবারক ছিল, তিনি ইলমে গায়েব জানেন না, তিনি হাজির নাজির হতে পারেন না ইত্যাদি কুফরী আক্বীদা। নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক!

তার অনেক উদ্ভট উক্তি আছে যেমন তার মতে, গাউসূল আ’যম হযরত বড়পীর ছাহের রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি নাকি ছূফী প্রকৃতির ছিলেন কিন্তু কোনভাবেই মুহাক্কিক-মুহাদ্দিছ ছিলেন না। মুজাদ্দিদে মিল্লাত হযরত জালালুদ্দীন সুয়ুতী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি নাকি মনগড়া, জয়ীফ জাল হাদীছ শরীফ দিয়ে সুবিখ্যাত কিতাব মুবারক খাছায়িসুল কুবরা লিখেছেন। নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক! তার ওয়াজ, লিখনী ইত্যাদিতে আরো বহু বহু কুফরী-শিরকী আক্বীদা মওজুদ রয়েছে। যার কারণে সে দেওবন্দী ওহাবীদের হস্তীমার্কা আকাবির হয়েও চরম আকৃতি বিকৃতি অবস্থায় জুব্বল হুযন জাহান্নামের দিকে পাড়ি দিয়েছে। তার আকৃতি বিকৃতিকে বিভিন্ন মিডিয়ায় বানর এবং হনুমানের সাথেও তুলনা দেয়া হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক! খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের সকলকে সম্মানিত আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনাদের আক্বীদা মুতাবিক নেক আমল করেই ঈমানী মৃত্যু নছীব করুন । (আমীন)

-শেখ সামস আহমদ মুজাদ্দেদী

প্রসঙ্গ: ইসরাইলি পণ্য বর্জনের আহ্বান জানিয়েছে তুরস্ক। ইসরাইলের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অবরোধসহ কঠোর সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা মুসলিম বিশ্বের এখন ফরযের উপর ফরয।

সুদ পরিশোধেই ব্যয় হবে বাজেটের ১১ শতাংশ। প্রত্যেক বছর বাজেটের আকার বাড়লেও এর সুফল পাচ্ছে না দেশ ও দেশের জনগণ। জনগণের উচিত সরকারকে বাধ্য করা- ঋণের ধারা থেকে সরে এসে অভ্যন্তরীণ অর্থ-সম্পদের দিকে গুরুত্ব দিয়ে বাজেটকে গণমুখী করার জন্য।

বাংলাদেশে জিএমও ফুড প্রচলনের সকল ষড়যন্ত্র বন্ধ করতে হবে-২

পর্যবেক্ষক ও সমালোচক মহলের মতে- ভারতের কাছে দেশের স্বার্থ বিলিয়ে দেয়ার নিকৃষ্টতম উদাহরণ রামপালে কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র। মাত্র ১৫ ভাগ বিনিয়োগ করে ভারত মালিকানা পাবে ৫০ ভাগ। আর ধ্বংস হবে এদেশের সুন্দরবন। সুন্দরবনকে ধ্বংস করার সিদ্ধান্ত থেকে সরকারকে সরে আসতে হবে (২)

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতোই রূপপুরের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ভয়াবহ। রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে কিন্তু রূপপুর অজ্ঞতার আঁধারেই রয়ে গেছে? বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিষয়টি বিশেষভাবে আমলে নিতে হবে। প্রয়োজনে সচেতন জনগণকেই প্রতিহত করতে হবে (২)