সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুর রদ্বয়াহ আছ্ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম রহমতুল্লিল আলামীন, রঊফুর রহীম, নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দ্বিতীয় দুধমাতা আলাইহাস সালাম

সংখ্যা: ২৮৫তম সংখ্যা | বিভাগ:

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,

وَوَصَّيْـنَا الْإِنسَانَ بِوَالِدَيْهِ حَمَلَتْهُ أُمُّهٗ وَهْنًا عَلٰى وَهْنٍ وَفِصَالُهٗ فِيْ عَامَيْنِ أَنِ اشْكُرْ لِيْ وَلِوَالِدَيْكَ إِلَيَّ الْمَصِيْـرُ

অর্থ: আমি মানুষকে তার পিতা-মাতা সম্পর্কে নসীহত মুবারক করছি। তাকে তার মাতা অত্যধিক কষ্ট করে বহন করেছেন এবং দু’বছর দুধ পান করিয়েছেন। আমার এবং তোমার পিতা-মাতা উনাদের শুকরিয়া আদায় করো। আমার নিকট তোমাদের প্রত্যাবর্তন স্থল। (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা লুকমান শরীফ, সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ১৪)

বর্ণিত পবিত্র আয়াত শরীফে সন্তানের সাথে মাতার দু’দিক থেকে সম্পর্কের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। মাতা সন্তানকে রেহেম শরীফে বহন করেন। আবার মাতা সন্তানকে দুধ পান করান। অর্থাৎ, যিনি সন্তানকে রেহেম শরীফে বহন করেন তিনি হবেন মাতা। আবার যিনি সন্তানকে দুধ পান করান তিনিও মাতা হিসেবে সম্মানিত শরীয়ত কর্তৃক স্বীকৃত।

হানাফী মাযহাব অনুযায়ী, সন্তান ২ বৎসর বয়স পর্যন্ত মায়ের দুধ পান করতে পারবে। তবে কোন সন্তান যদি আড়াই বৎসর বয়সের মধ্যে কোন মহিলার এক ঢোক দুধও যদি পান করে, তাহলে সে মহিলা সেই সন্তানের দুধমাতা হিসেবে সাব্যস্ত হবে। পবিত্র হাদীছ শরীফে বর্ণিত আছে-

عَنْ حَضْرَتْ عَلِيِّ بْنِ أَبِيْ طَالِبٍ عَلَيْهِ السَّلَامُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللّٰهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ اللّٰهَ حَرَّمَ مِنَ الرَّضَاعِ مَا حَرَّمَ مِنَ النَّسَبِ

 অর্থ: হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি দুধ পানের কারণেও হারাম করেছেন, যা নসবগত কারণে হারাম করেছেন। (তিরমিযী শরীফ)

অর্থাৎ, রেহেম শরীফে বহনকারীণী মাতার ন্যায় দুধমাতার অধিকারও সুনির্ধারিত। দুই মাতারই অধিকার বা হক্ব রয়েছে। দুইজনকেই তা’যীম-তাকরীম করতে হবে।

বলার অপেক্ষা রাখেনা, রঊফুর রহীম, নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি রহমতুল্লিল আলামীন। আর উনার ছোহবত মুবারক, নিসবত মুবারক এবং খিদমত মুবারকে আনযাম প্রদানের জন্য মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার বান্দাহদের মধ্য হতে কতিপয় বান্দাহকে বিশেষভাবে মনোনীত করেন। উনার মুবারক নিসবতপ্রাপ্ত প্রতিটি মুবারক বিষয়ই কায়িনাত মাঝে সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বাধিক ফযীলতপ্রাপ্ত এবং সর্বাধিক বরকতময় ও সর্বোচ্চ মর্যাদা সম্পন্ন। তাই, নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে দুধ মুবারক পান করানোর মহান কাজে আনযাম প্রদানকারিণীগণও আখাছ্ছুল খাছভাবে মনোনীত এবং বেমেছাল খুছুছিয়ত মুবারকের মালিকাহ। জনসাধারণের মাঝে উনাদের মুবারক আলোচনা তেমন লক্ষ্য করা যায়না। কিন্তু উনারা যে বেমেছাল ফাযায়িল-ফযীলতের অধিকারিণী, তা সাধারণ মানুষের বোধগম্যের বাহিরে। সঙ্গতকারণেই উনাদের মুবারক আলোচনা অতীব জরুরী।

মশহূর এবং গ্রহণযোগ্য মতে, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূল মির্না রদ্বয়াতি তথা রহমতুল্লিল আলামীন, রঊফুর রহীম, নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিতা দুধমাতা আলাইহিন্নাস সালাম উনারা দুইজন। অর্থাৎ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূলিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর দুইজন মহান ব্যক্তিত্ব নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে দুধ মুবারক পান করানোর সুনসীব লাভ করেছেন। উনারা হচ্ছেন, প্রথমত, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হযরত ছুয়াইবিয়াহ আলাইহাস সালাম। উনার মুবারক শানে ইতিপূর্বে আলোচনা করা হয়েছে।

দ্বিতীয়ত, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হযরত হালীমাহ সা’দিয়াহ আলাইহাস সালাম।  সংক্ষিপ্তাকারে উনার খুছুছিয়ত মুবারক আলোচনা করা হলো।

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দ্বিতীয় মহাসম্মানিতা দুধমাতা হচ্ছেন সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হযরত হালীমাহ সা’দিয়াহ আলাইহাস সালাম। তিনি যেহেতু বনী সা’দ ইবনে বকর গোত্রের ছিলেন, তাই উনাকে বলা হয় সা’দিয়া। বিশেষ করে বনী সা’দ গোত্রের ব্যক্তিগণ ছিলেন মিষ্টভাষী। উনারা আরবী ফাসাহাত ও বালাগাতে সবচেয়ে পারদর্শী।

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে দুধ মুবারক পানের ক্ষেত্রে সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হযরত সা’দিয়াহ আলাইহাস সালাম তিনি যেহেতু দ্বিতীয়, সেহেতু উনাকে ‘সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুর রদ্বয়াহ আছ্ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম’ বলে সম্বোধন করাই আদব।

বিশ্ব বিখ্যাত সীরাত গ্রন্থের কিতাব ‘আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া’-এর ২য় খন্ডে উল্লেখ রয়েছে যে, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুর রদ্বয়াহ আছ্ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত পিতা হযরত আবূ যুওয়াইব আলাইহিস সালাম। উনার পুরো নাম মুবারক হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে হারিছ আলাইহিস সালাম।

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুর রদ্বয়াহ আছ্ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার বংশ তালিকা মুবারক হচ্ছে, হযরত সা’দিয়া বিনতে আব্দুল্লাহ ইবনে শাজনাহ ইবনে জাবির ইবনে রিযাম ইবনে নাছিরা ইবনে সা’দ ইবনে বকর ইবনে হাওয়াযিন ইবনে মানছুর ইবনে ইকরামা ইবনে হাফসা ইবনে কায়িস আইলান ইবনে মুদ্বার আলাইহিমুস সালাম।

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত দুধ পিতা তথা সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুর রদ্বয়াহ আছ্ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার আহাল ছিলেন হযরত হারিছ ইবনে আব্দুল উজ্জা ইবনে রিফায়া ইবনে মিলান ইবনে নাসিরা ইবনে সা’দ ইবনে বকর ইবনে হাওয়াযিন আলাইহিমুস সালাম। আনুষ্ঠানিকভাবে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নুবুওওয়াত মুবারক প্রকাশের দু’বছর পর তিনি পবিত্র মক্কা শরীফে আগমন করেন এবং সম্মানিত দ্বীন ইসলাম কবুল করেন। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দুধ ভাই ও বোন ছিলেন মোট ৩ জন। এক. সাইয়্যিদুনা হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে হারিছ আলাইহিস সালাম। দুই. হযরত আনীসা বিনতে হারিছ আলাইহাস সালাম। তিন. হযরত হুযাফা বিনতে হারিছ আলাইহাস সালাম।

হযরত হুযাফাহ আলাইহাস সালাম উনার অপর নাম মুবারক হযরত শায়মা আলাইহাস সালাম। ঐতিহাসিকগণ বলেন, হযরত শায়মা আলাইহাস সালাম তিনি উনার মহাসম্মানিতা মাতা সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুর রদ্বয়াহ আছ্ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার সাথে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক খিদমতের আঞ্জাম দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ! (আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া)

উল্লেখ্য যে, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুর রদ্বয়াহ আছ্ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম তিনি হাওয়াজিন গোত্রের মহাসম্মানিতা ব্যক্তিত্ব। তৎকালীন যুগের প্রথা অনুযায়ী বেদুঈন গোত্রের মহিলারা বছরে দু’বার শহরে আগমন করতেন। শহরের অভিজাত মহিলাগণ স্বীয় দুগ্ধপোষ্য শিশুদেরকে উনাদের দায়িত্বে অর্পন করতেন। এই নিয়ম অনুযায়ী নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি দুনিয়ার যমীনে পবিত্র তাশরীফ মুবারক গ্রহণ করার কয়েকদিন পর হাওয়াজিন গোত্রের কতিপয় মহিলাগণ পবিত্র মক্কা শরীফে আসেন। উনাদের মধ্যে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুর রদ্বয়াহ আছ্ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম তিনি ছিলেন অন্যতম, সর্বশ্রেষ্ঠা ও সবচেয়ে সম্মানিতা।

মূলত, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুর রদ্বয়াহ আছ্ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনাকে মহান আল্লাহ পাক তিনি সৃষ্টি লগ্ন থেকেই সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জন্য মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দুধ মাতা হিসেবে মনোনীত করে রেখেছেন। সুবহানাল্লাহ! এজন্য মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক খিদমতের জন্য সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুর রদ্বয়াহ আছ্ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনাকে প্রেরণ করেন এবং তিনি যথাযথভাবে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক খিদমতে নিজেকে বিলিয়ে দেন।

স্মরণীয় যে, সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জন্য একজন মহাসম্মানিতা দুধমাতা খুঁজছিলেন। কয়েকদিনের মধ্যে দেখা গেলো তায়েফের একদল মহিলা পবিত্র মক্কা শরীফে আগমন করেন। তাদের উদ্দেশ্য মক্কা শরীফ থেকে শিশু ছেলে-মেয়েদের নিয়ে লালন-পালন করা এবং এর বিনিময় কিছু অর্থ কামাই করা। দেখা গেলো, সেই মহিলারা শহরে প্রবেশ করেই একেকজন একেক শিশুকে নিয়ে বাড়ীর দিকে পথ ধরলেন। তবে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুর রদ্বয়াহ আছ্ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম তিনি এবং উনার আহাল উনারাও একজন সন্তান খোঁজ করছিলেন।

মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট উনাদের আরজী ছিলো যে, এমন একজন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সন্তান মহান আল্লাহ পাক তিনি যেনো উনাদেরকে দান করেন, উনার উসীলায় উনারা রহমতপ্রাপ্ত হন। ইতমিনানপ্রাপ্ত হন এবং মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টিপ্রাপ্ত হন। আর এদিকে সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিও একজন ত্বহিরা বা পূতঃপবিত্রা, সৎ ও ধৈর্য্যশীলা দুধমাতা খোঁজ করছিলেন। এই মুবারক সংবাদ শুনে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুর রদ্বয়াহ আছ্ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম তিনি উনার আহালকে নিয়ে সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বাড়িতে তাশরীফ মুবারক নিলেন। সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুর রদ্বয়াহ আছ্ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম তিনি এসে সন্তান লালন পালনের কথা বললেন, সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনাদের কথা মুবারক শুনে উনার পছন্দ হলো এবং তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার শুকরিয়া আদায় করলেন। কারণ তিনি এমনই একজন মহাসম্মানিতা দুধমাতা খুঁজছিলেন। যিনি হবেন সম্ভ্রান্তশালী, পূতঃপবিত্রা, মহান আল্লাহ পাক উনাতে বিশ্বাসী, সৎ ধৈর্যশীল ও সর্বাধিক মিষ্টিভাষী। সুবহানাল্লাহ!

বিশুদ্ধ মতে, হস্তি বাহিনী ধ্বংস হওয়ার ৫০ দিন পর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ উনার সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ মহাসম্মানিত ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফে সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ বা ইছনাইনিল ‘আযীম শরীফ উনার সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আওক্বাত শরীফ বা ছুবহে ছাদিক্ব শরীফ উনার সময় পবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ! উনাকে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বপ্রথম পবিত্র দুধ মুবারক পান করান। তারপর সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুর রদ্বয়াহ আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছুয়াইবিয়া আলাইহাস সালাম তিনিও কিছু দিন পবিত্র দুধ মুবারক পান করান। অতঃপর সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুর রদ্বয়াহ আছ্ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম তিনি পবিত্র দুধ মুবারক পান করান। সুবহানাল্লাহ!

দুই বছর পবিত্র দুধ মুবারক পান করানো শেষ হলে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুর রদ্বয়াহ আছ্ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট নিয়ে আসেন। তারপর উনারা খায়ের-বরকত লাভের জন্য সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট আরজী পেশ করে পূণরায় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত বনূ সা’দ গোত্রে নিয়ে যান। সুবহানাল্লাহ!

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দুনিয়াবী মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র  হায়াত মুবারক যখন ৪ বছর, তখন প্রথমবার আনুষ্ঠানিকভাবে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল ইলম মুবারক বা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সিনা মুবারক চাক সম্পর্কিত ঘটনা মুবারক সংঘটিত হয়। সুবহানাল্লাহ! তখন সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুর রদ্বয়াহ আছ্ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম তিনি চিন্তিত হয়ে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট নিয়ে আসেন। তখন সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এবং সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অর্থাৎ উনারা বলেন যে, এটা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিশেষ শান মুবারক। সুবহানাল্লাহ! তারপর সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুর রদ্বয়াহ আছ্ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম তিনি পূণরায় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত বনূ সা’দ গোত্রে নিয়ে যান। সুবহানাল্লাহ!

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি দুনিয়াবী হায়াত মুবারক অনুযায়ী পাঁচ বছর পর্যন্ত বনূ সা’দ গোত্রে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুর রদ্বয়াহ আছ্ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র হুজরা শরীফে অবস্থান মুবারক করেন। অতপর, ৬ষ্ঠ বছরের শুরুতে তিনি উনার মহাসম্মানিত হযরত আম্মাজান আলাইহাস সালাম উনার নিকট ফিরে আসেন। সুবহানাল্লাহ!

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র ছোহবত মুবারক লাভ করার পর হতে দুধমাতা সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুর রদ্বয়াহ আছ্ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম তিনি প্রতি মূহুর্তে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সীমাহীন পবিত্র মু’জিযা শরীফ দেখতে পান।

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুর রদ্বয়াহ আছ্ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বক্ষ মুবারক দুধশূন্য ছিল। কিন্তু নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পবিত্র কোল মুবারকে তুলে নেয়ার সাথে সাথে  আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বক্ষ মুবারক পর্যাপ্ত দুধে পরিপূর্ণ হয়ে যায়। সুবহানাল্লাহ!

সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূল মির্না রদ্বয়াতি তথা রহমতুল্লিল আলামীন, রঊফুর রহীম, নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিতা দুধমাতা হযরত সা’দিয়া আলাইহাস সালাম উনার বাহনটি অতিশয় দূর্বল ছিল। কিন্তু নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পবিত্র কোল মুবারকে নিয়ে সেই বাহনে আরোহনের সাথে সাথে বাহনটি এত সতেজ ও শক্তিশালী হলো যে, পুরো কাফেলায় বাহনটি সবার আগে আগে অতি দ্রুতগতিতে চলতে লাগলো। সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুর রদ্বয়াহ আছ্ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক উনার কসম! আমার গাধীটা আমাদের নিয়ে এতো দ্রুত পথ চললো যে, কাফিলার কোন গাধাই এর মোকাবিলা করতে পারছিলো না। সুবহানাল্লাহ!

বনূ সা’দণ্ডএর জনপদের চেয়ে অধিক শুস্ক বা অনুর্বর কোন ভূমি ছিলো না। কিন্তু নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুর রদ্বয়াহ আছ্ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র  হুজরা শরীফে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র  তাশরীফ মুবারক গ্রহণ করার পর চারণভূমির অবস্থা সম্পূর্ণ পরিবর্তন হয়ে গেল। ছাগলের পালগুলো সারাদিন সেখান থেকে সন্ধায় পেট ভরে ও দুধে পরিপূর্ণ হয়ে ফিরে আসতে শুরু করলো। অথচ অন্যদের ছাগলগুলো এক ফোঁটাও দুধ দিতো না এবং সন্ধা বেলায় ক্ষুধার্ত অবস্থায় ফিরে আসতো। সুবহানাল্লাহ!

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুর রদ্বয়াহ আছ্ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম তিনি আরো বলেন, আমি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে দোলনা মুবারকে শুয়ে চাঁদের সঙ্গে কথা মুবারক বলতে শুনেছি এবং চাঁদের দিকে ইশারা মুবারক করতে দেখেছি। তিনি যেদিকে ইশারা মুবারক করতেন চাঁদ সেদিকেই হেলে যেতো। সুবহানাল্লাহ! আর হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালামগণ উনার দোলনা মুবারক দুলিয়ে দিতেন। সুবহানাল্লাহ!

মহাসম্মানিত মহাপবিত্র পবিত্র হাদীছ শরীফে বর্ণিত রয়েছে, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুর রদ্বয়াহ আছ্ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র না’ত শরীফ পাঠ করতে করতে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে ঘুম মুবারক পারাতেন। তিনি বলতেন-

يَا رَبِّ اِذَ اَعْطَيْـتَهٗ فَاَبْقِهٖ

وَاعْلِهٖ اِلَى الْعَلَا وَارْقِهٖ

وَادْحَضْ اَبَاطِيْلَ الْعَدِىِّ بـِحَقِّهٖ

“আয় বারী তায়ালা! আপনি যখন উনাকে যমীনে পাঠিয়েছেন তখন উনাকে দায়িম-ক্বায়িম রাখুন।

আপনি উনাকে সম্মান-ইজ্জতের সর্বোচ্চ স্থান মুবারকে নিয়েছেন এবং উনাকে সবচেয়ে সুউচ্চ শান মুবারক হাদিয়া করেছেন।

উনার পবিত্র রো’ব মুবারক উনার মাধ্যমে সমস্ত শত্রুদের সকল মিথ্যাচার ধ্বংস করে দিন।”  (খছায়িছুল কুবরা)

সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূল মির্না রদ্বয়াতি তথা রহমতুল্লিল আলামীন, রঊফুর রহীম, নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিতা দুধমাতা হযরত সা’দিয়া আলাইহাস সালাম উনার বেমেছাল শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফে বর্ণিত রয়েছে-

قَالَ حَضْرَتْ اَلْقَاضِىْ اَبُو الْفَضْلِ عِيَاضٌ رَحِمَهُ اللهُ تَعَالـٰى لَـمَّا وَرَدَتْ حَضْرَتْ حَلِيْمَةُ السَّعْدِيَةُ عَلَيْهَا السَّلَامُ عَلـٰى رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَـبَسَطَ لَـهَا رِدَاءَهٗ وَقَضٰى حَاجَتَـهَا

অর্থ: “হযরত ক্বাযী আবুল ফযল আয়ায রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, যখন সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুর রদ্বয়াহ আছ্ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম তিনি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট তাশরীফ মুবারক এনেছিলেন, তখন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুর রদ্বয়াহ আছ্ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার সম্মানার্থে উনার জন্য নিজ সম্মানিত চাদর মুবারক বিছিয়ে দিয়েছিলেন এবং উনার সমস্ত প্রয়োজন মুবারক পূরণ করেছিলেন।” সুবহানাল্লাহ! (সুবুলুল হুদা ওয়ার রশাদ ফী সীরাতি খইরিল ইবাদ ১/৩৮৩)

অপর বর্ণনায় এসেছে-

عَنْ حَضْرَتْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ قَالَ جَاءَتْ حَضْرَتْ حَلِيْمَةُ ابْـنَةُ عَبْدِ اللهِ اُمُّ النَّبِىِّ صَلَّى الله عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنَ الرَّضَاعَةِ اِلـٰى رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمَ حُنَيْنٍ فَـقَامَ اِلَيْهَا وَبَسَطَ لَـهَا رِدَاءَهٗ فَجَلَسَتْ عَلَيْهِ

অর্থ: “হযরত আতা ইবনে ইয়াসার রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিতা দুধ মাতা সাইয়্যিদাতুনা হযরত সা’দিয়াহ বিনতে আবূ যুয়াইব আব্দুল্লাহ আলাইহাস সালাম তিনি পবিত্র হুনাইন জিহাদ উনার দিন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট আগমন মুবারক করেন। তখন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র  ক্বিয়ামী শান মুবারক প্রকাশ করেন এবং উনার জন্য নিজ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র চাদর মুবারক বিছিয়ে দেন। সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুর রদ্বয়াহ আছ্ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম তিনি সেই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র  চাদর মুবারক-এ বসেন।” (শারহুয যারক্বানী আলাল মাওয়াহিব)

অর্থাৎ, স্বয়ং নূরে মুজসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দুধ মাতা আলাইহাস সালাম উনার বসার জন্য নিজ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র  চাদর মুবারক বিছিয়ে দিয়েছেন এবং উনার মহাসম্মানিতা দুধ মাতা আলাইহাস সালাম তিনি উনার সেই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র চাদর মুবারকে বসেছেন। সুবহানাল্লাহ!

মশহূর মতে, ৯ম হিজরীতে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুর রদ্বয়াহ আছ্ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র  মদীনা শরীফে পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন এবং পবিত্র জান্নাতুল বাক্বী শরীফে উনার পবিত্র রওযা শরীফ স্থাপন করা হয়েছে।

মহান আল্লাহ পাক তিনি ছহিবে ছমাদ, ছহিবে সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, মামদূহ মুরশিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক উসীলায় সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুর রদ্বয়াহ আছ্ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার মুবারক শানে জানার এবং সর্বোচ্চ হুসনে যন পোষণ ও আদব রক্ষা করার তাওফীক্ব মুবারক দান করুন। আমীন।

-আহমদ নুছাইর

কারবালার মর্মান্তিক ঘটনার জন্য চির মালউন ইয়াযীদ লা’নতুল্লাহি আলাইহি অবশ্যই দায়ী এবং সে কাফির

অসুস্থ অবস্থায় ইঞ্জেকশন নিয়ে রোযা রাখলে যেমন রোযা হয় না, তেমনি অসুস্থ অবস্থায় চেয়ারে বসে নামায পড়লে নামায হয় না

পবিত্র সূরা আনআম শরীফ উনার ৭৪ নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখিত اَبٌ‘আবুন’ শব্দ মুবারক চাচা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, পিতা অর্থে নয়

হক্কানী রব্বানী আউলিয়া কিরাম উনাদের শানে সবসময় সার্বিকভাবে হুসনে যন রাখতে হবে; উনাদের কাছে বাইয়াত হয়ে ফিরে গেলে মুরতাদ হবে। নাউযূবিল্লাহ!

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক পালনে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদের অনুপম দৃষ্টান্ত মুবারক