ইমামুল মুসলিমীন, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইউস সুন্নাহ ইমামে আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি-৫৮ (বিলাদাত শরীফ- ৮০ হিজরী, বিছাল শরীফ- ১৫০ হিজরী)

সংখ্যা: ২৭২তম সংখ্যা | বিভাগ:

ইমামুল খামিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্রতম ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার ও ইলিম-হিকমত মুবারক হাছিল

ইমামুল মুসলিমীন, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামে আ’যম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ইমামুল খামিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্রতম বরকতময় ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করার সৌভাগ্য অর্জন করেছিলেন।

আর ইমামুল খামিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ঐ সৌভাগ্যবান ব্যক্তি যাকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজ সম্মানিত হায়াত মুবারকে বিশিষ্ট ছাহাবী হযরত জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার মাধ্যমে সালাম মুাবরক প্রেরণ করেছেন। সুবহানাল্লাহ!

হযরত আবূ যুবাইর রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে বর্ণিত, একদা আমরা বিশিষ্ট ছাহাবী হযরত জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার ছোহবত মুবারকে উপস্থিত ছিলাম। বয়স মুবারকের কারণে উনার মুবারক দৃষ্টি শক্তি ও দাঁত মুবারক দূর্বল হয়ে গিয়েছিল। হযরত ইমামুর রবি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজ আওলাদ হযরত ইমামুল খমিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে নিয়ে  সেখানে উপস্থিত হলেন। তিনি উনাকে সালাম জানালেন। আর নিজ আওলাদ উনাকে বললেন, “আপনি আপনার চাচার নিকট যান এবং ক্বদম মুবারকে বুছা দিন। হযরত ইমামুল খমিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার ক্বদম মুবারকে বুছা দিলেন। হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বললেন, ইনি কে? হযরত ইমামুর রবি’ আলাইহিস সালাম তিনি বললেন, ইনি হলেন আমার আওলাদ আলাইহিস সালাম। এটা শুনামাত্র তিনি হযরত ইমামুল খামিস আলাইহিস সালাম উনাকে বুক মুবারকে জড়িয়ে ধরে বাচ্চা শিশুর মতো কান্না শুরু করে দিলেন। অতঃপর উনার দিকে দৃষ্টি মুবারক দিয়ে বললেন, হে ইমামুল খামিস আলাইহিস সালাম! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আপনাকে উনার সালাম মুবারক জানাতে বলেছেন। উনার এক বন্ধু জিজ্ঞেস করলেন। ঘটনা কী? তিনি উত্তরে বললেন-

كُنْتُ عِنْدَ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَدَخَلَ عَلَيْهِ حَضْرَتْ الْـحُسَيْنُ بْنُ عَلِىٍّ عَلَيْهِ  السَّلَامُ فَضَمَّه  إِلَيْهِ وَقَبَّلَه  وَأَقْعَدَه  إِلٰى جَنْبِهٖ ثُـمَّ قَالَ يُوْلَدُ لِأِبْنِـيْ هٰذَا اِبْنٌ يُقَالُ لَه  حَضْرَتْ عَلِىٌّ عَلَيْهِ  السَّلَامُ إِذَا كَانَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ نَادَى مُنَادٍ مِّنْ بُطْنَانَ الْعَرْشِ لِيَقُمْ سَيِّدَ الْعَابِدِيْنَ فَيَقُوْمُ هُوَ وَيُوْلَدُ لَه  حَضْرَتْ مُـحَمَّدٌ عَلَيْهِ السَّلَامُ إِذَا رَاَيْتَه  يَا حَضْرَتْ جَابِرُ رَضِيَ اللّٰهُ تَعَالٰى عَنْهُ فَاقْرَاْ عَلَيْهِ السَّلَامُ مِنِّـيْ وَأَعْلَمْ أَنَّ بَقَائَكَ بَعْدَ ذٰلِكَ الْيَوْمَ قَلِيْلٌ

অর্থ: আমি এক সময় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দরবার শরীফে উপস্থিত ছিলাম। সে সময় উনার নিকট হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সেখানে উপস্থিত হলেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত নূরুল আযহার (কোল) মুবারকে নিলেন এবং বুছা মুবারক দিলেন। অতঃপর ইরশাদ মুবারক করলেন, আমার এ আওলাদ উনার সম্মানিত ঔরস মুবারকে একজন আওলাদ বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করবেন। উনার নাম মুবারক হবে হযরত আলী আলাইহিস সালাম। যখন ক্বিয়ামত সংঘটিত হবে, সম্মানিত আরশ মুবারক উনার পাশে এক ব্যক্তি ঘোষণা দিবেন যে, ইবাদতকারীগণের প্রধান, দাঁড়ান। তখন তিনি দাঁড়িয়ে যাবেন। উনার থেকে এক আওলাদ পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করবেন। উনার পবিত্রতম ইসিম মুবারক হবে মুহম্মদ আলাইহিস সালাম। হে হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু! যখন আপনি উনাকে দেখবেন তখন আমার পক্ষ থেকে সালাম জানাবেন। আর জেনে রাখুন! এ দিনের পরে আপনার হায়াত মুবারক সামান্য বাকী থাকবে। (তারীখে মদীনা দামেস্ক-৫৪/১৭৬, তাযকিরাতুল খাওয়াছ-৩০৩, মিনহাজুস সুন্নাতিন নববীয়া-৪/১১, নূরুল আবসার ফী মানাকিবি আহলি বাইতিন নাবিয়্যল মুখতার-২৮৮)

ক্বায়িম মাক্বামে আবূ রসূলিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাখ্দূমুল কায়িনাত, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের মহাসম্মানিত হযরত দাদা হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার দীদারে মাওলা উনার দিকে প্রস্থান-২৪৭

উম্মু মুর্শিদিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে উম্মু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মালিকুদ দুনিয়া ওয়াল আখিরাহ, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা আমাদের- মহাসম্মানিত হযরত দাদী হুযূর ক্বিবলা কা’বা আলাইহাস সালাম উনার সীমাহীন ফাদ্বায়িল-ফদ্বীলত, বুযূর্গী-সম্মান, মান-শান, বৈশিষ্ট্য এবং উনার অনুপম মাক্বাম মুবারক সম্পর্কে কিঞ্চিৎ আলোকপাত-৯৭

ইমামুল মুসলিমীন, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইউস সুন্নাহ ইমামে আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি-৯২ (বিলাদাত শরীফ- ৮০ হিজরী, বিছাল শরীফ- ১৫০ হিজরী)

দাদা হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার দীদারে মাওলা উনার দিকে প্রস্থান-৪৬

মহাসম্মানিত হযরত দাদী হুযূর ক্বিবলা কা’বা আলাইহাস সালাম উনার সীমাহীন ফাদ্বায়িল-ফদ্বীলত, বুযূর্গী-সম্মান, মান-শান, বৈশিষ্ট্য এবং উনার অনুপম মাক্বাম মুবারক সম্পর্কে কিঞ্চিৎ আলোকপাত-৯৬