ওলীয়ে মাদারজাদ, মুসতাজাবুদ্ দা’ওয়াত, আফযালুল ইবাদ, ছহিবে কাশ্ফ ওয়া কারামত, ফখরুল আউলিয়া, ছুফীয়ে বাতিন, ছহিবে ইস্মে আ’যম, লিসানুল হক্ব, গরীবে নেওয়াজ, আওলাদে রসূল, আমাদের সম্মানিত দাদা হুযূর ক্বিবলা রহমতুল্লাহি আলাইহি-এর স্মরণে- একজন কুতুবুয্ যামান-এর দিদারে মাওলার দিকে প্রস্থান-

সংখ্যা: ১০৪তম সংখ্যা | বিভাগ:

মুহম্মদ সাদী

 (ধারাবাহিক) আনুষ্ঠানিক খিলাফত লাভ    ভিন্নতর অবস্থার কারণে ওলী আল্লাহ্গণেরও আকাঙ্খা-আকুতি এবং চাওয়া-পাওয়ার তারতম্য ঘটা বিচিত্র নয়। যেমন, আল্লাহ্ পাক কোন বিশেষ মুহূর্তে সুলতানুল আরিফীন হযরত বায়েযীদ বোস্তামী রহমতুল্লাহি আলাইহিকে ইলহাম করলেনঃ “আমার তরফ থেকে আজ আপনাকে বখশিশ্ করার সময়। আপনি দরখাস্ত করুন। যা চাইবেন তাই দেয়া হবে।”  তিনি মস্তক সিজদায় অবনত করে নিবেদন জানালেনঃ “গোলামের দরখাস্তের কী প্রয়োজন আল্লাহ্ পাক! আপনি যা দান করবেন, তাতেই আমি সন্তুষ্ট।”    আল্লাহ্ পাক বললেনঃ “আমি আপনাকে আখিরাত দান করলাম।” তিনি সবিনয়ে জবাব দিলেনঃ “আল্লাহ্ পাক! আখিরাততো আপনার আশিকদের জন্য কয়েদখানা।” অতঃপর আল্লাহ্ পাক বললেনঃ “হে আমার আশিক বায়েযীদ! বেহেশত-দোযখ, আরশ-কুরসী, অর্থাৎ আমার অধিকারের সব কিছুই আজ আপনাকে দান করে দিলাম।”  সুলতানুল আরিফীন হযরত বায়েযীদ বোস্তামী রহমতুল্লাহি আলাইহি পুনরায় নিবেদন করলেনঃ “আয় পরওয়ারদিগার! আমি যা চাই, তা আপনি অবহিত আছেন।” আল্লাহ্ পাক-এর তরফ থেকে আবার আওয়াজ এলোঃ “হে বায়েযীদ! আপনি কী আমাকেই চান? আমি যদি আপনাকে চাই, তা’হলে আপনি কী করবেন?” এতে সুলতানুল আরিফীন হযরত বায়েযীদ বোস্তামী রহমতুল্লাহি আলাইহি বিনীত আরয করলেনঃ “আয় আল্লাহ্ পাক! আপনি যদি আমাকে চান, তবে হাশরের দিন জাহান্নামের নিকট দাঁড়িয়ে আমি এমন এক দীর্ঘশ্বাস ফেলব যে, জাহান্নামের আগুন নিভে যাবে। কারণ, মুহব্বতের মুকাবিলায় জাহান্নামের আগুন অস্তিত্বহীন।” আল্লাহ্ পাক জানালেনঃ “হে বায়েযীদ! আপনি যা চাইছেন, তা পেয়েই গেছেন। অর্থাৎ আমি আপনার হয়ে গেছি।” (সুবহানাল্লাহ্) আমাদের আলোচ্য ওলীয়ে মাদারজাদ, মুসতাজাবুদ্ দাওয়াত, আফজালুল ইবাদ, ছহেবে কাশ্ফ ও কারামত, ফখরুল আউলিয়া, ছূফীয়ে বাতিন, ছহেবে ইস্মে আযম, লিসানুল হক্ব, কুতুবুজ্জামান, আওলার্দু রসূল, আলহাজ্ব, শাহ্ ছূফী, হযরতুল আল্লামা, শায়খ, সাইয়্যিদ মুহম্মদ মুখলেছুর রহমান, আল হাসানী ওয়াল হুসাইনী ওয়াল কুরাঈশী রহমতুল্লাহি আলাইহিও জীবনভর কেবল আল্লাহ্ পাককেই চেয়েছেন।  আল্লাহ্ পাককে তিনি পেয়েওছেন। আজ সেই পরম চাওয়া-পাওয়ার পূর্ণতাদান করলেন তাঁর প্রাণের আঁকা মুর্শিদ ক্বিবলা, আমীরে শরীয়ত, মাহতাবে তরীক্বত, হাজীউল হারামাইন, হাদিউস্ সাক্বালাইন, মাহিউল বিদ্য়াত, মুহইস্ সুন্নাতিন্ নুবুবিয়া, নাশিরুল মিল্লাতিল মুস্তাফিয়া, ছদরে জমিয়তে উলামায়ে হানাফিয়া, শায়খুল ইসলাম, ইমামুল হুদা, কাইউমুয্ যামান, কুতুবুল আলম, খলিফাতুল্লাহ, ছাজ্জাদানশীন পীর, পীরে দস্তগীর, পীরে কামিল, আলহাজ্ব, হযরত মাওলানা আবূ নছর মুহম্মদ আবদুল হাই ছিদ্দীকী ফুরফুরাবী রহমতুল্লাহি আলাইহি।  খানকা শরীফে উপস্থিত সবার অলক্ষ্যে খাছ কামরার একান্ত নিরিবিলিতে প্রাণের আঁকা মুর্শিদ ক্বিবলা মুবারক জীবনের সঞ্চিত নিয়ামতের নির্যাস তাঁর মাহবুব হযরতুল আল্লামা সাইয়্যিদ মুহম্মদ মুখলেছুর রহমান রহমতুল্লাহি আলাইহিকে দান করে সমৃদ্ধ করলেন এবং নিজে নির্ভার হয়ে তাঁকে বিশিষ্ট খলিফা অভিধায় অভিষিক্ত করে আল্লাহ্ পাক-এর কাছে সোপর্দ করে দিলেন। য (অসমাপ্ত)

ক্বায়িম মাক্বামে আবূ রসূলিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাখ্দূমুল কায়িনাত, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের মহাসম্মানিত হযরত দাদা হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার দীদারে মাওলা উনার দিকে প্রস্থান-২৪৭

উম্মু মুর্শিদিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে উম্মু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মালিকুদ দুনিয়া ওয়াল আখিরাহ, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা আমাদের- মহাসম্মানিত হযরত দাদী হুযূর ক্বিবলা কা’বা আলাইহাস সালাম উনার সীমাহীন ফাদ্বায়িল-ফদ্বীলত, বুযূর্গী-সম্মান, মান-শান, বৈশিষ্ট্য এবং উনার অনুপম মাক্বাম মুবারক সম্পর্কে কিঞ্চিৎ আলোকপাত-৯৭

ইমামুল মুসলিমীন, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকিমুল হাদীছ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইউস সুন্নাহ ইমামে আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি-৯২ (বিলাদাত শরীফ- ৮০ হিজরী, বিছাল শরীফ- ১৫০ হিজরী)

দাদা হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার দীদারে মাওলা উনার দিকে প্রস্থান-৪৬

মহাসম্মানিত হযরত দাদী হুযূর ক্বিবলা কা’বা আলাইহাস সালাম উনার সীমাহীন ফাদ্বায়িল-ফদ্বীলত, বুযূর্গী-সম্মান, মান-শান, বৈশিষ্ট্য এবং উনার অনুপম মাক্বাম মুবারক সম্পর্কে কিঞ্চিৎ আলোকপাত-৯৬